পত্রিকা: 'বিএনপি কখনো 'গুপ্ত' বা 'সুপ্ত' বেশ ধারণ করেনি'

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি, গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময়, চট্টগ্রাম প্রবেশে ৩২৯ জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা, ইসলামী আন্দোলন জোট ছেড়ে দেওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে নতুন করে আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা- এসব খবর আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোয় গুরুত্ব পেয়েছে।

যুগান্তর পত্রিকায় প্রথম পাতায় খবর - 'বিএনপি কখনো 'গুপ্ত' বা 'সুপ্ত' বেশ ধারণ করেনি'- গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তারেক রহমানের বক্তব্য থেকে এই শিরোনাম নেয়া হয়েছে।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দলের নেতাকর্মীদের আপসহীন অবস্থানের কারণে ষড়যন্ত্র বা অপপ্রচার চালিয়ে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নানা সময়ে উত্থান-পতন থাকলেও গুম, খুন, অপহরণ ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েও বিএনপির কোনো নেতাকর্মী রাজপথ ছাড়েনি।

শনিবার ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, আন্দোলনের নামে বিএনপির কর্মীরা কখনো লুকিয়ে বা আপস করে চলেনি। এক ভাই গুম হওয়ার পর আরেক ভাই পরদিনই রাজপথে নেমে আন্দোলন আরও জোরদার করেছে- এমন উদাহরণই বিএনপির অবস্থানকে প্রমাণ করে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা গুম হয়েছেন বা শহীদ হয়েছেন, তাদের পরিবারগুলোর প্রতি ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সরকারের বড় দায় রয়েছে। রাষ্ট্র কখনোই তাদের ভুলে যেতে পারে না। গুম হওয়া স্বজনদের ফেরার আশায় যে সন্তান ও মায়েরা এখনো অপেক্ষা করছেন, সেই কষ্ট রাষ্ট্রের জন্য গভীর দায়িত্বের বিষয় বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান।

যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে দেয়া পাল্টা শুল্ক কমানোর লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে গম, ভুট্টা, সয়াবিন, তুলা আমদানি করা হয়েছে এবং এলএনজি, উড়োজাহাজ ও যন্ত্রাংশ কেনার চুক্তিও হয়েছে। তবে এসবের পরও যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের মোট আমদানি বাড়েনি।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনসাস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত প্রথম ১০ মাসে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ১৯৬ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। একই সময়ে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি করেছে ৮১৩ কোটি ডলারের বেশি। ফলে এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬১৭ কোটি ডলার, যা আগের দুই বছরের তুলনায় বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য কেনা বাড়ালেই যথেষ্ট নয়। কেনা পণ্যগুলো যেন সরাসরি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যের হিসাবেই অন্তর্ভুক্ত হয়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ অনেক ক্ষেত্রে এসব আমদানিতে তৃতীয় দেশের কোম্পানি মধ্যস্থতাকারী থাকায় তা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে পুরোপুরি প্রতিফলিত হচ্ছে না।

টাইমস অফ বাংলাদেশের আজকের প্রধান খবর- 329 expelled from Ctg City - চট্টগ্রাম প্রবেশে ৩২৯ জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা।

সিএমপি- চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম শহরের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তার স্বার্থে এই তিন শতাধিক দুষ্কৃতকারীকে চট্টগ্রাম শহরে অবস্থান ও প্রবেশে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৮–এর ৪০, ৪১ ও ৪৩ ধারায় দেওয়া ক্ষমতা প্রয়োগ করে মহানগর এলাকার কয়েকজন দুষ্কৃতকারীকে চট্টগ্রাম শহর থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব দুষ্কৃতকারীর চট্টগ্রাম মহানগরে প্রবেশ ও বসবাস সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এই তালিকায় সন্ত্রাসী হিসেবে পুলিশের কাছে তালিকাভুক্ত সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের নেতা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের নাম রয়েছে।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার আজকের মূল শিরোনাম - সমঝোতার সময় আর দুই দিন

সময় আর মাত্র দুই দিন। আজ ১৮ জানুয়ারি রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শেষ হওয়ার পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনার দুটি আসন ছাড়া ২৯৮টি আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী চূড়ান্ত হয়ে যাবে। এরপর ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের দিনটি শেষ হলে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের যেমন নির্বাচনী মাঠ থেকে সরানো যাবে না, তেমনি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে ইসলামী আন্দোলনের আসার সম্ভাবনার পথও বন্ধ হয়ে যাবে।

নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়টি পার হওয়ার পর কোনো প্রার্থী যদি ভোটের মাঠে না থাকতে চান, সেটি তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়; কিন্তু আইনত ব্যালট পেপারে তাঁর নাম ও প্রতীক বহাল থেকে যাবে।

জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে বেরিয়ে গত শুক্রবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও তাদের জোটে ফিরে আসার সুযোগ থাকার কথা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

মানবজমিন পত্রিকার আজকের খবর - জামায়াত জোটে নয়া হিসাব-নিকাশ।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোট ছেড়ে দেওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে নতুন করে আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন না থাকায় জোটের ভোটে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ে গত দুই দিনে একাধিক বৈঠক হয়েছে এবং জামায়াত শীর্ষ পর্যায়ে করণীয় ঠিক করার চেষ্টা করছে। দলটি বলছে, শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করা হবে।

আগে ইসলামী আন্দোলনের জন্য রাখা ৪৭টি আসন এখন জোটের অন্য দলগুলোর মধ্যে ভাগ করা হবে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে ১০ দলের এই জোট ২৫৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে জামায়াতের অংশ সবচেয়ে বেশি। জোট সূত্র বলছে, অবশিষ্ট ৪৭টির মধ্যে ৩৫–৪০টি আসনে জামায়াত প্রার্থী দিতে পারে, আর বাকি আসনগুলো এনসিপি ও অন্যান্য শরিক দলের মধ্যে ভাগ হতে পারে।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার শেষ পাতার খবর - Jamaat to take most vacant seats after IAB exit অর্থাৎ ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের সরে দাঁড়ানোর পর বেশিরভাগ ফাঁকা আসনে জামাত প্রার্থী দেবে।

কয়েক সপ্তাহের নাটকীয়তার পর জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোট এখন আসন পুনর্বণ্টনের পথে যাচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জোট ছাড়ার পর, ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রচার শুরুর আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে জোটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আসন সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ইসলামী আন্দোলনের অপেক্ষায় রেখে দেওয়া ৪৭টি আসনের মধ্যে জামায়াত নিজেই অন্তত ৩৭টি আসন দাবি করতে পারে।

বাকি আসনগুলোর বেশির ভাগ এনসিপি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মধ্যে ভাগ হওয়ার কথা থাকলেও, জোটের আরও কয়েকটি দল বাড়তি আসনের দাবি তুলেছে। এ ছাড়া কিছু আসন নিয়ে একাধিক দলের অনড় অবস্থানের কারণে কয়েকটি আসন আপাতত খোলা রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

প্রথম আলো পত্রিকার আজকের প্রথম পাতার খবর- পেশার স্বার্থে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকা সময়ের দাবি।

সংবাদপত্রের সম্পাদক, প্রকাশক ও গণমাধ্যমকর্মীরা যেকোনো পরিস্থিতিতে স্বাধীন সাংবাদিকতা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। তাদের মতে, বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় সংকট হলো ভেতরের অনৈক্য, যার সুযোগ নিয়ে গণমাধ্যমের ওপর হামলা হচ্ছে। এসব আঘাত মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার ঢাকার ফার্মগেটে 'গণমাধ্যম সম্মিলন ২০২৬'–এ এই মত প্রকাশ করা হয়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং স্বাধীন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পক্ষে অবস্থান জানাতে নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদ এই সম্মিলনের আয়োজন করে। আয়োজকেরা জানান, ভবিষ্যতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এমন আয়োজন করা হবে।

সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ-এর সম্পাদক নূরুল কবীর প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার-এর ওপর হামলা ও আগুন দেওয়ার ঘটনাকে মধ্যযুগীয় বর্বরতার প্রকাশ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, আগুন লাগার সময় দমকল বাহিনীকে আসতে বাধা দেওয়ায়, সাংবাদিকদের ওপর অগ্নিসংযোগ চালানো হচ্ছে- এতে তাদের জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলার মধ্যযুগীয় সহিংসতার চিত্র ফুটে উঠেছে। নূরুল কবীর আরও বলেন, "এই ধরনের হুমকি শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠান বা সাংবাদিককে নিয়ে সীমাবদ্ধ নয়; আজ এটিকে একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর, কালকে অন্য প্রতিষ্ঠানের ওপর, পরশু হয়তো আপনার সংস্থার ওপরও হতে পারে।"

আজকের পত্রিকার প্রধান খবর- জাতীয় সংসদ নির্বাচন: দলগুলোর কাঠগড়ায় ইসি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমান সুযোগ নিশ্চিত না হওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। তাদের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নির্বাচন কমিশন। পক্ষপাতিত্ব, নিরাপত্তা ঘাটতি, পোস্টাল ব্যালটে প্রতীকের বিন্যাস এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে ইসির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়েছে।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচনকালে ইসিকে এমন অভিযোগ প্রায়ই মোকাবিলা করতে হয়। তবে এবার তফসিল ঘোষণার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে অভিযোগ আসছে, যা ব্যতিক্রম। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব অভিযোগের বিষয়ে আইন অনুযায়ী স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিলে নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে।

নয়া দিগন্ত পত্রিকার মূল শিরোনাম - পাঁচ ব্যাংকের নজির, ৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শঙ্কা

ব্যাংক খাতে বড় ধরনের ক্ষতির ধাক্কা সামলাতে না পেরোতেই এবার আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে বিনিয়োগ করা হাজার হাজার পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী নতুন করে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক রেজুলেশন কাঠামোর আওতায় ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর এই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এর আগে পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত হওয়ার ফলে বিনিয়োগকারীদের বিপুল অঙ্কের শেয়ারমূল্য শূন্য হয়ে যায়। এখন একই ধরনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতেও। বন্ধ হতে যাওয়া ৯টির মধ্যে আটটি প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত, যেখানে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আমানতকারীদের টাকা ফেরত পাওয়ার আশ্বাস দিলেও এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারহোল্ডার ও করপোরেট আমানতকারীদের বিষয়ে এখনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানায়নি। ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে।

নিউ এইজ পত্রিকার শেষ পাতার খবর- Intern doctors boycott work demanding safety, অর্থাৎ নিরাপত্তা চেয়ে কর্মবিরতিতে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা ও একটি ওয়ার্ডে ভাঙচুরের ঘটনায় নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন। শনিবার এই কর্মসূচি শুরু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার ওয়ার্ড–৪ এ এক রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ও স্টাফদের বাকবিতণ্ডা হয়। ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে তারা ইন্টার্ন চিকিৎসকসহ ওয়ার্ডের কর্মীদের ওপর হামলা চালান। পরে খবর পেয়ে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীদের ধাওয়া দেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনায় জড়িত অভিযোগে রোগীর দুই স্বজনসহ তিনজনকে শনিবার ভোরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে এবং পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও হাসপাতালে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।