পত্রিকা: 'রাতে একা চলতে ভয় পুলিশের'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর - রাতে একা চলতে ভয় পুলিশের

খুলনা নগরে ছিনতাইকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক পুলিশ পরিদর্শক গুরুতর আহত হওয়ার পর রাতে একা চলাচল না করতে পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছে জেলা পুলিশ।

গতকাল শুক্রবার রাতে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পুলিশ সুপার স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রূপসা, তেরখাদা, দিঘলিয়া ও বটিয়াঘাটা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চলছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাও ঘটছে।

এসব পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশেষ অভিযানসহ বিভিন্ন দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইউনিট ইনচার্জদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিঠির অনুলিপি জেলা পুলিশের সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও থানায় পাঠানো হয়েছে।

প্রথম আলো পত্রিকার শীর্ষ সংবাদ- অচল দিল্লি, ব্যাপক ধরপাকড়

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে বিরোধীদের যন্তর মন্তর অভিযান ঠেকাতে গত শনিবার দিল্লিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয় কেন্দ্রীয় সরকার। যন্তর মন্তরকে ঘিরে পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় ৩৫ হাজার পুলিশ, র‍্যাফ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। তৈরি করা হয় সাত স্তরের ব্যারিকেড এবং বসানো হয় তিন হাজার সিসি ক্যামেরা।

বিক্ষোভকারীদের দিল্লিতে আসা ঠেকাতে দিল্লি মেট্রোর ৪৫টি স্টেশন বন্ধ রাখা হয় এবং দূরপাল্লার ২৫০টি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়। বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলোতে দিল্লিগামী ট্রেন থেকে নামিয়ে কয়েক শ আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়। এ ছাড়া লুটেন্স দিল্লি এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করে বিক্ষোভের সরাসরি সম্প্রচার বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এত নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যেও যাঁরা বিক্ষোভে অংশ নেন, তাঁদের আটক করে বিভিন্ন স্টেডিয়ামে নিয়ে যায় পুলিশ। এসব স্টেডিয়াম আগে থেকেই আটক কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। ফলে বিক্ষোভ ঠেকাতে কেন্দ্রীয় সরকার সফল হলেও রাজধানীর জনজীবন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। সরকারের এই পদক্ষেপের গণতান্ত্রিকতা এবং নির্ধারিত স্থানের বাইরে বিক্ষোভের অধিকার নিয়ে বিতর্কের অবকাশ রয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, এনবিআরের কর-সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্পদের হিসাব ও সম্পদ বিবরণী ঘোষণার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের উদ্যোগ নিতে হবে।

সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের বিবরণী জমা দেয়ার বিধান রয়েছে। তবে বিধান থাকলেও অনিশ্চয়তা রয়েছে তা নিয়মিতভাবে জমা এবং দাখিল করা তথ্যের যথার্থতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে।

এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্পদের হিসাব ও বিবরণী জমা দেয়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, পাঁচ বছর পরপর সম্পদের বিবরণী জমা দেয়ার বিধান রয়েছে। তবে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব জমা দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।

যুগান্তর পত্রিকার খবর - দুর্নীতির সাম্রাজ্যে অসহায় কৃষক

২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে কৃষকদের ফল উৎপাদন ও পুষ্টি উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৫ কোটি টাকার 'বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প' নেওয়া হয়। তবে প্রকল্পের আওতায় ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা খাটো জাতের নারিকেল চারা কিনে প্রতারিত হয়েছেন শত শত কৃষক ও কৃষি উদ্যোক্তা। অভিযোগ রয়েছে, দেশের আবহাওয়া ও মাটির উপযোগিতা যাচাই না করেই এসব চারা আমদানি করা হয় এবং প্রকল্পের প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে কৃষকদের তা কিনতে উৎসাহিত করা হয়।

কৃষি অধিদপ্তরের গবেষকদের দাবি, তাঁদের পরামর্শ উপেক্ষা করে পরীক্ষামূলক চাষ ছাড়াই এসব চারা আনা হয়েছিল। ফলে আশানুরূপ ফল না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হন কৃষকেরা। প্রতিবাদ করায় অনেক কৃষকের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তাঁদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য করার অভিযোগও রয়েছে।

যুগান্তরের তথ্যানুসন্ধানে উঠে এসেছে, চারা আমদানি ও বিতরণের নামে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার হিসাব কাগজে-কলমে দেখানো হয়েছে। কথিত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নামে কাগজপত্র তৈরি করে বিল তুলে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে। ২০১৫ সালে পাঁচ বছর মেয়াদি এই প্রকল্প শুরু হলেও দুই বছরের মাথায়, ২০১৭ সালে সংশোধনীর মাধ্যমে এর ব্যয় বাড়ানো হয়।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার খবর - রক্ত নিয়ে ছিনিমিনি

ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত মাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকার মহাখালীর ক্যান্সার হাসপাতালে নিয়ে আসেন কলেজপড়ুয়া তওকীর। মায়ের জন্য জরুরি ভিত্তিতে তিন ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হলেও তিনি এক ব্যাগ জোগাড় করতে পেরেছিলেন। ফেসবুকের একটি রক্তদাতা গ্রুপে সাহায্য চেয়ে পোস্ট দেওয়ার পর গুলজার নামের এক ব্যক্তি রক্ত দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে দুপুরের খাবার ও যাতায়াত খরচের কথা বলে ৫০০ টাকা বিকাশে নেওয়ার পর তওকীরকে ফেসবুকে ব্লক করে দেন তিনি।

কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ফেসবুকে রক্তের প্রয়োজন জানিয়ে দেওয়া পোস্টকে সম্ভাব্য ভুক্তভোগী খুঁজে বের করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে একদল প্রতারক। তারা প্রথমে রক্তদাতা পরিচয়ে আস্থা অর্জন করে, পরে খাবার ও যাতায়াত খরচের অজুহাতে বিকাশে অগ্রিম টাকা দাবি করে। অনুসন্ধানে গুলজার হোসেনের একই ধরনের প্রতারণার চেষ্টা ধরা পড়ে। অন্য পরিচয়ে যোগাযোগ করলেও তিনি রক্ত দিতে রাজি হওয়ার পর হাসপাতালে যাওয়ার আগেই ৩০০ টাকা অগ্রিম পাঠানোর জন্য চাপ দেন।

অনুসন্ধানে গুলজার হোসেন ছাড়াও তরিকুল ইসলামসহ একাধিক ব্যক্তির নাম ও ছদ্মনাম ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। জরুরি রক্তের প্রয়োজন নিয়ে অসহায় অবস্থায় থাকা রোগীর স্বজনদের লক্ষ্য করে এ ধরনের প্রতারণা চালানো হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে ২৪২টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য নির্ধারিত পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের তথ্য আসায় তা স্থগিত করা হয়েছে। সকাল ১১টায় পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও রাজধানীর বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র বিতরণসহ পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছিল। প্রায় সাড়ে তিন লাখ চাকরিপ্রার্থীর জন্য ঢাকার ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসন বরাদ্দ করা হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পরীক্ষার্থীরা আকস্মিক সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে কোথাও কোথাও সড়কে নেমে বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন।

ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। স্থগিত পরীক্ষাটি আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল ৩টায় আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর - ধনীর ঘরে ভর্তুকির সুবিধা

বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর বিপুল অর্থ ব্যয় করে জ্বালানি, বিদ্যুৎ, সার ও বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ভর্তুকি দেয়। এসব কর্মসূচির উদ্দেশ্য নিম্ন আয়ের মানুষকে সুরক্ষা দেয়া, কৃষির উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় সহনীয় রাখা। কিন্তু ভর্তুকির সুফল বণ্টনে বড় ধরনের বৈষম্য রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিদ্যুৎ, সার ও সামাজিক সুরক্ষায় সরকারি ব্যয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ চলে যাচ্ছে তুলনামূলক সচ্ছল পরিবারের কাছে। বিপরীতে সবচেয়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত থাকছে।

বিশ্বব্যাংকের চলতি বছরের অক্টোবরে প্রকাশিত ডেভেলপমেন্ট আপডেটের একটি বিশেষ অংশে বাংলাদেশের ভর্তুকি ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে এ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমস্যাটি শুধু ভর্তুকি দেয়া বা না দেয়ার নয়; বরং কারা সুবিধা পাচ্ছে, কতটা পাচ্ছে এবং সরকারি অর্থের বিনিময়ে দারিদ্র্য কমানোর সুফল কতটা অর্জিত হচ্ছে, সেটিই মূল বিবেচ্য।

নিউ এইজ পত্রিকার খবর - Employees struggling to resume health services fully after attack অর্থাৎ হামলার পর পুরোপুরি স্বাস্থ্যসেবা চালু করতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মীরা

ঢাকার মিরপুরে রাড্ডা মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার পর পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও সরঞ্জামের অভাবে পুরোপুরি স্বাস্থ্যসেবা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। কেন্দ্রটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলার আগে যত রোগীকে সেবা দেওয়া হতো, বর্তমানে তার মাত্র ২৫ শতাংশকে সেবা দেওয়া যাচ্ছে। কেন্দ্রটির প্রশিক্ষণ ও কর্মসূচির মান সমন্বয়ক ডা. রেজওয়ানা জাহান বলেন, বর্তমানে মাত্র দুটি কক্ষে সেবা দেওয়া হচ্ছে। জায়গা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সংকটের কারণে আগের সক্ষমতায় কার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না।

কর্মকর্তাদের অভিযোগ, মিরপুর-১ এলাকায় অবস্থিত এই বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির জমি দখলের উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কয়েকজন নেতা ও কর্মীর নেতৃত্বে ২০০ থেকে ২৫০ জনের একটি দল কেন্দ্রটিতে হামলা ও লুটপাট চালায়। কেন্দ্রটি যে ১০ কাঠা সরকারি জমিতে অবস্থিত, সেটি দখল করতেই এই হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলার ফলে বিশেষ করে নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর - Thousands held in protest crackdown অর্থাৎ বিক্ষোভ দমনে হাজারো মানুষ আটক

উপনির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা তরুণদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির বিভিন্ন এলাকায় গতকাল অভিযান চালিয়ে হাজারো মানুষকে আটক করেছে কর্তৃপক্ষ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন রাজনৈতিক নেতা, আইনজীবী ও শিক্ষার্থীরা। সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ঠেকাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। মধ্যাঞ্চলের বাণিজ্যিক এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়। পাশাপাশি বন্ধ করে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি মেট্রো স্টেশন ও বাজার। ভারতের ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি মানুষের নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি) এই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল।

সিজেপি, বিরোধী দল, নাগরিক সমাজ ও শিক্ষার্থী সংগঠনগুলোর অভিযোগ, ভোটার তালিকা 'শুদ্ধ করার' নামে নেওয়া এই পদক্ষেপের মাধ্যমে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের ক্ষমতা আরও সংহত করার চেষ্টা হয়েছে। এ কারণে তাঁরা ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন। বিক্ষোভকারীদের পরিকল্পনা ছিল, দিল্লির কেন্দ্রস্থলে যন্তর মন্তরে হাজারো মানুষ জড়ো হবেন। তবে বিক্ষোভ শুরুর আগেই নিরাপত্তা বাহিনী এলাকাটি ঘিরে ফেলে। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, দিল্লিতে দুই হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ে আটক করা হয়েছে প্রায় ৪০০ বিক্ষোভকারীকে।