করোনাভাইরাস আপডেট: বাংলাদেশে আক্রান্ত ১ জনের মৃত্যু, আরো চার জন আক্রান্ত

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা বিভাগ।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা বিভাগ।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা বিভাগ।

সত্তরোর্ধ এই ব্যক্তি বিদেশফেরত নন। অন্য একজন আক্রান্তের সংস্পর্শে আসার কারণে তিনি সংক্রমিত হয়েছিলেন।

তিনি নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।

তার কিডনি রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ফুসফুসে সমস্যা এবং হার্টের অসুখ ছিল। হার্ট সমস্যার কারণে সম্প্রতি তার স্টেনটিং বা রিং পরানো হয়।

তিনি গত কয়েকদিন হাসপাতালের আইসিইউতে ছিলেন।

গতকাল (মঙ্গলবার) শনাক্ত হওয়া দু'জন করোনাভাইরাস আক্রান্তের মধ্যে একজন ছিলেন তিনি।

এছাড়া নতুন চার জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

তাদের করোনাভাইরাসের উপসর্গ মৃদু হলেও অন্যান্য শারীরিক সমস্যা রয়েছে। একজন এর আগে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

Skip YouTube post, 1
Google YouTube কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?

এই নিবন্ধে Google YouTubeএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত Google YouTube কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।

সতর্কবাণী: তৃতীয়পক্ষের কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন থাকতে পারে

End of YouTube post, 1

নতুন করে যে চারজনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে তাদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও একজন নারী।

চারজন নতুন রোগীর একজন পূর্বে আক্রান্ত এক ব্যক্তির পরিবারের সদস্য।

বাকি তিনজন সম্প্রতি বিদেশ ভ্রমণের মাধ্যমে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

ঐ তিনজনের মধ্যে দু'জন ইটালি থেকে ফিরেছেন এবং একজন কুয়েত থেকে ফিরেছেন বলে জানানো হয়।

করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা নিয়ে অভিযোগ

গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের কয়েকটি হাসপাতালে করোনাভাইরাস আক্রান্তের পরীক্ষা না করার বিষয়ে বিভিন্ন রকম অভিযোগ উঠে এসেছে স্থানীয় গণমাধ্যমে।

এমন অভিযোগ উঠেছে যে, করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে গেলেও তাদের পরীক্ষা করা হচ্ছে না।

সংবাদ সম্মেলনে আইইডিসিআরের পরিচালকের কাছে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্বীকার করেন যে 'প্রকাশ্যেই' অনেকক্ষেত্রে এরকম ঘটনা ঘটছে।

"এই ধরণের ঘটনা অনেকদিন ধরেই হচ্ছিল। আমরা বিভিন্ন পর্যায়ে, হাসপাতালের সাথে আলোচনা করে এই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করছি।"

Skip YouTube post, 2
Google YouTube কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?

এই নিবন্ধে Google YouTubeএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত Google YouTube কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।

সতর্কবাণী: তৃতীয়পক্ষের কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন থাকতে পারে

End of YouTube post, 2

তবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার কিট ঢাকাতেই জমা রয়েছে বলে জানান মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

"আমরা জানি, এই ভাইরাস পরীক্ষা করার কিটের সঙ্কট সারাবিশ্বেই রয়েছে। আপাতত আমরা ঢাকাতে কিট জমা করছি। যখন যেই এলাকায় প্রয়োজন, তখন সেই এলাকায় প্রয়োজনের ভিত্তিতে আমরা এই কিট সরবরাহের চেষ্টা করছি।"

এই কিটের বড় একটি অংশ চীন থেকে আসতো এবং বর্তমানে চীনের অনেক জায়গা নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় ভবিষ্যতে কিটের সঙ্কট থাকবে না বলে আশা প্রকাশ করেন আইইডিসিআরের পরিচালক।

"এই মুহুর্তে কিটের সঙ্কট নেই, তবে আমাদের আরো প্রয়োজন আছে।"

Banner image reading 'more about coronavirus'
Banner

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি কী?

৮ই মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়। সেসময় তিনজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানায় আইইডিসিআর।

এরপর ১৪ই মার্চ শনিবার রাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আরো দু'জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানান।

পরবর্তীতে সোমবার তিনজন এবং মঙ্গলবার আরো দু'জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানানো হয়।

আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয় আক্রান্তদের সবাই বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে এসেছিলেন।

আইইডিসিআরের পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন করোনাভাইরাস আক্রান্ত কোনো দেশ থেকে বাংলাদেশে ফিরে এলে ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টিন করতেই হবে। সেই নির্দেশনা না মানলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান বাংলাদেশে যে ক'জনের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে, তাদের পরিবারের বাইরে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা সামাজিক মেলামেশার মাধ্যমে ভাইরাস ছড়িয়েছে বলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

"আমরা নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছি। যাদের নিউমোনিয়া হয়েছে এবং যাদের শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা রয়েছে তাদের নমুনা নিয়ে এসে আমরা দু'ভাগে - নিয়মিত কোভিড-১৯ এর পরীক্ষা এবং নমুনার পরীক্ষা - পরিচালনা করি।"

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা আরো বাড়তে পারেন।

বাংলাদেশে এখন যারা করোনাভাইরাস আক্রান্ত রয়েছেন তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের একাধিক অসুস্থতা রয়েছে।

করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীরা যেসব হাসপাতালে যান সেসব হাসপাতালের চিকিৎসক এবং ঐ রোগীর সংস্পর্শে যারা আসবে তাদের মাধ্যমেও ভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বিধায় সতর্ক থাকার কথা জানান মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

Skip YouTube post, 3
Google YouTube কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?

এই নিবন্ধে Google YouTubeএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত Google YouTube কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।

সতর্কবাণী: তৃতীয়পক্ষের কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন থাকতে পারে

End of YouTube post, 3