করোনাভাইরাস: প্রয়োজনে মাদারীপুর-ফরিদপুর-শিবচর এলাকা লকডাউন করা হবে, বলছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

করোনা

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দেশগুলো থেকে আসা মানুষ এবং তাদের সংস্পর্শে যারা এসেছেন, তাদের মধ্যেই নমুনা পরীক্ষার বিষয়টি এখনও সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।- ফাইল ফটো

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বাংলাদেশে এখনো পর্যন্ত যাদের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেশি হয়েছে তারা মাদারীপুর, ফরিদপুর এবং শিবচর এলাকার বাসিন্দা।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যদি প্রয়োজন হয় তাহলে মাদারীপুর এবং ফরিদপুর জেলার ওইসব এলাকাকে লকডাউন বা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হবে।

"দুই একটা এলাকার কথা আমাদের খবরে আসে। তার মধ্যে হলো মাদারীপুর এরিয়া, ফরিদপুর এরিয়া বা ঐ শিবচর এরিয়া। এ সমস্ত এরিয়াতে বেশি করে দেখা দিচ্ছে। যদি অবনতি ঘটে, তাহলে পরে আমরা লকডাউনের দিকে যাব," সংবাদ সম্মেলনে বলছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, এসব এলাকায় তুলনামূলকভাবে বেশি আক্রান্তের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। যে ১৭ জনের দেহে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে, তাদের বেশিরভাগই এসব এলাকার বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

"আমরা যেটা খবর পাই, ওখানকার লোক কোয়ারেন্টিনেও বেশি, বিদেশে থাকেও বেশি। সেজন্য এসব জায়গাকে আমরা মোর ক্রিটিক্যাল (বেশি ঝুঁকিপূর্ণ) মনে করি। আগামীতে যদি ওখানে সত্যিই বেড়ে যায়, তাহলে আমরা লকডাউন করবো," বলেন মি. মালেক।

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে যে মাদারীপুর এবং ফরিদপুরের বহু বাসিন্দা ইটালি প্রবাসী। ইটালিতে করোনাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়ার সময় অনেকে বাংলাদেশে ফিরেছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, পুরো বাংলাদেশে এখন ৫০০০'র বেশি মানুষকে বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে।

সরকার মনে করছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পরিস্থিতি বাংলাদেশে এখনো উদ্বেগজনক হয়নি, তবে সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Banner image reading 'more about coronavirus'
ভিডিওর ক্যাপশান, সরকার কি তথ্য গোপন করছে?