আবরার হত্যা: বুয়েট শাখা ছাত্রলীগ নেতাদের জড়িত থাকার অভিযোগের বিষয়ে সংগঠনটি কী বলছে?

ছবির উৎস, Abrar Fahad/Facebook
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার অভিযোগে ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী অভিযুক্ত হওয়ায় দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
এর আগে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বুয়েট ছাত্রলীগের চারজন নেতাকে আটক করে পুলিশ।
সোমবার ভোরে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের সিঁড়ি থেকে আবরারের মৃতদেহ উদ্ধার করার পর পুলিশ প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করে যে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
দুপুরে ময়নাতদন্তের শেষে চিকিৎসকরা ঐ ধারণার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ বিবিসিকে জানান যে ভোঁতা অস্ত্রের আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে আবরারের।
"তার শরীরে প্রচুর আঘাতের চিহ্ন ছিল। আমরা মনে করছি সেসব আঘাতের কারণেই আবরার মারা গেছে।"
এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত বুয়েটের ছাত্রলীগ শাখার যে চারজন নেতাকে আটক করা হয়েছে তারা হলেন: ১. মেহেদি হাসান রাসেল , সাধারণ সম্পাদক। ২. মুহতাসিম ফুয়াদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। ৩. অনিক সরকার, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং ৪. মিফতাহুল ইসলাম জিয়ন, ক্রীড়া সম্পাদক।
এরপর বিকালে হল থেকে ডিবি পুলিশ আরো দু'জনকে আটক করে বলে নিশ্চিত করেন চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন। তবে ঐ দুই ছাত্রের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ছাত্রলীগ যা বলছে
ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় জানান সংস্থাটির সহ-সভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ এবং সম্পাদক আসিফ তালুকদারকে নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাদের প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে।

মি. জয় বলেন, "এই ঘটনার সাথে ছাত্রলীগের কেউ যদি জড়িত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা তো নেয়া হবে।"
পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাদের তদন্তের প্রতিবেদন পেশ করবেন বলে জানান মি. জয়।
বিবিসি বাংলাকে মি. জয় বলেন, "অনেক সময় অতি উৎসাহী কিছু নেতা-কর্মী ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য এধরণের কার্যক্রমে লিপ্ত হন। ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে এ ধরনের কার্যক্রম কোনোভাবে সমর্থন করা হবে না।"








