'যুক্তরাষ্ট্রের চাপে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ!'

যুক্তরাষ্ট্রের চাপে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ! শিরোনামটি দেশ রুপান্তরের। এতে বলা হয় সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদের সম্পদ ক্রোকের আদেশ এবং তার বিদেশে চলে যাওয়া নিয়ে আলোচনার মধ্যেই জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপে সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।
সরকার ও আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, দুর্নীতি, মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সম্পর্কের যে টানাপড়েন চলছে, তা থেকে উত্তরণের প্রথম ধাপ হলো বেনজীরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য পর্যায়ক্রমে এমন আরও কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে সরকার।
দেশে নেই বেনজীর – যুগান্তরের শিরোনাম। দোর্দণ্ড প্রতাপশালী ছিলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ও হাজার কোটি টাকার সম্পদের তথ্য প্রকাশের পর একা হয়ে পড়েছেন তিনি। চলে গেছেন পরিচিত গণ্ডির বাইরে।
তবে বেনজীরের অবস্থান নিশ্চিত হওয়া গেছে। বেনজীর এখন দেশে নেই। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের রেকর্ডে উল্লেখ আছে, গত ৪ মে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে ছিলেন। এদিকে বেনজীর পরিবারের সম্পদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান টিম। ধারাবাহিকভাবে তারা বেনজীর পরিবারের নামে-বেনামে নতুন নতুন সম্পদের তথ্য পাচ্ছে।
ভয় দেখিয়ে সংখ্যালঘুদের জমি কিনে নেন বেনজীর – প্রথম আলোর শিরোনাম এটি। এতে বলা হয় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুরে প্রায় ৬০০ বিঘা জমি কেনা হয়েছে। এসব জমির প্রায় সবই ছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের। তাঁরা বলছেন, জমি বিক্রি ছাড়া তাঁদের কোনো উপায় ছিল না। ভয় দেখিয়ে, জোর করে এবং নানা কৌশলে তাঁদের কাছ থেকে জমিগুলো কেনা হয়েছে।
গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুরে গিয়ে জমি বিক্রি করা হিন্দু পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের জমি কিনতে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নিয়োজিত রেখেছিলেন বেনজীর আহমেদ। বেনজীর পরিবারের রিসোর্টের নির্মাণকাজের তদারক করতেন পুলিশ ও র্যাবের কিছু সদস্য। তাঁদের দিয়ে তরমুজ চাষসহ কৃষিকাজও করানো হয়েছে। মাঠপর্যায়ের একজন পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি প্রথম আলোর কাছে স্বীকারও করেছেন। তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নির্দেশ দিলে কিছু করার থাকে না।

বেনজীর কখন গ্রেপ্তার হবেন তা ঠিক করবেন আদালত – ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্য নিয়ে শিরোনাম কালবেলার।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
বলা হয় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে বিদেশে পালিয়ে গেছেন কি না, তা জানা নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, তিনি বিচারপ্রক্রিয়ার মধ্যেই আছেন। দুদক মামলা করার পর আদালত ঠিক করবেন, কখন তাকে গ্রেপ্তার করবেন, জেলে পাঠাবেন। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
Hundreds flock to Dhaka Airport – ডেইলি স্টারের খবরটিতে বলা হচ্ছে মালয়েশিয়ায় শ্রম ভিসায় প্রবেশের শেষ দিনে বিমানবন্দরে শত শত মানুষ ভিড় করে। তাদের অনেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঘন্টার পর ঘন্টা অনিশ্চয়তা নিয়ে অপেক্ষা করে, কারণ গতকালই শেষ হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের সময়সীমা।
এসময় অনেককে দেখা যায় টিকিট ছাড়াই বিমানবন্দরে এসে ভিড় করতে কারণ এজেন্সি তাদের আশ্বাস দিয়েছে যেকোন ভাবে সময় ফুরাবার আগেই টিকিট পৌঁছানোর। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেই মালয়েশিয়া যাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়ে হতাশার সঙ্গে জানান তাদের স্থানীয় এজেন্ট এখন ফোনই ধরছে না। গত মার্চে মালয়েশিয়ান কর্তৃপক্ষ জানায় বাংলাদেশসহ আরও ১৩টি দেশের শ্রমিকদের ৩১শে মে’র পর মালয়েশিয়ায় ঢুকতে দেয়া হবে না।
৫ লাখ টাকা খরচেও মালয়েশিয়া যেতে পারেন নি ৩১ হাজার শ্রমিক – নয়া দিগন্তের শিরোনাম এটি।
রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর দাবি অনুযায়ী প্রত্যেক শ্রমিক ৫-৬ লাখ টাকা খরচ করার পরও ‘স্বপ্নের দেশ’ মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমাতে পারেননি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যারা যেতে পারেননি তাদের অনেকেই বিমানবন্দরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এসব শ্রমিকের দায় এখন কে নেবে তা নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন। তারা কি আদৌ দেশটিতে যেতে পারবেন? না যেতে পারলে এজেন্সিগুলোতে তাদের জমা দেয়া লাখ লাখ টাকা তারা কিভাবে ফেরত পাবেন, তা নিয়েও বিদেশ যেতে না পারা হাজার হাজার শ্রমিক ও তাদের স্বজনদের মধ্যে টেনশন বাড়ছে।

আইএমএফের ছকে বাজেটের অঙ্ক কষছে সরকার – সমকালের শিরোনাম এটি। এতে বলা হয় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কর্মসূচির শর্তের ছকে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের অঙ্ক কষছে সরকার। ঋণের শর্তে আইএমএফ যা যা করতে বলেছে, অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর বাজেট বক্তব্যে সেগুলোর বেশির ভাগ বাস্তবায়নের ঘোষণা থাকবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সরকার আগে নিজের মতো করেই বাজেট প্রণয়ন করত। তবে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফ ঋণ অনুমোদনের পর চলতি বাজেটে সংস্থাটির শর্তের প্রতিফলন দেখা যায়। আগামী বাজেটে তা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। আগামী ৬ জুন সংসদে ‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’ শীর্ষক নতুন বাজেট উপস্থাপন হবে। তাতে আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়নের ঘোষণা থাকবে। ঘোষিত মুদ্রানীতিতেও আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়নের উদ্যোগ দেখা গেছে।
অফশোর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডলার সংকট কাটিয়ে উঠছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ পারবে কি – বণিক বার্তার অন্যতম শিরোনাম এটি।
বিস্তারিত বলা হচ্ছে তীব্র ডলার সংকটে নাজুক পরিস্থিতি ছিল পাকিস্তানের। দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে চলে যাওয়া দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নেমে এসেছিল মাত্র ৩ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। রেকর্ড পতনের দেখা পায় পাকিস্তানি রুপি। কিছুদিন হলো নাজুক সে পরিস্থিতি থেকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান।
এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে ‘রোশান ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট’ নামের একটি ব্যাংক সেবার উদ্ভাবন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্রবাসী পাকিস্তানিরা এরই মধ্যে এ ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার জমা করেছে।
বৈশ্বিক বিভিন্ন সংস্থার পর্যবেক্ষণ বলছে, এ মুহূর্তে মুদ্রাবাজারে পারফরম্যান্সে এশিয়ার শীর্ষ মুদ্রা পাকিস্তানি রুপি। আর পাকিস্তানের নিট রিজার্ভ ৩ বিলিয়ন থেকে বেড়ে ৯ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।
আড়াই বছর ধরে ডলারের তীব্র সংকট চলছে বাংলাদেশেও। এ সময়ে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন ঘটেছে প্রায় ৪০ শতাংশ। ডলারের জোগান বাড়াতে এ পর্যন্ত অনেক উদ্যোগই নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ফল পাওয়া যায়নি।
গত বছরের ২৯ নভেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় আমানত রাখার সুযোগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওই প্রজ্ঞাপন আমলে নিয়ে দেশের বেশকিছু ব্যাংক এরই মধ্যে ‘অফশোর ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট’ নামে একটি ব্যাংক সেবা চালু করেছে। ব্যাংকাররা বলছেন, এটিকে অনেকটা পাকিস্তানে চালু হওয়া রোশান ডিজিটাল অ্যাকাউন্টেরই বাংলাদেশী সংস্করণ বলা চলে।

Another round of cost hikes across board loom as fuel prices increase again – ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের শিরোনাম।
বলা হচ্ছে আজ থেকে অকটেন, ডিজেল, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম আপনাকে বেশি দিতে হবে কারণ সরকার আবারও জ্বালানির মূল্য নতুন করে পুন:নির্ধারণ করেছে। যাতে অকটেন প্রতি লিটারে বেড়ে হয়েছে ১৩১ টাকা, পেট্রোল ১২৭, আর ডিজেল ও কেরোসিন ১০৭.৭৫ টাকা। কিন্তু এই মাসে বাংলাদেশে যখন দাম বাড়ানো হল, তখন বৈশ্বিক জ্বালানির দাম কমেছে।
অনলাইন পোর্টাল অয়েলপ্রাইস.কম বলছে, বিশ্ববাজাড়ে গড়ে অপরিশোধিত তেলের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ৮৮ ডলার থেকে কমে হয়েছে ৮৩ ইউএস ডলার। কিন্তু বাংলাদেশের জ্বালানি বিভাগ বলছে পেট্রোলিয়ামের দাম কমলেও ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় মূল্যের কারণে এখানে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
ঈদের আগেই বাড়ছে পেঁয়াজ-রসুনের দাম – দৈনিক ইত্তেফাকের খবর এটি। কোরবানির মধ্যে যেসব মসলার চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি তাদের মধ্যে উপরের দিকে থাকে পেঁয়াজ ও রসুন। অথচ ঈদের মাত্র দুই সপ্তাহ আগে পণ্য দুটির দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজে ৫টাকা থেকে ২০ টাকা ও রসুনের দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এছাড়া ডিমের দাম গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে আরও বেড়েছে। বেড়েছে সবজির দামও।
End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:

ভ্যাট জালের বাইরে কে? মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয় দেশের জনসংখ্যার প্রায় সবাই ভ্যাটের আওতায়। ১০০ টাকার ফ্লেক্সিলোডে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক ২৭ টাকা। গ্রাহকদের এই টাকার একটা বড় অংশ চলে যাচ্ছে সরকারের কোষাগারে।
দেশে বর্তমানে মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটির বেশি। এ তালিকায় শীর্ষ ধনীরা যেমন আছেন, তেমনি রয়েছেন দরিদ্র মানুষ। বর্তমানে একজন ভোক্তা মোবাইলে ১০০ টাকা রিচার্জ করলে ৭৩ টাকার কথা বলতে পারেন।
এ ছাড়া যার ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট আছে সেই অ্যাকাউন্ট থেকে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা কেটে রাখা হয়। যা এক্সাইজ ডিউটি বা আবগারি শুল্ক নামে পরিচিত। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বছরে দুইবার- একবার জুনে এবং একবার ডিসেম্বরে টাকা কেটে রাখা হয়। পুরোটাই ব্যাংক সরকারের হয়ে কালেক্ট করে সরকারের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়।








