'নির্বাচন পদ্ধতির উপর আস্থা হারিয়েছে জনগণ: সিইসি'

ছবির উৎস, BBC Bangla
নির্বাচন পদ্ধতির উপর আস্থা হারিয়েছে জনগণ: সিইসি – ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম এটি। নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা নষ্ট হয়ে গিয়েছে মন্তব্য করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বের একটি পদ্ধতি অন্বেষণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘খুব একটা অংশগ্রহণমূলক’ হয়নি উল্লেখ করেন তিনি।
সিইসি বলেন, এই নির্বাচন বিতর্কের ঊর্ধ্বে যেতে পারেনি, কোনো নির্বাচনই কিন্তু বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেনি। এবারকার যে নির্বাচনটা নিয়ে খুব সন্তুষ্ট বোধ করছি, হয়তোবা আমরা। বিতর্কটা আছে কমবেশি, তবে যেটা আশঙ্কা করা হয়েছিল, ব্যাপক অনিয়ম ইত্যাদি হবে। যেই জিনিসটাকে উতরে নির্বাচনটাকে তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি সফল, গ্রহণযোগ্য করা সম্ভব হয়েছে।
টিআইবির প্রতিবেদনের কথা সরাসরি উল্লেখ না করে সিইসি বলেন, ‘এখনো পত্রপত্রিকায় সমালোচনা হচ্ছে। একটি সংস্থা থেকে বলছে যে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার অজুহাত নিয়ে নির্বাচন কমিশন সরকারের একটা গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে। আমি এখনো জানি না সরকারের সঙ্গে আসলে কোনো গোপন এজেন্ডা আছে কি না? আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি আমার সঙ্গে হয়নি। কারো সঙ্গে হয়েছে কি না আমি জানি না।
নির্বাচন পদ্ধতির উপর জনগণের আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে, সিইসির বক্তব্য দিয়ে এই শিরোনামটি করেছে দৈনিক মানবজমিন। গতকাল নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন করায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিইসি এ কথা বলেন।
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমার ভোট কী আমি দিতে পারবো? ভোট দিলে কী এটা ওখানেই পড়বে, না-কি ফিরে এসে এক জায়গায়ই পড়বে। এমন বিভিন্ন ধরনের অবান্তর...কিন্তু আমি অবান্তর বলছি না, তাদের আস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে এই ধরনের অবান্তর যুক্তির অবতারণা করছে। নির্বাচন পদ্ধতিতে যদি আরও বেশি সংস্কার আনা যায়- যেখানে দৃশ্যমানভাবে আরও বেশি স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা প্রতিষ্ঠিত হবে। তাহলে হয়তো আগামী নির্বাচনগুলো জনগণের কাছে আরও বেশি গ্রহণযোগ্যতা পাবে।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সিইসি বলেন, সরকারের সহায়তা ছাড়া এত বড় কর্মযজ্ঞ সফল করা সম্ভব হয় না। আমাদের অপবাদ ও বদনাম দুটিই নিতে হবে। কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচন হয়ে গেলেও রাজনৈতিক সংকট কাটেনি। নির্বাচন নিয়ে প্রতি পাঁচ বছর পরপর সংকট তৈরি হলে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে।
একই বিষয় নিয়ে সংবাদের শিরোনাম জনগণের আস্থা ফেরাতে নির্বাচন পদ্ধতির সংস্কার চান সিইসি।

