আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
জামায়াত জোটে থেকেও এনসিপি'র ৩৬ দফা ইশতেহারের ভাগ্য কী?
বাংলাদেশে জুলাই গণ-অভ্যত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি তাদের দলের ৩৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। যদিও নতুন এই দলটি জামায়াতে ইসলামীর সাথে জোট বেঁধে অংশ নিচ্ছে সংসদ নির্বাচনে।
নির্বাচনের জন্য জামায়াত জোটে থাকলেও দলীয় ইশতেহার ঘোষণা করেএনসিপির নেতারা বলেছেন, নির্বাচনে জয় লাভ করলে তারা তাদের ইশতেহার বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন।
আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকার গুলশানে একটি হোটেলে 'তারুণ্য ও মর্যাদার ইশতেহার' শীর্ষক অনুষ্ঠানে এনসিপি তাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করে।
তারা তাদের ইশতেহারে যেসব বিষয় উল্লেখ করেছে, তাতে শুরুতেই আছে জুলাই সনদের প্রসঙ্গ। পাশাপাশি, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে এবং আওয়ামী লীগের টানা ১৬ বছরের শাসনামলে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ড ও গুমের বিচারের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে।
এছাড়া, ভোটাধিকারের বয়স ১৬ বছর করা, আগামী পাঁচ বছরে দেশে এক কোটি সম্মানজনক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, চাঁদাবাজি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা, ছয় মাসের ইন্টার্নশিপ বাধ্যতামূলক করা, মেধাবীদের দেশে ফেরানোসহ মোট ১২টি বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ৩৬ দফার ইশতেহারে।
বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাসহ ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদসহ শীর্ষ নেতারা।
এখন প্রশ্ন হলো, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে আত্মপ্রকাশ করা দলটি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন '১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের' সাথে থেকে দলীয় ইশতেহারে যেসব প্রতিশ্রুতি দিলো, তা বাস্তবায়ন করা কি আদৌ সম্ভব, তাদের আলাদা ইশতেহারের কারণ বা প্রয়োজন-ই বা কী?
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়তে পারেন:
জামায়াতের সাথে থেকে আলাদা ইশতেহার কেন
ইশতেহার ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনেই দলের আলাদা ইশতেহার প্রসঙ্গে প্রশ্ন এসেছিল।
জবাবে এনসিপি'র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেছেন, এনসিপি'র শেকড় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে।
তিনি বলেছেন, এনসিপি'র যাত্রা শুরুর সময় থেকেই তাদের প্রতিশ্রুতি ছিল 'ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত' করার।
তাদের ঘোষিত ইশতেহার বাস্তবায়ন করা হলে বাংলাদেশে "স্বৈরতান্ত্রিক পুনরাবৃত্তি রোধ হবে, গণতন্ত্র সুনিশ্চিত হবে, অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর হবে, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়া যাবে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে রক্ষা করে জাতীয় মর্যাদা নিয়ে বিশ্বের বুকে দাঁড়ানো যাবে" উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, "এগুলো এনসিপি'র প্রাথমিক আকাঙ্ক্ষা ছিল।"
তিনি জানান, তারা শুরু থেকেই যেসব দাবি জানিয়ে আসছিলেন, এখনও তারা একই দাবিতে আছেন। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারে থেকেও তারা তাদের সকল দাবি পূরণ করতে পারেননি।
"অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আমাদের লক্ষ্য ছিল সাংবিধানিক পরিবর্তন। আমরা একটি নতুন সংবিধান চেয়েছিলাম। কিন্তু একটি কমিশনের মাধ্যমে এটার মধ্যস্ততা হয় এবং সেখানেও আমরা আমাদের লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি পূরণ করতে পারিনি। ফলে নতুন বন্দোবস্তের আকাঙ্ক্ষাকে আমরা এখন দীর্ঘমেয়াদি যাত্রা হিসেবে দেখছি," বলছিলেন তিনি।
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে থেকে নির্বাচন করার পর দলের ইশতেহার বাস্তবায়ন কিভাবে সম্ভব-এমন প্রশ্ন যে উঠছে, সে ব্যাপারে নাহিদ ইসলাম বলেছেন, পুরনো দলের সাথে জোট করার ফলে প্রশ্ন উঠছে যে এনসিপি তাদের লক্ষ্য থেকে সরে গেল কিনা।
মি. ইসলাম আরও বলেন, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটে "রাজনৈতিক জায়গায় ঐকমত্য রয়েছে এবং এটা মূলত নির্বাচনী জোট। আমাদের চেষ্টা থাকবে, এই ১১-দলীয় জোটের মাধ্যমে আমরা আমাদের সংস্কারের দাবি বাস্তবায়ন করবো। এই কারণে আমরা এনসিপি'র পক্ষ থেকে আলাদা ইশতেহার দিচ্ছি। জামায়াতে ইসলাম তাদের আলাদা ইশতেহার দিবে।"
এনসিপি'র ইশতেহার বাস্তবায়ন কীভাবে হবে তাহলে? এর ব্যাখ্যায় নাহিদ ইসলামের ভাষ্য, যদি ১১-দলীয় জোট সরকার গঠন করে, তাহলে সরকারের ভেতরে এনসিপি'র যে অংশীদারিত্ব থাকবে, সেখানে এনসিপি'র এই দাবিগুলো "প্রায়োরিটি লিস্টে থাকবে।"
"আমরা সরকারের ভেতর থেকে সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো। যেরকমটা আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের মাঝে থেকেও অনেককিছু বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছি, আবার ব্যর্থও হয়েছি।"
তিনি আরও বলেন, এই জোট সরকার গঠন করলে কোনো নির্দিষ্ট দল তাদের নিজস্ব আদর্শ অনুযায়ী সরকার পরিচালনা করবে না। বরং, তারা সমন্বিতভাবে কাজ করবো এবং বিশেষ করে সংস্কার, বিচার, দুর্নীতি, আধিপত্যবাদের প্রশ্নে তারা ঐক্যবদ্ধ থাকবে।
"এই কারণেই এনসিপি তার নিজস্ব ইশতেহার দিচ্ছে, যা বাস্তবায়নে এনসিপি বদ্ধপরিকর...আর আমরা 'সরকারের অংশীদার' হবো, কারণ আমরা জোট প্রক্রিয়ায় আছি," যোগ করেন তিনি।
এনসিপি আহ্বায়ক আরও জানান, তাদের ইশতেহার বিচ্ছিন্নভাবে আসেনি। বরং, জুলাই অভ্যূত্থান থেকে শুরু করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক কমিটি গঠন, জুলাই পদযাত্রা'র সময়ে বিশেষজ্ঞ ছাড়াও সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলার পর এগুলো এসেছে।
এন নজরে এনসিপি'র ৩৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার
১. জুলাই সনদের যেসব দফা আইন ও আদেশের ওপর নির্ভরশীল, তা বাস্তবায়নের সময়সীমা ও দায়বদ্ধ কাঠামো তৈরিতে একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করা হবে।
২. জুলাইয়ে সংঘটিত গণহত্যা, শাপলা চত্বর গণহত্যা, বিডিআর হত্যাকাণ্ড, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সময়ে সংঘটিত সব মানবতাবিরোধী অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা হবে এবং একটি 'ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন' গঠন করা হবে।
৩. ধর্মবিদ্বেষ, সাম্প্রদায়িকতা, সংখ্যালঘু নিপীড়ন এবং জাতি-পরিচয়ের কারণে যে কোনো ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ ও নিপীড়ন প্রতিহত করতে মানবাধিকার কমিশনের অধীন একটি বিশেষ স্বাধীন তদন্ত সেল গঠন করা হবে।
৪. মন্ত্রী, এমপিসহ সব জনপ্রতিনিধি ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের বাৎসরিক আয় ও সম্পদের হিসাব এবং সরকারি ব্যয়ের বিস্তারিত 'হিসাব দাও' পোর্টালে প্রকাশ ও হালনাগাদ করা হবে।
৫. আমলাতন্ত্রে ল্যাটেরাল এন্ট্রি বৃদ্ধি এবং স্বাধীন পদোন্নতি কমিশনের মাধ্যমে পারফরম্যান্স-ভিত্তিক পদোন্নতি হবে। প্রতি তিন বছর অন্তর মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পে-স্কেল হালনাগাদ করা হবে এবং এতে ইমাম-মুয়াজ্জিন-খাদেমদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
৬. কার্ডের জটিলতা দূর করতে এনআইডি কার্ডকেই সব নাগরিক সেবা প্রাপ্তির প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হবে।
৭. জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ১০০ টাকা নির্ধারণ, বাধ্যতামূলক কর্ম-সুরক্ষা বীমা ও পেনশন নিশ্চিত করে শ্রম আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
৮. স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের পণ্য ট্রাকে দাঁড়িয়ে নয়, বরং নিবন্ধিত নিকটস্থ মুদি দোকান থেকে সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হবে।
৯. সুনির্দিষ্ট বাড়িভাড়া কাঠামো তৈরি এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা ওয়াকফ সুকুক ভিত্তিতে সামাজিক আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলা হবে।
১০. গরিব ও মধ্যবিত্তের কর কমিয়ে কর-জিডিপি ১২ শতাংশে উন্নীত করা হবে। কর ফাঁকি বন্ধ করে শিক্ষা-স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে।
১১. পরিকল্পিতভাবে এলডিসি উত্তরণের জন্য আগাম এফটিএ-সিইপিএ করা হবে। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ডেটাবেইস ও কঠোর আইনসহ তাদের রাজনৈতিক অধিকার প্রত্যাহার করা হবে।
১২. চাঁদাবাজি সম্পূর্ণ বন্ধ করে ব্যবসার রাজনৈতিক ব্যয় শূন্যে নামানো হবে। ৯৯৯-এর মতো হটলাইন চালু ও জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে।
১৩. মুদ্রাস্ফীতি ছয় শতাংশে নামানো হবে। রেগুলেটরি প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং স্কুলভিত্তিক আর্থিক শিক্ষা চালু করে জনগণের সঞ্চয় সুরক্ষিত করা হবে।
১৪. ভোটাধিকারের বয়স ১৬ বছর করা হবে এবং তরুণদের মতামত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে 'ইউথ সিভিল কাউন্সিল' গঠন করা হবে।
১৫. ৫ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল এবং প্রথম পাঁচ বছর করমুক্ত সুবিধা দেওয়া হবে।
১৬. বছরে ১৫ লাখ নিরাপদ ও দক্ষ প্রবাসী কর্মী গড়ে তুলতে সরকার-নিয়ন্ত্রিত প্লেসমেন্ট ও ভাষা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
১৭. শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন করে বিভিন্ন মাধ্যমের সমন্বয় করা হবে। শিক্ষকদের পৃথক বেতন কাঠামো এবং পাঁচ বছরে ৭৫ শতাংশ এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হবে।
১৮. উচ্চশিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের যোগসূত্র বাড়াতে স্নাতক পর্যায়ে ছয় মাসের পূর্ণকালীন ইন্টার্নশিপ বা থিসিস রিসার্চ বাধ্যতামূলক করা হবে।
১৯. প্রবাসী গবেষকদের দেশে ফেরাতে ফান্ডিং প্রদান এবং কম্পিউটেশনাল গবেষণার জন্য একটি ন্যাশনাল কম্পিউটিং সার্ভার তৈরি করা হবে।
২০. হৃদরোগ, ক্যানসার ও ট্রমার মতো জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য দেশের উত্তর ও দক্ষিণে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা জোন গড়ে তোলা হবে।
২১. দুর্গম অঞ্চলে জিপিএস-ট্র্যাকড জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স ও ইমার্জেন্সি প্যারামেডিক টিম নিশ্চিত করা হবে। প্রতি জেলা হাসপাতালে আইসিইউ ও সিসিইউ সুবিধা থাকবে।
২২. এনআইডি-ভিত্তিক ডিজিটাল হেলথ রেকর্ড গড়ে তোলা হবে এবং পর্যায়ক্রমে সব নাগরিককে ন্যাশনাল হেলথ ইনস্যুরেন্সের আওতায় আনা হবে।
২৩. সংসদে নিম্নকক্ষে ১০০টি সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে।
২৪. পূর্ণ বেতনে ছয় মাস মাতৃত্বকালীন ও এক মাস পিতৃত্বকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক হবে। সরকারি কর্মক্ষেত্রে ঐচ্ছিক পিরিয়ড লিভ ও ডে-কেয়ার সুবিধা থাকবে।
২৫. উপজেলা পর্যায়ে স্যানিটারি সামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় নারীবান্ধব স্বাস্থ্যসামগ্রী সরাসরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সরবরাহ করা হবে।
২৬. প্রবাসীদের পাসপোর্ট, এনআইডি ও কনস্যুলার সেবা এক জায়গায় দিতে 'ওয়ান-স্টপ ডিজিটাল পোর্টাল' গড়ে তোলা হবে।
২৭. রেমিটেন্সের বিপরীতে বিনিয়োগ ও পেনশন সুবিধা এবং বিমানে রেমিটমাইলস নামে ট্রাভেল মাইলস প্রদান করা হবে।
২৮. প্রতিবন্ধী ও আদিবাসীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।
২৯. ঢাকা ও চট্টগ্রামে সমন্বিত গণপরিবহন ব্যবস্থা এবং মালবাহী ট্রেন বাড়িয়ে সড়কপথের জট কমানো হবে।
৩০. পাঁচ বছরে বিদ্যুতের ২৫ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদন এবং সরকারি ক্রয়ে ৪০ শতাংশ ইলেকট্রিক ভেহিকল নিশ্চিত করা হবে।
৩১. শিল্পকারখানায় ইটিপি বাধ্যতামূলক করা এবং নদী-খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে।
৩২. এনআইডি যাচাইয়ের মাধ্যমে কৃষকের কাছে সরাসরি ভর্তুকির টাকা পাঠানো হবে এবং মাল্টিপারপাস কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করা হবে।
৩৩. দেশীয় বীজ গবেষণা ও সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়িয়ে খাদ্যে ভেজালকারীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
৩৪. সীমান্ত হত্যা বন্ধ ও পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে দৃঢ় কূটনৈতিক ভূমিকা রাখা হবে। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালত ও সংস্থাগুলোর সহায়তা নেওয়া হবে।
৩৫. রোহিঙ্গা সংকটের মানবিক সমাধান এবং আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
৩৬. সশস্ত্র বাহিনীর নিয়মিত ফোর্সের দ্বিগুণ আকারের রিজার্ভ ফোর্স তৈরি করা হবে এবং সেনাবাহিনীতে ড্রোন ব্রিগেড ও সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম যুক্ত করা হবে।