ইমরান খান: প্রতিবাদ মিছিলে গুলিতে আহত পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

ইমরান খান গত সাত দিন ধরে ইসলামাবাদ অভিমুখে প্রতিবাদ মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন

ছবির উৎস, EPA

Published

পাকিস্তানে বিরোধী দল তেহরিকই-ইনসাফের বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ওপর বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। দলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে কার্যত তার প্রাণনাশের চেষ্টায় লাহোরের কাছে মিছিলের সময় তার ওপর গুলি চালানো হয়েছে। তিনি আহত হয়েছেন।

তার পিটিআই পার্টির সদস্যরা বলেছেন আজ বৃহস্পতিবার মিছিলে এই গুলির ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছে। কিন্তু কেউ মারা যায়নি।

মি. খানের নেতৃত্বে ইসলামাবাদ অভিমুখে যাওয়া মিছিলের সময় লাহোরের কাছে ওয়াজিরাবাদে এই গুলির ঘটনা ঘটে।

তার দলের মহাসচিব আসাদ উমর জানিয়েছেন মি. খানের পায়ে গুলি লেগেছে। দলের অন্য আরেকজন নেতা বলেছেন তার পায়ে হাঁটুর নিচে গুলি লেগেছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে পিটিআই দলের ইমরান ইসমাইলকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে মি. খানের পায়ে তিন থেকে চারবার গুলি করা হয়েছে।

দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে মিছিলের জন্য বিশেষভাবে তৈরি মি. খানের ট্রাকের কাছ থেকে গুলি চালানো হয়েছে।

মি. খানের দলের আরেকজন নেতা এবং ওই প্রদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রী ইয়াসমিন রশিদ জানিয়েছেন তার আঘাত গুরুতর নয়। তাকে লাহোরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখন তিনি একটি নিরাপদ স্থানে আছেন বলে দল বলছে।

ইমরান খানকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় লাহোরের হাসপাতালে

ছবির উৎস, EPA

ছবির ক্যাপশান, ইমরান খানকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় লাহোরের হাসপাতালে

টেলিভিশন ফুটেজে দেখা গেছে তাকে ট্রাক থেকে বের করে অন্য একটি গাড়িতে তোলা হচ্ছে। সেসময় দেখা যায় তার ডান পায়ে ব্যাণ্ডেজ বাঁধা রয়েছে। কিন্তু তিনি সজ্ঞানে ছিলেন, কথাবার্তা বলছিলেন এবং দলের কর্মীদের নির্দেশ দিচ্ছিলেন।

সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে মি. খানের সমর্থকরা হামলার অব্যবহিত পরেই বন্দুক হাতে ধরা এক ব্যক্তিকে চেপে ধরেছেন।

মি. খানের একজন ঊর্ধ্বতন সহযোগী এএফপি বার্তা সংস্থাকে বলেছেন: "এটা ছিল তাকে হত্যা করার, তার প্রাণনাশের একটা প্রচেষ্টা।"

কিন্তু মি. খানকে টার্গেট করেই ওই গুলি চালানো হয়েছে নাকি মিছিলে এলোপাথাড়ি চালানো গুলি তার পায়ে এসে লেগেছে কিনা তা পরিষ্কার নয়।

পাকিস্তানের জিও টিভির খবরে বলা হয়েছে সন্দেহভাজন একজন পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তার নাম জানানো হয়নি।