নিরাপদ সড়ক: বাংলাদেশের ঢাকার জিগাতলার সংঘর্ষের পর নিরাপত্তা জোরদার

সকাল থেকেই এভাবেই ঢাকার রাস্তায় অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা
ছবির ক্যাপশান, সকাল থেকেই এভাবেই ঢাকার রাস্তায় অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা

ঢাকার জিগাতলা দুপুরের পর দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে সন্ধ্যার পর আরও কোন সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি।

অন্য কয়েকদিনের মতো আজও সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা জিগাতলা এলাকায় অবস্থান করে যানবাহনের কাগজপত্র পরীক্ষা করছিলো।

পরে দুপুরে এক পর্যায়ে তাদের সাথে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়ে তা চলে কয়েক ঘণ্টা।

ওই এলাকায় চাকুরী করেন এমন একজন বিবিসিকে জানিয়েছেন সংঘর্ষের সময় লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ হয়েছে এবং গুলির শব্দও শোনা গেছে।

হেলমেট পরিহিত একদল যুবককে আন্দোলনকারীদের লাঠিপেটা করতে দেখা গেছে।

পরে বিকেলে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আওয়ামী লীগ অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়- যারা পরে জানান, শিক্ষার্থী নিহত বা আটকে রাখার কোনো গুজবের সত্যতা তারা পাননি।'

ঢাকার অধিকাংশ এলাকার মূল সড়কেই ছিলো শিক্ষার্থীদের অবস্থান
ছবির ক্যাপশান, ঢাকার অধিকাংশ এলাকার মূল সড়কেই ছিলো শিক্ষার্থীদের অবস্থান

পার্শ্ববর্তী হাসপাতালগুলো বলছে সেখানে যারা ভর্তি হয়েছে তাদের মধ্যে গুরুতর কেউ নেই। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন কোন শিক্ষার্থী নিখোঁজ আছেন এমন কোন তথ্য তারা পাননি।

ওদিকে জিগাতলার সংঘর্ষের পর শহরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।

তবে ঢাকার এই সংঘর্ষের খবর পেয়ে জাহাঙ্গীরনগর ও বুয়েটসহ আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।

বিক্ষোভকারীরা এসব হামলার জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করছেন।

তবে ছাত্রলীগ বলছে জিগাতলার হামলার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা নেই।