পত্রিকা: 'চিকেনস নেক ঘিরে ভারতের উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠক'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।
ছবির ক্যাপশান, ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।

এই খবরে বলা হয়েছে, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কৌশলগতভাবে বেশ সংবেদনশীল শিলিগুড়ি করিডোর বা 'চিকেনস নেক' এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে একটি উচ্চপর্যায়ের আন্তঃবাহিনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্টেট সাবসিডিয়ারি মাল্টি এজেন্সি সেন্টারের ব্যানারে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে ভারতের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।

আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল চিকেনস নেক অঞ্চলের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, সীমান্ত নজরদারি, অবৈধ অনুপ্রবেশ, সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক পর্যবেক্ষণ এবং আন্তঃসংস্থাগত গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা।

বৈঠক শেষে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, বাগডোগরা বিমানবন্দরে নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়ানো; বাংলাদেশ-নেপাল-ভুটান সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি।

চিকেনস নেক-সংলগ্ন বিমান ঘাঁটিতে রাফাল যুদ্ধবিমানসহ অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ও নজরদারি ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা শুধু অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং একটি স্পষ্ট ভূরাজনৈতিক প্রতীকী বার্তা— বিশেষ করে চীন ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর প্রতি।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) রোকন উদ্দিন বলেন, ভারত চিকেন নেকের আশেপাশে যে তিনটি সেনাঘাঁটি করেছে বা সম্প্রতি বিষয়টি একাধিক নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করছে, মূলত দেশটি এসব করছে চীনভীতি থেকে। এছাড়া, বাংলাদেশের ওপর এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপের অংশ হিসেবেও ভারত এ ধরনের আচরণ করছে।

নয়া দিগন্ত

আসন সমঝোতা নিয়ে কৌশলী অবস্থান জামায়াতের— প্রথম আলোর প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, ইসলামী আন্দোলনসহ সমমনা সাতটি দলকে নিয়ে পাঁচ দফা দাবিতে অভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সরকারের ওপর একধরনের চাপ বজায় রেখে নির্বাচনী কৌশল সাজাচ্ছে জামায়াত।

পাশাপাশি 'এক আসনে এক প্রার্থী'— এই নীতিকে ভিত্তি করে দলগুলো আসনভিত্তিক জরিপ চালাচ্ছে। জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

সম্ভাব্য এই নির্বাচনী সমঝোতায় আরও কয়েকটি দলকে পাশে পেতে চেষ্টা চলছে।

আপাতত জোট না করে 'নির্বাচনী সমঝোতার' কথা বলে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে জামায়াতসহ আট দল। এটা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ নাগাদ চূড়ান্ত হতে পারে বলে মনে করছেন দলগুলোর নেতারা।

তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও এই সমঝোতা কৌশলের কাজ চলমান থাকবে।

দলের বাইরে কোথাও কোথাও অন্য দলের প্রভাবশালী বা মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীর সঙ্গেও ঘোষিত বা অঘোষিত সমঝোতা হতে পারে।

প্রথম আলো
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর— এনসিপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করছে না কেন?

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, এখনও জুলাই জাতীয় সনদে সই করেনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তাদের দাবি, সনদ বাস্তবায়ন আদেশে অস্পষ্টতা রয়েছে।

সরকার এসব অস্পষ্টতা দূর করতে উদ্যোগী হলে বা স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করলে সনদে স্বাক্ষরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে দলটি।

দলটি জানিয়েছে, সনদ বাস্তবায়ন আদেশে চারটি প্রস্তাবের ওপর একটি প্রশ্নে গণভোট রাখা হচ্ছে। প্রস্তাব চারটির মধ্যে ক. প্রস্তাবে নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে। এগুলোর ক্ষেত্রে নোট অব ডিসেন্ট অন্তর্ভুক্ত রাখা হবে কি না। জুলাই সনদের আলোকে বাস্তবায়ন এটা আসলে কী বোঝানো হচ্ছে, সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা দিতে হবে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কোন কোন প্রতিষ্ঠানকে রাখা হচ্ছে।

উদাহরণ হিসেবে দলটি আরও বলছে, বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী দুর্নীতি দমন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান না। এই যে ক. প্রশ্নের গণভোটের প্রস্তাবের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধরা হয়েছে নাকি হয়নি।

বিষয়গুলো স্পষ্ট করলে এনসিপি সিদ্ধান্ত নেবে সনদে স্বাক্ষর করবে কি না।

মানবজমিন

দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম— বদলিতে রাজনৈতিক ইশারা!

এই খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচন সামনে রেখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর পরিকল্পনা নিয়েছে রেঞ্জ ডিআইজি, জেলার পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও থানার ওসিদের রদবদল করার।

তবে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, পুলিশের বদলি করা নিয়ে রশি টানাটানি শুরু হয়েছে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর রয়েছে 'পছন্দ-অপছন্দ', 'পক্ষ-বিপক্ষ'।

গত শনিবার জরুরি এক বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনও সমাধান হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলোও পুলিশ প্রশাসনে রদবদল চায় নিজের মতো করে।

বৈঠকে একপক্ষ চেয়েছে, বর্তমানে দায়িত্বরত রেঞ্জ ডিআইজি, জেলার পুলিশ সুপার ও থানার ওসিরা যেখানেই আছেন, তাদের সেখানেই রেখে দিতে।

তাদের যুক্তি, জেলা বা থানায় দায়িত্ব নেওয়ার পর সোর্স তৈরি করতে সময় লাগে পুলিশের। অপরাধী ধরতে সুবিধা হয়। এলাকার পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।

আরেকটি পক্ষ বৈঠকে বলেছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নয়। যারা দায়িত্ব পালন করছে তারা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না। তফসিল ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাওয়ারও শঙ্কা আছে। তাদের সঙ্গে 'রাজনৈতিক নেতাদের সুসম্পর্ক' গড়ে উঠেছে।

এসব দিক বিবেচনা করে রেঞ্জ, এসপি ও থানার ওসিদের বদলি করতেই হবে। আর না হয় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।

দেশ রূপান্তর

এতে বলা হয়েছে, দেশের ভেতরেই ঘন ঘন কম্পন বড় ভূমিকম্পের বার্তা দিচ্ছে। এ নিয়ে মানুষের মনে নতুন করে উৎকণ্ঠা ভর করেছে।

কিন্তু যতবারই ভূমিকম্পের কাঁপুনি হয়, তখন চলে আলোচনা। সপ্তাহ না ঘুরতেই থেমে যায় সবকিছু।

ঘন বসতিপূর্ণ ঢাকার ঝুঁকি কমাতে এর আগে বিভিন্ন প্রকল্প ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা বলা হলেও এগুলোর বেশিরভাগই দেখেনি আলোর মুখ। যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তাও লেজেগোবরে।

সরকারি তরফে 'মোটামুটি প্রস্তুত' বলা হলেও বাস্তবে তা খুঁজে পাওয়া যায়নি।

জোড়াতালি দিয়ে চলছে ঘূর্ণিঝড় গবেষণা কেন্দ্র। যন্ত্রপাতি থাকলেও ব্যবহার না করায় অকেজো হয়ে পড়ছে।

ভূমিকম্পে আশ্রয় নেওয়ার মতো খোলা জায়গাও নেই ঢাকায়, যেখানে দরকার ২০-২৫ শতাংশ, সেখানে আছে ৫ শতাংশ।

সমকাল

এতে বলা হয়েছে, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্পেশাল রেসকিউ টিম (এসআরটি) ভূমিকম্প ও ভবনধসের মতো দুর্যোগে উদ্ধার অভিযানের জন্য।

এ টিমের সদস্যদের রয়েছে দুর্যোগ-পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার বিশেষ প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা। পাশাপাশি রয়েছে অত্যাধুনিক সরঞ্জামও।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকায় এসআরটির ৬০ জন সদস্য রয়েছেন। তারা প্রস্তুত থাকেন পূর্বাচল ফায়ার সার্ভিসের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে।

অর্থাৎ তিন লাখ মানুষের বিপরীতে এসআরটি সদস্য রয়েছেন মাত্র একজন। এ সংখ্যাকে জনসংখ্যার অনুপাতে খুবই নগণ্য বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া,চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন করে মোট ১৪০ জন এসআরটি সদস্য রয়েছেন।

এদিকে, প্রাকৃতিকভাবেই বাংলাদেশ দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চল। ঝড়, বন্যার পাশাপাশি তীব্র ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে দেশ।

তাই ভূমিকম্প-পরবর্তী দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় এসআরটির সদস্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ঝুঁকিপ্রবণ অঞ্চলে প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবী দল তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বণিক বার্তা

ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Bangladesh pushes ahead with LDC graduation despite rising calls for delay; অর্থাৎ বিলম্ব করার দাবি থাকলেও এলডিসি উত্তরণের পথে বাংলাদেশ।

এই খবরে বলা হয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে টেকসই উত্তরণের পথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ।

এলডিসি থেকে বের হওয়ার সময় নিয়ে ব্যবসায়ীদের আপত্তি থাকলেও এর প্রস্তুতি নিয়ে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটিকে অন্তর্বর্তী সরকারের পাঠানো 'বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপোর্ট ২০২৫-এ তা ওঠে এসেছে।

সরকারের অবস্থান হচ্ছে, এলডিসি থেকে বের হওয়ার তিনটি মানদণ্ডেই বাংলাদেশ এখনও যোগ্য।

ব্যবসায়ীদের দাবি থাকলেও কান্ট্রি রিপোর্টে উত্তরণ পেছানোর জন্য কোনও ইঙ্গিত সরকার দেয়নি। তবে উত্তরণের পথে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও অনিশ্চয়তার কথা রিপোর্টে বলা হয়েছে।

জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) কাছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সম্প্রতি এই রিপোর্ট পাঠিয়েছে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

মানিকগঞ্জে বাউলদের ওপর হামলা— কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, বাউলশিল্পী আবুল সরকারের মুক্তির দাবিতে মানিকগঞ্জ শহরে অবস্থানরত বাউলদের ওপর হামলা ঘটনা ঘটেছে।

গতকাল রোববার রোববার সকালে শহরের শহীদ মিনারের পাশে বাউলরা অবস্থান নিলে কথিত 'তৌহিদী জনতা' এই হামলা চালায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, তৌহিদী জনতা বাউলশিল্পীদের ধাওয়া দিয়ে মারধর করেন। বাউলরা তখন প্রাণভয়ে ছোটাছুটি করতে থাকেন। তাদের কয়েকজন পুকুরের পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে হামলা থেকে বাঁচার চেষ্টা করেন।

বাউলদের কারও কারও গায়ের জামাকাপড়ও ছিঁড়ে ফেলা হয়। ওই সময় গুরুতর আহত হন তিন বাউলশিল্পী। বাউলদের মধ্য থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপে তৌহিদী জনতার একজন আহত হন।

এই ঘটনার পর থেকে শহরে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

কালের কণ্ঠ

ঠিকাদার পাচ্ছে না বিআরটিএ, অপেক্ষায় ১০ লাখ মানুষ— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি সংবাদের শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স পাচ্ছেন না প্রায় ১০ লাখ আবেদনকারী। চার মাস ধরে স্মার্ট কার্ড প্রিন্ট বন্ধ থাকায় তা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন ড্রাইভিং লাইসেন্সপ্রত্যাশীরা।

ভারতীয় ঠিকাদারের সঙ্গে স্মার্ট কার্ড প্রিন্টের চুক্তি গত জুলাইয়ে শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করতে না পারায় এ অবস্থা তৈরি হয়েছে।

বিআরটিএ স্মার্ট কার্ড প্রিন্টের জন্য নতুন ঠিকাদার নিয়োগের জন্য ২১ আগস্ট দরপত্র আহ্বান করে। পরে সময় বাড়িয়ে মোট ৫৪ দরপত্র বিক্রি হলেও মাত্র ৪ টি আবেদন জমা পড়ে। বিআরটিএর একাধিক কর্মকর্তা জানান , আবেদন জমা দেওয়া চার প্রতিষ্ঠানের কেউই দরপত্রের শর্ত পূরণ করতে পারেনি।

এ অবস্থায় আগামী দুয়েকদিনের মধ্যে আবার দরপত্র আহ্বান করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

আজকের পত্রিকা