ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ

    • Author, রাসেল মাহমুদ
    • Role, বিবিসি বাংলা

আদালতের রায়ের কারণে শিশু পার্কও সরিয়ে নিতে হতে পারে
ছবির ক্যাপশান, আদালতের রায়ের কারণে শিশু পার্কও সরিয়ে নিতে হতে পারে

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণের জন্য দেশটির হাইকোর্ট সরকারের প্রতি নির্দেশনা সম্পর্কিত একটি রায় দিয়েছে।

একটি কমিটির মাধ্যমে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত জায়গাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে আন্তর্জাতিক মানের স্মৃতি সৌধ স্থাপনের কথাও বলা হয়েছে এ-রায়ে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ঐতিহাসিক স্থাপনা সমুহ সংরক্ষণের জন্য আদালতের নির্দেশনা চেয়ে রিট মামলাটি দায়ের করা হয়েছিলো ২০০৯ সালের ২৬শে জুন।

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের নেতা অব: মে জে শফিউল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের শিক্ষক মুনতাসির মামুন এ রিট আবেদনটি করেছিলেন।

আদালতের নির্দেশের ব্যাপারে মামলাটির আইনজীবী মনজিল মোর্শেদ জানিয়েছেন, এই জায়গাগুলোকে চিহ্নিত করা এবং সংরক্ষণের জন্য একটি কমিটি গঠনের ব্যাপারেও আদালত নির্দেশ দিয়েছে।

একই সাথে আদালত রায়ে এই নির্দেশও দিয়েছে যে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে অবস্থিত ঐতিহাসিক নয় এমন স্থাপনাগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে।

এর ফলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় আবস্থিত পুলিশ কন্ট্রোল রুম, শিশুপার্ক এবং একটি মার্কেট সরিয়ে নিতে হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

এ রায়ের ব্যাপারে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, সরকারের পরিকল্পনার সাথে এই রায়ের কোন পার্থক্য নেই।

তবে শিশুদের মাঝে ইতিহাসকে তুলে ধরার জন্য আদালতের নির্দেশ নিয়েই তাঁরা সেখানে থাকা শিশুপার্ককে মুল পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করতে চান। আর সচিবালয়ের কাছে পুলিশের নতুন যে কন্ট্রোল রুম আছে পুলিশ সেখানে চলে যাবে।

এক বছর আগে ২০০৯ সালের ৮ই জুলাই আদালত থেকে এ রায় দেয়া হয়েছিলো। বুধবার এই রায়ের কপি প্রকাশ করা হলো।