বনানী ধর্ষণ মামলায় অভিযোগ আমলে নিয়েছে আদালত

ছবির উৎস, ফোকাস বাংলা
বাংলাদেশে আলোচিত বনানী ধর্ষণ মামলায় অভিযোগ আমলে নিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মোঃ শফিউল আজমের আদালতে আজ অভিযুক্তদের উপস্থিতিতে শুনানি হয় এবং অভিযোগ-পত্র আমলে নেন বিচারক।
আসামী পক্ষের আইনজীবীরা অভিযুক্তদের জামিন চেয়ে আবেদন করলেও জামিন দেয়নি আদালত।
বাদী পক্ষের আইনজীবী জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির ফাহমিদা আক্তার বিবিসি বাংলাকে জানান, আগামী ৯ই জুলাই এ মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন ঠিক করেছে আদালত।
বনানীর রেইনট্রি নামের হোটেলে ধর্ষণের অভিযোগে আপন জুয়েলার্সের একজন মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ ও তার দুই বন্ধুসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুই তরুণী।
আইনজীবী ফাহমিদা আক্তার বলেন,বাদী পক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান যে, ড্রিংক (মদ্যপান) করিয়ে দুইজন মেয়েকে রেপ করা হয়। এমন অবস্থায় অভিযুক্তরা জামিন পেতে পারে না।
পরে জামিন আবেদন নাকচ করে দেয় আদালত।
তিনি আরও জানান, "আদালতে আসামী পক্ষ থেকে দাবি করা হয় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হলেও হোটেলে যা ঘটেছে অভিযোগকারী মেয়েদের সম্মতিতেই তো হয়েছে। সেখানে রেপ(ধর্ষণ) এর ঘটনা ছিল না"।

ছবির উৎস, LEISA TYLER
এর আগে চাঞ্চল্যকর এই মামলায় বাংলাদেশের পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগ এনে পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ-পত্র দায়ের করে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে।
অভিযোগ-পত্রে সাফাত আহমেদ ছাড়াও তাঁর দুই বন্ধু নাঈম আশরাফ ও সাদমান সাকিফ, গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন এবং দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদের নাম রয়েছে।
তবে অভিযুক্তরা ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
গত ২৮শে মার্চ ঢাকার বনানীতে একটি হোটেলে আয়োজিত জন্মদিনের পার্টিতে আমন্ত্রণ জানিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন দুইজন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী।
ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর পুলিশের কাছে গেলে পুলিশ শুরুতে মামলাটি নিতে চায়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, সাফাত আহমেদ এবং নাঈম আশরাফই সরাসরি ধর্ষণে অংশ নিয়েছিল। বাকি তিনজন সহযোগিতা করেছে।
আরও পড়ুন:








