পত্রিকা: 'শুরুতেই বিতর্কের মুখে পোস্টাল ব্যালট'

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার ব্যাপারে নিজেদের অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। এ নিয়ে খবর প্রকাশ করেছে ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদপত্র। এছাড়া ভোট শুরুর আগেই পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে একটি বাসায় কয়েক ব্যক্তির কাছে অনেক ব্যালট পেপার দেখা গেছে। এ সংক্রান্ত খবর রয়েছে আজকের পত্রিকাগুলোতে।

খবরে বলা হচ্ছে, ভোট শুরুর আগেই পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে একটি বাসায় কয়েক ব্যক্তির কাছে অনেক ব্যালট পেপার দেখা গেছে।

এ বিষয়ে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে এসেছে বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে পোস্টাল ব্যালটে প্রতীক বিন্যাস নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।

অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেক পোস্টাল ব্যালট কয়েকজন মিলে গুনছেন। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের।

দেশে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা অনেক আগে থেকে চালু থাকলেও প্রথমবারের মতো প্রবাসী ভোটারদের ভোট দেওয়ার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করেছে ইসি।

নিয়ম অনুযায়ী, নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি এবং কারাবন্দিরা এই ব্যবস্থায় ভোট দিতে পারেন। তবে অতীতে এই ব্যবস্থায় ভোট দিতে তেমন একটা আগ্রহী ছিলেন না অনেকেই।

আগে আইন থাকলেও সুযোগ ছিল সীমিত। এবার 'আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে' ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে ইসি। এ জন্য নির্বাচনী আইনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ৫ জানুয়ারি 'পোস্টাল ভোেট বিডি' অ্যাপে নিবন্ধন শেষ হয়।

প্রথম আলোর শিরোনাম 'ভারতে যাবে না বাংলাদেশ, আইসিসিকে আবারও 'না'

খবরে বলা হচ্ছে, আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক বার্তা আদান-প্রদান হচ্ছে কয়েক দিন ধরেই, চালাচালি হচ্ছে ইমেইল।

সব যোগাযোগেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) বলে আসছে, নিরাপত্তার কারণে ভারতে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ।

ওদিকে আইসিসিও বিসিবিকে বোঝানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, শেষ মুহূর্তে এসে ভেন্যু পরিবর্তন প্রায় অসম্ভব। ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে বিসিবি যতটা শঙ্কা প্রকাশ করছে, ততটা শঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই বলেও দাবি তাদের।

এই ধারাবাহিকতায় গতকাল দুপুরে বাংলাদেশের ভারতে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে না চাওয়া নিয়ে প্রথম ভার্চুয়াল সভা করেন বিসিবি ও আইসিসি কর্মকর্তারা। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হওয়া সভায় বিসিবি ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার ব্যাপারে তাদের অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।

আইসিসির সব যুক্তি উড়িয়ে দিয়ে বিসিবি বলেছে, নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশ দল ভারতে খেলতে যাবে না, এটা সরকারের সিদ্ধান্ত। এ ব্যাপারে দ্বিতীয় চিন্তার সুযোগ নেই।

বিসিবি অনুরোধ জানিয়েছে, কলকাতা ও মুম্বাই থেকে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো যেন শ্রীলঙ্কা বা অন্য কোনো দেশে সরিয়ে নেওয়া হয়।

খবরে বলা হচ্ছে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে এক সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, 'ভারতে তার (শেখ হাসিনা) অবস্থানের কারণে কেউ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে না।'

এরপর বিভিন্ন সময় সরকার সংশ্লিষ্ট অনেকেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতনির্ভরতা কমিয়ে আনার কথা বলেন।

ডিসেম্বরে খাদ্য উপদেষ্টা জানান, ভারতের পাশাপাশি সরকার টু সরকারের মাধ্যমে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানি করা হবে। সে মাসেই আলু ও পেঁয়াজ আমদানিতে ভারত নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎস খোঁজার কথা জানায় ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশে ভারতীয় পণ্য বর্জনের আহ্বানও ওঠে বিভিন্ন ইস্যুতে। তবে গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) এসবের কোনো প্রভাব ভারত থেকে আমদানিতে পড়তে দেখা যায়নি।

বরং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ (গত বছরের ডিসেম্বরে অর্থ বিভাগ থেকে প্রকাশিত) থেকে জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের পণ্য আমদানির প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে ভারত থেকেই গত অর্থবছরে আমদানি ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি হয়েছে এবং সেটা ৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

কালের কণ্ঠের শিরোনাম 'এক বছরে হামলায় আহত ৬০১ পুলিশ'

খবরে বলা হচ্ছে, দেশে ২০২৫ সালে পৃথক হামলার ঘটনায় ৬০১ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। সেই হিসাবে প্রতি মাসে আহত হন ৫০ জন। প্রতিদিন একজনের (১.৭) বেশি হামলার শিকার হয়েছেন।

মাঠ পর্যায়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার, সামাজিক ও রাজনৈতিক বিরোধের পাশাপাশি চলমান ভঙ্গুর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে উচ্ছৃঙ্খল জনতার দলবদ্ধ হামলায় আহত হয়েছেন তারা।

পুলিশ সদর দপ্তরের মাসিক অপরাধমূলক পরিসংখ্যান ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

পুলিশের ওপর এসব হামলার ঘটনার তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সূত্রে জানা গেছে, বেশির ভাগ পুলিশ সদস্য 'মব' সন্ত্রাসের শিকার হয়ে আহত হয়েছেন।

অনেক পুলিশ সদস্য শারীরিকভাবে গুরুতর জখম হন। আহত হয়ে চিকিৎসাধীন থেকে অনেকে মারাও গেছেন। তবে এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট সংখ্যা পাওয়া যায়নি।

'ভোটারদের মন জয়ে ইশতেহার' যুগান্তরের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে ইতিপূর্বে ঘোষিত ৩১ দফাসহ জনকল্যাণমুখী ইস্যুকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনি ইশতেহার প্রস্তুত করছে বিএনপি।

নতুন ভাবনার মধ্যে ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশাকে বিবেচনায় রেখে অগ্রসর হচ্ছে দলটি।

দেশ গড়ার পরিকল্পনায় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও ধর্মীয় নেতাদের জীবনমান উন্নয়নকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

অপরদিকে নির্বাচনে দলীয় ইশতেহার চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জুলাই চেতনাকে ধারণ করে তৈরি হবে ইশতেহার।

এতে দেশের কর্মসংস্থানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা, প্রশাসনসহ রাষ্ট্রকাঠামোতে ব্যাপক সংস্কারকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। থাকছে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ে তোলার কঠোর বার্তা।

'দ্বিতীয় রিপাবলিক' প্রতিষ্ঠায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ইতোমধ্যে নতুন সংবিধান প্রণয়ন, জুলাই অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি ও বিচার, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কারসহ ২৪ দফা ঘোষণা করেছে।

এবার এই ২৪ দফার আলোকে নির্বাচনী ইশতেহার চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল এনসিপি।

খবরে বলা হচ্ছে, চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে যৌথ বাহিনীর হেফাজতে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫২) মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

পরিবার অভিযোগ করেছে , শামসুজ্জামান ডাবলুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে । এ ঘটনায় সোমবার রাতেই সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। গতকাল মঙ্গলবারও সারা দিন বিক্ষোভ হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে , হেফাজতে বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প কমান্ডারসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনাসদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে ।

পরিবারের সদস্য, বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে যৌথ বাহিনীর একটি দল জীবননগর পৌর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত শামসুজ্জামান ডাবলুর ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান 'হাফিজা ফার্মেসি' থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

প্রায় দুই ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১২ টার দিকে তাঁকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবরে বলা হচ্ছে, গণ-অভ্যুত্থানের সময় দেশেই ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের এমপি একে আব্দুল মোমেন। ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপিদের মতো তিনিও আত্মগোপনে চলে যান।

এরপর দেশের ভেতরেই পালিয়ে ছিলেন ৮ মাস। ধরা পড়ার ভয়ে একাধিকবার বাসা বদল করেছেন। মোবাইল ফোনের সিম বদলিয়েছেন ৬ বার। চেহারায়ও এসেছে আমূল পরিবর্তন। রেখেছেন দাড়িও। এখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রে আছেন।

এক বছরের অধিক সময় তিনি অন্তরালে ছিলেন। খোঁজ-খবর কেউ জানতেন না। সম্প্রতি তিনি নিজেই মিডিয়ার সামনে হাজির হয়েছেন। স্বভাব ভঙ্গিতেই জানিয়েছেন দেশে পালিয়ে থাকার ঘটনা। তবে কীভাবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র্রে পৌঁছালেন সেটি বলেননি।

নিজেই জানিয়েছেন; এখনো সে ঘটনা বলার সময় আসেনি। এ নিয়ে রহস্যও জিইয়ে রাখলেন। যুক্তরাষ্ট্র্রে থাকা এক বাংলাদেশি সাংবাদিকের সঙ্গে তিনি ভার্চ্যুয়াল মিডিয়ায় কথা বলেন।

