আফগানিস্তানে জোড়া ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ২২, মৃতের সংখ্যা আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা

ভূমিকম্পে বহু বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।

ছবির উৎস, BAKHTAR NEWS AGENCY

ছবির ক্যাপশান, ভূমিকম্পে বহু বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।

আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলে সোমবার পর পর দুটো ভূমিকম্পে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সোসাইটির তথ্য অনুসারে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বাদঘিস প্রদেশে ভূমিকম্প দুটোর মাত্রা ছিল ৪.৯ এবং ৫.৩।

ভূমিকম্পে বহু বাড়িঘর ও ভবন ধসে পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

সরকারের একজন মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে যেসব মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তার মধ্যে চারটি শিশু রয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, ভূমিকম্পে ৭০০-এর বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।।

আফগানিস্তানে বাড়িঘর খুব বেশি মজবুত না হওয়ায় এবং সেগুলো যথাযথ উপায়ে নির্মাণ না করার কারণে দেশটিতে ভূমিকম্পে বাড়িঘরের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সোসাইটি বলছে বাদঘিস প্রদেশের রাজধানী কালা-ই-নাও থেকে ৩১ মাইল দূরে দুটো ভূমিকম্প দুটো আঘাত হেনেছে।

আরো পড়তে পারেন:

যেখানে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

ছবির উৎস, USGS HANDOUT

ছবির ক্যাপশান, যেখানে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

প্রথম ভূমিকম্পটি হয় দুপুরে এবং এর দু'ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।

এর কম্পন সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয় কাদিস এবং মুগর জেলায়।

বিবিসির পোশতু বিভাগের খবরে বলা হচ্ছে, কাদিস জেলার প্রধান মোহাম্মদ সালেহ পুরদিল বলেছেন ভূমিকম্পে তার জেলায় বহু বাড়িঘর ভেঙ্গে পড়েছে - যাতে বেশ কয়েকজন নারী ও শিশু মারা গেছে।

উদ্ধারকাজ চলছে এবং কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন প্রত্যন্ত এলাকায় নিহতের সংখ্যা আরো বেড়ে যেতে পারে।

বাদঘিস প্রদেশ আফগানিস্তানের উত্তর-পশ্চিমে, সীমান্তের ওপাশে তুর্কমেনিস্তান।

এই এলাকাটি আফগানিস্তানের অনুন্নত ও দরিদ্র জায়গাগুলোর একটি।

গত বছরের অগাস্ট মাসে তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে।

ঋণে জর্জরিত এই দেশটিতে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন রসদ সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।