ঢাকার বনানীতে চীনা নাগরিক হত্যা: কারণ হিসেবে যা বলছে পুলিশ

রাজধানী ঢাকার বনানীতে চীনের একজন নাগরিককে হত্যা করে তার মরদেহ মাটির নিচে চাপা দিয়ে রাখার ঘটনায় দু'জনকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে তাদের ঢাকার বনানী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গাওজিয়াং হুই নামের ওই চীনা নাগরিক বাংলাদেশে পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য চীন থেকে পাথর ও নির্মাণ সামগ্রী সরবরাহের ব্যবসায় জড়িত ছিলেন।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন, চীনা ওই নাগরিক যে বাড়িতে থাকতেন, গ্রেফতার হওয়া দুজন সেখানে নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তারা ওই বাড়ির ছাদে একটি ঘরে বসবাস করতেন।

পুলিশ বলছে, চীনের ওই ব্যক্তিকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

ঘটনার দিন গ্রেফতারকৃতরা ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে ভিডিও রেকর্ড না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলো।

আরো পড়ুন:

পুলিশ জানিয়েছে, অর্থ চুরিই ছিল হত্যার পেছনে মুল কারণ। গাওজিয়াং হুইকে হত্যার পর তার ফ্ল্যাট থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা চুরি করা হয়।

হত্যার পর তার মরদেহ গুম করার চেষ্টায় পাশের খালি প্লটে মাটি চাপা দেয়া হয়।

চুরি করা অর্থের অর্ধেকের মতো উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গত বুধবার বনানীর একটি খালি প্লটে মাটির নিচ থেকে একটি মরদেহের গোড়ালির অংশ বের হয়ে থাকতে দেখা যাওয়ার পর স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিয়েছিলেন।

বনানীর যে বাড়িতে গাওজিয়াং হুই বছর খানেক ধরে বাস করতেন, তার পেছনের খালি প্লটেই তার মরদেহটি মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিলো।

পুলিশ জানায়, তার নাকে-মুখে রক্ত ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।

মরদেহ পাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে ভবনের নিরাপত্তা কর্মী, তার গাড়িচালক ও গৃহকর্মীসহ পাঁচজনকে আটক করা হলেও জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদেরকে প্রথমে ছেড়ে দেয়া হয়েছিলো।

অন্যান্য খবর: