আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'ভোট বর্জনের চিন্তায় এনসিপি'
'ভোট বর্জনের চিন্তায় এনসিপি' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
এই অবস্থায় এনসিপির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া গত রোববার সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেন, এনসিপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি না তা পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।
গতকাল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি বলেছেন, যেকোনো সিদ্ধান্তের জন্য প্রস্তুত এনসিপি ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে , প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বিএনপির প্রতি ইসির পক্ষপাতমূলক আচরণ নিয়ে অভিযোগ জানান এনসিপির নেতারা।
বিশেষ করে দ্বৈত নাগরিকত্ব , ঋণখেলাপি এবং আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়ে ইসি সুস্পষ্টভাবে বিএনপির পক্ষাবলম্বন করছে বলে মনে করেন তারা।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গতকাল বিকেলে যমুনায় যায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।
দেশ রূপান্তরের শিরোনাম 'গুঁড়া দুধে ৬৭ ভাগই ভেজাল'।
খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীর শান্তিনগরের মুদি দোকানি জাহিদ হাসানের দোকানে সব পণ্য পাওয়া গেলেও তিনি নিজের তিন বছরের কন্যাশিশুর জন্য খাদ্যদ্রব্য কেনেন 'একটু উন্নত' ডিপার্টমেন্ট-স্টোর থেকে।
তার বিশ্বাস, ভালো ব্র্যান্ডের খাদ্যপণ্য শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যকর। দাম একটু বেশি হলেও তিনি সেখান থেকেই সন্তানের জন্য গুঁড়া দুধ, চকলেট, চিপস ও অন্যান্য খাদ্যপণ্য কেনেন।
পরীবাগের বাসিন্দা সালেহা চৌধুরী জানান, বাচ্চারা চকলেট, চিপস প্রভৃতি পছন্দ করে। একটু বেশি দাম হলে ব্র্যান্ডের পণ্য কিনে থাকেন তিনি।
বাচ্চাদের প্রিয় গুঁড়া দুধ তৈরি হচ্ছে ভেজাল 'হয়ে পাউডার' দিয়ে (এক ধরনের সাদা পাউডার)। সেসবে 'দুগ্ধ উপাদান' খুবই সামান্য। সম্প্রতি ল্যাব টেস্টে গোয়ালিনী নামের গুঁড়া দুধে মাত্র ১৭ শতাংশ দুগ্ধ উপাদান পাওয়া গেছে। বাকি অন্তত ৬৭ শতাংশ ভেজাল উপাদান।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সস্তার 'হয়ে পাউডার' মিশিয়ে চকচকে মোড়কে বাজারে বিক্রি হচ্ছে বাহারি মিল্ক পাউডার। আদালতে প্রমাণ হওয়ার পরও আইনের ফোকর গলে সামান্য শাস্তিতেই পার পেয়ে যাচ্ছে জড়িতরা।
ক্রেতাদের বোঝার উপায় নেই যে, গুঁড়া দুধের নামে তারা বাচ্চাদের 'হয়ে পাউডার' খাওয়াচ্ছেন। এরকম অনেক মানহীন শিশুখাদ্য বাজারে ছড়িয়ে পড়ছে। ভেজাল খাদ্যের ব্যাপারে সরকারের তৎপরতা খুবই সামান্য।
কালের কণ্ঠের শিরোনাম 'হেভিওয়েটরা কে কার মুখোমুখি'।
খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত তালিকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কারা থাকছেন তা আজ মঙ্গলবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন পার হলেই জানা যাবে।
আগামীকাল বুধবার নির্বাচন কমিশন সেই তালিকা প্রকাশ করবে। কিন্তু তার আগেই ভোটের লড়াইয়ে সবার নজর হেভিওয়েট প্রার্থীদের দিকে। তারা কে কোথায় লড়ছেন তা চূড়ান্ত হয়ে গেছে।
চেয়ারম্যান তারেক রহমান ছাড়াও বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ অন্যান্য দলের কেন্দ্রীয় ও প্রভাবশালী প্রার্থীদের কাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে—এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা, হিসাব-নিকাশ।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান লড়বেন বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে। ঢাকা-১৭ (গুলশান, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট ও ভাসানটেক) আসনে তারেক রহমানের মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর স ম খালেদুজ্জামান। আর বগুড়া-৬ আসনে (সদর) রয়েছেন জামায়াতের মো. আবিদুর রহমান, জাতীয় পার্টির আতিক আহমেদসহ ৯ জন প্রার্থী।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান লড়বেন ঢাকা-১৫ (কাফরুল ও মিরপুর থানার আংশিক) আসন থেকে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম খান।
ঢাকা-১১ (রামপুরা-বাড্ডা-ভাটারা-হাতিরঝিল আংশিক) আসন থেকে লড়বেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন এম এ কাইয়ুম।
'আচরণবিধি মানাতে হিমশিম ইসি' মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা এখনো শুরু হয়নি। তার আগেই নানা কৌশল অবলম্বন করে প্রচারে নেমেছেন প্রার্থীরা। কেউ কেউ প্রকাশ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। ফলে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের একের পর এক ঘটনা সামনে আসছে।
প্রতিদিন সারা দেশের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় এবং আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে জমা পড়ছে প্রার্থীদের নানা অভিযোগ। এসব অভিযোগ সুরাহা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, আচরণবিধি না মানা বেশির ভাগ প্রার্থীই বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি মনোনীত। আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও। নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে কাউকে শোকজ আর কাউকে আর্থিক দণ্ড দেয়া হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের তরফে।
জানা যায়, নিয়মের বাইরে গিয়ে রঙিন পোস্টার ব্যবহার, মোটর শোভাযাত্রা, জমায়েত করে ভোট চাওয়া কিংবা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার ঘটনায় এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে এর বাইরেও সামাজিক নানা কর্মসূচির আড়ালে নির্বাচনী প্রচারণা চলছে প্রতিনিয়ত। কোথাও আবার ওয়াজ মাহফিলেও ভোট চাইছেন প্রার্থীর প্রতিনিধিরা।
প্রথম আলোর শিরোনাম 'আচরণবধি ভাঙছেন সব দলের প্রার্থীরাই'।
খবরে বলা হচ্ছে, এবার প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা মেনে চলার অঙ্গীকারনামা দিয়েছিলেন।
তবে অনেকেই সে অঙ্গীকার রক্ষা করছেন না। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) প্রায় সব দলের প্রার্থীরাই আচরণ বিধিমালা ভাঙছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। কিন্তু এর আগেই বিধি ভঙ্গ করে সারা দেশে ভোটের প্রচারে নেমে পড়েছেন অনেক প্রার্থী।
নির্বাচনী এলাকার পাশাপাশি প্রচার চালানো হচ্ছে অনলাইন মাধ্যমেও। তবে এখন পর্যন্ত বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া ও সতর্ক করার মধ্যেই সীমিত।
দু-একটি ক্ষেত্রে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে জরিমানা করা হয়েছে। বিপরীতে কোথাও কোথাও দল ও প্রার্থীর পক্ষ থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তার শোকজ দেওয়ার এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
সমকালের শিরোনাম 'ভোটে আটকানো যায়নি ৪৫ ঋণখেলাপিকে'।
খবরে বলা হচ্ছে, ঋণখেলাপি হয়েও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন কমপক্ষে ৪৫ প্রার্থী। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশসহ (আরপিও) বিভিন্ন আইনে ঋণখেলাপিদের আটকানোর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু এসব প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে ৪৫ ঋণখেলাপি বেরিয়ে গেলেও বাদ পড়েছেন ৬৮ জন।
ইতোমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের বাছাই এবং নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানি শেষ হয়েছে। এর পরে রয়েছে উচ্চ আদালতে আইনি লড়াই। ঋণখেলাপির অভিযোগে বাদ পড়া অনেকেই উচ্চ আদালতে আইনের আশ্রয় নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরো (সিআইবি) তালিকায় ঋণখেলাপি হিসেবে নাম উঠলেও মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩১ জন উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে প্রার্থী হন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে এই ৩১ জনের মধ্যে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইসির আপিল শুনানিতে বাদ পড়ে যান। কারণ, হাইকোর্টের আদেশে আপিলে আটকে যাওয়ার ফলে তিনি পুনরায় খেলাপির তালিকায় পড়ে যান।
ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Bias claims by rivals put EC in a bind' অর্থাৎ 'প্রতিদ্বন্দ্বীদের পক্ষপাতদুষ্ট দাবি ইসিকে বিপাকে ফেলেছে'।
খবরে বলা হচ্ছে, আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর আগে রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। প্রধান দলগুলোর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসন তাদের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বেছে বেছে নিয়ম প্রয়োগ করছে।
বিগত কয়কে সপ্তাহ ধরে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবংএনসিপির নেতারা নির্বাচন কমিশন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বারবার এই উদ্বেগগুলো প্রকাশ করেছেন।
একজন নির্বাচন কমিশনার বলেন, কমিশনকে যেকোনো দলের দিকে ঝুঁকে পড়া থেকে বিরত রাখার জন্য এই ধরনের অভিযোগ প্রায়শই রাজনৈতিক কৌশলের অংশ।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, ক্রমবর্ধমান অভিযোগ ভোটারদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। কারণ প্রার্থীরা আগামী বৃহস্পতিবার থেকে প্রচারণা শুরু করবেন ।
ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের শিরোনাম 'Hasina, Tarique Siddique, 11 DGFI officers face trial.' অর্থাৎ 'হাসিনা, তারেক সিদ্দিক, ১১ জন ডিজিএফআই কর্মকর্তা বিচারের মুখোমুখি'।
খবরে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ গতকাল সোমবার আওয়ামী লীগ আমলে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং ১১ জন কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত ডিজিএফআই এবং সেনা কর্মকর্তার বিচার শুরু করেছে।
তাদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক গুম, অপহরণ, অবৈধ আটক এবং শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে ভিন্নমত পোষণকারী ব্যক্তিদের নির্যাদরে অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল গুমের শিকার ও মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছোট ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীর সাক্ষ্য রেকর্ড করে বিচার শুরু করে। হুম্মাম আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৭ আসনে বিএনপি থেকে প্রার্থী হয়েছেন।
সাক্ষ্যগ্রহণের আগে, চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বক্তব্য দেন। তিনি মামলাটিকে গুমের মামলায় ট্রাইব্যুনালের প্রথম বিচার হিসেবে বর্ণনা করেন।
'চাপের মুখে নির্বাচন কমিশন' যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, রাজনৈতিক দলগুলোর পালটাপালটি অভিযোগে কঠিন চাপের মুখে পড়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ প্রতীক মাঝামাঝি রাখা, দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ থাকা প্রার্থীদের প্রার্থিতা বহাল বা বাতিল করা, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি না হওয়া, পক্ষপাত আচরণ, জাতীয় সংসদের আগে সব ধরনের নির্বাচন বন্ধ করা এবং পরবর্তী সময়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের অনুমতি দেওয়াসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দলগুলোর মধ্যে মতভিন্নতায় এ চাপ তৈরি হয়েছে।
কারণ, এসব ইস্যুতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি ইসিতে গিয়ে কয়েকদিন ধরে পালটাপালটি অভিযোগ করে আসছে। এ দলগুলো ইসির নিরপেক্ষ কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একই ইস্যুতে দুদিন ধরে ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
আইন অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য কারও বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগের বাধ্যবাধকতা থাকলেও ইসি সেটি যথাযথভাবে অনুসরণ করেনি বলে অভিযোগ করেছে জামায়াত ও এনসিপি।
নয়াদিগন্তের শিরোনাম 'নিরাপত্তায় নজিরবিহীন প্রস্তুতি'।
খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোেট- ২০২৬ সামনে রেখে সারা দেশে নজিরবিহীন নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সরকার। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে মাঠে নামানো হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি ও বিপুল জনবল।
ডগ স্কোয়াড, ড্রোন নজরদারি, বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা, সিসিটিভি এবং প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গতকাল সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব:) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, নির্বাচনী নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা দুই পর্বে বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রথম পর্বে যারা ইতোমধ্যে মোতায়েন আছেন, তারা দায়িত্বে বহাল থাকবেন। দ্বিতীয় পর্বে ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার করা হবে, যা চলবে ৮ থেকে ১৪ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট সাত দিন।
বণিক বার্তার শিরোনাম '৫০ কোটি টাকার বেশি ব্যাংক ঋণের প্রায় অর্ধেকই এখন খেলাপি'।
খবরে বলা হচ্ছে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বাড়তি সুদহারের প্রভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যেকোনো দেশের ছোট ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা। সে হিসাবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে তাদেরই বেশি ঋণখেলাপি হওয়ার কথা।
যদিও দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে উঠে এসেছে বিপরীত চিত্র। পরিসংখ্যান বলছে, দেশের ব্যাংক খাতে ১ কোটি টাকার কম এমন ঋণের মধ্যে ১৬ শতাংশ খেলাপি। অন্যদিকে ৫০ কোটি টাকার বেশি এমন ঋণের প্রায় অর্ধেকই খেলাপির খাতায় উঠেছে।
ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ঋণের আকারের বিপরীতে খেলাপির হারের চিত্র তুলে ধরে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তথ্য বলছে, দেশের ব্যাংক খাতের বিতরণকৃত ঋণের ৩৪ দশমিক ৬ শতাংশই গত বছরের জুন শেষে খেলাপি ছিল। তবে ছোট ঋণের ক্ষেত্রে খেলাপির হার এ গড় হারের অর্ধেকেরও কম ছিল। ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ঋণের ক্ষেত্রে খেলাপির হার ছিল ১৬ শতাংশ।
১ থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণে খেলাপির হার ২৬ দশমিক ১ শতাংশ। আর ১০ থেকে ২০ কোটি টাকার ঋণের ক্ষেত্রে ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশই খেলাপির খাতায় উঠেছে। তবে ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকার ঋণের ক্ষেত্রে খেলাপির এ হার কিছুটা কম, ৩৮ শতাংশ।