ছবির উৎস, BBC Bangla
উপজেলা নির্বাচন নিয়ে বিএনপিতে দুই মত – কালের কন্ঠের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে বিএনপিতে দুই ধরনের মত তৈরি হয়েছে। তবে নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে নেতাকর্মীদের অবস্থান এবার জোরালো হচ্ছে। একই সঙ্গে আপাতত হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচির বিপক্ষেও দলে শক্ত মত তৈরি হয়েছে।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে বিএনপির ভেতরে ভিন্নমত থাকলেও কঠোর কর্মসূচির বিপক্ষে প্রায় সবার অবস্থান এক। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এই দুটি বিষয় নেতাকর্মীদের আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও মনে করেন, স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরতে হলে এই দুই বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে ভবিষ্যৎ কৌশল ঠিক করতে হবে।
মাঘের শীতে বৃষ্টি বাড়ল দুর্ভোগ - যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। এই খবরে বলা হয় মাঘের হাড় কাঁপানো শীত, দৃষ্টি সীমিত করা ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বাড়িয়েছে ঠান্ডার তীব্রতা। সেই সঙ্গে বেড়েছে ভোগান্তি।
বৃহস্পতিবার রাজশাহী, বরিশাল, যশোর, চুয়াড়াঙ্গা, গোপালগঞ্জ, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এদিকে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা এর নিচে নামলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি দিতে শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা থাকলেও কোথাও মানা হয়েছে, কোথাও হয়নি। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার কয়েকটি জেলা-উপজেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল।
এগুলো হলো-কুড়িগ্রাম, নাগেশ্বরী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর, পঞ্চগড়, চুয়াডাঙ্গা ও বরিশাল। এদিকে শীতের তীব্রতা ও বৃষ্টিতে জনজীবনে ভোগান্তি পৌঁছেছে চরমে। আবহাওয়া অফিস বলছে শৈত্যপ্রবাহ থাকবে আরও দু-একদিন।
JN.1, new Covid subvariant is here now – ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের শিরোনাম। এতে বলা হয় করোনাভাইরাসের নতুন ধরণ জেএন.ওয়ান প্রথমবারের মতো শনাক্ত হল বাংলাদেশে। জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে গতকাল অমিক্রনের এই ধরণটি নিশ্চিত করে বলা হয় কোন ভ্রমণ ইতিহাস ছাড়াই ৫ জন এতে শনাক্ত হয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভিডের এই নতুন ধরণ নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে।

ছবির উৎস, BBC Bangla
টিআইবির রিপোর্ট একপেশে, তারা বিএনপির দালাল – ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্য দিয়ে শিরোনাম করেছে দেশ রুপান্তর। বলা হয় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) রিপোর্ট একপেশে এবং সরকারবিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ‘তারা (টিআইবি) একটি পক্ষের ওকালতি করে, বিএনপি যে ভাষায় কথা বলে, তারাও একই কথা বলে। তারা বিএনপির দালাল।’ বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘টিআইবি যা গবেষণা করে, বাস্তবতা আমরা খুঁজে পাই না।’ তিনি বলেন, ‘একটা প্রতিষ্ঠান আছে যাদের কোনো রেজিস্ট্রেশন নেই। অথচ কিছু কিছু গণমাধ্যম আছে তাদের কথা ফলাও করে প্রচার করে। এখন ধরুন অ্যাকসিডেন্টে যদি ১০০ লোক মারা যায়, তারা এটাকে ৫০০ বানাবে। টিআইবিও এ রকম একটা প্রতিষ্ঠান।’
টিআইবির বিরুদ্ধে আইনি কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই যে তাদের নিয়ে কথা বলছি এটাই তো যথেষ্ট, তারা একপেশে পক্ষপাতিত্ব করে, সেটা বলছি। সব ব্যাপারেই কি মামলা ঠুকে দিতে হবে।’
Poor return on costly projects strains debt repayment – অর্থাৎ ব্যয়বহুল প্রকল্প থেকে তেমন অর্থ উঠে না আসায় ঋণ পরিশোধে হিমশিম খেতে হচ্ছে। নিউ এজের শিরোনাম এটি। বলা হচ্ছে গত ১৫ বছরে ছয়টিরও বেশি দেশ থেকে কমপক্ষে ১৫.৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার মূল্যের পণ্য ও সেবা কিনেছে সরকার, যা বার্ষিক ঋণের পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর বেশিরভাগ অর্থ গিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, জাপান, ভারত ও ফ্রান্স থেকে অবকাঠামো প্রকল্প নির্মাণে বিভিন্ন জিনিস ক্রয়ে।

ছবির উৎস, BBC Bangla
৩৫টি বাদে সব শেয়ারের উপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার বিএসইসির – বণিক বার্তার খবরে বলা হয়, শেয়ারবাজারে কর্মচাঞ্চল্য ফেরাতে ৩৫টি কোম্পানি বাদে বাকি সব শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে গতকাল এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শেয়ার ও সূচকের পতন ঠেকাতেই মূলত শেয়ারদরের সর্বনিম্ন সীমা আরোপ করেছিল বিএসইসি। তবে এর প্রভাবে বহুজাতিকসহ ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারদর এক প্রকার স্থির অবস্থায় ছিল। পুঁজিবাজার থেকে গত বছর রিটার্ন এসেছে যৎসামান্য। এ অবস্থায় বাজারসংশ্লিষ্টদের মধ্য থেকেও ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের দাবি জোরালো হয়ে উঠতে থাকে। বিএসইসির পক্ষ থেকেও আশ্বাস দেয়া হয়েছিল জাতীয় নির্বাচনের পর এটি প্রত্যাহার করে নেয়া হবে।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শেয়ারের ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের আদেশ জারি করা হয়েছে। আগামী রোববার থেকে এটি কার্যকর হবে। বিএসইসির আদেশে বলা হয়েছে, ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর জারি করা আদেশ অনুসারে শেয়ারদরের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন সীমা হিসাব করা হবে।
ঋণের প্রকল্পের আয় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা রাখতে হবে – নয়া দিগন্তের খবরে বলা হচ্ছে বেনামি ঋণ ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নতুন নির্দেশনা দিয়েছে।
ব্যাংক হতে প্রকল্প ঋণ গ্রহণ করছেন; কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রকল্প ঋণের আয় সে ব্যাংকে জমা হচ্ছে না। কিছু কিছু ঋণগ্রহীতার নামে এমন অভিযোগ উঠেছে স্বয়ং কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, এর ফলে ব্যাংকের ঋণ আদায়ে যেমন ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে, অপর দিকে প্রদেয় ঋণের যথাযথ তদারকি করতে পারছে না সংশ্লিষ্ট ব্যাংক। এমনি পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোর ঋণ ঝুঁকি হ্রাস করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

ছবির উৎস, BBC Bangla
বিপজ্জনক আর্সেনিক পানি খাচ্ছে দেশের অর্ধেক মানুষ - এক গবেষণা প্রতিবেদন নিয়ে প্রথম পাতার শিরোনাম দৈনিক সমকালের। খবরে বলা হচ্ছে বাংলাদেশিদের প্রায় অর্ধেক সংখ্যকের পানীয় জলেই বিপজ্জনক মাত্রার আর্সেনিক রয়েছে বলে নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে।
বিজ্ঞানীদের একটি দল বলছে, প্রায় ৮ কোটি বাংলাদেশি বা জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই ক্ষতিকর মাত্রার আর্সেনিকযুক্ত পানি খাচ্ছে। এটি দেশের জনস্বাস্থ্য সংকটকে প্রকট করে তুলেছে। বুধবার পিএলওএস ওয়ান জার্নালে প্রকাশিত সমীক্ষা অনুসারে, আর্সেনিকের এই বর্ধিত মাত্রা সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং আরও গুরুতর মৌসুমি বন্যার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
গবেষকরা ভূগর্ভস্থ পানির দূষণ রোধে পরিশোধন প্রযুক্তি এবং অবকাঠামোসহ সম্ভাব্য সমাধানগুলো দ্রুত উন্নয়নের আহ্বান জানিয়েছেন। গবেষকরা বলছেন, ইতোমধ্যে আর্সেনিকের বিষক্রিয়ার ফলে লাখ লাখ মানুষের ত্বক, মূত্রাশয় এবং ফুসফুসের ক্যান্সার হয়েছে।
অন্যান্য খবর
ইরান পাকিস্তানের পাল্টাপাল্টি হামলা – প্রথম আলোর অন্যতম প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হচ্ছে ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের হামলাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য এমনকি এ অঞ্চলের বাইরে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। এবার তাতে যুক্ত হয়েছে নতুন মাত্রা। পাকিস্তানের ভূখন্ডে ইরানের হামলার পর গতকাল বৃহস্পতিবার পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইসলামাবাদ। নজিরবিহীন এ ঘটনার পর তেহরানে পাকিস্তানি দূতকে তলব করা হয়েছে।
এদিকে আজ থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেট বিপিএল। এটি নিয়েও শিরোনাম করেছে অনেকে। যুগান্তরের খবর চকচকে চেহারার বিপিএলের ভেতরটা শ্রীহীন।
বলা হয় দেশি-বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ, আর্থিক হিসাব-নিকাশ ও আঞ্চলিক দল হিসাব করলে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) দেশের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট। তবে বিপিএলের বাইরের চেহারা যতটা উজ্জ্বল, ভেতরের আয়োজন ততই শ্রীহীন। সাত দল নিয়ে আজ বসছে বিপিএলের দশম আসর। কিন্তু নেই কোনো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের এলাকা দেখেও বোঝার উপায় নেই যে, কিছু একটা হতে চলেছে। একাডেমির পাশে অবশ্য মাইকে ঘোষণা দিয়ে টিকিট বিক্রি চলছে দুদিন ধরে। একই সময়ে বিশ্বের আরও পাঁচটি টি ২০ টুর্নামেন্ট চলায় নেই বিদেশি তারকা ক্রিকেটারদের সমাহার।








