আমেরিকায় নাইন-ইলেভেন শিশু জন্মাল ১১ই সেপ্টেম্বর ন'টা ১১-এ যার ওজন নয় পাউণ্ড ১১ আউন্স

শিশু ক্রিস্টিনা ব্রাউন এবং তার বাবা ও মা

ছবির উৎস, Methodist Healthcare

ছবির ক্যাপশান, শিশু ক্রিস্টিনা ব্রাউন এবং তার বাবা ও মা

আমেরিকার এক মা বলেছেন, আমেরিকায় ১১ই সেপ্টেম্বরের হামলার বার্ষিকীতে জন্মানো তার কন্যাসন্তান রাত নয়টা ১১ মিনিটে নয় পাউণ্ড ১১ আউন্স ওজন নিয়ে যে জন্মেছে - সেটা ''রীতিমত বিস্ময়ের''।

টেনেসি অঙ্গরাজ্যের জার্মানটাউন শহরের মেথডিস্ট লিবনহুর হাসপাতালে জন্ম নেয় শিশু ক্রিস্টিনা ব্রাউন।

''ধ্বংস ও মৃত্যুর ভয়াবহতার স্মৃতি বহনকারী দিনটিতে ক্রিস্টিনার আগমন একটা নতুনের বার্তা,'' বলেছেন তার মা ক্যামেট্রিয়ন মুর-ব্রাউন।

১১ই সেপ্টেম্বর ২০০১-এর হামলার দিনটি নিহতদের স্মরণ করে পালিত হয়েছে আমেরিকার বিভিন্ন রাজ্যে।

ক্রিস্টিনার জন্মের পর তার জন্মের সময় এবং জন্মের সময় তার ওজন নথিভুক্ত করতে গিয়ে হাসপাতালের কর্মচারীরা নাইন ইলেভেনের সঙ্গে এর মিল দেখে অবাক হয়ে যান।

''আমরা শুনলাম সিজারিয়ানের পর শিশুর জন্মসময় চিকিৎসক ঘোষণা করলেন রাত নয়টা এগারো। এরপর বাচ্চাটাকে ওজন করে দেখা গেল তার ওজন ৯ পাউণ্ড ১১ আউন্স। সকলের কণ্ঠ দিয়ে বিস্ময়ের শব্দ বেরিয়ে এল। ৯/১১-তে ৯ পাউণ্ড ১১ আউন্সের ক্রিস্টিনা জন্মাল ৯টা ১১-য়,'' বললেন তার বাবা জাস্টিন ব্রাউন।

''দেশটির জন্য দু:খের এই দিনটিতে ওর এমনধারা জন্ম দারুণ উত্তেজনাকর।"

বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:

ক্রিস্টিনা ব্রাউন

ছবির উৎস, Methodist Healthcare

ছবির ক্যাপশান, ৯পাউন্ড ১১ আউন্সের শিশু ক্রিস্টিনা

হাসপাতালের নারী স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান রেচেল লকলিন বলেছেন এধরনের কাকতালীয় মিল খুবই বিরল।

''আমি নারী স্বাস্থ্য বিভাগে কাজ করছি ৩৫ বছরের বেশি। আমি কখনও দেখিনি কোন বাচ্চার জন্মতারিখ, জন্মসময় এবং জন্মের ওজনে এমন মিল।''

ক্রিস্টিনার বাবা মা বলেছেন, ক্রিস্টিনা যখন বড় হবে তখন তারা তাকে এই তারিখটির তাৎপর্য জানাবেন।

২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর কয়েকজন কট্টর ইসলামপন্থী দুটো যাত্রী-বিমান অপহরণ করে নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারে গিয়ে আঘাত করেছিল।

ঐ হামলার ৫০ মিনিট না যেতেই আরেকটি বিমান বিধ্বস্ত হয় ওয়াশিংটনে প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের সদর দপ্তরের ওপর।

অপহৃত চতুর্থ বিমানটি বিধ্বস্ত হয় ওয়াশিংটনের কাছে একটি মাঠের ভেতর।

আমেরিকায় ঐ সন্ত্রাসী হামলা ছিল নজিরবিহীন। প্রায় ৩,০০০ মানুষের প্রাণ গিয়েছিল সেদিন। আহত হয়েছিল আরও কয়েক হাজার। হতভম্ব হয়ে পড়েছিল সারা বিশ্ব।

বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন: