'যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে ভর করছে বিএনপি, লক্ষ্য অক্টোবর'

পত্রিকা

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতিতে ভর করছে বিএনপি, লক্ষ্য অক্টোবর’। এ প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত জুলাইয়ে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি সফল না হওয়ায় হতাশ নেতারা কয়েক দিন আগেও পরিস্থিতি উত্তরণের পথ খুঁজছিলেন।

তবে মার্কিন ভিসানীতির প্রয়োগ শুরু হওয়ায় এখন প্রেক্ষাপট বদলাতে শুরু করেছে বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।

এর ফলে বিএনপির জন্য চূড়ান্ত আন্দোলনের রাজনৈতিক ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। এই প্রেক্ষাপটে চলমান আন্দোলন আরো জোরদার করার বিষয়ে দলের ভেতরে আলোচনা হচ্ছে।

আগামী পাঁচই অক্টোবর চলমান কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর আরো শক্তভাবে মাঠে নামতে চায় বিএনপি। এ যাত্রায় ভিসানীতি প্রয়োগের সুযোগ কাজে লাগিয়ে অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে।

বিএনপি নেতাদের দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎ, ফটোসেশনের ছবি এবং সেলফি ভাইরালের ঘটনার পর এখন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতির প্রয়োগের পদক্ষেপ ক্ষমতাসীনদের মধ্যে হতাশা তৈরি করেছে।

এতে সরকারি দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, প্রশাসনসহ সর্বস্তরে এক ধরনের টানাপড়েন শুরু হবে। এ রকম প্রেক্ষাপট চূড়ান্ত আন্দোলনের জন্য উপযুক্ত সময় বলে মনে করছে বিএনপি।

নির্বাচনকে ঘিরে ইসির প্রস্তুতি নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন, তবু চলছে প্রস্তুতি’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সব ধরণের প্রস্তুতি নিতে শুরু করলেও নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর বিরোধের কোন সমাধান এখনো হয়নি।

নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধ এখনও চলছে। বিএনপি এখনও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে এবং বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন না করার অবস্থানে অটল রয়েছে।

এমন পটভূমিতে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন এখনও অনিশ্চিত। তবে নির্বাচন কমিশন নিজেদের ঘোষিত কর্ম পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্বাচনের সব ধরণের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।

চলতি বছর ডিসেম্বরের শেষে বা সামনের বছর জানুয়ারীর শুরুতে ভোট হতে পারে। সে লক্ষ্যে নভেম্বরে তফসিল ঘোষণা হতে পারে। এ লক্ষ্যে ইসি এখন হালনাগাদ ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ করছে, সারাদেশের ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

কালের কণ্ঠ
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

নির্বাচন কমিশনের কাজের পরিধি নিয়ে সমকালের প্রধান খবর, ‘সরকারের ঘরে বল ঠেলে নিস্তার চায় ইসি’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ঢাকঢোল পিটিয়ে সংলাপ করলেও এর বেশির ভাগ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ইসির কোনো অগ্রগতি এখনও দৃশ্যমান নয়।

বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পর্যবেক্ষক না পাঠানোর সিদ্ধান্ত এবং সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞাসহ সব ইস্যুতেই সরকারের পায়ে বল ঠেলে দিয়ে নিস্তার পেতে চাইছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি।

নির্বাচন কমিশন কাজের পরিধি ধীরে ধীরে ছোট করে আনছে। একই সঙ্গে সংকুচিত হয়ে আসছে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশও। ইসি-সংশ্লিষ্টরা অবশ্য বলছেন, রাজনৈতিক বিরোধ চলমান রেখে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের নজির দেশে নেই।

তবে তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত এই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে ইসি বলছে শেষ পর্যন্ত যারা অংশ নেবে, তাদের নিয়েই নির্বাচন করতে হবে। এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে করণীয় পুরোপুরি সরকারের বিষয় বলে তারা মনে করে সংস্থাটি।

ভিসা নীতি নিয়ে ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, ‘ভিসা নীতির প্রভাব শেয়ার বাজারে’। এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি প্রয়োগ নিয়ে নানা গুজব ও অপপ্রচারের কারণে রবিবার সপ্তাহের প্রথম কার্য দিবসে শেয়ারবাজারে বড় দল পতন হয়েছে।

লেনদেন কমার পাশাপাশি এদিন ঢাকা ও চট্টগ্রামে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায় রবিবার লেনদেন শুরুর পর প্রথম দেড় ঘন্টা সূচক ওঠানামার মধ্যে থাকলেও পরে বিক্রয়ের চাপে সূচকের বড় দর পতন হয়।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি প্রয়োগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের গুজব ও অপপ্রচার চলছে। রবিবার ব্রোকারেজ হাউসগুলোতেও আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলে ভিসা নীতি। শেয়ার বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ডেইলি স্টার

দ্রব্যমূল্য নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘Price capping a windfall for syndicates?’ অর্থাৎ ‘পণ্যের দাম বেঁধে দেয়া কি সিন্ডিকেটের জন্য পরাজয়?’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকার যতবার কোনো পণ্য বা সেবার মূল্য নির্ধারণের চেষ্টা করেছে, অজান্তেই বাজারের সিন্ডিকেটের কাছে হার মানতে হয়েছে। গত ১৪ই সেপ্টেম্বর ডিম, আলু ও পেঁয়াজের দাম নির্ধারণের করে দিলেও সেটা বাস্তবায়নে সরকারের ব্যর্থতা প্রকাশ পেয়েছে। সরকারের নির্ধারিত তিন পণ্যের কোনোটিই নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না।

এছাড়া কোরবানির ঈদের সময় কাঁচা চামড়া, এলপিজি থেকে পেঁয়াজ, সার থেকে চিনি, স্যালাইন থেকে ভোজ্যতেল পর্যন্ত বর্ধিত দাম নিয়ন্ত্রণে সাফল্যের কথা বলতে গেলে খুব কমই আছে। এতে একটি প্রশ্নই উঠছে, সরকার কেন সমস্যার মূলে গিয়ে সমাধান না খুঁজে দাম বেধে দেয়ার পথ অবলম্বন করছে?

অর্থনীতিবিদরা পরামর্শ দিয়েছেন, সরকারের উচিত হবে সরবরাহ ব্যবস্থার সব সমস্যা দূর করা এবং বাজারে প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষন করা যাতে বাজার দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে।

মাছের উৎপাদন নিয়ে ডেইলি সানের প্রধান শিরোনাম, ‘Adverse weather hits fish production’ অর্থাৎ ‘প্রতিকূল আবহাওয়ায় মাছের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে’।

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের মৎস্য খাত অনাকাঙ্ক্ষিত আবহাওয়ার কারণে, বিশেষ করে বর্ষাকাল মাছ চাষের ভরা মৌসুমে হলেও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে উৎপাদন পড়ে গিয়েছে।

এমন বিরূপ আবহাওয়ার কারণে চাষের এবং নদীর মাছ উভয়ের উৎপাদনে সংকট তৈরি হবে।

মৎস্য বিজ্ঞানী ও গবেষকরা বলছেন, পানির তাপমাত্রা মাছের বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। হ্যাচারিগুলো প্রযুক্তির মাধ্যমে এই বিষয়গুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেও, খোলা উৎসগুলোয় তা সম্ভব না।

তাপপ্রবাহ এবং বর্ষা মৌসুমে কম বৃষ্টিপাত দেশের মাছ চাষে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে, এতে খোলা পানির মাছের প্রজনন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় বেশির ভাগই জলাশয়ের শুকিয়ে গেছে, ফলে মাছ চাষে বিলম্ব হচ্ছে।

