মালিবাগে পুলিশ ভ্যানে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করলো ইসলামিক স্টেট বা আইএস - সাইট ইন্টেলিজেন্স

পুলিশের ওপর এ নিয়ে দ্বিতীয় হামলা হলো

ছবির উৎস, UNK

ছবির ক্যাপশান, পুলিশের ওপর এ নিয়ে দ্বিতীয় হামলা হল। (ফাইল ছবি)

ঢাকার মালিবাগে পুলিশের একটি গাড়ির কাছে বিস্ফোরণের ঘটনার দায় স্বীকার করেছে কথিত ইসলামিক স্টেট বা আইএস।

রোববার রাতে ওই বিস্ফোরণে একজন নারী পুলিশ কর্মকর্তা ও একজন রিকশাচালক আহত হয়েছিলেন।

ইসলামিক স্টেট গ্রুপের কর্মকাণ্ড নজরদারি করে, যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সাইট ইন্টেলিজেন্স জানিয়েছে, আইএস ওই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে।

টুইটারে সাইট ইনটেল গ্রুপের অ্যাকাউন্ট থেকে এ দায় স্বীকারের কথা জানিয়ে টুইট করা হয়েছে।

Skip X post
X কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?

এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।

সতর্কবাণী: তৃতীয়পক্ষের কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন থাকতে পারে

End of X post

এর আগে গত ২৯শে এপ্রিল ঢাকার গুলিস্তানে ককটেল বিস্ফোরণে তিন পুলিশের আহত হওয়ার ঘটনাটিও কথিত ইসলামিক স্টেট গ্রুপ দায় স্বীকার করেছিলো।

পুলিশ তখন আইএসের দাবির বিষয়টি খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছিলো।

বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, তার পাশেই রয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও বিশেষ শাখার কার্যালয় (এসবি) প্রধান কার্যালয়

ছবির উৎস, GOOGLE MAPS

ছবির ক্যাপশান, বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, তার পাশেই রয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও বিশেষ শাখার কার্যালয় (এসবি) প্রধান কার্যালয়

ওই ঘটনার পর মালিবাগে গত রাতে আবারও পুলিশকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলো।

মতিঝিল থানার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শিবলি নোমান বিবিসি বাংলাকে জানান, মালিবাগ মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশের একটি গাড়ির কাছে রাত ৯টার দিকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

''তখন কাছে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাফিক বিভাগের একজন নারী এএসআই পায়ে এবং একজন রিকশাচালক মাথায় আঘাত পান। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।''

পুলিশ জানিয়েছে, এ সময় পুলিশের ওই গাড়িতে আগুন ধরে যায়। পরে কাছের একটি পেট্রোল পাম্প থেকে অগ্নিনির্বাপণের সরঞ্জাম এনে আগুন নেভানো হয়।

যেখানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, তার পাশেই রয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও বিশেষ শাখার কার্যালয় (এসবি) প্রধান কার্যালয়।