কোভিড লকডাউন: সব গণপরিবহন পুরোদমে চলবে ১৯শে অগাস্ট থেকে, খুলছে বিনোদন ও পর্যটন কেন্দ্র

বাংলাদেশে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে সব ধরণের গণপরিবহন চালু হওয়ার পাশাপাশি শর্তসাপেক্ষে পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হবে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জারি করা মন্ত্রিপরিষদের নতুন এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১৯শে অগাস্ট থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো চালু করা যাবে।

তবে এই পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো মোট আসন সংখ্যার শতকরা ৫০ ভাগ ব্যবহার করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে।

এই কেন্দ্রগুলোতে সবাইকে মাস্ক পরা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া "স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ" করার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে ওই প্রজ্ঞাপনে।

সরকারি ঘোষণায় সতর্ক করে দেয়া হয়েছে যে কোন প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে অবহেলা দেখা গেলে ওই প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে যে, ১৯শে অগাস্ট থেকে "স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে" সড়ক, রেল ও নৌপথে সকল প্রকার গণপরিবহন চলাচল করতে পারবে।

বুধবার থেকে সারাদেশে সড়ক পথে গণপরিবহন চালু হলেও এক্ষেত্রে শর্ত দেয়া হয়েছে যে অর্ধেক সংখ্যক যানবাহন আসন সংখ্যার সমপরিমান যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে হবে। নতুন ঘোষণায় বলা হয়েছে যে সব ধরণের গণপরিবহন চলবে, তবে এক্ষেত্রে শুধু স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে।

গত বছর মার্চে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পরপর মার্চ মাসে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।

কয়েক দফা বাড়িয়ে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে সেসময় সাধারণ ছুটি ছিল।

এরপর জুন মাসে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয়া হলেও নিয়ম করা হয় যে পরিবহনের ৫০ শতাংশ আসন ব্যবহার করা যাবে।

এরপর সংক্রমণের হার ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় এ বছরের এপ্রিল মাসে শুরুতে সাতদিনের জন্য লকডাউন জারি করা হয়। তবে কয়েক দফায় বাড়ানো হয় এই লকডাউনের মেয়াদ।

এরপর জুলাই মাসের শুরুতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে 'কঠোর' বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। তবে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে ঈদ উদযাপন সহজ করতে কিছুদিনের জন্য শিথিল করা হয় বিধিনিষেধ।

বিবিসি বাংলায় আর পড়তে পারেন: