'সুইস ব্যাংক থেকে এক বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছে বাংলাদেশিরা'

এক বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা সরাল বাংলাদেশিরা-দৈনিক সমকালের শিরোনাম। খবরটি সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন নিয়ে।

বলা হয় সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে অবিশ্বাস্য গতিতে কমেছে বাংলাদেশিদের আমানত। মাত্র এক বছরেই সুইস ব্যাংকগুলো থেকে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশি নাগরিক এবং এ দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের ডলার সংকট এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে। কেউ কেউ পাচার করা টাকাও হয়তো সরিয়ে নিয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে ২০২২ সালে তাদের ব্যাংকগুলোর দায় ও সম্পদের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।

খবরটি নিয়ে বণিক বার্তার শিরোনাম - সুইস ব্যাংকে জমা বাংলাদেশিদের অর্থ কমেছে ৯৩.৬৫%।

পত্রিকাটি বলছে সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংক বা সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশীদের জমা রাখা অর্থের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। ২০২২ সালে বাংলাদেশীরা দেশটির বিভিন্ন ব্যাংকে জমা করেছেন ৫ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার সুইস ফ্রাঁ। এক বছরে যা প্রায় ৮২ কোটি সুইস ফ্রাঁ বা ৯৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ কমে গেছে।

২০২১ সালে যেখানে বাংলাদেশি আমানত ছিলো ৮৭ কোটি ১১ লাখ সুইস ফ্রাঁ, ২০২২ সালের শেষে তা কমে এসেছে মাত্র সাড়ে পাঁচ কোটি ফ্রাঁতে। সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য। এক বছরে এতো বিপুল পরিমাণ টাকা উত্তোলন করে বাংলাদেশিরা কী করেছে, তার কোনো ব্যাখ্যা নেই প্রতিবেদনে।

Foreign debt soars to $95.71b – ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ প্রধান শিরোনাম করেছে এটি।

তারা বলছে ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত বাংলাদেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ গিয়ে দাড়িয়েছে ৯৫.৭১ বিলিয়ন ইউএস ডলার। ৩ বছরে ঋণের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৩২ বিলিয়ন। বাংলাদেশের ব্যাংকের সূত্রে প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬১ ডলারের বেশি। পত্রিকাটি বলছে মূলত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প যে বৈদেশিক ঋণ নির্ভর তারই প্রমাণ এটি।

নির্বাচনে যেতে নেতাদের হুমকি দিচ্ছে গোয়েন্দারা – বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ। এটিই প্রধান শিরোনাম দৈনিক নয়া দিগন্তের।

দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে নির্বাচনে যেতে সক্রিয় নেতাদের গোয়েন্দারা হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। একইসাথে ‘সেন্টমার্টিন দ্বীপ বা বাংলাদেশকে বিদেশীদের কাছে বন্ধক দিয়ে বিএনপি ক্ষমতা আসতে চায়’-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যকে মিথ্যা-বানোয়াট-ভিত্তিহীন’ বলে উল্লেখ করেছে দলটি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল এসব বিষয়ে কথা বলেন।

পত্রিকাটির আরেকটি প্রধান শিরোনাম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে আওয়ামী লীগ। এতে লেখা হয়েছে নানা ঘাত-প্রতিঘাত আর চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে চুয়াত্তর পেরিয়ে পঁচাত্তর বছরে পা রাখছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এবার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে টানা তিনবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা এ দল।

Is AL drifting away from core ideals? আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে এমন শিরোনাম দ্য ডেইলি স্টারের।

তারা লিখেছে আওয়ামী লীগের সরকার গত ১৪ বছরে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত খাতে নানা উন্নয়ন করেছে তবে একই সাথে দলটি তাদের রাজনৈতিক আদর্শ ও মূল্যবোধ থেকেও ধীরে ধীরে সরে এসেছে। দলটি প্রতিষ্ঠার ৭৪ বছর পার করছে কিন্তু অতীতে তাদের যে প্রধান নীতি ছিল বহুদলীয় ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি সেখান থেকে অনেকটাই সরে এসেছে তারা।

কোরবানির পশু : সংকট নেই তবু শঙ্কা – প্রধান শিরোনাম দৈনিক সংবাদের।

সরকারি হিসেবে দেশে কোরবানির পশুর সংকট নেই। চাহিদার তুলনায় প্রায় ২১ লাখের বেশি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। এরপরও শঙ্কা কাটছে না। কারণ চাঁদাবাজি ও সড়কে অব্যবস্থাপনা হলে কোন কোন হাটে পশু সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে খামারিদের আশঙ্কা। এতে সংকট হতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য বেসরকারি সংস্থা ‘ক্যাব’ অন্তত এক লাখ গরু আমদানির দাবি জানিয়েছে। তবে দেশে প্রয়োজনীয় পশুর সরবরাহ হয়েছে বলে দাবি পাইকার ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। এজন্য তারা পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পশু আমদানি না করার দাবি জানিয়েছেন।

বেশি খাদ্যদ্রব্য মজুদ করলে ১৪ বছরের সাজা – সংসদে খাদ্যদ্রব্য সংক্রান্ত বিল উত্থাপন নিয়ে এরকম শিরোনাম দৈনিক কালের কন্ঠের।

এতে বলা হয়েছে সরকার নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি খাদ্যদ্রব্য মজুদ করলে যাবজ্জীবন বা সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে। খাদ্যদ্রব্যের প্রকৃত নাম পাল্টে কাল্পনিক নামে তা বিপণন করলেও শাস্তি হবে। এই আইনের অধীনে অপরাধ হবে জামিন অযোগ্য।

এসব বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুদ, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) বিল-২০২৩’ উত্থাপন করা হয়েছে।

বিশ্বে বাসযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকা ১৬৬তম – ইত্তেফাকের শিরোনাম। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) প্রকাশিত দ্য গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স থেকে এই রিপোর্টটি করা হয়েছে।

যাতে বলা হয় সেরা দশ বাসযোগ্য শহরের মধ্যে রয়েছে এশিয়ার একমাত্র শহর জাপানের ওসাকা। ৯৬ পয়েন্ট পেয়ে ১০ নম্বরে রয়েছে শহরটি। ৪৩ দশমিক ৮ পয়েন্ট পেয়ে তালিকার ১৬৬ তম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা। বাসযোগ্যতার তালিকায় ঢাকার অবস্থান নিচের দিক থেকে ৭ম।

ডুবোজাহাজ টাইটান নিয়ে খবর প্রকাশ হয়েছে প্রায় সব জাতীয় পত্রিকাতে।

প্রথম আলো লিখেছে টাইটানিকের মতোই টাইটানের পরিণতি। বলা হয় আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষের পাশেই পাওয়া গেল টাইটান সাবমেরিনের ধ্বংসস্তূপ। চার দিন মহাসাগরের তলদেশে ব্যাপক তল্লাশির পর বৃহস্পতিবার উদ্ধারকারীরা ডুবোজাহাজটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়ার কথা জানান।

সমুদ্র পর্যটনে এই সাবমেরিন পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওশানগেট। বৃহস্পতিবার প্রথম প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে পাঁচ আরোহীর মৃত্যুর কথা জানানো হয়।

ব্যাংক খাতের সুশাসন আরও বাধাগ্রস্ত হবে-দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম। রিপোর্টটি নতুন পাশ হওয়া ব্যাংক কোম্পানি সংশোধন আইন নিয়ে।

এতে বলা হয় টানা ১২ বছর দায়িত্বে থাকার যে আইন করা হল এতে পরিচালকরা বেপরোয়া হয়ে উঠবেন। আর গ্রুপভুক্ত প্রতিষ্টান খেলাপি চিহ্নিত না হওয়ায় ভুয়া ঋণের প্রবণতা আরো বাড়বে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলে জানা গেছে, আইএমএফের ঋণ পাওয়া যেন সহজ হয়, সে লক্ষ্যেই ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের বিষয়টি সামনে আসে।

Flood situation worsens as water in major rivers rising – এমন শিরোনাম ঢাকা ট্রিবিউনের।

পত্রিকাটি বলছে টানা বর্ষণ ও উজানের পানিতে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানির উচ্চতা ও স্রোত বেড়েছে। স্থানীয় মানুষের শঙ্কা হঠাৎ বন্যা হানা দিতে পারে এখানে। এরইমধ্যে শাহজাদপুরে গত ২ দিনে অন্তত ২০টি বাড়ি পানিতে ভেসে গেছে।

বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্ক কেন্দ্র জানিয়েছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোরও পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অনেক অঞ্চলেই তা বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে বলা হয়েছে কয়লার অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আগামী ২৫ জুন পুনারায় উৎপাদন শুরু করতে যাচ্ছে। ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা নিয়ে ইতোমধ্যে একটি জাহাজ বাংলাদেশে এসেছে।

এখন, বন্দর থেকে কয়লা খালাশ করে বিদ্যুকেন্দ্রে পৌঁছানো এবং জ্বালানি লোড করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করতে ৪৮-৭২ ঘণ্টা সময় লাগবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সূত্র।