ভোটের প্রচারের জন্য কেজরিওয়ালের জামিন, হেমন্ত সোরেনের কেন নয়?

ছবির উৎস, ANI
- Author, উমঙ্গ পোদ্দার
- Role, বিবিসি সংবাদদাতা
ভারতে লোকসভা ভোট শেষ হওয়ার আগে ঝাড়খণ্ডের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের জামিনে ছাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা শেষ। ভারতে শেষ দফা লোকসভা নির্বাচন আগামী পহেলা জুন। তার আগে কোনও মতেই জেল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন না ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার এই নেতা।
চলতি সপ্তাহের বুধবার শীর্ষ আদালতে তার মামলার শুনানি হয়। সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়, হেমন্ত সোরেনের গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা আবেদনের শুনানিতে আগ্রহী নয় আদালত।
এরপরই তার আইনজীবী সিনিয়র অ্যাডভোকেট কপিল সিব্বল আদালতে জানান, ওই আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।
যার অর্থ হল, এখন জেলেই থাকতে হবে হেমন্ত সোরেনকে।
অন্য দিকে, লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে সুপ্রিম কোর্ট কিন্তু দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেছে।
দুই রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধেই মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের অধীনে মামলা চলছে । কিন্তু অরবিন্দ কেজরিওয়াল জামিন পেয়েছেন আর হেমন্ত সোরেন তা পাননি।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, লোকসভা ভোটের প্রচারের জন্য কেন ঝাড়খণ্ডের সাবেক মুখ্যমন্ত্রীকে অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়া হল না, সে বিষয়টা স্পষ্ট নয়।

ছবির উৎস, Getty Images
অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে মামলা
গত ২১শে মার্চ দিল্লিতে আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
প্রসঙ্গত মি. কেজরিওয়াল কিন্তু নিয়মিত জামিনের আবেদন করেননি। এর পরিবর্তে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তার গ্রেফতার 'অবৈধ' এবং সেই কারণে তাকে মুক্তি দেওয়া উচিত - এই যুক্তি জানিয়ে নিজের আবেদন আদালতে পেশ করেছিলেন।
২০ দিনের মাথায় দিল্লি হাইকোর্ট অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আবেদন খারিজ করে দেয়। ৯ এপ্রিল আদালত তার রায় জানায়। সেখানে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে মি কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।
এরপর শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন মি. কেজরিওয়াল। তার আবেদনের শুনানি শেষ করে সুপ্রিম কোর্ট তার রায়দান স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
এর মধ্যে ১০ই মে শর্তসাপেক্ষে পহেলা জুন পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্ট, যাতে অরবিন্দ কেজরিওয়াল লোকসভা নির্বাচনে প্রচার করতে পারেন ।
একই সঙ্গে পহেলা জুনের সময়সীমা শেষ হলেই তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
জামিন মঞ্জুর করার সময় আদালত তার রায়ে জানিয়েছে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল একটি জাতীয় দলের (আম আদমি পার্টি বা আপ) নেতা এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।
তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকলেও তা এখনও প্রমাণিত হয়নি।
তার কোনও রকম অপরাধমূলক অতীত নেই। সমাজের জন্য তিনি ঝুঁকির কারণ হতে পারেন এমনটাও নয়।
সুপ্রিম কোর্ট তার রায়ে বলেছিল, "দেশে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এটা এমন একটা বিষয় যা আদালতের বিচারাধীন এবং সেখানে গ্রেফতারির বৈধতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পুরো ব্যাপারটাকে আরও সামগ্রিক ও উদার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখাটা প্রাসঙ্গিক।"
শুধু তাই নয়, শীর্ষ আদালত জামিন মঞ্জুরি সংক্রান্ত রায়ে সাধারণ নির্বাচনকে 'চলতি বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা' বলেও উল্লেখ করেছে।
প্রসঙ্গত, অরবিন্দ কেজরিওয়াল জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এই মামলায় চার্জশিট দায়ের করেছে। ওই চার্জশিটে কিন্তু তার নাম রয়েছে।

ছবির উৎস, ANI
হেমন্ত সোরেনের বিরুদ্ধে মামলা
