বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে কোটার অবসান ঘোষণা করে পরিপত্র জারি

ছবির উৎস, Getty Images
বাংলাদেশে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি সংশোধন করে পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
কোটা সংস্কার সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের এক সরকারি কমিটি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে কোটা বাতিলের প্রস্তাব রেখে যে সুপারিশ করে গতকাল বুধবার তাতে মন্ত্রিসভার অনুমোদন মেলে।
তার এক দিন পর বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তরফে থেকে এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়।
এতে বলা হয়েছে, ৯ম (পূর্বতন ১ম শ্রেণি), ১০ম ও ১৩তম (পূর্বতন ২য় শ্রেণি) গ্রেডের ক্ষেত্রে সরাসরি মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হবে।
নবম (পূর্বতন ১ম শ্রেণি), ১০ম ও ১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন ২য় শ্রেণি) ক্ষেত্রে সব ধরনের কোটা বাতিল করা হলো বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।
এসব সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করা হবে বলেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহম্মদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
তবে ৩য় এবং ৪র্থ শ্রেণির পদে কোটার আগের মতোই চালু থাকছে।
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংশোধন দাবি করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা গত ক'মাস ধরে সারা দেশে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলেন।

ছবির উৎস, Nurphoto
আরো পড়তে পারেন:
তাদের দাবির মুখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১ই এপ্রিল সংসদে কোটা বাতিলের ঘোষণা করেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপর সরকারি চাকরি ক্ষেত্রে কোটা প্রথা চালু হয়।
কিন্তু বর্তমানে মেধার স্বীকৃতি চেয়ে যে আন্দোলন চলছে, তাকে মেনে নিয়ে ৪৬ বছরের পুরনো একটি প্রথা বাতিল হয়ে গেল।
এই পরিপত্র জারির প্রশ্নে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কোন প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।








