আবহাওয়া: বঙ্গোপসাগরের একটি লঘুচাপ চলে এসেছে স্থলভাগে, যে প্রভাব পড়বে

বঙ্গোপসাগরের সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ছবির উৎস, bmd.gov.bd

ছবির ক্যাপশান, বঙ্গোপসাগরের সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া হওয়া একটি লঘুচাপ বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এলাকার স্থলভাগে চলে এসেছে।

এর ফলে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকা, পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

আজ (বুধবার) সারাদিন থেমে থেমে এরকম বৃষ্টিপাত চলবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মাত্র তিনদিন আগেই একটি নিম্নচাপ থেকে একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছিল বঙ্গোপসাগরে।

গুলাব নামে স্বল্প শক্ষির এই ঘূর্ণিঝড়টি পরে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও উড়িশ রাজ্যে আঘাত হানে। সেটার প্রভাব কাটতে না কাটতেই দেখা গেল একটি লঘুচাপ তৈরি হয়েছে। অবশ্য ঘূর্ণিঝড় গুলাব যখন তৈরি হয়, তখনই পাওয়া গিয়েছিল এই লঘুচাপের পূর্বাভাস।

মাছ ধরার নৌকা এবং ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি চলাচল করতে বলা হয়েছে।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, মাছ ধরার নৌকা এবং ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি চলাচল করতে বলা হয়েছে।

ঢাকার আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস বিবিসি বাংলাকে বলছেন, সুস্পষ্ট একটি লঘুচাপ সরে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও ওই এলাকার বাংলাদেশ-পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান করছে।

অবশ্য সাগর ছেড়ে মাটিতে উঠে আসার কারণে এটা আর ঘনীভূত হওয়ার সম্ভাবনা নেই, বলছেন মি. কুদ্দুস।

তিনি জানান, লঘুচাপটি হয়তো আর দুই-একদিন থাকতে পারে। কিন্তু মাটিতে উঠে আসার কারণে দুর্বল হয়ে পড়বে। সেটি পশ্চিমবঙ্গের ভেতর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

লঘুচাপের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো আবহাওয়াও বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্র-বৃষ্টিও হতে পারে।

বাংলাদেশের সমুদ্র তীরবর্তী বন্দরগুলোকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। মাছ ধরার নৌকা এবং ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি চলাচল করতে বলা হয়েছে।

বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর: