দুর্নীতির অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চ্যাটার্জি গ্রেপ্তার

ছবির উৎস, Getty Images
পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চ্যাটার্জিকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ দপ্তরের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
শুক্রবার সকাল থেকে তার বাড়িতে একটানা প্রায় ২৭ ঘণ্টা তল্লাশি ও জেরা করার পরে শনিবার সকালে প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি দাবি করেছে, মি. চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখার্জি নামে একজন নারীর ফ্ল্যাট থেকে অন্তত ২০ কোটি রূপি তারা উদ্ধার করেছে। তাকেও আটক করা হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যম খবর দিয়েছে।
শুক্রবার সকাল থেকে পশ্চিমবঙ্গের ১৩টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি।
একটি টুইট বার্তায় ইডি শুক্রবার জানিয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গের স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং প্রাইমারি এডুকেশন বোর্ডের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগে তারা একাধিক স্থানে অভিযান শুরু করেছে।
পুরো অভিযানটি চালানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে স্কুল শিক্ষক নিয়োগে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পরে।
এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
End of X post
কলকাতা হাইকোর্ট ওই অভিযোগের তদন্তভার দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইকে।
ওই তদন্তে নেমে এর আগে মি. চ্যাটার্জিকে একাধিকবার জেরাও করেছে সিবিআই।
দুর্নীতির টাকার উৎস খুঁজতে সিবিআইয়ের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে ইডি।
শুক্রবার সকাল থেকে যাদের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে, তারা সকলেই কোন না কোন সময় পশ্চিমবঙ্গের স্কুল শিক্ষক নিয়োগ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
তৃণমূল কংগ্রেস সবসময়ে বলে থাকে যে, নরেন্দ্র মোদীর সরকার কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোকে বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।
বৃহস্পতিবার তাদের একটি জনসভা থেকেও সিবিআই এবং ইডির বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেত্রী মমতা ব্যানার্জি।
কংগ্রেসসহ ভারতের অন্যান্য বিরোধী দলও তাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোকে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছে।
বিজেপি যদিও সবসময় দাবি করে যে, এই কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলো স্বয়ং শাসিত সংস্থা এবং তাদের তদন্তের ওপর বাইরে থেকে কোন প্রভাব খাটানো হয় না।