ওই ইন্টারভিউতে মোমেন বলেছেন; গণ-অভ্যুত্থানের পূর্ববর্তী সময়ে তিনি আমেরিকাতেই ছিলেন। সেখান থেকে কয়েক দিন আগে দেশে ফিরেন। আর তিনি আসার পরপরই গণ-অভ্যুত্থান হয়। ফলে তাকেও অন্যদের মতো আত্মগোপনে যেতে হয়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর উদ্ভূত রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, দীর্ঘ দেড় দশক পর তুলনামূলকভাবে অংশগ্রহণমূলক ভোটের প্রত্যাশা এবং তরুণ ভোটারদের বিপুল উপস্থিতি সব মিলিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হয়ে উঠেছে সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরীক্ষা।

এই নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের মূল চাবিকাঠি বা 'কিংমেকার' হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে দেশের তরুণ সমাজ। দীর্ঘ সময় ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত থাকা এবং নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ায় এবার প্রায় সাড়ে চার কোটি তরুণ ভোটার ব্যালটের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক মত প্রকাশ করতে প্রস্তুত।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোট ভোটারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এই তরুণ জনগোষ্ঠী যদি সক্রিয়ভাবে ভোটকেন্দ্রে যায়, তাহলে নির্বাচনের ফলাফল যেকোনো দিকে মোড় নিতে পারে।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম '2,000 killed in Iran unrest' অর্থাৎ 'ইরানের সহিংসতায় ২০০০ জন নিহত'।

খবরে বলা হচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল মঙ্গলবার ইরানিদের দেশব্যাপী বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা সহিংসতায় মৃতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার পর তিনি সাহায্য 'আসছে' বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

বিক্ষোভকারীদের ওপর ইরানের দমন-পীড়নের বিশ্বব্যাপী নিন্দা আরও তীব্র হয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন গণহত্যার ভয়াবহ প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে নিজ নিজ দেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের তলব করেছে।

২০২২ সালের পর ইরান সবচেয়ে বড় বিক্ষোভের মুখোমুখি হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ করা হলে ট্রাম্প বারবার হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন।

দ্য নিউ এজের শিরোনাম 'Efforts on against level playing field: BNP' অর্থাৎ লেভেল প্লেইং ফিল্ডের বিরুদ্ধে প্রচেষ্টা চলছে: বিএনপি'

খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে একটি নির্দিষ্ট দল ইচ্ছাকৃতভাবে লেভেল প্লেইং ফিল্ড নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল গতকাল মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে এ বিষয়টি জানিয়েছে।

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে নজরুল বলেন, বিএনপি যখন কমিশনের নির্দেশনা মেনে চলছে, তখন অন্যান্য রাজনৈতিক দল প্রতিযোগিতাকে তাদের পক্ষে ঝুঁকতে সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

নজরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

এদিক বিএনপি অনুরোধ করেছে দেশের ভেতরে এখনও যে পোস্টাল ব্যালটগুলো পাঠানো হয়নি সেগুলো সংশোধন করা হোক যাতে 'কৌশলগত পদ্ধতির' পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

'ইশতেহারের অপেক্ষায় তরুণেরা' দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো তরুণ ভোটারদের পছন্দের দল হওয়ার জন্য পুরোদমে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের মন জয় করতে নানা পর্যালোচনা-গবেষণা অব্যাহত রেখেছে নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকা রাজনৈতিক দলগুলো।

সোয়া চার কোটি তরুণ ভোটারও তাকিয়ে আছেন রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারের দিকে। ইশতেহার দেখে তরুণ ভোটাররা ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তরুণ সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে এমন ধারণাই পাওয়া গেছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর পুরনো ধ্যান-ধারণার আশ্বাস আর গ্রহণ করবে না তরুণ সমাজ। তরুণ সমাজের সোজাসাপ্টা কথা- ঘোষিত ইশতেহারে তরুণদের চাহিদা, সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে গুরুত্ব দেবে যে দল, তরুণ ভোটাররা সে দলকেই ভোট দিতে আগ্রহী ও উৎসাহী হয়ে উঠবেন।

আবার কথার ফুলঝুরি শুধু নয়, প্রতিশ্রুতি পূরণে ও বাস্তব অঙ্গীকারে দলগুলো কতটা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়, সেটিও ভালোভাবে যাচাই করবেন তরুণরা।

তরুণ ভোটারদের, যাদের বয়স ১৮ থেকে ৪৫ বছর বিবেচনা করা হয়েছে, বিভিন্নজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তরুণ সমাজ রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারের ব্যাপারে দারুণ উৎসুক।