হেমন্ত সোরেনকে ৩১শে জানুয়ারি গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তার বিরুদ্ধে ঝাড়খণ্ডে সাড়ে আট একর জমির কেনাবেচা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে। সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মি. সোরেন।
গ্রেফতারের ঠিক আগেই ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।
গত দোসরা ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মি. সোরেন। কিন্তু শীর্ষ আদালত তাকে প্রথমে ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার নির্দেশ দেয়।
এরপর, ২৮শে ফেব্রুয়ারি শুনানির শেষে রায়দান স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় হাইকোর্ট।
দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে রায়দান স্থগিত রাখার পর, ঝাড়খণ্ড হাইকোর্ট অবশেষে তেসরা মে তার আবেদন খারিজ করে দেয়।
হাইকোর্টের তরফে জানানো হয় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলায় তার বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে এবং তার ভিত্তিতে ওই মামলায় তিনি জড়িত বলেও মনে করা হচ্ছে।
এরই মাঝে, ৩০শে মার্চ ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতা হেমন্ত সোরেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গত এপ্রিল মাসের গোড়ার দিকে ওই চার্জশিট পিএমএলএ আদালতের (প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের অধীনে গঠিত বিশেষ আদালত) পর্যবেক্ষণাধীন হয়।
গত ১৬ই এপ্রিল রাঁচির পিএমএলএ আদালতে জামিনের আবেদন করেন তিনি। যদিও সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত।
এরপর আরও একবার জামিনের জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। তেসরা মে হাইকোর্টে নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করেন।
এরপর ওই একই আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেরও দ্বারস্থ হন তিনি।
মূলত এই সমস্ত কারণেই মি. সোরেনের অন্তর্বর্তী জামিন মামলার শুনানিতে রাজি হয়নি শীর্ষ আদালত।
বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চ তার (হেমন্ত সোরেনের) আইনজীবী কপিল সিব্বলকে জানান আদালতের কাছে তথ্য গোপন করেছেন মি. সোরেন। শীর্ষ আদালতকে তিনি দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানাননি।
সেটা হল প্রথমত, ইডি-র দায়ের করা চার্জশিট ইতিমধ্যে নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণাধীন। এবং দ্বিতীয়ত, অন্তর্বর্তী জামিনের জন্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার সময় তার জামিনের আবেদন নিম্ন আদালতেরও বিচারাধীন ছিল।
শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ আইনজীবী কপিল সিব্বলকে বলেন, "আমরা আপনার মক্কেলের কাছ থেকে কিছু স্পষ্টতা আশা করেছিলাম। তার জানানো উচিত ছিল যে নিম্ন আদালতে ইতিমধ্যে জামিনের আবেদন করা হয়েছে।"
"আপনারা তো সমান্তরাল ভাবে দু’জায়গায় প্রতিকার খুঁজছেন।"
এ প্রসঙ্গে কপিল সিব্বল বেঞ্চকে বলেন, ভুলটা মি. সোরেনের নয়, তার আইনজীবীর। কিন্তু এই যুক্তিতে আমল দিতে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে যে হেমন্ত সোরেন একই সঙ্গে একাধিক আইনি বিকল্প খুঁজেছেন।
এরপর শীর্ষ আদালত থেকে একপ্রকার আবেদন প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন মি. সোরেন।
তার জামিন খারিজ হওয়ার প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও তার সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রচারের সময় এই প্রসঙ্গ টেনে আনেন।
সাম্প্রতিক এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি বলেন, "দু'জন মুখ্যমন্ত্রী গ্রেফতার হলেন। আদিবাসী মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু এখনও জেলের ভিতরে রয়েছেন, এটা অদ্ভুত বিষয়! আদিবাসী মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে (অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আগে) জেলে গিয়েছিলেন আর আজও তিনি বেরিয়ে আসেননি।"
প্রসঙ্গত, কংগ্রেসের মতোই অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং হেমন্ত সোরেনের দল উভয়েই বিজেপির বিরোধী 'ইন্ডিয়া' জোটের শরিক।

ছবির উৎস, ANI
End of বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর
আইন বিশেষজ্ঞদের মতামত
আদালতের দেওয়া যুক্তি নিয়ে সন্তুষ্ট নন আইন বিশেষজ্ঞরা।
সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি মদন লোকুর বলেন, "হেমন্ত সোরেনের আবেদন সুপ্রিম কোর্টের শোনা উচিত ছিল। যদি গ্রেফতার অবৈধ হয়ে থাকে, তাহলে পরে তিনি কী করেছেন (যেমন একই আবেদন নিয়ে দুটি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ইত্যাদি) তা বিবেচ্য নয়।"
সিনিয়র আইনজীবী সঞ্জয় হেগড়ে জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মতো হেমন্ত সোরেনেরও অন্তর্বর্তী জামিন পাওয়া উচিত ছিল।
তিনি বলেছেন, "কেজরিওয়ালকে জামিন দেওয়ার মূল কারণ ছিল, নির্বাচনের সময় বড় খেলোয়াড়কে বাদ দিয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করা যায় না। এই কথাগুলো ওই আদেশে স্পষ্ট ভাবে লেখা না থাকলেও ইঙ্গিত তেমনই ছিল। "
"ঠিক একই যুক্তিতে প্রচারের জন্য হেমন্ত সোরেনকে জামিন দেওয়া উচিত ছিল। সে তিনি মাত্র এক সপ্তাহের জন্য প্রচারের সুযোগ পান না কেন।"
মি. হেগড়ে জানিয়েছেন, একটা অন্য বেঞ্চ এই ধরনের বিষয়ে ভিন্ন মতামত দিতে পারে।
তিনি বলেন, "এখানে (সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে) জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে আদালত চার্জশিটে আমল দিয়েছে কিন্তু তা (হেমন্ত সোরেনের তরফে আদালতকে জানানো) জনসমক্ষে আনা হয়নি।"
"অন্য বেঞ্চ অন্তর্বর্তী জামিন নাকচ করার জন্য এই ধরনের টেকনিক্যাল পথ অবলম্বন করত না।"
আইনজীবী শাহরুখ আলম বলেন, "পাঞ্জাব ও হরিয়ানা এবং কলকাতা হাইকোর্ট কেজরিওয়ালকে জামিনের উদাহরণ দিয়ে জনগণকে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছে।" ফৌজদারি মামলা লড়েন এই আইনজীবী।
গত মে মাসে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট রাজ্যের প্রাক্তন বনমন্ত্রী সাধু সিং ধরমসোতকে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের জন্য জামিন দেয়। ধরমসোত অর্থ পাচারের মামলায় জেলে ছিলেন।
এর পাশাপাশি, হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তদন্ত ১৪ জুন পর্যন্ত স্থগিত রেখেছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিজেপির হয়ে পশ্চিমবঙ্গের তমলুক থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মি. গাঙ্গুলি।
আদালত অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মামলার উদাহরণ দিয়ে জানিয়েছিল এখন নির্বাচন চলছে এবং অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় একজন প্রার্থী। নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাই তার বিরুদ্ধে তদন্ত স্থগিত থাকবে।
শাহরুখ আলম বলছেন, "এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে সোরেনকে জামিন না দেওয়া স্বেচ্ছাচারিতা। আদালত তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিতে পারত যাতে তিনি ভোটের প্রচারে অংশ গ্রহণ করতে পারেন। তার গ্রেফতার বেআইনি কি না, সে বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেত।"
''কেজরিওয়ালের ক্ষেত্রেও গ্রেফতারের বৈধতা নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। কেজরিওয়ালের মামলা থেকে সোরেনের মামলা কতটা আলাদা, তা বিষয়ে বিচারবিভাগীয় যুক্তি থাকা উচিত।"
সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদের অধীনে কোনও নির্দিষ্ট মামলায় 'সম্পূর্ণ ন্যায় বিচার' দেওয়ার ক্ষমতাও সুপ্রিম কোর্টের রয়েছে।
তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, "একাধিক মামলায় প্রতিকার দেওয়ার জন্য আদালত তার এই ক্ষমতার ব্যবহারও করেছে। যদিও এটি আইনে স্পষ্ট করা হয়নি।"
আইন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ গৌতম ভাটিয়া অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দেওয়া 'স্বস্তির' সমালোচনা করেছেন।
তিনি বলছেন, কেজরিওয়ালের জামিন পাওয়াটা ঠিক, কিন্তু এর জন্য আদালত যে কারণ দেখিয়েছে তা সঠিক নয়।
মি. ভাটিয়ার কথায়, "আদালতের আদেশে ত্রুটি রয়েছে। ভবিষ্যতে যদি এ জাতীয় জামিন মামলা আসে তাহলে তাদের শুনানির নীতিমালা কী হবে, তা আদেশে লেখা হয়নি।"
"এইভাবে তো ব্যক্তি স্বাধীনতা এক ধরনের সুরক্ষা পেয়ে যায়, যা অস্বচ্ছ মানদণ্ডের নিরিখে নির্ধারণ করে যে এটা কাকে দিতে হবে এবং কাকে হবে না", বলেন তিনি।








