আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের দাবি'
ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, 'গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের দাবি'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতারা গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন।
তারা বিচারিক প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি তোলেন এবং শেখ হাসিনাসহ গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের ফাঁসির দাবি জানান।
সমাবেশে ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে।
সেইসাথে জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতারা বর্তমান সরকারকে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা ও দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার তাগিদ দেন।
অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের হতাহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। বিভিন্ন ঘটনায় ভুক্তভোগীদের কষ্ট তুলে ধরে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, 'শিশুরা পাচ্ছে না বেশির ভাগ বই'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এবারে নতুন বছরের প্রথম দিনে শিশুদের হাতে সব পাঠ্যবই পৌঁছায়নি। অর্থ অপচয় রোধে এবার 'বই উৎসব' করা হয়নি।
শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ তিনটি বই পেতে পারে। প্রয়োজন ৪০ কোটির বেশি বই, কিন্তু প্রস্তুত হয়েছে মাত্র সাড়ে ছয় কোটি। সব উপজেলায় বই পাঠানোও হয়নি। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানায়, জানুয়ারির মধ্যেই সব বই সরবরাহ করা হবে।
ছাপানোতে দেরি হওয়ার কারণে এই দেরি হচ্ছে বলে বলছে এনসিটিবি।
প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণির বই ছাপানোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে বলে জানা গিয়েছে।
দশম শ্রেণির বই সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ১০ই জানুয়ারির মধ্যে সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে সব বই পৌঁছাতে মার্চ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এনসিটিবি জানায়, বইয়ের সফট কপি অনলাইনে পাওয়া যাবে।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, 'Make July uprising proclamation by Jan 15' অর্থাৎ, '১৫ই জানুয়ারির মধ্যে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের দাবি'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র ১৫ই জানুয়ারির মধ্যে প্রকাশ না হলে আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি।
মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত মার্চ ফর ইউনিটিতে তারা বলেন, "বিপ্লব তখনই শেষ হবে, যখন বিচার ও সংস্কার নিশ্চিত হবে।"
জাতীয় পতাকা, প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন ও ব্যানার হাতে হাজারো মানুষ সেখানে যোগ দেন। সেখানে তাদের মূল দাবি ছিল ১৫ জানুয়ারির মধ্যে জুলাই গণজাগরণের ঘোষণাপত্র প্রকাশ।
বক্তারা বলেন, জুলাই মাসের গণজাগরণের ঘোষণাপত্র এখনও প্রকাশ হয়নি। ১৫ই জানুয়ারির মধ্যে এটি প্রকাশ করতে হবে।
এ সময় তারা একটি শোষণমুক্ত, স্বাধীন এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। আন্দোলনের নেতারা শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের শাসনকে দায়ী করে তাদের বিচার করার দাবি তোলেন।
প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, 'নির্বাচনের আগে বিচার ও সংস্কার'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হাজারো মানুষ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির "মার্চ ফর ইউনিটি" কর্মসূচিতে অংশ নেয়।
তারা অন্তর্বর্তী সরকারকে ১৫ই জানুয়ারির মধ্যে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র প্রকাশ করার পাশাপাশি বক্তারা শেখ হাসিনার বিচার, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ এবং সংস্কারের পর নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছে।
সমাবেশে "বিচার আগে, নির্বাচন নয়" স্লোগান এবং নতুন সংবিধান প্রণয়নের আহ্বান ওঠে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জনগণের চেতনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা মেনে নেওয়া হবে না।
জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, সচিবালয়, পুলিশ বা যেকোনো জায়গায় বসে অভ্যুত্থানের স্পিরিটের (চেতনা) সঙ্গে কেউ বিন্দুমাত্র বিশ্বাসঘাতকতা করলে তাকে সমূলে উৎখাত করতে হবে।
নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, 'বিভেদ নয়, ঐক্যের হোক বাংলাদেশ'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০২৫ সালের শুরুতে বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। বহুদিনের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশ এখন নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি।
শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাত করে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজনৈতিক পরিবেশে পরিবর্তনের নতুন আশা সৃষ্টি হয়েছে। তবে ক্ষমতা পাল্টানোর সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভাজনের নতুন তরঙ্গ দেখা দিয়েছে।
গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষায় সবাই একমত হলেও আদর্শিক ও কৌশলগত দিক নিয়ে মতপার্থক্য স্পষ্ট।
এমন অবস্থায় পুরনো বিভেদ ভুলে, ঐক্য আর গণতন্ত্রের ভিত্তিতে এগিয়ে চলার কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদনে।
গত বছরের কোটা সংস্কার আন্দোলন ছিল এ পরিবর্তনের মূলে। সরকারের দমননীতির বিপরীতে ছাত্র-জনতার আন্দোলন শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে।
কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, 'সংকটের চোরাবালিতে অর্থনীতি'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০২৫ সাল বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য চ্যালেঞ্জ নিয়ে শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি, এবং অর্থপাচারের কারণে অর্থনীতি দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।
উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ডলার সংকট, এবং বিনিয়োগে স্থবিরতা নতুন বছরে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, তবুও আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা আনতে বেশ সময় লাগবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
দেশে রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রম অসন্তোষ এবং বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়ায় সংকট বাড়ছে।
ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় আর্থিক খাত আরো চাপের মুখে পড়বে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতে, দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি দুর্বল এবং এর পুনরুদ্ধার সহজ হবে না।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বৃদ্ধি ও মুদ্রা সংকোচনের পদক্ষেপ নেওয়া হলেও মানুষের আয় তুলনামূলকভাবে কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরো কঠিন হয়েছে।
ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান শিরোনাম, 'RMG manufacturers hope for a better 2025' অর্থাৎ 'তৈরি পোশাক উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা ২০২৫ সাল তাদের জন্য ভালো হবে'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০২৪ সালে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে পেরেছে এবং ২০২৫ সালকে ঘিরে নতুন আশার আলো দেখছে।
বৈশ্বিক খুচরা বাজারের উন্নতি, নতুন বাজার অনুসন্ধান, পণ্য বৈচিত্র্যকরণ এবং কর্মপরিবেশের উন্নতির মতো পদক্ষেপের কারণে রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
পশ্চিমা ক্রেতারা আবার বাংলাদেশমুখী হচ্ছে, কারণ তাদের দেশে মুদ্রাস্ফীতি কমছে এবং সুদের হার কমছে। তবে ২০২৫ সালে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।
এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি সংকট, শ্রমিক অসন্তোষ এবং আর্থিক খাতের দুর্বলতা। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৪ সালে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন, বিশেষত শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর, নতুন সরকার শ্রমিকদের মজুরি বাড়িয়ে নয় শতাংশ করেছে। শ্রমিকদের সঙ্গে মালিকদের ঐতিহাসিক সমঝোতার মাধ্যমে বেশকিছু দাবি মেটানো হয়েছে।
২০২৪ সালে রপ্তানি আয় ছয় দশমিত ২৩ শতাংশ বেড়ে ৩৪ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ভালো কিছুর ইঙ্গিত দেয়।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, 'আস্থা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ চান ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে চলমান গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী রূপান্তর ও অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা উদ্বিগ্ন।
মূল্যস্ফীতি, ঋণের সুদহার বৃদ্ধি এবং বিদেশি বিনিয়োগের ঘাটতির পাশাপাশি উৎপাদন ও জ্বালানি সংকটে দেশের অর্থনীতি চাপে পড়েছে।
ব্যবসায়ীদের মতে, দেশের আস্থা ও গণতন্ত্রহীন পরিবেশে বিনিয়োগ ও শিল্পের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এ অবস্থায় তারা অবাধ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন।
তাদের মতে, দেশের উন্নয়নে বিশ্বাস ও সম্মানের পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ। গণঅভ্যুত্থানের কারণে অনেক ব্যবসায়ী নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির শিকার হচ্ছেন।
তারা মনে করেন, নতুন বছরে ব্যবসায়িক স্থিতিশীলতার জন্য স্বচ্ছ নীতিমালা প্রয়োজন। সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে জনসাধারণের দুরত্ব কমিয়ে চ্যালেঞ্জগুলো সমাধানে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি।
মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর, 'নির্বাচন-সংস্কার দ্বৈরথের বছর'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০২৪ সাল ছিল বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কার এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার বছর। বছরটি শেষ হওয়ার পর, ২০২৫ সাল শুরু হয়েছে নতুন প্রত্যাশা এবং সম্ভাবনার সঙ্গে।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের জনগণ ফ্যাসিবাদী সরকারকে উৎখাতের পর, অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়।
এই সরকারের অধীনে সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে, কিন্তু এখনও দেশের মানুষ মুক্ত, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছে।
রাজনৈতিক দলগুলো দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানালেও, ছাত্র-জনতা সংস্কারের পক্ষে জোরালো দাবি তুলেছে। সরকারের সামনে এখন নির্বাচনের রোডম্যাপ এবং সংস্কারের ভার রয়েছে।
যদিও সরকারের কাছে স্পষ্ট পরিকল্পনা নেই, তারপরও তারা নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এছাড়া, রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরের সঙ্গে সমঝোতা করতে চাচ্ছে, বিশেষত বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং অন্যান্য বিরোধী দলগুলো।
নতুন বছরে বিএনপি নিজেদের নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরালো করতে চায়, পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবে।
জামায়াতে ইসলামী তাদের কর্মসূচি নিয়ে মাঠে আছে এবং একটি নির্বাচনী জোট গঠনের চেষ্টা করছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন বছরটি হবে নির্বাচনের বছর, যেখানে সরকারের কাছে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
সংবাদের প্রথম পাতার খবর, 'সচিবালয়ে আগুন বিদ্যুতের 'গোলযোগ' থেকে : তদন্ত কমিটি'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০২৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর গভীর রাতে সচিবালয়ের সাত নম্বর ভবনে ভয়াবহ আগুন লেগে পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের দপ্তর পুড়ে যায়।
আগুনের কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, এবং প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় যে আগুনের সূত্রপাত বিদ্যুতের "লুজ কানেকশনের" কারণে।
বুয়েট, সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের একাধিক বিশেষজ্ঞ দল এই তদন্তে সহায়তা করেছে। তারা জানায়, বিদ্যুতের সংযোগে গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়, তবে অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।
আগুন লেগে প্রায় ১০ ঘণ্টা সময় ধরে এটি নেভানো হয়। এই অগ্নিকাণ্ডের পর প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলো এখন অন্য ভবনে চলমান, এবং সাত নম্বর ভবন চালু হতে আরও কিছু সময় লাগবে।
বুয়েটের অধ্যাপক মাকসুদ হেলালী বলেন, আগুন আস্তে আস্তে "স্পার্ক" হয়ে বিস্তার লাভ করে এবং উপরের দিকে উঠে যায়। আগুনের সূত্রপাত এক জায়গা থেকেই হলেও বাতাসের কারণে এটি দুই জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে বলে মনে হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট ১০ ঘণ্টা পর আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। পরবর্তী সময়ে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিবেদন আরও নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি।