আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'বিএনপি’র গন্তব্য কোথায়'
রাজনীতির মাঠে বিএনপির অবস্থান নিয়ে মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘বিএনপি’র গন্তব্য কোথায়’?
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকার বাইরে বিএনপি যখন সমাবেশ করেছে, তখন দেখা গিয়েছে বাধা-বিপত্তি ডিঙ্গানো জনস্রোত। চিড়া-মুড়ি হাতে দুই তিন দিন আগেই হাজির মানুষ।
দলটির সমর্থক রিকশা চালকদের মিডিয়ার সামনে দৃঢ়চেতা বক্তব্য, মিছিল কিংবা নীরব সমর্থকদের অবস্থান তো রয়েছেই। বিএনপি’র রাজনীতির এটাই ছিল ট্রেড মার্ক।
প্রায় ১৮ বছর ধরে মসনদের বাইরে থাকা দলটির হাজার হাজার নেতাকর্মী মামলা, কারাভোগ, নির্যাতনের পরেও দলের হাল ধরে রেখেছেন।
কিন্তু বিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন হচ্ছে, এই কর্মী শক্তিকে কি বিএনপি কাজে লাগাতে পারবে? দলটি কি আবার চাপে ভেঙে পড়বে? নাকি খেলার অঙ্ক পাল্টে দিবে?
সবশেষ নির্বাচনে বিএনপি’র বিপর্যয় সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছে। চূড়ান্ত মুহূর্তে এসে এবারো ভেঙে পড়েছে বিএনপির আন্দোলন।
সরকার এগিয়েছে চেনা ছকে। বিএনপি’র জন্য নির্বাচনে অংশ নেয়ার কোনো পথই খোলা রাখা হয়নি।
বিএনপি কেন ব্যর্থ হলো এ নিয়ে দলটির ভেতরে বাইরে নানা আলোচনা চলছে।
বলা হচ্ছে, নির্বাচন বা কর্মসূচি কোনো ক্ষেত্রেই কার্যকর সিদ্ধান্ত নেয়া যায়নি। আন্দোলনে কোনো প্ল্যান-বি ছিল না।
হাজার হাজার নেতাকর্মী রাস্তাঘাটে পালিয়ে বেড়িয়েছে। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে নেতাকর্মীদের মাঠে নামানো যায়নি বা তারা মাঠে নামেননি।
পল্টনের হুঙ্কার কিংবা লিফলেট বিতরণ কাজে আসেনি। ১০ থেকে ১২ জন নেতাকর্মীর হাস্যকর কিছু মিছিলও হয়েছে।
দলটির নেতাদের ধারণা ছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের কারণে প্রশাসন বা বাহিনী এবার কঠোর অ্যাকশনে যাবে না। কিন্তু অক্টোবরের শেষ প্রান্তে এসে সে হিসাব উল্টে যায়।
উপজেলা নির্বাচনের প্রাক্কালে আওয়ামী লীগের নেতাদের ঈদ উদযাপন নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘রাজনীতিবিদরা এলাকায়, জমছে ঈদ রাজনীতি’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন মাসের মাথায় উপজেলা নির্বাচন হওয়ায় সারাদেশে বইছে নির্বাচনী আমেজ।
নির্বাচনে প্রার্থী ও তাদের সমর্থনকারী সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও আওয়ামী লীগ নেতারা ছুটে গেছেন এলাকায়।
অন্যদিকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে ব্যর্থ বিএনপির নেতাকর্মীদের হতাশা কাটিয়ে চাঙ্গা করতে এলাকায় গেছেন কেন্দ্রীয় নেতারা।
এ পরিস্থিতিতে জাতীয় নির্বাচন-পরবর্তী রাজনীতির স্থবিরতা কিছুটা কাটতে শুরু করেছে।
রাজনৈতিক মাঠের প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এলাকামুখী হওয়ায় সারাদেশে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে ঈদ রাজনীতি।
সংসদ নির্বাচনের পর গুরুত্বপূর্ণ এই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মধ্যেই এবার উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।
শুভেচ্ছা বিনিময়ের নামে এলাকায় ব্যাপক প্রচার ও গণসংযোগ চালাচ্ছেন নেতারা। নির্বাচনি এলাকার ‘প্রভাব-প্রতিপত্তি’ ধরে রাখতে পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগে নামাটাই ক্ষমতাসীন নেতাদের লক্ষ্য।
দলের সিংহভাগ নেতাই ঈদের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।
এদিকে ঈদ আনন্দ ও ঈদের ছুটি শুরু হওয়া নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘এলো খুশির ঈদ’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আরবি ঈদ শব্দের অর্থ ‘ফিরে আসা’। অর্থাৎ এমন দিনকে ঈদ বলা হয় যে দিন মানুষ একত্র হয় ও দিনটি বারবার ফিরে আসে।
এ শব্দ দিয়ে দিনটির নাম রাখার তাৎপর্য হলো সৃষ্টিকর্তা এ দিবসে তার বান্দাদেরকে নিয়ামত ও অনুগ্রহে বারবার ধন্য করেন।
বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ গ্রন্থ অনুযায়ী, দ্বিতীয় হিজরিতে ইসলামের নবী মুহাম্মদ প্রথম ঈদ উদযাপন করেছেন।
হিজরি মাস চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল। এ জন্য আজ বিকেল থেকেই শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার জন্য অগণিত মুসলিম আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকবেন।
এ লক্ষ্যে সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে। সভা শেষে ঈদের তারিখ ঘোষণা করবেন তিনি।
মঙ্গলবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে বুধবার সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
তবে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হলে ঈদ হবে আরো একদিন পরে বৃহস্পতিবার।
এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে আপনজনের সাথে ঈদ করতে ইতোমধ্যে বড় শহর থেকে গ্রামে ফিরেছেন লাখ লাখ মানুষ।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
ঈদ যাত্রা নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘ঢল নেমেছে বাড়ির পথে’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আপনজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে ঢাকা থেকে সড়ক-নৌ ও রেলপথ সবখানের বাড়িমুখো যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়।
যাত্রী সংকটে ভোগা সদরঘাটের লঞ্চগুলোতেও তিল ধারণের ঠাঁই থাকছে না। গার্মেন্ট ছুটি হওয়ায় সড়কপথে গাড়ির চাপও অনেক বেড়েছে।
রেলেও রয়েছে যাত্রীর অতিরিক্ত চাপ। সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ট্রেনগুলো সামান্য দেরি ছাড়া নির্বিঘ্নেই চলাচল করেছে।
তবে সন্ধ্যার পর যাত্রীর চাপ বেড়েছে এবং এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিলম্বে ছেড়েছে অনেক ট্রেন।
সড়ক, রেল ও নৌপথে ঈদযাত্রার ভোগান্তি আজ আরও বেশি হতে পারে বলে শঙ্কা করা হয়েছে।
একসঙ্গে অনেক বেশি যাত্রী সড়কে নেমে পড়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন হাইওয়ে ও জেলা পুলিশ।
যদিও দুর্ভোগ উপেক্ষা করে আপন নীড়ে ছুটে চলা মানুষের মনে বইছে খুশির বন্যা।
সরেজমিন দেখা গেছে, সোমবার ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করে। বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক দিনের চেয়ে ১৫ থেকে ১৮ হাজার যানবাহন বেশি পারাপার হয়েছে।
সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতায় মাঠে নেমেছে কমিউনিটি পুলিশ, রোভার স্কাউট, বিএনসিসি।
কালের কণ্ঠ তাদের প্রথম পাতা জুড়ে ঈদকে প্রাধান্য দিয়ে খবর প্রকাশ করেছে, পত্রিকাটি পেছনের পাতায় ঈদ বাণিজ্য ঘিরে ভিন্নধারার শিরোনাম করেছে, ‘আড়াই লাখ কোটি টাকা বাণিজ্যের প্রত্যাশা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মূল্যস্ফীতির চাপ, ডলার সংকট ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্যের উচ্চমূল্য—এসবের মধ্যেও ঈদকে ঘিরে এবার দেশের অর্থনীতি অনেকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে।
এবারের ঈদ বাজার থেকে আড়াই থেকে পৌনে তিন লাখ কোটি টাকার বাণিজ্য হবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
এবারের ঈদের বাজারে ফ্যাশন হাউসগুলোর ব্যবসার পরিধি বেড়েছে। এত দিন এই ব্যবসা শুধু আউটলেটগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।
গত কয়েক বছরে বিভিন্ন করপোরেট হাউসেও যাচ্ছে তাদের পণ্য। ফলে ব্যবসায়ীদের আশা, এবার শুধু পোশাকের বাজারেই লেনদেন হতে পারে ৮০ থেকে ৯০ হাজার কোটি টাকা।
এছাড়া নিত্যপণ্যের বাজারে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা লেনদেনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এর বাইরে ইলেকট্রনিকস, মিষ্টির বাজার, বিনোদন ও পরিবহন খাতে বাড়তি অর্থ যোগ হবে।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন এফবিসিসিআইয়ের এক সমীক্ষার তথ্য উল্লেখ করে বলেন, ঈদ বাজারকে ঘিরে এর আগে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকার বেচাকেনা হয়। এবার সেটা আড়াই লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।
সব কিছু মিলিয়ে খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, বিপুল অর্থ লেনদেনের কারণে অর্থনীতিতে বড় ধরনের গতিশীলতা এসেছে। সেই সুফল পেয়েছে দেশের মানুষ। ব্যাংকিং খাতে লেনদেন ব্যাপক বেড়েছে।
এদিকে ব্যাংকিং খাতে দুর্বল ব্যাংকগুলোকে একীভূত করা নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে যাচ্ছে বেসিক ব্যাংক’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বেসরকারি খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকও। বাংলাদেশ ব্যাংকে রোববার অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন বলেছেন, ‘সিটি ব্যাংক দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক। আমাদের ব্যাংকের পর্ষদে ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) অংশগ্রহণ রয়েছে। আবার পুঁজিবাজারেও সিটি ব্যাংক তালিকাভুক্ত। দুর্বল কোনো ব্যাংক একীভূত করতে হলে আমাদের সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের অনুমোদন নিতে হবে।’
দেশের ব্যাংক খাতে মার্জার-অ্যাকুইজিশন নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে ছয় মাস ধরেই।
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করে ব্যাংকের সংখ্যা ৬১ থেকে ৪৫-এ নামিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে।
এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত মাসে এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে চুক্তি করে পদ্মা ব্যাংক।
এরপর রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংককে (রাকাব) কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংককে (বিডিবিএল) সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
এবার এ তালিকায় সিটি ও বেসিক ব্যাংকের নাম যুক্ত হলো। চলতি মাসের মধ্যেই আরো পাঁচ-সাতটি দুর্বল ব্যাংক একীভূত হওয়ার ঘোষণা আসতে পারে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।
ঈদ যাত্রা নিয়ে প্রধান শিরোনাম করেছে দ্য ডেইলি স্টার। তাদের প্রথম পাতার আরেকটি খবর, ‘AL MP’s men storm police station, beat up party activists’ অর্থাৎ, ‘আওয়ামী লীগ এমপির লোকজনের থানায় হামলা, দলীয় কর্মীদের মারধর’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রাগেবুল আহসান রিপু রোববার রাতে তার লোকজন নিয়ে বগুড়া সদর থানায় ঢুকে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের লোকজনকে মারধর করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
রোববার রাত ১০টার দিকে বগুড়া জেলা স্কুলের সামনে একটি মোটরসাইকেল বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রকিবুল ইসলাম রঞ্জুকে ধাক্কা দিলে এ ঘটনা ঘটে।
বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর জন্য রঞ্জু চালককে গাড়ি থেকে নামতে বলেন। মোটরসাইকেল চালক ছিলেন রিপুর ১৮ বছরের ছেলে প্রীতিত আহসান।
শুরুতে তিনি রঞ্জুর কাছে ক্ষমা চেয়ে সেখান থেকে চলে গেলেও পরে ১৫ থেকে ২০ যুবক ঘটনাস্থলে ফিরে আসে বলে রঞ্জু দাবি করেন।
এরপর তারা তাকে লাঠিসোটা ও লোহার রড দিয়ে মারতে শুরু করে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
টহলরত পুলিশ উভয় পক্ষকে সদর ফাঁড়িতে নিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে।
এর কিছুক্ষণ পর রিপু প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন স্থানীয় গুন্ডা নিয়ে থানায় প্রবেশ করে।
কোনো কথা না শুনে তারা পুলিশের সামনে রঞ্জুকে আবার পেটাতে শুরু করে বলে অভিযোগ ওঠে। এর পর রিপু তার ছেলেকে নিয়ে চলে যায়।
বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রিপু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন। একটি দল তার ছেলেকে মারধর করেছে শুনে তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারনেনি।
তার ছেলে অসুস্থ এবং সম্প্রতি অস্ত্রোপচার হয়েছে বলে তিনি জানান।
বান্দরবানে কেএনএফ এর বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান নিয়ে ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, ‘বান্দরবানে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান, ১৯ নারীসহ ৫৫ কেএনএফ সদস্য গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বান্দরবানের থানচি ও রুমায় ব্যাংক ডাকাতি ও অস্ত্র লুটের ঘটনায় কেএনএফ দমনে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান চলছে।
রোববার রাত থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৯ নারীসহ ৫৫ জন কেএনএফ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রুমা উপজেলার বম অধ্যুষিত ব্যাথেলপাড়ায় যৌথ বাহিনীর একাধিক অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে সাতটি দেশীয় বন্দুক, ২০টি গুলি, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম।
সোনালী ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় জেরে থানচি টিএন্ডটি পাড়া ও জেলা সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বান্দরবান পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
কেএনএফ দমনে অভিযানে যুক্ত হয়েছে চারটি সাঁজোয়া যান বা এপিসি।
গতকাল সকালে নিরাপত্তা বাহিনীর বহর নিয়ে তিনটি সাঁজোয়া যান বান্দরবান পৌর এলাকায় টহল দেয়। পরে এদের একটি রুমায়, একটি থানচিতে ও একটি রোয়াংছড়িতে চলে যায়।
জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
ঈদকে ঘিরেই প্রধান শিরোনাম করেছে প্রথম আলো। এছাড়া তাদের প্রথম পাতায় চিকিৎসকদের ওপর জরিপ নিয়ে একটি খবর প্রকাশ হয়েছে, যার শিরোনাম, ‘৯৬% চিকিৎসক গ্রামে থাকতে সমস্যা দেখেন’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নতুন একটি গবেষণা বলছে, গ্রামাঞ্চলে দায়িত্ব পালনের সময় ৯৬ শতাংশ চিকিৎসক নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন।
একই গবেষণায় এ–ও দেখা গেছে, সামাজিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ আছে—এমন চিকিৎসকেরা কর্মক্ষেত্রে বেশি অনুপস্থিত থাকেন।
গবেষণাটি করেছেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নয় জন গবেষক।
‘অনুপস্থিত কে এবং কেন? বাংলাদেশে চিকিৎসক অনুপস্থিতিতে প্রভাব বিস্তারকারী কারণসমূহ’ শীর্ষক ১৪ পৃষ্ঠার গবেষণা প্রবন্ধটি ৪ঠা এপ্রিল প্লস গ্লোবাল পাবলিক হেলথ জার্নালের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণার জন্য ঢাকার চারটি তৃতীয় স্তরের (উপজেলা ও জেলা বা সদর হাসপাতালের ওপরের স্তরের হাসপাতাল) সরকারি হাসপাতালে ২০১৯ সালে জরিপ করা হয়েছিল। জরিপে ৩০৮ চিকিৎসকের তথ্য ও মতামত নেওয়া হয়।
চাকরি পাওয়ার পর পদায়ন করা এলাকায় দুই বছর কাজ করা চিকিৎসকদের জন্য বাধ্যতামূলক। কিন্তু ২৬ শতাংশ চিকিৎসক বলেছেন, তারা তা করেননি।
কাজ না করার প্রধান কারণ প্রশিক্ষণ নেওয়া। ৬৫ শতাংশ চিকিৎসক প্রশিক্ষণ নেওয়ার কারণে নিরবচ্ছিন্নভাবে গ্রামে কাজ করেননি।
৪১ শতাংশ কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন পারিবারিক কাজের কারণে।
জরিপে দেখা গেছে, প্রায় সবাই বলছেন, তারা গ্রামাঞ্চলে কাজের সময়ে নানা সমস্যা বা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন। ৯৬ শতাংশ বা ২৯৭ জন এমন কথা বলেছেন।
ভিসা নীতি সংশোধন নিয়ে আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, ‘বিদেশিদের ভিসা দিতে কড়াকড়ি’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কাজের অনুমতি না নিয়ে কোনো ধরনের বাধা-বিপত্তি ছাড়াই বাংলাদেশে কাজ করে যাচ্ছেন হাজার হাজার বিদেশি নাগরিক।
অনেকে আবার জড়াচ্ছেন প্রতারণা ও অর্থসংক্রান্ত অপরাধে।
একবার ঢুকে পড়ার পর ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও বছরের পর বছর অবস্থান করছেন অবৈধভাবে।
ভিসার শ্রেণি পরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে অবস্থান করছেন, এমন বিদেশির সংখ্যাও কম নয়।
এ পরিস্থিতিতে অবৈধ অবস্থান ঠেকাতে বিদেশিদের ভিসা প্রদানে কঠোর হচ্ছে সরকার। এজন্য বিদ্যমান ভিসা নীতিমালায় কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে।
ভিসা নীতিমালা সংশোধনের কাজটি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ।
এখন পর্যন্ত ২০০৬ সালের ভিসা নীতিমালাই চলছে। এই নীতিমালায় সংশোধনী চূড়ান্ত হয়েছে। এখন তা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করার অপেক্ষায় আছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
আগে যে কেউ বৈধ পথে দেশে ঢুকে খেয়ালখুশিমতো থাকতে পারতেন এবং কাজ করতেন।
ব্যবসা, বিনিয়োগ ভিসা ও পর্যটক ভিসায় এসে কাজ করতেন অনেকে। এজন্য অনুমতি নেওয়ার কোনো শর্তই ছিল না। এবারে সেসব জায়গায় কড়াকড়ি করা হচ্ছে।
স্থানীয় কূটনীতিক ও বিদেশিদের অনেকে মনে করেন, বাংলাদেশের ভিসা ব্যবস্থায় এমনিতেই যথেষ্ট কড়াকড়ি রয়েছে। এই অবস্থায় আরও কড়াকড়ি হলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে।