ক্রাইস্টচার্চ হামলা: অভিযুক্ত হামলাকারীর মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার আদেশ

ছবির উৎস, Reuters
ক্রাইস্টচার্চের দুটো মসজিদে হামলার অভিযোগে অভিযুক্তের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দেখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
বিশেষজ্ঞরা তাকে পরীক্ষা করে দেখবেন বিচারের মুখোমুখি করার জন্যে তিনি মানসিকভাবে সুস্থ আছেন কীনা।
হাইকোর্টের বিচারক ক্যামেরন ম্যানডার শুক্রবার এই আদেশ দিয়েছেন।
গত মাসে নিউজিল্যান্ডে চালানো ওই হামলায় ৫০ জন নিহত হয়।
অভিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ২৮ বছর বয়সী ব্রেন্টন ট্যারান্টের বিরুদ্ধে মোট ৫০টি হত্যা এবং ৩৯টি হত্যা-প্রচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।
ব্রেন্টন ট্যারান্ট কারাগার থেকে ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দেন। এসময় আদালতে হতাহতদের অনেক আত্মীয় স্বজন উপস্থিত ছিলেন।
নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে এর আগে এতো বড় ধরনের হামলার ঘটনা আর কখনো ঘটেনি।
কী হলো আদালতে?
শুক্রবার সকালে বিচারক ম্যানডের ব্রেন্টন ট্যারান্টের মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারে দুটো পরীক্ষার আদেশ দেন।
সংক্ষিপ্ত এই শুনানির সময় তাকে সব কথাবার্তা মনোযোগ দিয়ে শুনতে দেখা গেছে। তবে তিনি কোন মন্তব্য করেন নি।
আদালতের পুরো প্রক্রিয়াটিই দেখেছেন অভিযুক্ত এই ব্যক্তি। তিনি যেমন বিচারককে দেখেছেন, তেমনি দেখেছেন আইনজীবীদেরও, পাশাপাশি শুনানিতে কী বলা হচ্ছে সেসবও তিনি শুনতে পেরেছেন।
এর পরের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ই জুন।

ছবির উৎস, Reuters
আরো পড়তে পারেন:
আল নূর মসজিদে হামলায় ওমর নবী হারিয়েছেন তার পিতাকে। পরে আদালতের বাইরে তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, "আমরা তাকে মারতে চাই না। আমরা চাই তাকে শাস্তি দেওয়া হোক। ৫০ জন মানুষকে হত্যা এবং আরো বহু মানুষকে আহত করার শাস্তি।"
লিনউড মসজিদে চালানো হামলা থেকে বেঁচে গেছেন তোফাজ্জল আলম।
তিনি বলেছেন, "আমি আমার ৫০ জন বন্ধুকে হারিয়েছি। এদের সাথে প্রত্যেক শুক্রবারে আমার দেখা হতো। বন্দুক দিয়ে সে যখন হামলা করলো তখন আমি তাকে দেখতে পারিনি।"
"৫০ জন মানুষকে মেরে ফেলার পর সে কেমন বোধ করছে এটা দেখার জন্যে আজ আমি এখানে এসেছিলাম," বলেন তিনি।









