'দুই ব্যাংক‌কে দি‌য়ে শুরু হ‌চ্ছে ভর্তু‌কির বিপরী‌তে সরকারের বন্ড ইস্যু'

সংবাদপত্র

বণিক বার্তা পত্রিকার শিরোনাম, দুই ব্যাংক‌কে দি‌য়ে শুরু হ‌চ্ছে ভর্তু‌কির বিপরী‌তে সরকারের বন্ড ইস্যু। এতে বলা হচ্ছে, সংকটের কারণে বিভিন্ন খাতের ভর্তুকির অর্থ পরিশোধ করতে পারছে না সরকার। এতে করে ব্যাংকের দেনা শোধ করতে পারছে না গ্রাহকরা।

তাই এ সংকট সমাধানে ভর্তুকির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অনুকূলে বিশেষ ট্রেজারি বন্ড ইস্যুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

প্রথমে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালি ব্যাংক ও বেসরকারি খাতের আইএফআইসি ব্যাংকের অনুকূলে সার কেনার ভর্তুকির বিপরীতে বন্ড ইস্যু করা হবে।

এ বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার সার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার কথা রয়েছে। যদি কোনো কারণে তা সম্ভব না হয় তাহলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিন অর্থাৎ ৮ জানুয়ারি এটি স্বাক্ষরিত হবে বলে জানা গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে সার ও বিদ্যুৎ খাতে সরকারের ভর্তুকি বাবদ ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি বকেয়া।

এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে সারে ১০ হাজার কোটি ও বিদ্যুতে ১৫ হাজার কোটি মিলিয়ে ২৫ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকির বিপরীতে বিশেষ ট্রেজারি বন্ড ইস্যু করতে চায় সরকার।

এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সংখ্যা ৪০টি।

বন্ড ইস্যুর ফলে যদিও সরকারের ঋণ ও দায় আরো বাড়বে। তবে অর্থ সংকটের এ মুহূর্তে আর কোনো বিকল্পও নেই।

সংবাদপত্র।
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

দেশ রূপান্তর পত্রিকার শিরোনাম, হয়ে যাওয়া নির্বাচন যেন বাতিল না হয়: ইসি রাশেদা। এতে বলা হয়েছে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেছেন, ইসি চায় হয়ে যাওয়া নির্বাচন যাতে কোন ভাবেই বাতিল না হয়।

তিনি বলেন, “কোনো অনিয়ম পেলে আপনারা (সাংবাদিক) ছবি তোলেন, প্রমাণ দেন, আমরা সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন নেবো। যেখানেই অনিয়ম সেখানেই আমাদের অ্যাকশন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন কারণে প্রার্থিতা বাতিলের মতো ঘটনাও ঘটেছে। আপনারা দেখেছেন এর আগে আমরা গাইবান্ধায় ভোটও বন্ধ করেছি। বিগত দিন থেকে আমাদের একটা অ্যাসেসমেন্ট রয়েছে, হয়ে যাওয়া ইলেকশনটা যেন কোনোভাবেই পোস্টপণ্ড না হয়।”

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসি ভবনে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

একই বিষয় নিয়ে সংবাদ পত্রিকার শিরোনাম, দেশকে সংকটে ফেলবে, এমন নির্বাচন চাই না: ইসি রাশেদা। এই খবরটিতে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেছেন, দেশকে সংকটের মধ্যে ফেলবে, এমন নির্বাচন ইসি চায় না।

তিনি বলেন, ‘আমরা এ রকম কোনো ইলেকশন করতে চাই না, যেটা নতুন করে দেশকে একটা সংকটের মধ্যে ফেলে। আমরা চাই, একটা ইলেকশন হবে, সরকার যে ফর্ম (গঠন) করবে, সেই সরকার স্থায়ী রূপ নেবে। যখনই সরকার অস্থায়ী অবস্থায় চলে যায়, দেশ তখন বিপর্যয়ের মধ্যে চলে যায়। এই সেন্স থেকে হয়তো আমাদের মাথায় এসেছে, আমরা একটা ফেয়ার ইলেকশন করব। আন্তর্জাতিক চাপ আমাদের অন্য কিছু না বা অন্য বিষয়ই না। কোনো দিক থেকে কোনো চাপ না।’

তিনি বলেন, ভোটারদের কেন্দ্রে আনার বিষয়টিকে ইসি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। তিনি বলেন, ‘সেজন্য বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা প্রচার করে যাচ্ছি।’

ভোটের মাঠ ইসির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও দাবি করেন ইসি রাশেদা সুলতানা।

সংবাদপত্র

নির্বাচন কমিশন নিয়ে প্রথম আলো পত্রিকার শিরোনাম, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্যে অনেক প্রশ্ন, সন্দেহ। সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেনের সাক্ষাৎকার ভিত্তিক এই খবরটিতে বলা হয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য না হলে বিশ্ব থেকে বাংলাদেশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে- নির্বাচন কমিশনরে এ ধরনের বক্তব্যের উদ্দেশ্য নিয়ে অনেক প্রশ্ন ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, কারণ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করার দায়িত্ব যাদের ওপর, তারাই এসব কথা বলছেন। সে কারণে প্রশ্ন উঠছে, তারা কি দায়িত্ব এড়ানোর জন্য আগেভাগেই এমন বক্তব্য দিয়ে রাখছেন, নাকি তারা তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না?

এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, কয়েক দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলছেন যে নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য না হলে বিশ্ব থেকে বাংলাদেশে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে এবং রাষ্ট্র নিজেই ব্যর্থ হয়ে যাবে।

"যদিও একজন নির্বাচন কমিশনার এ বক্তব্য দিচ্ছেন। কিন্তু এটিকে নির্বাচনের বক্তব্য হিসেবেই ধরে নিতে হবে।"

সমকাল পত্রিকার শিরোনাম, ১০ মন্ত্রী ৪৫ এমপির সঙ্গে স্বতন্ত্রের টক্কর। এই খবরটিতে বলা হয়েছে, বিএনপিবিহীন নির্বাচনেও সহজে পার পাচ্ছেন না সরকারের ১০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী। এ দলে আছেন বর্তমান সংসদের আওয়ামী লীগের ৪৫ জন এমপিও।

একই সাথে আওয়ামী লীগের সমর্থন পাওয়া জাতীয় পার্টির চার প্রার্থীরও বেহাল পরিস্থিতি। নৌকা ও লাঙ্গলের এসব প্রার্থীর সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছেন আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

আর স্বতন্ত্র হয়েও এগিয়ে আছেন আওয়ামী লীগের সাত জন এবং জাতীয় পার্টির একজন মনোনয়নবঞ্চিত এমপি।

পত্রিকাটি বলছে, আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কয়েক জন শীর্ষ নেতার কাছ থেকে পাওয়া আসনভিত্তিক পর্যালোচনায় এমন ইঙ্গিত পেয়েছে তারা।

এছাড়া সরকার দলীয় কয়েক জন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাও একই ধরণের তথ্য দিয়েছেন বলেও জানানো হচ্ছে।

সংবাদপত্র

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার শিরোনাম, ‘A parliament of “all stripes” on AL’s mind.’ অর্থাৎ ‘সব পক্ষ’র অংশগ্রহণের সংসদ গঠনের ইচ্ছা আওয়ামী লীগের।

এতে বলা হচ্ছে, আগামী সংসদে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ রয়েছে- এমন চিত্র নিশ্চিত করতে, অন্য দলের কয়েক জন প্রার্থীকে সমর্থন দিতে তৃণমূলের নেতাদের নির্দেশ দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

ক্ষমতাসীন দলটি এই নির্বাচনকে প্রতিযোগিতামূলক ও অংশগ্রহণমূলক দেখাতে এবং বেশি পরিমাণ ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে টানতে আগামী সাতই জানুয়ারির নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দলীয় নেতাদের নির্বাচন করার অনুমতি দিয়েছে।

কিন্তু সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কয়েকটি আসনে এখন এই দলটি অন্য দলের এগিয়ে থাকা নেতাদের সমর্থন দিচ্ছে।

সূত্র বলছে, তৃণমূল বিএনপি, কল্যাণ পার্টি এবং জাতীয় পার্টি এবং বিএনপি থেকে বেরিয়ে আসা কয়েক জন বাছাই করা নেতাকে পার্লামেন্টে যাওয়ার পথ তৈরি করে দেয়া হবে। তা না হলে এসব প্রার্থীদের জয়ের কোন সম্ভাবনাই নেই বলে খবরটিতে বলা হচ্ছে।

ছয়টি আসনে আওয়ামী লীগের জোটভুক্ত দলের প্রার্থীদের নৌকা প্রতীক দেয়া হয়েছে। আর স্বতন্ত্র হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতারা লড়ছেন।

স্থানীয় নেতাদের দলটির পক্ষ থেকে নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, যার নৌকা প্রতীক রয়েছে তাকে সমর্থন দিতে, স্বতন্ত্র প্রার্থীকে নয়।

গত কয়েক দিন ধরে, সিলেট-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মওলানা হুসামুদ্দিন চৌধুরী যিনি আঞ্জুমানে আল ইসলাহ নামে একটি সামাজিক সংগঠনের প্রেসিডেন্ট, তার পক্ষে প্রচারণা চালাতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, রংপুরে নির্বাচনী প্রচারণার সময় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, নির্বাচনটা কেমন হবে সেটা আমরা নিশ্চিতভাবে জানি না। পরিবেশ ঠিক করার জন্য বলা হলেও অনেক জায়গায় তা হচ্ছে না।

সংবাদপত্র

তিনি বলেন, "শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কীভাবে হয়, ফলাফল কীভাবে ঘোষণা করা হয়, সেটা দেখে আমরা বুঝতে পারবো, ফলাফল কীভাবে হয়, সেটা দেখে আমরা বুঝতে পারবো বা বলতে পারবো জাতীয় পার্টি কতটা আসন পাবে।"

বুধবার দুপুরে রংপুর মহানগরীর কমিউনিটি মেডিক্যাল কলেজে এক মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিএনপিকে নিয়ে কালের কণ্ঠের শিরোনাম, তৃণমূল পর্যায়ের ১২ নেতাকে বহিষ্কার করল বিএনপি। এই খবরে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তৃণমূল পর্যায়ের ১২ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।

বহিষ্কৃত নেতারা বরগুনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, সিলেট, নাটোর, মৌলভীবাজার ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন ইউনিট কমিটিতে ছিলেন।

বুধবার (৩ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

ইত্তেফাক পত্রিকার শিরোনাম, গণঅধিকার পরিষদ থেকে রেজা কিবরিয়ার পদত্যাগ। এতে বলা হয়েছে, বুধবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ও দলীয় সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করার কথা জানিয়েছেন ড. রেজা কিবরিয়া।

বিজ্ঞপ্তিতে রেজা কিবরিয়া বলেন, "আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীর সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমি গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করছি এবং আমার পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ বরাবর জমা দিয়েছি।"

"এছাড়া আমি গণঅধিকার পরিষদের দলীয় সদস্যপদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছি। দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কর্নেল (অব) মিয়া মসিউজ্জামনকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করছি।"

তিনি ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে যোগ দেন এবং ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।