পত্রিকা: 'শীর্ষ নেতাদের মাসিক আয় এক লাখ টাকার নিচে'

শীর্ষ নেতাদের মাসিক আয় এক লাখ টাকার নিচে— সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য পাঁচটি রাজনৈতিক দল বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলনের ১০ শীর্ষ নেতার মধ্যে সাতজনেরই মাসে আয় লাখ টাকার কম।
সবচেয়ে কম আয় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের। তার বার্ষিক আয় তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা।
এরপরেই রয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের, যার আয় বছরে চার লাখ টাকা।
তাদের চেয়ে আয়ে কিছুটা এগিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার বার্ষিক আয় ছয় লাখ ৭৬ হাজার টাকা; যা মাসে ৫৬ হাজার টাকার সামান্য বেশি।
পেশায় পরামর্শক এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বছরে ১৬ লাখ টাকা আয় করেন। আয়ের দিক থেকে তিনি দ্বিতীয় অবস্থানে।
পাঁচটি দলের নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বার্ষিক আয় জাপার মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারির। তিনি বছরে ৩৩ লাখ টাকা আয় করেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মাসিক আয় লাখ টাকার মতো।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের মাসে আয় ৩৯ হাজার টাকা। এনসিপির সদস্য সচিব শিক্ষানবিশ আইনজীবী আখতার হোসেনের আয়ও তার চেয়ে বেশি, বছরে ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা।
এছাড়া, ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের বার্ষিক আয় ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
বণিক বার্তার দ্বিতীয় প্রধান খবর— ভোটের পর সরকার গঠনের আগে বিএনপির সঙ্গে বসবে জামায়াত।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে দলটির বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তারেক রহমানের মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সহমর্মিতা জানাতে গিয়েছিলেন জামায়াতের শীর্ষ নেতা। সাথে দলটির আরও নেতা ছিলেন।
কার্যালয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের শফিকুর রহমান বলেন, 'ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) যে ঐক্যের পাটাতন তৈরি করে দিয়ে গেছেন, তার ওপর দাঁড়িয়ে আমরা যেন আমাদের দায়িত্ব পালন করতে পারি। তারেক রহমান সাহেবের সঙ্গে সেটা নিয়ে আমরা আলাপ-আলোচনা করেছি।'
তিনি আরও বলেন, 'আমরা এটাও বলেছি, নির্বাচনের পরপরই সরকার গঠনের আগে আমরা ইনশা আল্লাহ বসব, খোলামনে কথা বলব, জাতির জন্য আমরা চিন্তা করব এবং জাতির জন্য সিদ্ধান্ত নেব।
আগামী নির্বাচন নির্বিঘ্ন, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য হওয়ার বিষয়েও তারা আলাপ-আলোচনা করেছেন বলে জানান।
'আমরা এটাও বলেছি অতীতে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। আগামীতেও আমরা দেশের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করব। তারেক রহমান সাহেবসহ বিএনপির নেতারা একই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন। আমরাও একই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছি'— বলছিলেন জামায়াতের আমির।
যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর— জয়শঙ্কর ও আইয়াজের ঢাকা সফর, বৈঠক; ভবিষ্যতে ক্ষমতাসীনদের পাশে থাকার ইঙ্গিত।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ঢাকায় ছুটে আসা এবং তারেক রহমানের সাক্ষাৎকে কূটনৈতিক শিষ্টাচারের অংশ হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
তবে ভূরাজনৈতিক দিক থেকে এটিকে নতুন ইঙ্গিতও মনে করা হচ্ছে।
একইভাবে তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের স্পিকার আইয়াজ সাদিকের সাক্ষাৎ-ও সেই বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ।
ভোটের আগে এই দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎকে সব বিবেচনায় ইতিবাচক হিসাবেই দেখছে কূটনৈতিক মহল।
আলোচনায় আছে ভারতের কূটনীতিকের সঙ্গে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের বৈঠকটিও।
পুরো বিষয়গুলো এমনও ইঙ্গিত করছে যে বাংলাদেশে আগামীতে যে দলই সরকার গঠন করুক ভারত ও পাকিস্তান তাদের সঙ্গে আছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের যে অবনতি ঘটেছে তা অদূর ভবিষ্যতে নতুনভাবে তৈরি হবে বলেও আশা করা হচ্ছে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির বললেন, সব দেশই বাংলাদেশের অবস্থা বুঝতে আগ্রহী, কাজ করতে আগ্রহী। ভবিষ্যতে যে সরকারই আসুক তা একই রকম থাকবে। এটি ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বেশি বাদ পড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা— কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাইয়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাদ পড়ছেন।
নির্বাচনী এলাকার এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষরে সমস্যা থাকার কারণে বাদ পড়ছেন তারা।
এছাড়া, ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত জটিলতা, মামলার তথ্য হলফনামায় যথাযথভাবে দাখিল না করাতেও মনোনয়নপত্র বাতিল হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারদের কেউ কেউ কিছু ক্ষেত্রে প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাই পেন্ডিং রেখে হলফনামার ত্রুটি সংশোধনের জন্য সময় দিচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ৩০০ আসনে দুই হাজার ৫৬৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে ৪৭৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাইয়ের কাজ শেষ হবে আগামী রোববার। এরপর রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ৫ থেকে ৯ই জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রথম পাতার খবর— Biman Bangladesh approves purchase of 14 Boeing aircraft; অর্থাৎ ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার অনুমোদন দিল বিমান বাংলাদেশ।
প্রতিবেদনটিতে বলা হচ্ছে, মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থাটির পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে।
পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উড়োজাহাজের মূল্যসহ অন্যান্য শর্ত ও বিষয়ে বোয়িংয়ের সঙ্গে এখন আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে।
এর আগে, গত অগাস্টে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক শুল্ক নিয়ে আলোচনার সময় বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সরকার।
বিমানের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পরিচালনা পর্ষদ ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর তারিখের বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ বিক্রয় প্রস্তাব এবং ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ জমা দেওয়া সংশোধিত খসড়া চুক্তি পর্যালোচনা করেছে।
প্রস্তাবে বোয়িং জানায় যে তারা ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯, ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ এবং ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ সরবরাহে আগ্রহী।
পরিচালনা পর্ষদ প্রস্তাবটিকে নীতিগত অনুমোদন দেয় এবং আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার অনুমতি দেয়।
এদিকে, বোয়িং ক্রয়ের তৎপরতায় ইউরোপীয় কূটনীতিকরা বাংলাদেশে এয়ারবাসের উড়োজাহাজ বিপণনে তাদের প্রচেষ্টা আরও জোরদার করেছেন।
১০টি এয়ারবাস উড়োজাহাজ ক্রয়ের সম্ভাব্য আলোচনা পূর্ববর্তী সরকারের আমল থেকেই শুরু হয়েছিল।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের পর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ উড়োজাহাজগুলো কেনার প্রতিশ্রুতির জন্য প্রকাশ্যে বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন।

নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর— BTRC Bhaban attacked, vandalised over NEIR launch; অর্থাৎ বিটিআরসি ভবনে হামলা-ভাঙচুর।
প্রতিবেদনটিতে বলা হচ্ছে, ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম চালু হয়েছে দেশে। এটি বাতিলের দাবিতে ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে ভাঙচুর চালিয়েছেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে হামলার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ২০ জনের বেশি দুষ্কৃতকারীকে আটক করা হয়েছে এবং অন্যান্য হামলাকারীদের আটকে অভিযান চালানো হচ্ছে।
বিটিআরসি বলছে, অবৈধ হ্যান্ডসেট রোধ, চুরি হওয়া ফোন বন্ধ এবং মোবাইল বাজারের বিশৃঙ্খলা দূর করতেই এনইআইআর চালু করা হয়েছে।
এর মধ্য দিয়ে দেশের নেটওয়ার্কে নতুন যুক্ত হওয়া অবৈধ হ্যান্ডসেটগুলো বন্ধ করা হবে।
পত্রিকাটির Taxes on mobile phone making, imports cut; (মোবাইল ফোন তৈরি ও আমদানিতে কর কমেছে) শিরোনামের আরকেটি খবরে বলা হয়েছে, বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে এবং অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধে মোবাইল ফোন আমদানিতে মোট করের পরিমাণ বিদ্যমান ৬১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৩ দশমিক ৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
একই সাথে দেশে মোবাইল ফোন সংযোজন বা অ্যাসেম্বল শিল্পকে উৎসাহিত করতে স্থানীয় পর্যায়ের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করেছে সরকার।

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর— রাজনীতিতে নামছেন জাইমা রহমান!
এতে বলা হয়েছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের রাজনীতিতে আসা নিয়ে আলোচনা রয়েছে দেশের রাজনীতির অঙ্গনে।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত বছর বাবার প্রতিনিধি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে 'ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট' অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া, বিএনপির অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নেওয়া এবং সর্বশেষ খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর শোক জানাতে আসা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করসহ বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বাবাসহ উপস্থিতি জাইমা রহমানের শিগগিরই রাজনীতিতে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিএনপির সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাবার পাশে থাকবেন তিনি।

সংবাদের প্রথম পাতার সংবাদ— শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যশোরে।
এই খবরে বলা হয়েছে, গত এক সপ্তাহ ধরে অব্যাহত শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া শীতের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন সেখানে তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এই মৌসুমে এর আগে আরও দু'দিন যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
যশোর বিমানবাহিনীর আবহাওয়া অফিস সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যশোরাঞ্চলে পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহেই মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছিল। এখন তাপমাত্রা আরও কমে গিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে।
এদিকে, সারাদেশে ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি প্রাণীকূলেরও জবুথবু অবস্থা। শীতের দাপটে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
শহরের চাইতে গ্রাম এলাকায় হিমেল হাওয়া ও কুয়াশাও বেশি পড়ছে। সঙ্গত কারণে গ্রামের দিকে শীতও অনুভূত হচ্ছে বেশি।

এনসিপি থেকে এক সপ্তাহে ১১ নেতার পদত্যাগ— আজকের পত্রিকার শেষের পাতার খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর জোটসঙ্গী হওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পর থেকেই ভাঙন শুরু হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি)। একের পর এক নেতা পদত্যাগ করছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন বছরের প্রথম দিনে দলটির শীর্ষ পর্যায়ের চার নেতা পদত্যাগ করেছেন।
এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে ১১ নেতা পদত্যাগ করলেন।
গতকাল পদত্যাগ করা নেতারা হলেন এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহীন, আইসিটি সেলের প্রধান ফারহাদ আলম ভূঁইয়া, কেন্দ্ৰীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সদস্য সচিব আল আমিন আহমেদ টুটুল।
তারও আগে সরে দাঁড়ান দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনুভা জাবীন ও খালেদ সাইফুল্লাহ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, যুগ্ম সদস্য সচিব মীর আরশাদুল হক ও আরিফ সোহেল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসিফ মোস্তফা জামাল (নেহাল) এবং এনসিপির কৃষক উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী আজাদ খান ভাসানী।

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমল এক লাখে ১১০ টাকা— প্রথম আলোর দ্বিতীয় প্রধান খবর এটি।
এই সংবাদে বলা হয়েছে, ছয় মাসের ব্যবধানে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবারও কমানো হয়েছে। গতকাল পহেলা জানুয়ারি থেকে নতুন মুনাফার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
নতুন হার অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন মুনাফার হার হবে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
এর আগে, গত জুলাই মাসেও মুনাফার হার কমানো হয়েছিল। এখন ছয় মাস পর আবারও কমানো হলো।
উল্লেখ্য, প্রতি ছয় মাস পরপর সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পর্যালোচনা করা হয়।
গত বছর পরিবার সঞ্চয়পত্রে এক লাখ টাকা বিনিয়োগে পাওয়া যেত ৯৪৪ টাকা। এখন বিনিয়োগ করলে পাওয়া যাবে ৮৩৪ টাকা।
তাতে সঞ্চয়পত্রের আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলোর ওপর চাপ বাড়বে।








