প্রিন্স ফিলিপ: ছবিতে এক বর্ণাঢ্য জীবন

প্রিন্স ফিলিপ, ব্রিটিশ রাজতন্ত্রে যার পদবী ডিউক অফ এডিনবরা, জন্মেছিলেন গ্রিসের দ্বীপ কর্ফুতে ১০ই জুন ১৯২১ সালে। তার পরিবারের শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে রয়েছে ব্রিটেন, ডেনমার্ক, জার্মানি এবং রাশিয়ার রাজপরিবারগুলোর মধ্যে।
ছবির ক্যাপশান, প্রিন্স ফিলিপ, ব্রিটিশ রাজতন্ত্রে যার পদবী ডিউক অফ এডিনবরা, জন্মেছিলেন গ্রিসের দ্বীপ কর্ফুতে ১০ই জুন ১৯২১ সালে। তার পরিবারের শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে রয়েছে ব্রিটেন, ডেনমার্ক, জার্মানি এবং রাশিয়ার রাজপরিবারগুলোর মধ্যে।
1px transparent line
গ্রিসের প্রিন্স অ্যান্ড্রু এবং ব্যাটেনবার্গের রাজকুমারী প্রিন্সেস অ্যালিস-এর তিনি একমাত্র পুত্র।

ছবির উৎস, Getty Images / Alamy

ছবির ক্যাপশান, গ্রিসের প্রিন্স অ্যান্ড্রু এবং ব্যাটেনবার্গের রাজকুমারী প্রিন্সেস অ্যালিস-এর তিনি একমাত্র পুত্র।
প্রিন্স ফিলিপের শিক্ষাজীবন শুরু হয় ফ্রান্সে, সেন্ট-ক্লাউডের ম্যাকজ্যানেট আমেরিকান স্কুলে। এই ছবিতে তাকে স্কুলের বন্ধুদের সাথে দেখা যাচ্ছে (বাঁ থেকে দ্বিতীয়)। সাত বছর বয়সে তিনি তার আত্মীয় লর্ড মাউন্টব্যাটেনের পরিবারের সাথে থাকার জন্য ইংল্যান্ডে চলে আসেন। এখানে তিনি সারে কাউন্টির এক প্রিপারেটরি স্কুলে ভর্তি হন।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, প্রিন্স ফিলিপের শিক্ষজীবন শুরু হয় ফ্রান্সে, সেন্ট-ক্লাউডের ম্যাকজ্যানেট আমেরিকান স্কুলে। এই ছবিতে তাকে স্কুলের বন্ধুদের সাথে দেখা যাচ্ছে (বাঁ থেকে দ্বিতীয়)। সাত বছর বয়সে তিনি তার আত্মীয় লর্ড মাউন্টব্যাটেনের পরিবারের সাথে থাকার জন্য ইংল্যান্ডে চলে আসেন। এখানে তিনি সারে কাউন্টির এক প্রিপারেটরি স্কুলে ভর্তি হন।
এরপর তিনি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ কার্ট হানের স্থাপিত স্কটল্যান্ডের গর্ডনস্টাউন বোর্ডিং স্কুলে চলে যান। এই স্কুলে খেলাধুলায় পারদর্শিতার জন্য তিনি সুনাম অর্জন করেন।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, এরপর তিনি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ কার্ট হানের স্থাপিত স্কটল্যান্ডের গর্ডনস্টুন বোর্ডিং স্কুলে চলে যান। এই স্কুলে খেলাধুলায় পারদর্শিতার জন্য তিনি সুনাম অর্জন করেন।
1px transparent line
ধারনা করা হয় তখনকার প্রিন্সেস এলিজাবেথ (বাঁ থেকে তৃতীয়) এবং তরুণ নৌক্যাডেট প্রিন্স ফিলিপের (একদম ডানে মাথায় সাদা ক্যাপ) মধ্যে এটাই প্রথম সাক্ষাতের ছবি। ১৯৩৯ সালের ২৩শে জুলাই ডার্টমাথের রয়্যাল নেভাল কলেজে এক সফরের সময় ছবিটি তোলা হয়েছিল।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ধারনা করা হয় তখনকার প্রিন্সেস এলিজাবেথ (বাঁ থেকে তৃতীয়) এবং তরুণ নৌক্যাডেট প্রিন্স ফিলিপের (একদম ডানে মাথায় সাদা ক্যাপ) মধ্যে এটাই প্রথম সাক্ষাতের ছবি। ১৯৩৯ সালের ২৩শে জুলাই ডার্টমাথের রয়্যাল নেভাল কলেজে এক সফরের সময় ছবিটি তোলা হয়েছিল।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রিন্স ফিলিপ রণতরী এইচএমএস ভ্যলিয়েন্টে মিডশিপম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সরাসরি লড়াইয়ে অংশ নেন। গ্রিসের অদূরে যখন একটি ইতালিয়ান নৌবহর আটকা পড়েছিল, তখন প্রিন্স ফিলিপ সার্চলাইটের দায়িত্বে ছিলেন যার ফলে শত্রু জাহাজকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তার এই কাজ সামরিক বাহিনীতে প্রশংসা অর্জণ করে।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রিন্স ফিলিপ রণতরী এইচএমএস ভ্যলিয়েন্টে মিডশিপম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সরাসরি লড়াইয়ে অংশ নেন। গ্রিসের অদূরে যখন একটি ইতালিয়ান নৌবহর আটকা পড়েছিল, তখন প্রিন্স ফিলিপ সার্চলাইটের দায়িত্বে ছিলেন যার ফলে শত্রু জাহাজকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তার এই কাজ সামরিক বাহিনীতে প্রশংসা অর্জণ করে।
1px transparent line
প্রিন্সেস এলিজাবেথের সাথে তার বাগদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, প্রিন্সেস এলিজাবেথের সাথে তার বাগদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে।
1px transparent line
একই বছরের নভেম্বর মাসে এই দম্পতির বিয়ে হয়।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, একই বছরের নভেম্বর মাসে এই দম্পতির বিয়ে হয়।
1px transparent line
১৯৫১ সালে একজন ফটোগ্রাফার ডিউক অফ এডিনবরার এই ছবিটি তোলেন। এখানে তাকে দেখা যাচ্ছে তুরস্কের মার্মারিস সৈকতে ওয়াটার স্কি থেকে ঝাঁপ দিতে। ব্রিটিশ নৌজাহাজ এইচএমএস ম্যাগপাইয়ের কমান্ডার হিসেবে এটি ছিল তার শেষ পোস্টিং।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ১৯৫১ সালে একজন ফটোগ্রাফার ডিউক অফ এডিনবরার এই ছবিটি তোলেন। এখানে তাকে দেখা যাচ্ছে তুরস্কের মার্মারিস সৈকতে ওয়াটার স্কি থেকে ঝাঁপ দিতে। ব্রিটিশ নৌজাহাজ এইচএমএস ম্যাগপাইয়ের কমান্ডার হিসেবে এটি ছিল তার শেষ পোস্টিং।
এখানে প্রিন্স ফিলিপকে দেখা যাচ্ছে রোহ্যাম্পটন কাপ-এর সেমিফাইনালে পোলো খেলতে। তিনি ছিলেন ব্রিটেনের সেরা পোলো খেলোয়াড়দের একজন।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, এখানে প্রিন্স ফিলিপকে দেখা যাচ্ছে রোহ্যাম্পটন কাপ-এর সেমিফাইনালে পোলো খেলতে। তিনি ছিলেন ব্রিটেনের সেরা পোলো খেলোয়াড়দের একজন।
1px transparent line
ডিউক ছিলেন একজন পাকা ক্রিকেটার। এখানে ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা ক্রিকেটার নিয়ে তার টিমের সাথে লড়ছে ডিউক অফ নরফোকের ক্রিকেট দল।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, ডিউক ছিলেন একজন পাকা ক্রিকেটার। এখানে ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা ক্রিকেটার নিয়ে তার টিমের সাথে লড়ছে ডিউক অফ নরফোকের ক্রিকেট দল।
রানি, ডিউক এবং তাদের চার সন্তান। বাঁ থেকে: এডওয়ার্ড, অ্যান্ড্রু, অ্যানি এবং চার্লস। ছবিটি ১৯৬০-এর দশকে তোলা।
ছবির ক্যাপশান, রানি, ডিউক এবং তাদের চার সন্তান। বাঁ থেকে: এডওয়ার্ড, অ্যান্ড্রু, অ্যানি এবং চার্লস। ছবিটি ১৯৬০-এর দশকে তোলা।
বিয়ের রজতজয়ন্তীতে এই রাজকীয় দম্পতিকে দেখা যাচ্ছে তাদের ব্যালমোরাল প্রাসাদের এক কৃষি ফার্মে।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, বিয়ের রজতজয়ন্তীতে এই রাজকীয় দম্পতিকে দেখা যাচ্ছে তাদের ব্যালমোরাল প্রাসাদের এক কৃষি ফার্মে।
১৯৭৭ সালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সিংহাসনে আরোহণের রজতজয়ন্তী উপলক্ষে প্রিন্স ফিলিপ রানির নিউজিল্যান্ড সফরে সঙ্গী হন। এখানে দেখা যাচ্ছে তারা মাওরি জাতিগোষ্ঠীর একটি ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে আছেন। কিউই পাখির পালক দিয়ে এটা তৈরি করা হয়েছে।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, ১৯৭৭ সালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সিংহাসনে আরোহণের রজতজয়ন্তী উপলক্ষে প্রিন্স ফিলিপ রানির নিউজিল্যান্ড সফরে সঙ্গী হন। এখানে দেখা যাচ্ছে তারা মাওরি জাতিগোষ্ঠীর একটি ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে আছেন। কিউই পাখির পালক দিয়ে এটা তৈরি করা হয়েছে।
একই বছর তারা যখন বারবেডোস সফর করেন তখন তাদের বহণকারী জাহাজ রয়্যাল ইয়ট ব্রিটানিয়ার পাশ দিয়ে উড়ে যায় একটি কনকর্ড যাত্রীবাহী বিমান।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, একই বছর তারা যখন বারবেডোস সফর করেন তখন তাদের বহণকারী জাহাজ রয়্যাল ইয়ট ব্রিটানিয়ার পাশ দিয়ে উড়ে যায় একটি কনকর্ড যাত্রীবাহী বিমান।
১৯৭৯ সালের অগাস্ট মাসে রানির জ্ঞাতিভাই লর্ড লুইস মাউন্টব্যাটেন আয়ারল্যান্ডে আইআরএ-র পাতা এক বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারান। এক অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার জন্য ডিউক অফ এডিনবরা তখন ছিলেন উত্তর ফ্রান্সে। খবর শুনে অনুষ্ঠান রেখেই তিনি দেশে ফিরে আসেন।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, ১৯৭৯ সালের অগাস্ট মাসে রানির জ্ঞাতিভাই লর্ড লুইস মাউন্টব্যাটেন আয়ারল্যান্ডে আইআরএ-র পাতা এক বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারান। এক অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার জন্য ডিউক অফ এডিনবরা তখন ছিলেন উত্তর ফ্রান্সে। খবর শুনে অনুষ্ঠান রেখেই তিনি দেশে ফিরে আসেন।
ডিউক অফ এডিনবরার সারাজীবনের আগ্রহ ছিল প্রকৃতি সংরক্ষণ। ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ড লাইফ ফান্ড প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক সভাপতি হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণ তাই ছিল এক স্বাভাবিক ঘটনা।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, ডিউক অফ এডিনবরার সারাজীবনের আগ্রহ ছিল প্রকৃতি ও তার সংরক্ষণ। ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ড লাইফ ফান্ড প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক সভাপতি হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণ তাই ছিল এক স্বাভাবিক ঘটনা।
এটি ১৯৮৫ সালের এক ছবি। বাকিংহাম প্রাসাদের ব্যালকনিতে এক অনুষ্ঠানে রানির পেছনে ডিউক অফ এডিনবরা। অন্যান্যদের মধ্যে সেখানে উপস্থিত প্রিন্স চার্লস, প্রিন্সেস ডায়ানা এবং তাদের দুই ছেলে উইলিয়াম এবং হ্যারি।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, এটি ১৯৮৫ সালের এক ছবি। বাকিংহাম প্রাসাদের ব্যালকনিতে এক অনুষ্ঠানে রানির পেছনে ডিউক অফ এডিনবরা। অন্যান্যদের মধ্যে সেখানে উপস্থিত প্রিন্স চার্লস, প্রিন্সেস ডায়ানা এবং তাদের দুই ছেলে উইলিয়াম এবং হ্যারি।
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলা ১৯৯৬ সালে যখন প্রথমবারের মতো ব্রিটেন সফর করেন তখন বাকিংহাম প্রাসাদের চত্বরে রাজকীয় গার্ড পরিদর্শন অনুষ্ঠানে তাকে সঙ্গ দেন ডিউক অফ এডিনবরা।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলা ১৯৯৬ সালে যখন প্রথমবারের মতো ব্রিটেন সফর করেন তখন বাকিংহাম প্রাসাদের চত্বরে রাজকীয় গার্ড পরিদর্শন অনুষ্ঠানে তাকে সঙ্গ দেন ডিউক অফ এডিনবরা।
প্রিন্স ফিলিপ রানির সঙ্গী হয়ে ছিলেন ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। এখানে ২০০২ সালে রানির সুবর্ণজয়ন্তীর এক আয়োজনে তাদের দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষের মাঝে।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, প্রিন্স ফিলিপ রানির সঙ্গী হয়ে ছিলেন ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। এখানে ২০০২ সালে রানির সুবর্ণজয়ন্তীর এক আয়োজনে তাদের দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষের মাঝে।
প্রিন্স ফিলিপ ১৯৫৬ সালে ডিউক অফ এডিনবরা স্কিম চালু করেন যার লক্ষ্য হচ্ছে তরুণদের দক্ষতা অর্জণে সহায়তা করা। এখানে ২০১০ সালের এক অনুষ্ঠানে তাকে দেখা যাচ্ছে তরুণ প্রতিনিধিদের সাথে রসিকতা করতে।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, প্রিন্স ফিলিপ ১৯৫৬ সালে ডিউক অফ এডিনবরা স্কিম চালু করেন যার লক্ষ্য হচ্ছে তরুণদের দক্ষতা অর্জণে সহায়তা করা। এখানে ২০১০ সালের এক অনুষ্ঠানে তাকে দেখা যাচ্ছে তরুণ প্রতিনিধিদের সাথে রসিকতা করতে।
ডিউক অনেক বয়স পর্যন্ত খেলাধুলায় অংশ নেন। এখানে তাকে দেখা যাচ্ছে ২০০৫ সালে স্যান্ড্রিংহামে একটি ঘোড়ার গাড়ি চালাতে।

ছবির উৎস, PA

ছবির ক্যাপশান, ডিউক অনেক বয়স পর্যন্ত খেলাধুলায় অংশ নেন। এখানে তাকে দেখা যাচ্ছে ২০০৫ সালে স্যান্ড্রিংহামে একটি ঘোড়ার গাড়ি চালাতে।
২০১১ সালে প্রিন্স ফিলিপের পৌত্র প্রিন্স উইলিয়ামের বিয়ের দিনে বাকিংহাম প্রাসাদের বাইরে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন।

ছবির উৎস, AFP

ছবির ক্যাপশান, ২০১১ সালে প্রিন্স ফিলিপের পৌত্র প্রিন্স উইলিয়ামের বিয়ের দিনে বাকিংহাম প্রাসাদের বাইরে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন।
1px transparent line
২০১৩ সালের জুন মাসে রানির সিংহাসনে আরোহণের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ওয়েস্টমনিস্টার অ্যাবিতে এক প্রার্থণা সভায় প্রিন্স ফিলিপ।

ছবির উৎস, PA Media

ছবির ক্যাপশান, ২০১৩ সালের জুন মাসে রানির সিংহাসনে আরোহণের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ওয়েস্টমনিস্টার অ্যাবিতে এক প্রার্থণা সভায় প্রিন্স ফিলিপ।
ছেলে প্রিন্স চার্লসের সাথে এক অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ডিউক অফ এডিনবরা।

ছবির উৎস, PA Media

ছবির ক্যাপশান, ছেলে প্রিন্স চার্লসের সাথে এক অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ডিউক অফ এডিনবরা।
রানি এলিজাবেথ ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে বেডফোর্ডশায়ারের একটি চিড়িয়াখানা পরিদর্শন করেন। সেখানে অসুস্থ হাতীদের জন্য খোলা হয়েছিল একটি সেবাকেন্দ্র। সেই বছরই মে মাসে প্রিন্স ফিলিপ ঘোষণা করেন যে ৯৫ বছর বয়সে তিনি আর কোন সরকারি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হবে না।

ছবির উৎস, PA Media

ছবির ক্যাপশান, রানি এলিজাবেথ ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে বেডফোর্ডশায়ারের একটি চিড়িয়াখানা পরিদর্শন করেন। সেখানে অসুস্থ হাতীদের জন্য খোলা হয়েছিল একটি সেবাকেন্দ্র। সেই বছরই মে মাসে প্রিন্স ফিলিপ ঘোষণা করেন যে ৯৫ বছর বয়সে তিনি আর কোন সরকারি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হবে না।
ব্রিটেনের ইতিহাসে প্রিন্স ফিলিপই একজন যিনি সবচেয়ে দীর্ঘদিন ধরে কোন রানির জীবন সঙ্গী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ছবির উৎস, PA Media

ছবির ক্যাপশান, ব্রিটেনের ইতিহাসে প্রিন্স ফিলিপই একজন যিনি সবচেয়ে দীর্ঘদিন ধরে কোন রানির জীবন সঙ্গী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সব ছবির সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।