পত্রিকা: 'নির্বাচনী সমীকরণে আরো শক্তিশালী অবস্থানে বিএনপি'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।
ছবির ক্যাপশান, ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় অসংখ্য মানুষের অংশগ্রহণ এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার দাফন সম্পন্নের খবর আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার সব পত্রিকার পাতাজুড়ে স্থান পেয়েছে।

একটি কফিনের পাশে বাংলাদেশ— নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, অজস্র মানুষের শ্রদ্ধা, দোয়া ও ভালোবাসায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

গতকাল বুধবার শোকার্ত বিকেলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়।

এর আগে, তার জানাজায় লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন।

খালেদা জিয়ার জানাজাস্থল জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হলেও লাখো মানুষের সারি বহু দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

জানাজার সেই জনস্রোত যেন এক কথায় বলছিল— একটি কফিনের পাশে পুরো বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে।

সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ দেশের প্রায় সকল রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর প্রতিনিধিরাও ঢাকায় ছুটে আসেন শোকার্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে।

নয়া দিগন্ত

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর— 'Please pray for my mother's eternal peace', Says Tarique at janaza; অর্থাৎ জানাজায় মায়ের জন্য দোয়া চাইলেন তারেক।

এতে বলা হয়েছে, জানাজার আগে মা খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তারেক রহমান বলেন, আমার মা বেগম খালেদা জিয়া জীবিত থাকতে ঋণ নিয়ে থাকলে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন। আমি পরিশোধ করে দেবো।

খালেদা জিয়ার কথায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা করে দিতেও অনুরোধ জানান তিনি।

দ্য ডেইলি স্টার

প্রথম আলোর প্রথম পাতার সংবাদ— জেলায় জেলায় গায়েবানা জানাজা, দোকানপাট বন্ধ রেখে শোক প্রকাশ

এতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অন্তত ২২টি জেলায় গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর জানতে পেরেছে প্রথম আলো।

গতকাল বুধবার বিএনপিসহ স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

একই সময়ে বিভিন্ন এলাকায় খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এছাড়া, ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ রেখে খালেদা জিয়ার প্রতি শোক জানিয়েছেন।

বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:
প্রথম আলো

নির্বাচনী সমীকরণে আরো শক্তিশালী অবস্থানে বিএনপি— বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, ১৭ বছর নির্বাসন কাটিয়ে তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং এর অল্প কিছু সময় পর খালেদা জিয়ার মৃত্যু; বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনের সমীকরণে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এ দুই ঘটনা জিয়া পরিবারের প্রতি সহানুভূতির জোরালো স্রোত তৈরি করবে, যা নির্বাচনের আগে বিএনপির জনসমর্থন আরো শক্তিশালী করতে পারে।

হংকংভিত্তিক গণমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক বিশ্লেষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়, খালেদা জিয়ার প্রয়াণ বিশেষ করে সহানুভূতিশীল ভোটারদের মধ্যে মানসিক ও আবেগের দিক থেকে বিএনপির পক্ষে অবস্থান আরো সুদৃঢ় করবে।

এছাড়া, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন কেবল পারিবারিক উত্তরাধিকার নয়, বরং নেতৃত্বের প্রশ্নে এক সুস্পষ্ট বার্তাও দিয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

বণিক বার্তা

কালের কণ্ঠের শেষের পাতার শিরোনাম— মাধ্যমিকের ৬ কোটি বই বাকি

এতে বলা হয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হলেও মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের হাতে শতভাগ বই তুলে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

মাধ্যমিকে এ পর্যন্ত ৭০ শতাংশ বইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। ছয় কোটি বইয়ের কাজ এখনো বাকি।

তবে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ির সব বই পৌঁছে গেছে। তাদের সবাই বছরের প্রথম দিনই বই পাবে।

সূত্র জানায়, মাধ্যমিকের ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বইয়ের পুনঃদরপত্র আহ্বান করা হয় গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে। সক্ষমতার অতিরিক্ত কাজ নেওয়া কিছু প্রতিষ্ঠান এখনো তাদের সব বইয়ের কাজ শেষ করতে পারেনি।

আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সব বইয়ের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করার কথা জানিয়েছে এনসিটিবি।

গেলো ২০২৫ শিক্ষাবর্ষেও বছরের প্রথম দিন সব নতুন বই দেওয়ার রীতিতে ছেদ পড়ে।

এবার কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো বই উৎসব হচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা স্কুলে এলে তাদের হাতে বই তুলে দেওয়া হবে।

বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

২০২৫ সালে গণপিটুনি আগের বছরের চেয়ে দ্বিগুণ বেড়েছে— আজকের পত্রিকার শেষের পাতার সংবাদ এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, বিদায়ী ২০২৫ বছরে সারাদেশে অন্তত ৪২৮টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে।

যা ২০২৪ সালের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি।

২০২৪ সালে গণপিটুনির ১৬৯টি ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ১৪৬ জন এবং আহত হন ১২৬ জন।

২০২৫ সালে গণপিটুনিতে প্রাণ হারিয়েছেন ১৬৬ জন, আহত ৪৬০ জন এবং আহত অবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে ২২০ জনকে।

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) 'বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ২০২৫' শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গণপিটুনিতে আহত ৪৬০ জনের মধ্যে ৫৫ জন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সদস্য।

এমএসএফের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী , ২০২৫ সালে রাজনৈতিক সহিংসতার ৫৯৯টি ঘটনায় শিকার হয়েছেন ৫ হাজার ৬০৪ জন। তাদের মধ্যে ৮৬ জন নিহত ও ৫ হাজার ৫১৮ জন আহত হন।

নিহতদের মধ্যে ৬৫ জন বিএনপির, ৮ জন আওয়ামী লীগের, ৩ জন জামায়াতে ইসলামীর এবং ১০ জন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ নাগরিক। ২০২৫ সালে ক্রসফায়ার বা বন্দুকযুদ্ধে কমপক্ষে ১৯টি ঘটনায় ২২ জন নিহত হয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কারা হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে ১১৬ জনের।

একই বছরে ৬৪১ জন সাংবাদিক বিভিন্ন জেলায় পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় হত্যা, হামলা, হুমকি, আইনি হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

আজকের পত্রিকা

যত সম্পদ দেখিয়েছেন আলোচিত প্রার্থীরা— যুগান্তরের প্রথম পাতার একটি সংবাদের শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া প্রার্থীদের হলফনামার তথ্য প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।

সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী তার হলফনামায় সম্পদের মূল্য দেখিয়েছেন খুবই সস্তা।

তিনি প্রায় সাড়ে ৮ একর জমির দাম দেখিয়েছেন মাত্র ২০ লাখ ১৫ হাজার ২৮২ টাকা। পাঁচ হাজার ৩৫ বর্গফুটের অ্যাপার্টমেন্টের দাম দেখিয়েছেন ৩২ লাখ ৩৩ হাজার ৭৩০ টাকা।

তার কাছে থাকা ১০ ভরি স্বর্ণের দাম ৩০ হাজার টাকা। আর স্ত্রীর ২৭ ভরি স্বর্ণের দাম দেখিয়েছেন এক লাখ ৯৮ হাজার ৪৫০ টাকা।

স্বশিক্ষিত আরিফের বর্তমান আয় ৩১ লাখ ৮৩ হাজার ২৩৬ টাকায়।

ভোলা-১ আসনের প্রার্থী বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ গণঅভ্যুত্থানের পর আটটি মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। আর দুটি মামলার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

পার্থের সম্পদ রয়েছে দুই কোটি ২৩ লাখ টাকার বেশি এবং বার্ষিক আয় ৪১ লাখ ৪১ হাজার টাকা।

তার নিজের নামে ১০০ তোলা স্বর্ণ এবং স্ত্রীর নামে ৬০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকির সম্পদের পরিমাণ ৪৬ লাখ ৬২ হাজার টাকা উল্লেখ করেছেন। অপরদিকে তার স্ত্রী তাসলিমা আখতারের সম্পদের মূল্য এক কোটি ২২ লাখ ৯৩ হাজার টাকা।

এই সম্পদের মধ্যে তাসলিমা আখতারের নামে তিন হাজার ২৫০ বর্গফুট আয়তনের একটি ফ্ল্যাট ও ১৬৭ বর্গফুট আয়তনের একটি দোকানও রয়েছে। এই ফ্ল্যাট ও দোকানের দাম দেখিয়েছেন ২৮ লাখ ৬৮ হাজার ৯৩৪ টাকা।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের পেশা পরামর্শক। ঢাকা-১১ আসনের এই প্রার্থী বছরে আয় করেছেন ১৬ লাখ টাকা।

পেশায় ব্যবসায়ী সারজিস আলমের বার্ষিক আয় ৯ লাখ টাকা। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে সারজিস আলম তার মোট আয় দেখিয়েছেন ২৮ লাখ পাঁচ হাজার টাকা। মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার ৬২৮ টাকা।

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত আলোচিত রাজনীতিক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা পৈতৃকসূত্রে ঢাকায় জমি-ফ্ল্যাটের মালিক। ২০২৫-২৬ করবর্ষে আয়কর রিটার্নে তিনি নিজের আয় দেখিয়েছেন ৯৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা।

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর ব্যাংকের নগদ জমাসহ ৫০ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি আছে। তার কোনো জমিজমা ও গাড়ি নেই।

গণঅধিকার পরিষদের মহাসচিব থেকে পদত্যাগ করে সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খানের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। তার আয়ের ওপর নির্ভরশীল স্ত্রীর সম্পদ আছে ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

বছরে তিনি আয় করেন সাড়ে চার লাখ টাকা।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে আয়কর রিটার্নের তথ্য অনুযায়ী, পটুয়াখালী-৩ আসনের প্রার্থী ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ৯০ লাখ ৪৩ হাজার টাকা সম্পদ আছে। ওই বছর তিনি আয় করেন ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

নোয়াখালী-৬ আসনের প্রার্থী এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদের পেশা ব্যবসা। বছরে তার আয় ছয় লাখ টাকা।

যুগান্তর

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— জামায়াত আমিরের সঙ্গে ভারতের কূটনীতিকের গোপন বৈঠক

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের শুরুর দিকে ভারতীয় একজন কূটনীতিকের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছিলেন জামায়াত ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

গতকাল বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈঠকের বিষয়টি গোপন রাখার বিষয়ে জামায়াত আমির বলেছেন, ভারতীয় ওই কর্মকর্তার অনুরোধেই বিষয়টি গোপন রাখা হয়।

অবশ্য অন্য দেশের কূটনীতিকরা প্রকাশ্যে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

শফিকুর রহমানের বক্তব্য নিয়ে মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, 'আমাদের সবার একে অপরের প্রতিও উন্মুক্ত হতে হবে। সম্পর্ক উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই।'

অন্যদিকে, পাকিস্তানের সঙ্গে জামায়াতের ঐতিহাসিক ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শফিকুর রহমান বলেছেন, 'আমরা কখনোই কোনো এক দেশের দিকে ঝুঁকে পড়তে আগ্রহী নই। বরং সবাইকে সম্মান করি এবং দেশগুলোর মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক চাই।'

দেশ রূপান্তর

২১ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ শীতে কাঁপছে দেশ— সমকালের শেষের পাতার খবর এটি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, খুলনা ও বরিশাল বিভাগজুড়ে এবং মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। যা আরও দুয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। তবে কুয়াশার ঘনত্ব ধীরে ধীরে কমতে পারে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর বলেন, রাজধানীতে শীত কিছুটা কমেছে। চলতি সপ্তাহে ঢাকাসহ কয়েকটি এলাকায় ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা কম।

তবে ৩ বা ৪ জানুয়ারির দিকে আবার শীত বাড়তে পারে। তখন ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সমকাল

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রথম পাতার প্রতিবেদন— Rooppur Unit 1 nears power generation, grid connection likely in March-April; বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুরের প্রথম ইউনিট, মার্চ-এপ্রিলে জাতীয় গ্রিডে যুক্তের সম্ভাবনা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাছাকাছি পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শুরু হতে পারে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া এগোলে মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে। তাতে এই কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

তবে সতর্কও করেছেন প্রকল্পটির কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, অত্যন্ত সংবেদনশীল ও নিরাপত্তা কারণে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তাৎক্ষণিকভাবে পূর্ণ উৎপাদন ক্ষমতায় পৌঁছাবে না।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড