'কেউ নিষেধাজ্ঞা দেবে না, তলে তলে আপস হয়ে গেছে'

পত্রিকা

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যকে ঘিরে কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, ‘কেউ নিষেধাজ্ঞা দেবে না, তলে তলে আপস হয়ে গেছে : সেতুমন্ত্রী’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আমিনবাজারে অনুষ্ঠিত শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে মন্ত্রী বলেছেন,

‘কোথায় নিষেধাজ্ঞা? কোথায় ভিসানীতি? তলে তলে আপস হয়ে গেছে। দিল্লি আছে। আমেরিকার দিল্লিকে দরকার। আমরা আছি, দিল্লিও আছে। দিল্লি আছে, আমরা আছি। শত্রুতা কারো সঙ্গে নেই। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব। শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর কন্যা, এমন ভারসাম্য সবার সঙ্গে করে ফেলেছেন, আর কোনো চিন্তা নেই। নির্বাচন হবে, যথাসময়ে হবে।’ তিনি বলেন।

এছাড়া বিএনপির দেয়া আল্টিমেটামের বিষয়ে তিনি বলেন, ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলেন। সে আলটিমেটাম বুড়িগঙ্গায় ভেসে গেছে। এখন এই জায়গায়, ওই জায়গায়, নগরে, উপজেলায়, এরা দিশাহারা পথিকের মতো আন্দোলনের নামে ঘুরে বেড়ায়। এতে কোনো কাজ হবে না। নির্বাচন ছাড়া বাংলাদেশের জনগণ এই মুহূর্তে আর কিছুই চায় না।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যকে ঘিরে কালবেলার প্রথম পাতার খবর, 'শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে বিএনপি নির্বাচনে যাবেই না'।

খালেদা জিয়াকে অসুস্থ অবস্থায় রেখে বিএনপি নির্বাচনে যাবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রশ্নই উঠতে পারে না। শুধু খালেদা জিয়াকে এই অবস্থায় রেখে নয়, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখেও বিএনপি কোনো নির্বাচনে যাবে না।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে না দেওয়াকে অসাংবিধানিক বলে মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, সুচিকিৎসা পাওয়া একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার।যে রোগের চিকিৎসা দেশে সম্ভব নয়, সামর্থ্য অনুযায়ী দেশের বাইরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে বাধা দেওয়া সংবিধানকে অবজ্ঞা করার শামিল।

প্রকৃতপক্ষে খালেদা জিয়াকে সংবিধানে দেওয়া চিকিৎসা সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

স্থায়ী কমিটির সভায় পরিবারের আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে নাকচের পর খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দিতে বিএনপির পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি দাবি জানানোর সিদ্ধান্ত হয়।

আরও পড়তে পারেন
কালের কণ্ঠ
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘তফসিলের আগেই ঢাকায় বৃহত্তর আন্দোলন’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায় হওয়া না পর্যন্ত তফসিল ঘোষণার আগেই বৃহত্তর আন্দোলনে নামার কথা জানিয়েছে বিএনপি।

জানা গেছে, বৃহত্তর ও লাগাতার কর্মসূচির আগে ঢাকায় বড় সমাবেশ থেকে দাবি মানতে আলটিমেটাম দিতে পারে বিএনপিসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকরা। ২০শে অক্টোবরের আগেই এই সমাবেশ হতে পারে।

দুর্গাপূজা শেষ হওয়া পর্যন্ত এ আলটিমেটাম চলতে পারে। দাবি না মানলে পূজার পর থেকে চূড়ান্ত ধাপের আন্দোলনে পা রাখবে বিএনপি, যা তফসিলের পরেও চলতে পারে।

এক দফা দাবিতে গত ১৯শে সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া চূড়ান্ত আন্দোলনের প্রথম ধাপে এখন রোডমার্চ ও সমাবেশের কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম অঞ্চলে রোডমার্চের মধ্য দিয়ে এ পর্যায়ের কর্মসূচি সমাপ্ত হবে।

প্রথম ধাপের কর্মসূচি শেষে ৭ই অক্টোবর থেকে চূড়ান্ত ধাপের আন্দোলন শুরু হতে পারে। ১৮ই অক্টোবরের দিকে সরকারকে পদত্যাগে আলটিমেটাম দেয়ার আগ পর্যন্ত ঢাকার পাশাপাশি ঢাকার বাইরেও কিছু কর্মসূচি হতে পারে। তবে আলটিমেটাম শেষে কর্মসূচি হবে ঢাকাকেন্দ্রিক। তখন সারা দেশের নেতাকর্মীরা ঢাকার কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।

চলতি অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঢাকায় এক দফার যুগপৎ আন্দোলন বেগবান করবে বিএনপি।

নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের ভিন্ন ধরণের প্রস্তুতি নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘বড় প্রকল্প উদ্বোধন করে ভোটের যাত্রায় আওয়ামী লীগ’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চলতি অক্টোবর মাস জুড়ে বেশ কয়েকটি বড় বড় প্রকল্প উদ্বোধন করে নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ।

চলতি মাসেই সাতটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে এবং প্রায় প্রতিটি উদ্বোধনের দিন সুধি সমাবেশ হবে এবং সমাবেশগুলোতে বিপুল জমায়েত নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে ক্ষমতাশীল দলটি।

এই কর্মযজ্ঞ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে বৃহস্পতিবার থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি ইউরেনিয়াম হস্তান্তর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এবং শেষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি হতে পারে ২৮ শে অক্টোবর। ওই দিন চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের উদ্বোধন করা হতে পারে।

এরপর চট্টগ্রামে বড় আকারে সুধি সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। এই দুটি প্রকল্পের মাঝে ঢাকা মেট্রো রেলের মতিঝিল পর্যন্ত চলাচল শুরু, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধন, ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

সেইসাথে ১৪০টি সেতু, ১২টি ওভারপাস ও যানবাহনের ফিটনেস পরীক্ষান স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র উদ্বোধন হতে পারে। সেইসাথে উদ্বোধন হতে পারে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেল চলাচল।

এসব উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময়ে এগিয়ে আসবে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর কোন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা যায় না কারণ তা নির্বাচনী আচরণের লঙ্ঘণ হিসেবে গণ্য হয়।

প্রথম আলো

এদিকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়ন নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘অর্থনীতির সংকট কেটে যাওয়ার আভাস নেই’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের বছরখানেক ধরে যে উচ্চ মূল্যস্ফীতি চলছে তা শিগগিরই কমে যাওয়া সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

ডলার সংকট থেকে উত্তরণের আশা নেই। অর্থনীতির সাম্প্রতিক বিভিন্ন সূচক এমনই বার্তা দিচ্ছে। মঙ্গলবার বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশের উন্নয়নের হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে এসব তথ্য উঠে আসে।

প্রতিবেদনে অর্থনীতির বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে বিশ্ব ব্যাংক। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ হারের মূল্যস্ফীতির চাপ, বহির্খাতের ওপর চাপ, টাকা ডলার বিনিময় হারের অস্থিরতা, আর্থিক খাতের ভঙ্গুরতা, খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়া, প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স হ্রাস, ব্যক্তি খাতের ঋণ গ্রহণ কমে আসার বিপরীতে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের ঋণ বেড়ে চলা এরকম আরো কিছু সংকটের কথা বলা হয়।

অর্থনীতিবিদরা বর্তমান সংকট দ্রুত সমাধান হবে বলে মনে করছেন না। বিশ্বব্যাংকও বলছে নিকট মেয়াদে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বজায় থাকতে পারে বৈদেশিক লেনদেনের উপর চাপ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাপ।

বিশ্ব ব্যাংক মনে করছে এই অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধি গত অর্থ বছরের চেয়ে কমে যেতে পারে। সংস্থাটির ধারণা জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫.৬ শতাংশ, যা সরকারের লক্ষ্যমাত্রা ৭.৫ শতাংশের চেয়ে অনেক কম।

আইএমএফ এর রিভিউ মিশন নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান খবর, ‘মূল নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে রিজার্ভ ইস্যু’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঋণ কর্মসূচির আওতায় শর্ত বাস্তবায়ন ও সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মঙ্গলবার ঢাকায় এসেছে আইএমএফের একটি মিশন। আজ থেকে তারা সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও সংস্থার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসছে।

এসব বৈঠকে ঋণ কর্মসূচির আওতায় যেসব শর্ত রয়েছে সেগুলোর বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। এর মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, রাজস্ব আহরণ পরিস্থিতি ও জ্বালানি পণ্যের দাম নির্ধারণের মতো বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসব মানদণ্ডে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

বিশেষ করে গত জুন নাগাদ সংস্থাটি যেসব শর্ত দিয়েছিল, তার মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার নিট রিজার্ভ ও রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। শর্ত পরিপালনে ঘাটতি থাকায় দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ পাওয়া কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

চলতি বছরের ৩০শে জানুয়ারি আইএমএফের নির্বাহী বোর্ডের সভায় বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সাত কিস্তিতে ৪২ মাসে এ ঋণ পাবে বাংলাদেশ।

২০২৬ সাল পর্যন্ত এ ঋণ কর্মসূচি চলাকালীন বাংলাদেশ সরকারকে বিভিন্ন ধরনের শর্ত পরিপালন ও সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ দুটি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও অন্যান্য শর্ত বাস্তবায়ন এবং বর্তমান বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে আইএমএফের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড় নিয়ে আশাবাদী সরকার।

যুগান্তর

এদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে কমছে ক্রয়ক্ষমতা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বৈশ্বিক মন্দার প্রভাবে বিদায়ি অর্থবছরে সরকারের আয় কমেছে, কিন্তু এর বিপরীতে ব্যয় বেড়েছে। বাড়তি ব্যয় মেটাতে সরকারকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ মানেই হচ্ছে ছাপানো টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ছাপানো টাকা বাজারে ছাড়ার রেকর্ড গড়েছে সরকার। এসব অর্থ বাজারে এসে একদিকে মুদ্রা সরবরাহ বাড়িয়ে দিচ্ছে, অন্যদিকে কমিয়ে দিচ্ছে টাকার মান।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাড়তি ঋণ গ্রহণের কারণে বাজারে টাকার প্রবাহ বেড়ে গেছে। যে হারে টাকার প্রবাহ বাড়ছে, ওই হারে উৎপাদন বাড়ছে না। ফলে পণ্যের দাম বেড়ে গিয়ে মূল্যস্ফীতি ঘটাচ্ছে। ফলে মুদ্রানীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে না।

এতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। টাকার ক্ষয় হওয়ার কারণে মানুষের আয়ও কমে যাচ্ছে। এতে মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে চাহিদা কমাতে বাধ্য হচ্ছে। যারা দারিদ্র্যসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন, তারা দারিদ্র্যসীমার মধ্যে পড়ে যাচ্ছেন। এতে দারিদ্র্য বাড়ছে।

রাজস্ব আয় না বাড়িয়ে ছাপানো টাকায় সরকার চলতি ব্যয় নির্বাহ করছে, যা দেশের পুরো অর্থনীতিকে এলোমেলো করে দিচ্ছে। ছাপানো টাকার কুফলে মূল্যস্ফীতির হার বাড়ায় বৈশ্বিকভাবেও দেশের অর্থনৈতিক সূচকগুলোর প্রতি আস্থার ক্ষেত্রে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। সব মিলে দুর্নাম হচ্ছে দেশের।

নিউ এইজ

শিক্ষা পরিস্থিতি নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Teachers’ poor competency hampers primary education’ অর্থাৎ ‘শিক্ষকদের দক্ষতায় দুর্বলতা প্রাথমিক শিক্ষাকে ব্যাহত করছে।’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের যোগ্যতায় দুর্বলতা থাকায় বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার মান পড়ে গিয়েছে।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, প্রাথমিক শিক্ষকদের সর্বোচ্চ একাডেমিক সনদ থাকা সত্ত্বেও দক্ষতার অভাব রয়েছে। এর বারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, শিক্ষকদের কম বেতন, পদোন্নতি এবং কর্মজীবনে সুযোগ-সুবিধার অভাব এবং সামাজিক মর্যাদা না থাকাকে।

কিন্তু দক্ষ শিক্ষক ছাড়া শিক্ষার্থীদের সেরা শিক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। এই প্রেক্ষাপটে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ৫ই অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হবে।

বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারি ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৫টি। এতে শিক্ষক রয়েছে তিন লাখ ৬২ হাজার ৭০৯ জন। এবং শিক্ষার্থী রয়েছে এক কোটি ৩৫ লাখেরও বেশি।

মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর, ‘ড. ইউনূসকে দুদকে তলব’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ড. ইউনূসকে ৫ই অক্টোবর সশরীরে দুদকে হাজির হতে বলেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।

গ্রামীণ টেলিকমের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ আট আসামিকে তলব করেছে দুদক। তাদের মধ্যে চার জনকে বুধবার এবং বৃহস্পতিবার ড. ইউনূসসহ চার জনকে সশরীরে দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

এদিকে, দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করেছেন বলে ড. ইউনূসকে ডেকেছেন। আসা না আসা সেটা তার ব্যাপার।

সাংবাদিকদের দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি কমিশনের কাজ নয়। কমিশন সিদ্ধান্ত নেয় মামলা হবে কি, হবে না। এ বিষয়ে মামলা হয়েছে, এখন তদন্ত কর্মকর্তা ঠিক করবেন কাকে তিনি ডাকবেন। তিনি যাকে প্রয়োজন মনে করবেন তাকেই ডাকবেন।

গত ৩০শে মে গ্রামীণ টেলিকম থেকে শ্রমিক-কর্মচারীদের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলাটি দায়ের করেন দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার।