ফিলিস্তিনি-ইসরায়েল সংঘাত অব্যাহত, নিহত আরো ১০

ছবির উৎস, Getty Images
গাযায় ইসরায়েলি বিমান হামলা এবং ফিলিস্তিনি হামাস গোষ্ঠীর পাল্টা রকেট নিক্ষেপ আজও অব্যাহত ছিল। শনিবার গাজায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছে, বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছে বলেও জানা গেছে।
কর্মকর্তারা বলছেন, গাযায় আল-শাত নামে একটি শরণার্থী শিবিরের ওপর ইসরায়েলি বিমান হামলায় দুটি পরিবারের সাত জন নিহত হয়েছে।
বলা হচ্ছে, ধ্বংসস্তুপের নিচে আটকা পড়া পাঁচ মাস বয়সী একটি শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে, এবং সে ছাড়া ওই পরিবারের আর কেউ বেঁচে নেই।
ইসরায়েলি বিমান হামলা ও বোমাবর্ষণের জবাবে ফিলিস্তিনি হামাস গোষ্ঠী দক্ষিণ ইসরায়েলে আরো অন্তত ২০০টি রকেট নিক্ষেপ করেছে।

ছবির উৎস, AFP
ইসরায়েলের বিরশেবা শহরে গাযা থেকে নিক্ষিপ্ত ফিলিস্তিনি রকেট হামলায় আহত ১৯ জনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
বিরশেবা ও এ্যাশদদ এই দুই শহরেই বেশ কিছু ভবনের ওপর রকেট আঘাত হেনেছে।
গত ছ'দিন ধরে চলতে থাকা ফিলিস্তিনি-ইসরায়েল সংঘাাত থামানোর চেষ্টায় একজন মার্কিন দূত হাদি আমর ইসরায়েল সফরে এসেছেন।
আরও পড়ুন:

ছবির উৎস, Reuters
এই সফরের সময় তিনি ইসরায়েলি, ফিলিস্তিনি ও জাতিসংঘে কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করবেন।
শনিবার দিনটি হচ্ছে ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিনির ঘরবাড়ি হারানোর বার্ষিকী - এবং এ দিনটি ফিলিস্তিনিরা 'আল-নাকবা' বা মহাবিপর্যয়ের দিন হিসেবে স্মরণ করেন।

ছবির উৎস, Reuters
গত কিছু দিন ধরে ফিলিস্তিনি প্রাণহানি হচ্ছিল মূলত গাযায় কিন্তু শুক্রবার পশ্চিম তীরেও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ইসরায়েলি বাহিনীর সাথে ফিলিস্তিনিদের সংঘর্ষে ১১ জন নিহত হন।
প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলতে থাকা লড়াইয়ে ফিলিস্তিনি এলাকায় এ পর্যন্ত ১৫০ জন নিহত হয়েছে। ইসরায়েলে নিহত হয়েছে ৮ জন।
গত সোমবার থেকে এই সংঘাতের কারণে গাযার বাসিন্দা প্রায় ১০ হাজার ফিলিস্তিনি বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন।








