হোমিওপ্যাথির স্পিরিট খেয়ে নোয়াখালিতে ছয়জনের মৃত্যু

ছবির উৎস, Google
নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জে হোমিওপ্যাথি ওষুধের স্পিরিট খেয়ে অন্তত ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। আরো অন্তত ছয়জন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, স্পিরিট খেয়ে এ পর্যন্ত তারা ছয়জনের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন।
''সম্প্রতি মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার করায় এলাকায় মদ, মাদক ইত্যাদির বিক্রি বন্ধ হয়ে গেছে। তাই হয়তো এই ব্যক্তিরা নেশা করার জন্য স্থানীয় একটি হোমিওপ্যাথি দোকান থেকে স্পিরিট খেয়েছিল। এরপরে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ার পর হাসপাতালে ভর্তি হয়।''
আরো পড়ুন:

স্পিরিট বিক্রির অভিযোগে কোম্পানিগঞ্জের একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ও তার ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।
নোয়াখালী সাংবাদিক ইকবাল হোসেন বলছেন, ''বৃহস্পতিবার রাতে এই ব্যক্তিরা হোমিওপ্যাথির ওই দোকান থেকে স্পিরিট কিনে খেয়েছিল। সেদিন রাত থেকেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়তে শুরু করে। কয়েকজনের অবস্থা বেশি খারাপ হয়ে যাওয়ায় মাইজদি ও ঢাকার হাসপাতালে পাঠানো হয়।''
শনিবার সকালে পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনকে নিয়ে তারা ওই দোকানটিতে অভিযান চালাচ্ছে।
এর আগেও বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে হোমিও দোকানের স্পিরিট খেয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে, বাংলাদেশে মদ সেবনের কারণে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়ে ২০১৬ সালেই মারা গেছে দু'হাজারেরও বেশি মানুষ।








