পত্রিকা: '৭৮ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী, নড়েচড়ে বসছে জামায়াত'

এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭৮টি আসনে বিএনপির বহিষ্কৃত, সাবেক এবং নেতাদের পরিবারের সদস্যরা স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।

এতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সঙ্গে ত্রিমুখী লড়াইয়ের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।

জামায়াত জোটের প্রার্থীরা একে সুযোগ হিসেবে দেখছেন। বিপরীতে জামায়াতের বিদ্রোহী প্রার্থী আছে একটি আসনে।

জামায়াত জোট একে সুযোগ হিসেবে দেখলেও বিএনপির বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী অনেকেই নিজ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চলে এসেছেন।

এছাড়া, বিএনপি জোটের শরিক দলের প্রার্থীরাও বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে ঝুঁকিতে পড়েছেন। কারণ, সেসব আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নেমেছেন।

এদিকে, পত্রিকাটির জামায়াতের ১৭ আসনে জটিলতা, সুযোগ দেখছে বিএনপি শিরোনামে আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমঝোতার মাধ্যমে এক শরিক দলকে ছেড়ে দেওয়া আসনেও রয়ে গেছেন অন্য শরিক দলের প্রার্থী।

এ রকম অন্তত ১৭টি আসন নিয়ে ঝুঁকিতে পড়েছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট। আর সেটিকে সুযোগ হিসেবে দেখছে বিএনপি।

ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Tk15,000cr in concealed wealth traced as years of tax evasion comes under scanner; বছরের পর বছর ধরে কর ফাঁকি: প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার গোপন সম্পদ শনাক্ত।

এই খবরে বলা হয়েছে, গত এক বছরে তিন হাজার একশর বেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার গোপন সম্পদ ও আয় শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট।

এর বড় একটি অংশ আওয়ামী লীগের টানা ১৫ বছরের শাসনামলের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

ফলে আরও বিস্তৃত তদন্ত শুরুর আগেই— যাদের করফাঁকি উদঘাটন হচ্ছে, তাদের অনেকে গোপনে এসে দেনদরবার করে করের টাকা পরিশোধে তৎপর হয়ে উঠেছেন।

এর মধ্যে ২১৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কর ফাঁকির দায়ে মোট ৩৮০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে।

আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের কমিশনার মো. আবদুর রাকিব জানালেন, শনাক্ত হওয়া ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও আয় থেকে সরকারের প্রকৃত ট্যাক্স ও জরিমানার অর্থ আদায় করা সম্ভব হলে তার পরিমাণ প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা হবে।

ট্যাক্স ইন্টেলিজেন্স অফিসের সূত্রগুলো জানিয়েছে, আয় ও সম্পদ গোপন করায় অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি বাণিজ্যিক গ্রুপ এবং এগুলোর পরিচালকরাও রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, যেসব ব্যক্তির সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে, তা মূলত জমি, অ্যাপার্টমেন্ট ও গাড়িতে বিনিয়োগ করা ছিল।

এই সংবাদে বলা হয়েছে, গত ১১ ডিসেম্বরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ২৫টি জেলা এবং তিনটি মহানগরের বিভিন্ন থানা এলাকায় ১৪৪টি সহিংস ঘটনা ঘটেছে।

এর মধ্যে কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুর জেলায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে চার দফা করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ৪৫ দিনে সারাদেশে ১৪৪টি নির্বাচনী সহিংসতার মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ৫৫টি।

ভীতি দেখানো ও আক্রমণাত্মক আচরণের ঘটনা ঘটেছে ১১টি, প্রার্থীর ওপর আক্রমণের ঘটনা ছয়টি, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার দুটি।

এর বাইরে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ছয়টি, প্রচারকাজে বাধা প্রদানের ঘটনা ১৭টি, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট অফিস ও প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা আটটি, অবরোধ-বিক্ষোভের মতো ঘটনা ১০টি, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের ঘটনা একটি এবং অন্যান্য ঘটনা ঘটেছে ২৪টি।

আর চারটি রাজনৈতিক হত্যার হিসাব দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

সংঘাতপ্রবণ জেলাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে না পারলে নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাইরে চলে যেতে পারে বলে মনে করছেনন অপরাধ বিশ্লেষকরা।

এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮১টি নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক সংস্থা থেকে ৫৫ হাজার ৪৫৪ পর্যবেক্ষক ৩০০ আসনে পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

তবে ৮১টির মধ্যে ১৭টি পর্যবেক্ষক সংস্থা থেকে এবার পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৪২৭ জন; অর্থাৎ মোট পর্যবেক্ষকের ৬৪ শতাংশ‍ই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর।

যার মধ্যে পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট নামের একটি বেসরকারি সংস্থা থেকেই ১০ হাজার ৫৫৯ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নির্দিষ্ট পর্যবেক্ষক সংস্থা থেকে বিপুলসংখ্যক পর্যবেক্ষক নিয়োগ নিয়ে ইতোমধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

এছাড়া, কিছু পর্যবেক্ষক সংস্থার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে।

দেশীয় পর্যবেক্ষকের পাশাপাশি ৩৯টি দেশ ও সংস্থার ৫০০ বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক এবারের নির্বাচনে পর্যবেক্ষণ ও সংবাদ সংগ্রহ করবেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে এই খবরে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। এ সময় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

রাত পৌনে ১০টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি ফতেহপুর ফাজিল মাদরাসার আরবি বিষয়ে প্রভাষক ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় লোকজন জানায়, ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠের আয়োজন করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, চব্বিশের পাঁচই অগাস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে যে অবনতি, তার প্রভাব দুই দেশের বিদ্যুৎ কেনাবেচার বাণিজ্যেও পড়ে।

ক্ষমতাচ্যুত এই সরকারের আমলে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তিতে 'ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে' দাবি করে আদানির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করার সুপারিশ করে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় কমিটি।

যেখানে বলা হয়, এই চুক্তির কারণে ২৫ বছর মেয়াদে বাংলাদেশ থেকে এক হাজার কোটি ডলার বাড়তি নিয়ে যাবে আদানি।

তবে দুর্নীতির প্রমাণ ছাড়া সার্বভৌম চুক্তি বাতিল করা যায় না। এ কারণে তথ্য যাচাইবাছাই করতে ব্রিটিশ একটি আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

যদিও আদানি পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছিল, তারা এই প্রতিবেদনের বিষয়ে কিছুই জানে না। এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে কমিটি বা অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

এদিকে, বাংলাদেশ ও ভারতের সরকারি নথির বরাত দিয়ে গতকাল বুধবার সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গোড্ডা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ২০২৫ সালের শেষ তিন মাসে বাংলাদেশে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২৫ কোটি কিলোওয়াট, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৮ শতাংশ বেশি।

প্রথম আলোর প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— কমছে শীতকালের ব্যাপ্তি, বাড়ছে নানা ক্ষতির শঙ্কা

এই খবরে বলা হয়েছে, শীত— এই ঋতু একসময় 'কুয়াশা-শৈত্যপ্রবাহ' হিসেবে পরিচিত ছিল, তা ক্রমেই ছোট হয়ে যাচ্ছে।

এমন চলতে থাকলে চলতি শতাব্দীর শেষে শীত অনেকটাই কমে যেতে পারে। গড়পড়তা যেখানে ৮ থেকে ১০টি শৈত্যপ্রবাহ হয়, তা হতে পারে, দু-চারটি।

কমে যেতে পারে শীতের দিনের সংখ্যাও। কৃষি, স্বাস্থ্যসহ নানা ক্ষেত্রে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

নরওয়ের মেটিওরোলজিক্যাল ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞানীদের যৌথ গবেষণাভিত্তিক সাম্প্রতিক প্রতিবেদন 'দ্য ফিউচার ক্লাইমেট অব বাংলাদেশ'-এ ওঠে এসেছে, ভবিষ্যতে শীতের ব্যাপ্তি কমে যাওয়ার প্রবণতার কথা।

২০৪১ থেকে ২০৭০ এবং ২০৭১ থেকে ২১০০ সাল পর্যন্ত পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে দুই বছরব্যাপী চলা এই গবেষণায়।

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম— নির্বাচনে আসনপ্রতি খরচ সাড়ে ১০ কোটি টাকা

এই সংবাদে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যয় বেড়ে তিন হাজার ১৫০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। যেখানে গত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ব্যয় হয়েছিল দুই হাজার ২৭৬ কোটি টাকা।

মূলত গণভোটের কারণে বাড়তি ব্যয় হচ্ছে এবার। যেখানে আসনপ্রতি গড় ব্যয় হবে সাড়ে ১০ কোটি টাকা।

ভোটের বাজেটের তথ্য থেকে জানা গেছে, এই নির্বাচনে দৈনিক খোরাকি ভাতাতে ৭৩০ কোটি ৪২ লাখ টাকা, অন্যান্য মনিহারিতে ৫৮১ কোটি ৬১ লাখ টাকা, সম্মানীতে যাবে ৫১৫ কোটি টাকার মতো বড় ব্যয়।

এছাড়া, ২৯০ কোটি টাকার আপ্যায়ন ব্যয়, যানবাহন ব্যবহার (চুক্তিভিত্তিক) ২০০ কোটি ৬৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা, প্রচার ও বিজ্ঞাপন ব্যয় ৭৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, যাতায়াত ব্যয় ১০৮ কোটি ৮০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, পরিবহন ব্যয় ৮০ কোটি ১২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, পেট্রল-অয়েল ও লুব্রিকেন্ট বাবদ ২৯৭ কোটি ৬৮ লাখ ৩৪ হাজার টাকা এবং মুদ্রণ ও বাঁধাইয়ে ১০৮ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য চলতি অর্থবছরে বাজেট বরাদ্দ ছিল দুই হাজার ৮০ কোটি টাকা। পরে অতিরিক্ত বরাদ্দ ধরা হয় এক হাজার ৭০ কোটি টাকা।

ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে বিশেষ নজরদারি— আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ঝুঁকিপূর্ণ (অতি গুরুত্বপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত ভোটকেন্দ্রগুলোকে বিশেষ নজরদারিতে আনা হচ্ছে।

এসব কেন্দ্রের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা বা বডি-ওর্ন ক্যামেরা, ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে সমন্বিতভাবে এই ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ইসি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর।

এবার সারাদেশের মোট ৪২ হাজার ৭৭৯ টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৮৪৭ টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ।

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম— নারী কর্মীদের ওপর হামলায় বেকায়দায় জামায়াত

এতে বলা হয়েছে, নারীদের বাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে ভোটের মাঠে ভালো অবস্থান তৈরির চেষ্টা করছিল জামায়াত। তবে, নারী কর্মীদের ওপর হামলা ও হুমকির ঘটনায় বেকায়দায় পড়েছে দলটি।

নারী কর্মীদের ওপর হামলায় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। বরং এ নিয়ে প্রশাসনের অসহযোগিতার অভিযোগই সামনে আসছে বারবার।

এর প্রতিবাদে প্রথমবারের মতো ঢাকায় আগামী ৩১ জানুয়ারি নারীদের নিয়ে সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত।

এর আগে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে নারী সমাবেশ করলেও এবারই প্রথম রাজধানীতে সমাবেশের ঘোষণা দিলো দলটি।

এই সমাবেশে সারাদেশ থেকে সর্বোচ্চসংখ্যক নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কাজ করছেন দলটির নেতাকর্মীরা।

তাছাড়া, নারী অধিকার কর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারীদের এক মঞ্চে নিয়ে প্রতিবাদ করার পরিকল্পনা করছে দলটি।

এতে নারীদের ওপর সহিংস আচরণের প্রতিবাদের পাশাপাশি তাদের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিতের পক্ষে জোরালো অবস্থান প্রকাশ করা হবে।