জেনিনে ইসরায়েলি সেনা অভিযানের মাঝে তেল আবিবে পথচারীদের ওপর গাড়ি, আহত ৭

ইসরায়েলি পুলিশ বলছে তেল আবিবের একটি ব্যস্ত সড়কে পথচারীদের ওপর এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে গাড়ি তুলে দিলে কমপক্ষে সাতজন আহত হয়েছে।

সন্দেহভাজন হামলাকারী অর্থাৎ গাড়িটির চালককে সাথে সাথে গুলি করে মারা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে সন্দেহভাজন ঐ হামলাকারী একজন ফিলিস্তিনি এবং তিনি পশ্চিম তীরের বাসিন্দা।

পুলিশ বলছে, তেল আবিবের পিনচাস রোজেন স্ট্রিটের একটি শপিং সেন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজনকে একটি চলন্ত গাড়ি ধাক্কা মারে, এবং তারপর চালক গাড়ি থেকে বেরিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মানুষজনকে আঘাতের চেষ্টা চালায়।

সাতজন আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর।

ফিলিস্তিনী গোষ্ঠী হামাস প্রায় সাথে সাথেই এক বিবৃতি দিয়ে বলেছে, জেনিনে ইসরায়েলের হামলার বদলায় তেল আবিবে এই “নায়কোচিত” হামলা হয়েছে।

হামাসের মুখপাত্র মুহাম্মদ হামাদে এক বিবৃতিতে বলেন, “আমাদের মানুষদের ওপর যে গণহত্যা চলছে তার জবাবে এই হামলা একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। দখলদাররা (ইসরায়েল) যেভাবে ন্যূনতম মানবিকতার সমস্ত রীতি ভঙ্গ করছে তাতে এই হামলা বৈধ একটি আত্মরক্ষা।“

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ”তাদের পক্ষে আরও হতাহতের জন্য দখলদারদের প্রস্তুত থাকতে হবে। কারণ, আমাদের সন্তানদের রক্ত অত সস্তা নয়।“

ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের খালেদ আল-বাতশও বলেছেন, এটি হচ্ছে জেনিনের ঘটনাবলীর ব্যাপারে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রথম জবাব।

তেল আবিবে হামলার এই ঘটনা এমন সময় ঘটলো যখন গত দুদিনে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি শহর জেনিনে ইসরায়েলের ব্যাপক সেনা অভিযানে কমপক্ষে ১০ জন ফিলিস্তিনি মারা গেছে। আহত হয়েছে বহু মানুষ। শহরের শরণার্থী শিবির থেকে কয়েক হাজার মানুষ আতংকে পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।