বণিক বার্তা

রেলওয়ের মেগা প্রকল্প নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান খবর, ‘দুই মেগা প্রকল্পের অর্থনৈতিক সুফল নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রেলের নতুন প্রস্তাব’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রধান দুটি রেলপথ মেগা প্রকল্প অর্থনৈতিকভাবে কতোটা লাভজনক হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বাংলাদেশ রেলওয়েতে বর্তমানে দুটি মেগা প্রকল্প চলমান। এর একটি পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প, যার আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেলপথ।

অন্যদিকে চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে। কিন্তু নির্মানাধীন রেলপথের অর্থনৈতিক সুফল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে কারণ কোনোটিই এখনো বাণিজ্যিক কার্যক্রমে যেতে পারেনি। এছাড়া চালু হলেও রেলপথগুলো ‘আন্ডার ইউটিলাইজড’ বা কম ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কাও করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এমন অনিশ্চয়তার মধ্যেই নতুন করে আরেকটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ভাঙ্গা থেকে বরিশাল ও পায়রা বন্দর হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৪১ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকা।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত দীর্ঘ ২১৫ কিলোমিটার নতুন রেলপথসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর নির্মাণকাল ধরা হয়েছে ২০২২-২৯ সাল পর্যন্ত। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৮০ শতাংশ অর্থ নেয়া হবে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কাছ থেকে ঋণ হিসেবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের বিশৃঙ্খলা নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘BCL infighting throws CU into chaos’ অর্থাৎ ‘ছাত্রলীগের কোন্দল চবিকে বিশৃঙ্খলার মধ্যে ফেলেছে।’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে ধারাবাহিক সংঘর্ষে রোববার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়।

বৃহস্পতিবার ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয় এবং রোববার বিকেল পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে চলতে থাকে। রবিবার সংঘর্ষের পর বিকেলে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, শহীদ আবদুর রাবাব হলে অভিযান চালিয়ে ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে।

এর আগে সকাল ১১টার দিকে ক্যাম্পাসের কলা অনুষদের কাছে প্রথম আলোর চবি প্রতিনিধি মোশাররফ শাহকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ছাত্রলীগ কর্মীরা। পরে ওই সাংবাদিককে মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে গেলে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ চলতে থাকে।

গণমাধ্যমে ওই সাংবাদিক বলেছেন, তাকে মারধর করার সময়, আক্রমণকারীরা তাকে তার রিপোর্টিং সম্পর্কে প্রশ্ন করে এবং তাকে ছাত্রলীগ সম্পর্কে কিছু না লিখতে হুমকি দেয়। প্রায়শই ক্যাম্পাসে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য ছাত্রলীগের দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এদিকে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

প্রথম আলো

অন্যান্য খবর

কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, ‘ঢাকার দুই প্রান্তে আওয়ামী লীগের সমাবেশ আজ’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সোমবার ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ উত্তরায় এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ যাত্রাবাড়ীতে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ করবে।

দুটি সমাবেশেই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নেতারা বক্তব্য দেবেন। উত্তরার সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। যাত্রাবাড়ীর সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী।

অন্যদিকে, পত্রিকাটির আরেকটি খবর, ‘খালেদার মুক্তি চেয়ে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ জানিয়ে তাঁর মুক্তির দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়ার কিছু হলে দায় সরকারকে বহন করতে হবে।

রবিবার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে সমাবেশে আলটিমেটাম দেন তিনি। তিনি বলেন, শনিবার খালেদা জিয়াকে যেমনটি দেখেছেন, এমন অবস্থা আগে দেখেননি। প্রথমবারের মতো তাঁর মনে হয়েছে, বিএনপি চেয়ারপারসন অনেক বেশি অসুস্থ।

অবিলম্বে বিদেশে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা দিতে না পারলে তাঁকে বাঁচানো দুষ্কর হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সমকালের প্রথম পাতার খবর, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে গণমাধ্যমও যুক্ত হবে: পিটার হাস’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকার, বিরোধী দল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর আগামীতে গণমাধ্যমও যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।

রোববার একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে যারা বাধাগ্রস্ত করবে তাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাদানকারী ব্যক্তি ও সহায়তাকারীদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্যরা।