পত্রিকা: 'এক বিচারপতির হাতেই ২৯৬ ফাঁসির আসামি'

দেশ রূপান্তর পত্রিকার খবর- এক বিচারপতির হাতেই ২৯৬ ফাঁসির আসামি

কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত (ডিসেম্বরে অধস্তন আদালতে অবকাশকালীন ছুটির কারণে নিয়মিত বিচার কার্যক্রম বন্ধ ছিল) দেশের ৬৮টি কেন্দ্রীয় ও জেলা কারাগারের ফাঁসির সেলগুলোতে ২ হাজার ৭০৫ জন মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামি বন্দি ছিলেন এবং সংখ্যাটি কারা ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

তাদের মধ্যে নারী বন্দি ছিলেন ৯০ জন। আসামিদের মধ্যে হাইকোর্টে বিচারের নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিলেন ২ হাজার ৩৭০ জন।

তাদের মধ্যে বিচারের নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ৬ থেকে ১৫ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে কনডেম সেলে রয়েছেন ৯৩৯ জন।

হাইকোর্টে মামলা নিষ্পত্তিতে ৬৬টি দ্বৈত ও একক বেঞ্চের মধ্যে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামিদের মামলা (ডেথ রেফারেন্স বা মৃত্যুদ- অনুমোদন) নিষ্পত্তির জন্য রয়েছে চারটি বেঞ্চ বা আদালত, যেখানে একেকটি বেঞ্চে দুজন করে (দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারক দায়িত্ব পালন করছেন।

হাইকোর্টে একেকটি বেঞ্চ প্রায় ৫৯২ জন ফাঁসির আসামির মামলা সামলাচ্ছে। আর একেক বিচারকের হাতে রয়েছে প্রায় ২৯৬ জন ফাঁসির আসামির ভবিষ্যৎ।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির রাজনৈতিক পরিবর্তন এক এগারো নামে পরিচিত। সে সময় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ছিলেন ফখরুদ্দীন আহমদ। তার সরকারের সিদ্ধান্ত ও রাষ্ট্র পরিচালনা নিয়ে তখন যেমন বিতর্ক ছিল, তেমনি সেই আলোচনা এখনো চলমান।

কারণ, ওই সময়ের সাংবিধানিক, সামরিক ও বেসামরিক কাঠামোর কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় রয়েছেন। এতে করে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সঙ্গে আওয়ামী লীগের অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের অভিযোগ ছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৮৭ শতাংশের বেশি এবং ৭৪টি আসনে ৯০ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়ায় ব্যাপক সমালোচনা হয়।

এক এগারোর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কেউ কেউ এখনো রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকায় ২০২৬ সালের নির্বাচন কতটা প্রভাবমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন রাজনৈতিক দলগুলো।

সে সময় নির্বাচন কমিশনার ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন। বর্তমানে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন। নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

মানবজমিন পত্রিকার আজকের খবর- স্থানান্তরিত ভোটার নিয়ে বিতর্ক। খবরে বলা হচ্ছে, সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সংসদীয় আসনগুলোতে অসংখ্য ভোটার নিজেদের ঠিকানা বদলে স্থানান্তর করেছেন এক আসন থেকে অন্য আসনে। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও চলছে নানা আলোচনা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু ঢাকার ২০টি আসনেই ৪০ হাজারের মতো ভোটার ঠিকানা বদলেছেন।

এরই মধ্যে বিএনপি অভিযোগ জানিয়েছে, একটি রাজনৈতিক দল নিজেদের প্রার্থীদের জেতাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভোটার স্থানান্তর করেছে।

ফলে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গত ১৮ই জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ অভিযোগ করেন।

নয়া দিগন্ত পত্রিকার আজকের খবর- গণভোট প্রশ্নে দুই শিবিরে রাজনীতি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও আসন্ন গণভোটকে ঘিরে দেশের রাজনীতিতে স্পষ্ট মেরুকরণ দেখা যাচ্ছে। একদিকে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি গণভোটের বিরোধিতা করছে।

অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকার, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ ১১ দলীয় জোট গণভোটে 'হ্যাঁ'-এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তবে বিএনপির অবস্থান এখনো স্পষ্ট নয়।

গণভোটকে কেন্দ্র করে মাঠপর্যায়ে প্রচারণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বয়ান তৈরি এবং কিছু এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে।

আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের বিরোধিতা মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গণভোট নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে।

এসব প্রচারে বলা হচ্ছে, গণভোট হলে সংসদ নির্বাচন বাতিল হতে পারে, সংবিধান পরিবর্তনের মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা তৈরি হবে বা এটি বিদেশি চাপের ফল। কোথাও কোথাও দাবি করা হচ্ছে, 'হ্যাঁ' ভোট পড়লে রাষ্ট্র কাঠামো দুর্বল হবে।

পাশাপাশি ধর্মীয় অনুভূতি কাজে লাগিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগও উঠেছে- যেখানে বলা হচ্ছে, গণভোটের মাধ্যমে সংবিধানের ধর্মসংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিবর্তন হতে পারে।

বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিগুলো সংশোধন করা দরকার। যেসব চুক্তি বেশি রক্তক্ষরণ ঘটায়, সেগুলোর অস্ত্রোপচার দরকার। এর মধ্যে আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি হচ্ছে সবচেয়ে খারাপ চুক্তি। তাই এটা দিয়ে শুরু করা যায়। এদের ধরতে পারলে অন্যদের সঙ্গে রাষ্ট্রের দর–কষাকষির ক্ষমতা বাড়বে।

গতকাল রোববার বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন মতামত তুলে ধরে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত চুক্তি পর্যালোচনা জাতীয় কমিটি।

এই কমিটি বিগত সরকারের আমলে করা বিদ্যুৎ চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করে ২০ জানুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টার কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের অভ্যন্তরীণ কোনো কারণে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষতি হলে চুক্তি অনুযায়ী তার দায় নিতে হবে বাংলাদেশকে।

ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের দাম যখন ৪ দশমিক ৪৬ সেন্ট ছিল, তখন আদানির সঙ্গে ৮ দশমিক ৬১ সেন্টে চুক্তি করা হয়।

দাম নির্ধারণে এক অদ্ভূত সূচক দেওয়া আছে চুক্তিতে। এতে আদানিকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি দাম দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিবছর আদানি বাড়তি নিচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ কোটি ডলার (৫-৬ হাজার কোটি টাকা)। ২৫ বছর চুক্তির মেয়াদে এক হাজার কোটি ডলার বাড়তি নিয়ে যাবে তারা।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার আজকের খবর- নির্বাচনে এআই আতঙ্ক। খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে এক নতুন আপদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার।

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে এখন এআই দিয়ে তৈরি ডিপফেক ভিডিও, বিকৃত ছবি ও ভুয়া অডিও ক্লিপের ছড়াছড়ি। নির্বাচন শেষ হওয়ার আগেই এটি নিয়ন্ত্রণে আসবে, তেমন সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না; বরং বৃদ্ধির আশঙ্কাই বেশি।

উন্নত প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে এইসব অপপ্রচার ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনের সুপারিশে সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রেখে কঠোর আইন করা হয়েছে।

নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই এআইয়ের অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নাসের রহমান।

সম্প্রতি একটি জনসভায় দেওয়া তাঁর বক্তব্যকে বিকৃত করে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। ভিডিওতে তাঁকে এমন কিছু বক্তব্য দিতে দেখা গেছে, যা তিনি কখনোই বলেননি।

'সবার আগে বাংলাদেশ' স্লোগানকে সামনে রেখে পাহাড় ও সমতলের সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে একটি প্রত্যাশিত মানবিক বাংলাদেশ গড়ার ডাক দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২০ বছর পর চট্টগ্রামের কোনো জনসমাবেশে যোগ দিয়ে তিনি জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকতে বলেছেন।

ভোটের দিন ফজর নামাজের পর নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে অবস্থান নেয়ারও নির্দেশ দেন তিনি।

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসমাবেশ এবং সকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে গতকাল শনিবার রাতে তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছান।

নির্বাচনী সমাবেশে নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে এক ব্যতিক্রমী নির্দেশনা দেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, 'ভোটের দিন তাহাজ্জুদের নামাজ পড়তে উঠতে হবে। এরপর যার যার এলাকায় ভোট কেন্দ্রের সামনে গিয়ে ফজর নামাজ আদায় করবেন। যখন ভোট গ্রহণ শুরু হবে, লাইন ধরে ভোটের জন্য দাঁড়িয়ে যাবেন।'

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Generational shift takes place, অর্থাৎ জাতীয় নির্বাচনে প্রজন্মের হাত বদল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের বয়সভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেশের রাজনীতিতে একটি প্রজন্মগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। আগের নির্বাচনের তুলনায় তরুণ প্রার্থীর সংখ্যা বেড়েছে, কমেছে বয়স্ক প্রার্থীর অংশগ্রহণ।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী প্রার্থীর হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪১ শতাংশে, যা আগের নির্বাচনে ছিল ৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ। অন্যদিকে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী প্রার্থীর হার কমে হয়েছে ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ, যা আগে ছিল ২৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

টিআইবির তথ্য বলছে, ২০১৪ সালের নির্বাচনে তরুণ প্রার্থী ছিল না বললেই চলে। ২০১৮ সালে এ হার ছিল মাত্র শূন্য দশমিক ১৬ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ। বিপরীতে, ২০১৪ সালে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী প্রার্থীর হার ছিল ৬৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ, যা ধারাবাহিকভাবে কমছে।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- Three candidates omit UK assets, citizenship in affidavits হলফনামায় যুক্তরাজ্যে সম্পদ ও নাগরিকত্বের তথ্য গোপন করেছেন তিনজন প্রার্থী।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কয়েকজন প্রার্থী তাদের হলফনামায় যুক্তরাজ্যে থাকা সম্পদ ও কোম্পানির তথ্য পুরোপুরি উল্লেখ করেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরকারি নথি ও যুক্তরাজ্যের করপোরেট রেকর্ডে থাকা তথ্যের সঙ্গে তাদের হলফনামার গরমিল পাওয়া গেছে।

এই তালিকায় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীরা রয়েছেন। যুক্তরাজ্যের নথিতে তাদের কেউ ব্রিটিশ নাগরিক, কেউবা যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে তালিকাভুক্ত থাকলেও নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। তবে নির্বাচন কমিশন তাদের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছে।

গণঅধিকার পরিষদের সিলেট ৬ আসনের প্রার্থী জাহিদুর রহমান তার হলফনামায় যুক্তরাজ্যের ১১টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করেননি। তিনি দাবি করেছেন, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে লভ্যাংশ না নেওয়ায় তা উল্লেখ করেননি। তিনি জানান, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পরিত্যাগের আবেদন করেছেন।

এদিকে বিএনপির দিনাজপুর ৫ আসনের প্রার্থী একেএম ক্বামরুজ্জামান তার হলফনামায় যুক্তরাজ্যের একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে পরিচালক হিসেবে থাকা তথ্য দেননি। ওই প্রতিষ্ঠানের সম্পদের মূল্য প্রায় ১৪ লাখ পাউন্ড। তিনি হলফনামায় শুধু লন্ডনে তার আইনচেম্বারের কথা উল্লেখ করেছেন। ক্বামরুজ্জামানও দাবি করেছেন, তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।

নির্বাচন কমিশন এসব বিষয় পর্যালোচনা করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়নি।