আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'ভোট দিলে সব মাফ'
নির্বাচনের আচরণবিধি নিয়ে দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘ভোট দিলে সব মাফ’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি চাপে থাকা সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ নির্বাচন উৎসবমুখর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করা এবং কেন্দ্রে ভোটার আনা।
কারণ মাঠের বড় দল বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ ১৬টি নিবন্ধিত দল নির্বাচন বর্জন করেছে।
বিএনপি ভোট বর্জন করলেও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির ভোটারদের ভোট পেতে চায় আওয়ামী লীগ।
বিএনপির ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে প্রচারণায় নানারকম কৌশল যোগ করেছেন আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র ও নৌকার প্রার্থীরা।
এ কৌশলের অন্যতম হলো ভোট দিলে হামলা-মামলা থেকে রেহাই মিলবে বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের এমন আশ্বাস দেওয়া।
আর এমন আশ্বাসে আস্থা রাখার কথাও জানা যাচ্ছে বিভিন্ন সংসদীয় এলাকা থেকে।
বিএনপির ভোট টানতে সরাসরি আওয়ামী লীগের পদ-পদবিতে না থাকা নেতাদের কাজে লাগাচ্ছে আওয়ামী লীগ। যাতে বিএনপি সমর্থকদের কাছে ভোট চাওয়া সহজ হয়।
নির্বাচনে আসন বণ্টন ও জয়ের সমীকরণ নিয়ে সমকালের প্রথম পাতার খবর, ‘১১৮ আসনে নৌকা নিরাপদ’।
প্রতিবদেনে বলা হচ্ছে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দলের ১১৮ প্রার্থীর বিজয় প্রায় নিশ্চিত। এসব আসনে আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন।
এ কারণে এসব আসনে নির্বাচনী প্রতিযোগিতা নেই বললেই চলে। এ সুযোগে অনেক প্রার্থী পাশের নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
ওই ১১৮ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর অনেকেই নিজেদের পছন্দের স্বতন্ত্র প্রার্থী দাঁড় করিয়েছেন।
এই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কেউ কেউ তাদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন। কেউ কেউ নিকটাত্মীয়।
নির্বাচনী এলাকায় এসব স্বতন্ত্র প্রার্থীর কোনো অবস্থান নেই। এমনকি নির্বাচনী এলাকায় তাদের পোস্টারও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
ফলে ওই ১১৮ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা জয়ের পথে তেমন বাধা নেই।
এর অধিকাংশ আসনে দলটির কোনো নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী না হওয়ায় এবং ছোট ছোট রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা পিছিয়ে থাকায় সরকারি দলের প্রার্থীরা আছেন বেশ ফুরফুরে।
আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে অংশ নেয়া পক্ষগুলোর পরিস্থিতি নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘শেষ সময়ে বেপরোয়া প্রার্থী-সমর্থকরা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচনে প্রচারের শেষদিকে এসে বেপরোয়া আচরণ করছেন অনেক প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা।
তাদের অনেকেই গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এবং আচরণবিধির লঙ্ঘন করে প্রচার চালাচ্ছেন।
এছাড়া ভোটার টানতে টাকা বিতরণ, প্রতিপক্ষের ওপর হামলা, প্রচারে বাধা, নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনায় জড়িয়ে পড়ছেন বেশ কয়েকজন প্রার্থী ও তাদের কর্মীরা।
নির্বাচন কমিশন সতর্ক করার পরও বারবার নির্বাচনী অপরাধ করেছেন অনেক প্রার্থী।
চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে সরকারের বেশকিছু কর্মকর্তাও বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন।
অনেক প্রার্থী প্রশাসনকে পক্ষে পেতে নানা ধরনের তৎপরতা চালাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, প্রশাসনকে হুমকি-ধমকি দেওয়ার ঘটনাও রয়েছে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে ধরপাকড় নিয়ে প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, ‘ভোটের প্রচার শুরুর দিনে ১৪ মামলা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরুর পর থেকে ১২ দিনে হামলা, সংঘর্ষ, নাশকতা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সারা দেশে ১৮৪টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ২১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে এ বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। যা নির্বাচনের দিন পর্যন্ত চলবে।
নভেম্বর ও ডিসেম্বরে সারা দেশে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২২১টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের উপমহাপরিদর্শকের বরাত দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে প্রথম আলো।
উল্লেখ্য, আগামী ৭ই জানুয়ারি সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৮ই ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়। এসব ঘটনায় করা মামলায় ৪৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রচারণা ঘিরে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হামলা, সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। এ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলাও হচ্ছে।
এদিকে সদ্য বিদায়ী বছরের রাজনীতি ও অর্থনীতি নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Political crisis to keep clouding economy’ অর্থাৎ ‘রাজনৈতিক সংকটে ঘোলাটে অর্থনীতি’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হলে পশ্চিমারা ভিসা অনুমোদন এবং বাণিজ্য বিধিনিষেধের যে হুমকি দিয়েছিল।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টেরও বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
অন্যদিকে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, ডলারের তীব্র সংকট, রিজার্ভ আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন হওয়ার করার ধাক্কাও রয়েছে।
সব মিলিয়ে ‘নতুন বছরে চ্যালেঞ্জগুলো আরও জটিল হবে’ বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ।
মূলত ২৮শে অক্টোবর বিএনপির ঢাকা সমাবেশকে কেন্দ্র করে সরকার বিরোধীদের বিরুদ্ধে দমন অভিযান শুরু করে।
বিএনপি অভিযোগ করেছে যে নির্বাচনের আগে তাদের শীর্ষ নেতারা সহ ২৩ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এই সংকটের সমাধান প্রসঙ্গে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘সংকটে স্বস্তি আনতে পারে সংস্কার’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিদায়ী বছরে অর্থনীতির সব সূচক ছিল নেতিবাচক। বছরজুড়ে উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে পিষ্ট হয়েছে ক্রেতা-ভোক্তা।
তবে অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে সংকট কাটবে এমনটা মনে করছেন ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা।
তাদের মতে, চলমান অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে কঠোর সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিলে নতুন বছরে স্বস্তি মিলবে। স্থিতিশীল হবে দেশের অর্থনীতি।
এতে হয়তো উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে না, তবে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আসবে। তবে কর্মসংস্থানের সুদিন ফিরবে, বাড়বে শ্রমজীবী মানুষের আয়।
শিল্পের উৎপাদনে গতিশীলতা ও আমদানি-রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
আর এই স্বস্তির সুবাতাস ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন হবে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার।
নির্বাচন-পরবর্তী নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
দেশের অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ইশতেহারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার ঘোষণা করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঋণের সুদহার বাড়িয়েছে। পরিবর্তন আসবে নতুন বছরের মুদ্রানীতিতেও।
তাছাড়া বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম কমে আসার সুফল মিলবে নতুন বছরে। তবে শিগগিরই অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে এমনটাও বলছেন না অর্থনীতিবিদরা।
মূল্যস্ফীতি নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘বর্তমান নীতি অনুসরণ করলে বছরজুড়েই থাকবে মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জ’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০২২ সালের শুরুতেও দেশের মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ। যেটি গত বছরের মে মাসে ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশে উঠে যায়, যা এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।
গত বছরের অক্টোবরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ছিল সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
মূল্যস্ফীতির রাশকে টেনে ধরতে সুদের হার বাড়ানো এবং বাজেটের আকার কমানোর মতো নানা আগ্রাসী পদক্ষেপ নেয়ার প্রস্তাব এসেছিল।
কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় এ ধরনের আগ্রাসী পদক্ষেপ নেয়াটা সরকারের জন্য অনেকটাই দুরূহ ব্যাপার।
সুদহার ও বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়ার মতো ভারসাম্যমূলক পদক্ষেপে এখনই হাঁটতে চায় না কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
ফলে ধীরে ধীরে পদক্ষেপ নেয়ার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখতে চান নীতিনির্ধারকরা।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রক্ষেপণ হচ্ছে, ২০২৪ সালে এ ধরনের ধীরগতির পদক্ষেপের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নামিয়ে আনা অনেকটাই দুঃসাধ্য ব্যাপার।
ব্যাংক ঋণ নিয়ে ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, ‘নতুন বছরে ব্যাংক ঋণের সুদহার ১২ শতাংশ’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মূল্যস্ফীতি সামাল দিতে ধারাবাহিক সুদহার বাড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে ২০২৪ নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ঋণের সুদহার হবে ১১ দশমিক ৮৯ শতাংশ। তবে ভোক্তা ঋণের সুদহার পড়বে প্রায় ১৩ শতাংশ।
যে পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে এখন ঋণের সুদহার নির্ধারিত হচ্ছে, তা হলো ‘স্মার্ট’ বা সিক্স মান্থ মুভিং অ্যাভারেজ রেট অব ট্রেজারি বিল হিসেবে পরিচিত।
প্রতি মাসের শুরুতে এই হার জানিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
চলতি বছরের জুলাইয়ে ১৮২ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের ছয় মাসের গড় সুদহার (স্মার্ট রেট) ছিল ছিল সাত দশমিক ১০ শতাংশ যা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে বাড়তে সবশেষ ডিসেম্বরে আট দশমিক ১৪ শতাংশে দাঁড়ায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসের ‘স্মার্ট’ হারের সঙ্গে এখন সর্বোচ্চ তিন দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে মার্জিন বা সুদ যোগ করে জানুয়ারি মাসে ঋণ দিতে পারবে ব্যাংকগুলো।
অন্যদিকে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে মার্জিন যোগ করতে পারে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।
সেই হিসাবে, নতুন ২০২৪ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে বড় অঙ্কের ঋণে সর্বোচ্চ ১১ দশমিক ৮৯ শতাংশ সুদ নিতে পারবে।
তবে জানুয়ারিতে ব্যক্তিগত ও গাড়ি কেনার ঋণে ব্যাংক নিতে পারবে ১২ দশমিক ৮৯ শতাংশ সুদ।
খাদ্য সংকট নিয়ে পরিসংখ্যান ব্যুরোর সমীক্ষা নিয়ে নয়া দিগন্তের পেছনের পাতার খবর, ‘দেশের ২২ শতাংশ মানুষ খাদ্য অনিশ্চয়তায়’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২২ শতাংশ মানুষ অর্থাৎ দেশের প্রায় প্রতি পাঁচজন মানুষের মধ্যে একজন খাদ্য অনিশ্চয়তায় ভুগছে।
এই খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় বেশি ভুগছে রংপুর বিভাগের মানুষ। অন্য দিকে সিলেটের মানুষ সব থেকে বেশি তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে বলে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে।
বিবিএস বলছে, রংপুরে প্রতি ১০০ জনে প্রায় ৩০ জন খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন, অন্য দিকে সিলেটে ১০০ জনে এক দশমিক ৪২ জন তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
দেশে গড় খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার হার ২১ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং গড় তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার হার ০ দশমিক ৮৩ শতাংশ।
চরম খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে একজন। বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বাড়লেও দেশের মানুষের ক্যালরি গ্রহণের হার বেড়েছে।
তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অপুষ্টিতে থাকা ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একটি।
ভিন্ন ধরণের শিরোনাম করেছে দ্য ডেইলি স্টার ‘Farm-friendly policies working wonders’ অর্থাৎ ‘কৃষি-বান্ধব নীতি বিস্ময়কর কাজ করছে’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, স্বাধীনতার পর গত পাঁচ দশকে, দেশের কৃষি খাত মাইলফলক ছুঁয়েছে।
অন্যান্য অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রতি বছরই কৃষি উৎপাদন বাড়ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২৮টি প্রধান পণ্যের মোট ফলন ২০১২-১৩ সালে ছিল ৬৬৭ দশমিক ৫৩ লাখ টন যা ২০২২-২৩ সালে ৯৬১ দশমিক ৪৬ লাখ টনে দাঁড়ায়।
অর্থাৎ গত ১০ বছরে উৎপাদন ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
অন্যদিকে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশটি ৮৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার কৃষি পণ্য রপ্তানি করে রেকর্ড গড়েছে।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে, পাট, মরিচ ও শুকনা মরিচের পাশাপাশি সুপারি উৎপাদনে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
সেইসাথে মানুষের জীবিকা উন্নীত হয়েছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং জাতীয় রাজস্ব খাতে ১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ অবদান রেখেছে।
যেহেতু জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বাড়ার ফলে পণ্যের দামও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাই কৃষি উৎপাদন বিক্ষুব্ধ বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করতে পারে।