কূপ থেকে উদ্ধার করা শিশু জিহাদকে মৃত ঘোষণা

ছবির উৎস, focus bangla
ঢাকার সাজাহানপুরে পানির কূপে আটকে পড়া চারবছরের শিশু জিহাদকে উদ্ধারের পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে বলে খবর দিচ্ছে ঢাকার টেলিভিশন চ্যানেলগুলো।
দমকল বাহিনী উদ্ধার অভিযানে বিফল হয়ে হাল ছেড়ে দেয়ার পর স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো জানায়, জিহাদকে সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।
এর আগে ২৩ ঘন্টা ধরে শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য প্রাণান্তকর চেষ্টা চলে।
কূপের ভেতর জিহাদের সন্ধান না পেয়ে এক পর্যায়ে দমকল বাহিনী হাল ছেড়ে দেয়।
আজ কয়েক ঘন্টা আগে দমকল বাহিনীর মহাপরিচালক উদ্ধার অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
কিন্তু দমকল বাহিনী ঘটনাস্থল থেকে সরে যাওয়ার পর স্থানীয়রা স্ব-উদ্যোগে সেখানে শিশুটিকে বের করার জন্য তৎপরতা শুরু করে।
টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে সম্প্রচারিত ছবিতে দেখা যায়, স্থানীয় লোকজন বিকেল তিনটার দিকে শিশুটিকে কূপের ভেতর থেকে টেনে তোলে।
এসময় শিশু জিহাদের শরীর ছিল অচেতন, সে জীবিত না মৃত তা বোঝা যাচ্ছিল না। দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শ্বাসরুদ্ধকর ২৩ ঘন্টা
ওয়াসার পরিত্যক্ত একটি কূপের ভেতরে পড়ে যাওয়ার পর শিশু জিহাদের উদ্ধার অভিযানকে ঘিরে ব্যাপক কৌতুহল সৃষ্টি হয় বাংলাদেশ জুড়ে।
টেলিভিশন চ্যানেলগুলো সরাসরি সম্প্রচার করছিল এই অভিযান।
অভিযানের নানা পর্যায়ে বিভিন্ন ধরণের বিভ্রান্তিকর তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল।
কূপের ভেতর থেকে শিশু জিহাদ সাড়া দিচ্ছে, এমন খবরে তাকে জীবিত উদ্ধারের আশা করছিলেন অনেকে।
কিন্তু এরপর আবার ক্যামেরা নামিয়ে কোনভাবেই তার অবস্থান সনাক্ত করা না যাওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
স্থানীয়দের বিক্ষোভ
শিশু জিহাদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাজাহানপুরের মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
দমকল বাহিনীর উদ্ধার অভিযানের ব্যর্থতার কারণে ক্ষুব্ধ কিছু স্থানীয় মানুষ সেখানে একটি মার্কেটে হামলা চালিয়ে ভাংচুর শুরু করেন।








