বিবিসি বাংলার পাঠকদের পাঠানো বছরের প্রথম কুয়াশার ছবি

মঙ্গলবার যারা সকালে ঘুম থেকে উঠেছেন, বাইরে তাকিয়ে নিশ্চয় চমকে গেছেন? এমন কুয়াশার ছবি আপনিও তুলেছেন কি?

পাঠকদের কাছে এরকম ছবি আহবান করা হয়েছিল বিবিসি বাংলার পক্ষ থেকে।

আপনাদের পাঠানো সেসব ছবি নিয়ে গ্যালারি:

বুধবার সকালে ঢাকার অনেক এলাকা ঢেকে ছিল কুয়াশায়। ঠাণ্ড তেমন না পড়লেও ভোরে কাজে বের হতে গিয়ে এমন কুয়াশা দেখে চমকে গেছেন নগরবাসী।

ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ছবিটি তুলেছেন ফয়সাল তিতুমীর।

গুলশান লেক থেকে কুয়াশার ছবি তুলে সবাইকে সুপ্রভাত জানিয়েছেন কামরুল হাসান।

একজন লিখেছেন, দারুণ সকাল তবে পথশিশুদের, যারা রাস্তায় থাকে তাদের খুব কষ্ট হয়েছে এই হুট করে আসা কুয়াশায়। এই শীতে শিশুদের জন্য আমাদের সবার আলাদা কিছু করা উচিত।

কুয়াশা থাকুক আর নাই থাকুক, মানুষকে কাজে বের হতে হয়। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দারা খুব সকালে নানা ধরণের সাংসারিক কাজকর্মে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

ময়মনসিংয়ের এই বাসিন্দা যেমন ভোরে তার গরুকে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যাচ্ছেন। ছবিটি তুলেছেন আরফিন রাফি সোহেল।

বিবিসি বাংলার ফেসবুক পাতায় কুমার মনি মন্তব্য করেছেন, প্রকৃতিকে আজ অনবদ্য লেগেছিল, আবার কৃষকের কথা ভেবে খারাপ লেগেছিল।

ইকবাল হোসেন লিখেছেন,আমি থাকি যশোরে। রাতেই ঠিক করে রেখেছিলাম, খুব ভোরে নড়াইল যাবো। উদ্দেশ্য- নদীর পাড়ে তরতাজা দেশী মাছ কিনবো, ঘুম থেকে উঠে দেখি চারিদিকে কুয়াশার চাদর।

তিনি নীচের এই ছবিটি পাঠিয়েছেন।

কুয়াশা নিয়ে আমাদের ফেসবুক পাতায় অনেকে মন্তব্য করেছেন।

নিশা সাবরিনা লিখেছেন, সকাল ৬ টায় এমন আবহাওয়া দেখে ভেবেছিলাম অনেক শীত হবে কিন্তু গরমের আর শেষ নেই

খন্দকার আবু হামিদ সাঈদী লিখেছেন, আমার দেখা শীতের প্রথম কুয়াশাছন্ন সকাল। সবাইকে পিঠাপুলি বানাতে উদ্বুদ্ধ করুন।

অনেকেই কুয়াশা নিয়ে ফেসবুক বা সামাজিক মাধ্যমে নানা স্ট্যাটাস দিয়েছেন, ছবি দিয়েছেন। তাদের এসব ছবির মধ্যে শহরের কুয়াশার চিত্র যেমন এসেছে, পাশাপাশি এসেছে দেশের বিভিন্ন স্থানের, গ্রামের ছবিও।

মোঃ জেবল ইসলাম লিখেছেন, ছবি তোলার এক মিনিট পর রোদ উঠেছে।

মানিকগঞ্জ থেকে এই ছবিটি পাঠিয়েছেন মনির জামান।

কুয়াশা সত্ত্বেও গ্রামেগঞ্জের খেলাখুলা থেমে নেই। যেমন ঝালকাঠির নলছিটিতে কুয়াশার মধ্যেই ফুটবল খেলছেন এই তরুণরা।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, পুরোপুরি শীত আসার এরকম কুয়াশার দেখা মিলতে পারে আরো কয়েকদিন।