পত্রিকা: 'গণভোটের সময়সহ তিন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে সরকার'

এই খবরে বলা হয়েছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না হওয়া গুরুত্বপূর্ণ তিন বিষয় যথাক্রমে গণভোট সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে নাকি আগে হবে, প্রস্তাবের বিষয়ে দেওয়া ভিন্নমত (নোট অব ডিসেন্ট) কীভাবে সমন্বয় করা হবে এবং বর্তমান আইনে নাকি সংবিধানের সমতুল্য আদেশ জারি করা হবে— এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে যাচ্ছে সরকার।

দলগুলোর মধ্যে এ নিয়ে মতপার্থক্য না কাটলেও আগামী ১৫ অক্টোবর সই হবে বহুল আলোচিত জুলাই জাতীয় সনদ।

গতকাল বৃহস্পতিবার কমিশনের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির মতামত অনুযায়ী ১৯৯১ সালের গণভোট আইনে নয়; সংবিধানের সমতুল্য আদেশ জারির মাধ্যমে গণভোট আয়োজনের সুপারিশ করা হবে।

বাস্তবায়নের উপায় দেখে সিদ্ধান্ত নেবে দলগুলো— প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি।

আগামী ১৫ অক্টোবর জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হওয়ার ঘোষণা এলেও এটি বাস্তবায়নের উপায় দেখে দলগুলো সিদ্ধান্ত নেবে, এমনটা বলা হয়েছে এই খবরে।

গণভোটের সময় ও ভিন্নমত থাকা প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে কী থাকছে— এগুলো আগে দেখতে চায় দলগুলো। এসবের ওপর সনদে সই করা না করার বিষয়টি নির্ভর করছে বলে দলগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছে দৈনিকটি।

এমন পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত সব দল সনদে সই করবে কি না, তা এখনও পরিষ্কার নয়।

ঐকমত্য কমিশন সূত্র জানায়, গণভোটের সময় ও পদ্ধতি নিয়ে মতভিন্নতা থাকলেও এ বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হওয়ায় সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি হিসেবে এটাকেই প্রাধান্য দিচ্ছে কমিশন।

এ ক্ষেত্রে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, অধ্যাপক ও আইনজীবীদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ প্যানেল যে মতামত দিয়েছে, সেটা ভিত্তি ধরছে কমিশন। প্রয়োজনে এটি আরও সুনির্দিষ্ট ও কিছুটা বিস্তারিত করা হবে।

সূত্র জানায়, গণভোটের সময়ের বিষয়টি অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দেয়ার চিন্তা করছে কমিশন। আগামী রোববারের মধ্যে বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে সরকারের কাছে সুপারিশ দেবে কমিশন। বাস্তবায়নের সুপারিশ সনদের অংশ হবে না।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Hope for peace in Gaza; অর্থাৎ গাজায় শান্তির সম্ভাবনা।

এই খবরে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে হামাস ও ইসরায়েল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা 'শান্তি পরিকল্পনা' নিয়ে মিসরের পর্যটন শহর শারম আল শেখে আলোচনার প্রথম পর্যায়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে সই করে।

চুক্তি অনুযায়ী, উপত্যকাটিতে সংঘাত বন্ধের পাশাপাশি বন্দিবিনিময় করবে দুই পক্ষ। ইসরায়েল গাজার কিছু অংশ থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে।

যুদ্ধবিরতির এই খবরে আনন্দ–উল্লাস করছেন গাজার বাসিন্দারা।

দুই বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘাতে ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর দুই পক্ষের এই সম্মতিতে গাজায় শান্তির সম্ভাবনা দেখা দিলো।

হাসিনাসহ দুই ডজন নেতা ভোটে অযোগ্য হচ্ছেন— আজকের পত্রিকার প্রধান সংবাদ এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে; এই আইন অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কারও বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হলেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

তবে পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল থেকে অব্যাহতি বা খালাস পেলে তার ওপর থেকে এই অযোগ্যতা তুলে নেয়া হবে।

আইনটির কারণে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, তাদের সমমনা জোট ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের অন্তত দুই ডজন নেতার আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

চব্বিশের জুলাই-অগাস্টের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের সাত মামলায় ট্রাইব্যুনালে ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। যা আমলে নেওয়ার পর চলছে বিচারকার্যক্রম।

এসব মামলায় অভিযুক্তের তালিকায় আছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান, হাসানুল হক ইনু, মাহবুব উল আলম হানিফসহ বেশ কয়েকজন।

আগামী নভেম্বরের মধ্যে অন্তত আরও ১২ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা হবে বলে প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে।

তাদের মধ্যে রয়েছেন ওবায়দুল কাদের, আনিসুল হক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, জুনাইদ আহমেদ পলক, রাশেদ খান মেনন, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস্ পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

এতে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বিশ্বের নয়টি দেশ থেকে জাতিসংঘ তাদের শান্তিরক্ষী মিশনের এক-চতুর্থাংশ কমিয়ে আনবে।

অর্থের অভাবে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।

এর ফলে প্রায় ১৩-১৪ হাজার শান্তিরক্ষী সেনা ও পুলিশ সদস্যকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরিয়ে নেয়া হবে।

পাশাপাশি মিশনে নিয়োজিত বিপুলসংখ্যক বেসামরিক কর্মীও এ সিদ্ধান্তের প্রভাবের মধ্যে পড়বেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তিরক্ষা তহবিলের ৮০০ মিলিয়ন ডলার বাতিল করায় মূলত এমন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে জাতিসংঘকে।

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাজেটের সবচেয়ে বড় অংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে, যা পুরো তহবিলের প্রায় ২৬ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীনের অবদান প্রায় ২৪ শতাংশ।

জাতিসংঘের মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস বিকল্প তহবিলের চেষ্টা চালাচ্ছেন। সেই সম্ভাবনা খুবই সীমিত।

আর এটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধানও নয়, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের অনুদান বন্ধ হলে বার্ষিক প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি তৈরি হবে।

যুগান্তরের দ্বিতীয় প্রধান খবর— দেশে মানসিক রোগী তিন কোটি

এতে বলা হয়েছে, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে মানসিক রোগীর সংখ্যা ৩ কোটি।

এর মধ্যে চিকিৎসাসেবার বাইরে রয়েছে ৯০ শতাংশ। আর এক-তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যায় আক্রান্ত হন।

দেশে মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ২০১৮-১৯ সালে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট একটি জরিপ চালায়।

ওই জরিপ বলছে, দেশে লঘু থেকে গুরুতর মাত্রার মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগা প্রাপ্তবয়স্ক ১৭ শতাংশ। ১৮ বছরের নিচের জনগোষ্ঠী ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

মানিসক স্বাস্থ্য নিয়ে বেসরকারি এনাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মানসিক স্বাস্থ্য ও মাদকাসক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মুনাইম রেজা মুনিম একটি গবেষণা করেছেন।

তাতে দেখা যায়, একজন রোগীর রোগের লক্ষণ দেখা দেয়ার পর থেকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবাদাতা চিকিৎসকের কাছে যেতে তার সময় লেগে যায় গড়ে ৩৮ মাস। কারও কারও ক্ষেত্রে ২০ বছর পর্যন্ত।

এছাড়া,সমস্যা দেখা দেয়ার পর সঠিক মনোরোগ চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের কাছে আসার আগে গড়ে একজন রোগী পাঁচবার ফার্মাসিস্ট, সাধারণ চিকিৎসক, হুজুর, কবিরাজ বা অন্যদের কাছে গেছেন।

মাত্র ১৫ শতাংশ যান মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞদের কাছে।

বাংলাদেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মাধ্যমে নতুন করে দমনপীড়ন— মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচডব্লিউআর) বলছে, বাংলাদেশে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সমর্থকদের গ্রেপ্তারে সম্প্রতি সংশোধিত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ব্যবহার বাড়াচ্ছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার।

এই আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে নতুন করে দমনপীড়ন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে গত বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি সমালোচনা করে। এ নিয়েই মানবজমিনের এ প্রতিবেদন।

এইচআরডব্লিউ'র এশিয়া বিভাগের উপ-পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেছেন, শেখ হাসিনার আমলে মানুষ যেভাবে দলীয় পক্ষপাতিত্ব সহ্য করেছে ঠিক সেই পথে হাঁটা উচিত নয়। তা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের দিয়ে কারাগার পূরণ হোক বা শান্তিপূর্ণ ভিন্নমত দমনই হোক।

এক্ষেত্রে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরকে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রেপ্তার বন্ধে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

কালের কণ্ঠের প্রধান সংবাদ— হাতবদলে সবজির দাম ৪ গুণ

এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীর বাজারে সবজির দাম এখন আকাশছোঁয়া। হাতেগোনা কয়েকটি সবজি ছাড়া বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিপ্রতি শতকের ঘরে।

সবজির অত্যধিক দামের কারণে ক্রেতারা তাদের আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের হিসাব মেলাতে পারছে না।

মূলত, কৃষক থেকে রাজধানীর খুচরা বাজারে পৌঁছতে পৌঁছতে সবজির দাম বেড়ে প্রায় চার গুণ হয়ে যাচ্ছে।

ঘন ঘন হাতবদল, চাঁদাবাজি ও বাজার তদারকির দুর্বলতায় কৃষক থেকে দামের এই পার্থক্য তৈরি হচ্ছে। এতে কৃষকরা ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না, ভোক্তাদেরও কিনতে হচ্ছে চড়া দামে।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এ সমস্যা সমাধানে কৃষি বিপণনকে অনলাইন ও অফলাইন দুটিতেই শক্তিশালী করাসহ বাজারব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করতে হবে।

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার একটি শিরোনাম— মিথ্যা মামলায় ফাঁসছেন বাদী

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় যারা মিথ্যা মামলা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছেন সরকারের কর্তাব্যক্তিরা। এক্ষেত্রে ফৌজদারি মামলা করা হতে পারে।

পুলিশের কয়েকটি ইউনিট তদন্ত করে মিথ্যা মামলার বাদীদের শনাক্ত করছে। প্রাথমিকভাবে ৬৭ জন বাদীকে তারা শনাক্ত করেছে।

তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সদর দপ্তর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

এ ধরনের মামলা থেকে রেহাই দিতে ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করেছে সরকার।

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম দেশ রূপান্তরকে বলেন, সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারা অনুযায়ী ইতোমধ্যে ১৩৬ জনকে মামলার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। আরও ২৩৬ জনের আবেদন বিবেচনা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকাসহ সারাদেশে ১ হাজার ৭ ৬০টি মামলা হয়েছে।

তার মধ্যে হত্যা মামলা ৭৩৬টি ও অন্যান্য ধারার মামলা ৯৭৪টি।

Cabinet okays merger of 5 Islamic banks; অর্থাৎ পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণের প্রস্তাবে অনুমোদন। ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রধান খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, পাঁচ ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে শরীয়াহভিত্তিক ব্যাংক গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ৷

গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নীতিগতভাবে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

নতুন ব্যাংকের জন্য দুটি নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। একটি হলো ইউনাইটেড ইসলামিক ব্যাংক, অপরটি হলো সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংক।

একীভূত হওয়ার পর কেউ চাকরি হারাবেন না এবং আগের আমানত সবাই ফেরত পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

যে পাঁচ ব্যাংক একীভূত হয়ে নতুন ব্যাংক গঠিত হবে সেগুলো হলো— ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।

প্রাথমিকভাবে প্রস্তাবিত ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৪০ হাজার কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন থাকবে আনুমানিক ৩৫ হাজার কোটি টাকা।

এর মধ্যে বেইল ইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারীদের ১৫ হাজার কোটি টাকার আমানত মূলধনে রূপান্তর করা যেতে পারে। বাকি ২০ হাজার কোটি টাকা সরকার মূলধন হিসেবে দেবে ।

ব্যাংকটি প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন থাকবে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থাকবে এর মালিকানায়। পরে উপযুক্ত সময়ে ব্যাংকটি বেসরকারি মালিকানায় হস্তান্তর করা হবে।

উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যাংক খাতে ঋণ জাতিয়াতিসহ বেশ অনিয়ম হয়েছে। যার শিকার এই পাঁচ ব্যাংক। এগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে একীভূতকরণের পথে হাঁটলো সরকার।

ঢাকা ট্রিবিউনের প্রথম পাতার শিরোনাম— Upper house won't work without party-level democracy, warns CPD

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করছে বেসরকারি গবেষণা সংংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

সংস্থাটির মতে, কাঠামোগত ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তন ছাড়া শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে।

তাই বিদ্যমান এককক্ষবিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থাকেই আইনি, প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে শক্তিশালী করা উচিত।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে 'প্রস্তাবিত উচ্চকক্ষ কি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারবে?' শীর্ষক সংলাপে এই মত তুলে ধরা হয়।

এতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বদিউল আলম মজুমদার সতর্ক করেছেন যে, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রকৃত গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ছাড়া উচ্চকক্ষ গঠন করে কার্যকর ফল আসবে না।