'ডাণ্ডাবেড়ি নিয়েই মারা গেলেন কাজল'

কারাগারে মৃত্যু নিয়ে মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর, ‘ডাণ্ডাবেড়ি নিয়েই মারা গেলেন কাজল’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত ২৮শে অক্টোবর মহাসমাবেশে সংঘর্ষের পর বিএনপি’র ২৪ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে দলটির দাবি।
এই কারাবন্দি নেতাকর্মীদের কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছেন কারাগারে বা হাসপাতালে।
গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাদের ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে। ডাণ্ডাবেড়ি নিয়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।
মারা যাওয়া সব নেতাই গ্রেপ্তারের আগে সুস্থ ছিলেন বলে পরিবারের দাবি। স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, কারাগারে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন বিএনপি নেতারা।
কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পরও নেতাদের হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে না। দেয়া হচ্ছে না সঠিক চিকিৎসা। অনেক সময় স্বজনদের খবর দেয়া হচ্ছে অন্তিম মুহূর্তে।
গত ২৬শে ডিসেম্বর গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে মুগদা থানা শ্রমিক দল নেতা মো. ফজলুর রহমান কাজলকে ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়েই রাজধানীর হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এই অবস্থায় ২৮শে ডিসেম্বর হাসপাতালে ডাণ্ডাবেড়ি নিয়েই মারা যান তিনি।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘৭ জানুয়ারি আত্মঘাতী নির্বাচন হতে যাচ্ছে’।
প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে শিরোনামে দেয়া এই মন্তব্যটি করছেন, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
তিনি বলেছেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশে অনেক কিছুই হবে। আমরা একটি আত্মঘাতী প্রতিযোগিতায় নামছি।
অন্য দিকে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া অনেক প্রার্থীর আয় ৫০০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। আমার প্রশ্ন : তাদের আয়কর দেয়া কি ৫০০ গুণ বেড়েছে? এই বিষয়টি এনবিআরকে দেখতে হবে।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দেশে নির্বাচন হবে, সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেকেই ক্ষুব্ধ হবে, বিদেশী অংশীজনরাও অনেকেই নাখোশ হবে। এমনকি কিছুদিন তারা প্রতিবাদ করবেন, এরপর আবার সব ঠিক হয়ে যাবে।
সর্বোপরি এই নির্বাচনের মাধ্যমে একটি দলের ক্ষমতাও পাকাপোক্ত হয়ে যাবে বলেও তিনি বলে করেন।
অন্যদিকে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, আমরা দেখছি যে যতবার নির্বাচন করেছে, তার আয় ততবার বেড়েছে। তার মানে হলো নির্বাচনে আসাই হলো আয় বাড়ানোর ভালো একটা রাস্তা।

নির্বাচনী আচরণবিধি নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Polls code violations go unabated’ অর্থাৎ ‘নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন থামছেই না’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং দল-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অধিকাংশ অভিযোগই উপেক্ষা করে চলেছে কর্তৃপক্ষ।
২০০৮ সালে প্রণীত বিধিবিধান লঙ্ঘন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রার্থীরা পোস্টার দিয়ে দেয়াল ঢেকে দিচ্ছেন, ভোটারদের লোভনীয় সুবিধা দিচ্ছেন বা সরকারি সুবিধা স্থগিত করার হুমকি দিচ্ছেন।
পোস্টারে অননুমোদিত ব্যক্তিদের ছবি ব্যবহার করছেন এবং ফুটপাতে অস্থায়ী প্রচার কেন্দ্র স্থাপন করছেন, জনসাধারণের চলাচলে বাধা দেয়া হচ্ছে।
এ নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, কিছু নিয়ম লঙ্ঘনের খবর পাওয়া গেলেও সেগুলো গুরুতর নয়।
পুলিশ ৩০শে নভেম্বর থেকে ২৯শে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের ২২৪টি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে এবং এর মধ্যে ১৪২টি অভিযোগ ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে এবং ৮২টি স্বতন্ত্র বা অন্য দলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে।
নির্বাচন কর্তৃপক্ষ এই ধরনের ১৩১টি লঙ্ঘনের জন্য প্রার্থীদের জরিমানা করেছে, বাকিগুলি প্রার্থীদের শো-কজ বা সতর্ক করা হয়েছে।

নির্বাচনে বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টির অবস্থান নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘সমঝোতার আসনের বাইরে লাঙ্গল নামকাওয়াস্তে’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগকে হারিয়ে ‘ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর’ থাকার কথা বললেও জাতীয় পার্টি (জাপা) অধিকাংশ আসনে প্রচার ও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেই।
অথচ ৭ই জানুয়ারির বিএনপিবিহীন নির্বাচনে কাগজে-কলমে ক্ষমতাসীনদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি।
ক্ষমতাসীনদের কাছ থেকে ছাড় পাওয়া ২৬ আসনের বাইরে মাত্র আট থেকে ১০টিতে নৌকার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে লাঙ্গল।
আরও কয়েকটিতে প্রচার চালাচ্ছে। বাকি দুই শতাধিক আসনে জাপার দৌড় প্রার্থী রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
দলটির নেতারা বলছেন, ২৬টি আসনের বাইরে লাঙ্গলের অধিকাংশ প্রার্থী ‘ডামি’। নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দেখাতে তাদের মাঠে রাখা হয়েছে।
এদিকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ শীর্ষ নেতারা জেলায় জেলায় প্রচার চালালেও জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদের নীবর।
জাপার শীর্ষ নেতারা নিজের আসনের বাইরে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের প্রচারে নামেননি।

বছর জুড়ে চলা অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘অর্থনৈতিক সংকটে-উদ্বেগে ২০২৩ পার করল বাংলাদেশ’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০২৩ সালজুড়ে উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে নাজেহাল ছিল বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ।
অথচ বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ছিল নিম্নমুখী। এর প্রভাবে মূল্যস্ফীতি কমেছে বিশ্বের দেশে দেশে। ব্যতিক্রম ছিল বাংলাদেশ।
বছর শুরুর মাস তথা জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ পর্যন্ত উঠেছিল।
তবে মূল্যস্ফীতির প্রকৃত হার সরকার প্রকাশিত এ পরিসংখ্যানের চেয়ে অনেক বেশি বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদদের অনেকে।
এদিকে শ্লথ হয়ে এসেছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের দুই প্রধান উৎস রফতানি আয় ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধিও। এতে প্রায় দুই বছর ধরে চলে আসা ডলার সংকট আরো তীব্র হচ্ছে।
ব্যাংক খাতেও তীব্র হয়ে উঠেছে তারল্য বা নগদ টাকার সংকট। বেসরকারি বিনিয়োগ স্থবির। দেশী-বিদেশী উৎস থেকে ঋণ বাড়ছে সরকারের। বিপরীতে কমছে রাজস্ব আহরণ।

ডলার সংকট নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘টাকার রেকর্ড অবমূল্যায়ন’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বৈশ্বিক মন্দার নেতিবাচক প্রভাব ও দেশীয় মন্দার কারণে চলতি বছরজুড়েই দেশের বাজারে ডলারের সংকট ছিল প্রকট।
এতে গত এক বছরের ব্যবধানে ডলারের বিপরীতে টাকার মানে রেকর্ড অবমূল্যায়ন হয়েছে।
গত বছর ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন আক্রমণ করলে বৈশ্বিক সংকটের শুরু। তখন এর নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও পড়তে শুরু করে।
এ হিসাবে গত দুই বছরে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে হয়েছে ২৮ দশমিক ২১ শতাংশ। কিন্তু ব্যাংকগুলোতে ডলার বেচাকেনার গড় হিসাবে অবমূল্যায়ন হয়েছে ৪৪ দশমিক ৫২ শতাংশ।
গত বছরের শুরুতে ডলারের দাম ছিল ৮৫ টাকা ৮০ পয়সা। বছর শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৪ টাকা।
ওই সময়ে ডলারের দাম বেশিরভাগ সময়ই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ছিল। কিন্তু চলতি বছরের শেষদিকে বেশিরভাগ সময়ই ছিল নিয়ন্ত্রণের বাইরে। যা এখনো চলমান রয়েছে।
দুই বছর ধরেই ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমছে। এর মধ্যে চলতি বছরে সবচেয়ে বেশি কমেছে।
ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমার কারণে অর্থনীতিতে বহুমুখী নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

চলতি বছর বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, ‘ফিরে দেখা ২০২৩যুদ্ধ, দুর্যোগ আর দ্বন্দ্বের বছর’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের আলোচিত ঘটনাগুলোর মধ্যে চলতি বছর প্রাধান্য ছিল একাধিক যুদ্ধ, অর্থনৈতিক সংকট, আঞ্চলিক উত্তেজনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের।
এরমধ্যে সবচেয়ে আলোচিত হল গাজায় ইসরায়েলের বিধ্বংসী, প্রাণঘাতী হামলা। এতে বছরের শেষ নাগাদ ২১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত ও ৫৫ হাজারের বেশি আহত হয়েছে।
খাদ্য, ওষুধ, পানি, বিদ্যুতের মতো জরুরি সামগ্রীর অভাবে গাজায় চরম মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের জেরে পশ্চিমা সহায়তা অব্যাহত থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা, পাল্টা অভিযানে প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়া ও রাশিয়ার নতুন উদ্যমে জোরদার হামলা—সব মিলিয়ে এ বছর কোণঠাসা অবস্থায় পড়েছে ইউক্রেন।
এদিকে পুরনো তাইওয়ান ইস্যু, কথিত গোয়েন্দা বেলুন, বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনা বহাল ছিল।
তবে বছরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জো বাইডেন ও শি চিনপিংয়ের শীর্ষ বৈঠকের মধ্য দিয়ে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আঁচ কিছুটা হলেও প্রশমিত হয়েছে।
২০২৩ সালে মহাকাশ গবেষণা তথা অভিযানে চমকপ্রদ সাফল্য দেখিয়েছে ভারত। ২৩শে আগস্ট চাঁদের বুকে অবতরণ করে ভারতের মহাকাশযান চন্দ্রযান-৩।
এ বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে ফৌজদারি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত হন ট্রাম্প। সাবেক এক পর্ন তারকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের কথা ধামাচাপা দিতে অর্থ দেওয়ার বিষয়ে অনিয়মের দায়ে অভিযুক্ত করা হয় তাঁকে।
তুরস্ক ও সিরিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ৬ই ফেব্রুয়ারি বড় ধরনের ভূমিকম্পে ৬৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়। সাত দশমিক আট মাত্রার বিধ্বংসী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দুই দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল।

হার্টের স্টেন্টের দাম নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘হার্টের স্টেন্টের দাম নিয়ে বিশৃঙ্খলা’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হৃদ রোগের জরুরী চিকিৎসায় ব্যবহৃত স্টেন্ট সরকার নির্ধারিত দামে কোন রোগী পাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। বেশি দামি স্টেট কিনতে হচ্ছে রোগীদের।
বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে ৮৫ জনকে স্টেট লাগানো হচ্ছে। কিন্তু দাম নিয়ে বিতর্কের কারণে বাজারে এক ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর যৌক্তিকভাবে দাম নির্ধারণ করেনি। এই বিতর্কের মধ্যে মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে চিকিৎসা।
সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঘুরে জানা গেছে হার্টের স্টেন্ট ব্যবসায়ীরা মোটা দাগে দুই ভাগে বিভক্ত।
একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানের তৈরি স্টেন্ট সরবরাহ করে এই অংশ হাসপাতালে তাদের স্টেন্ট সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে।
ব্যবসায়ীদের আরেকটি অংশ স্টেন্ট সরবরাহ বন্ধ রেখেছে তারা ইউরোপ সহ অন্য চারটি দেশে তৈরি স্টেন্ট আমদানি করে থাকে।
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর হার্টের স্টেন্টের সর্বোচ্চ খুচরা দাম নির্ধারণ করে দেয় যা আগের চেয়ে কম।
সাধারণ মানুষের জানার জন্য হাসপাতালে নোটিশ বোর্ডে দাম টানিয়ে দেয়া হয়।

মানবপাচার নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর, ‘Bombaypara in Narail: a sex trafficking hotspot’ অর্থাৎ ‘নড়াইলের বোম্বাইপাড়া: যৌন পাচারের কেন্দ্রস্থল’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রতি বছর, অনেক মেয়েকে বিদেশে উন্নত জীবনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পাচার করা হচ্ছে।
কিন্তু তাদের ভাগ্য গিয়ে ঠেকে ভারতের মুম্বাই এবং পুনের মতো শহরগুলোয়।
দ্য ডেইলি স্টারের তদন্তে এই অন্ধকার জগতের কথা উঠে এসেছে। যেখানে সীমান্তের দুই পাশে দালাল, পাচারকারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জড়িত।
নড়াইল জেলাটি মুম্বাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া মেয়েদের সবচেয়ে বড় রুট হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
জেলার সবচেয়ে হটস্পটের মধ্যে রয়েছে জামরিলডাঙ্গা, বাদামটোলা, খারারিয়া, ভোগড়া এবং তুলারামপুর।
এ কারণে নড়াইল জেলার অন্তর্গত একটি সম্পূর্ণ এলাকাকে "বোম্বেপাড়া" হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, বছরের পর বছর ধরে, এই এলাকার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মেয়ে এবং নারীরা ভারতের মুম্বাইয়ে গৃহকর্মী হিসাবে কাজ করার আশা থেকে তাদের বাড়ি ছেড়েছে।
এক-দুই বছর পর এসব মেয়ের বাড়ি ফেরা সাধারণ ব্যাপার।

বছরের শেষ দিনের উদযাপন ঘিরে সংবাদের প্রথম পাতার খবর, ‘থার্টি ফার্স্ট নাইটে রাজধানীতে সবধরনের অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, থার্টি ফার্স্ট নাইটে ঢাকা মহানগরের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলার স্বার্থে রাস্তার মোড়, ফ্লাইওভার, রাস্তায় এবং প্রকাশ্যে স্থানে সবধরনের সভা-জমায়েত বা উৎসবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
সংস্থাটি জানিয়েছেন, নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে উন্মুক্ত স্থানে কোনও ধরনের অনুষ্ঠান, সমাবেশ, নাচ, গান ও কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না।
এছাড়াও কোথাও কোনও ধরনের আতশবাজি, পট্কা ফোটানো ও ফানুস ওড়ানো বা কেনাবেচাতেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
ডিএমপির নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বহিরাগত কোনও ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন পরিচয় প্রদান সাপেক্ষে প্রবেশ করতে পারবে।
এছাড়াও রাজধানীর গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় রাত ৮টার পর বহিরাগতরা প্রবেশ করতে পারবে না উল্লেখ করেছে ডিএমপি।
তবে ওই এলাকায় বসবাসরত নাগরিকরা নির্ধারিত সময়ের পর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং দিয়ে পরিচয় প্রদান সাপেক্ষে প্রবেশ করতে পারবে।











