'আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২২ জনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ কমিশনের'

সংবাদপত্র

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Commission for travel ban on 22 law enforcers’ অর্থাৎ, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২২ জনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ কমিশনের’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিগত সরকারের শাসনামলে গুমের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ২২ সদস্যের উপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার সুপারিশ করেছে এনফোর্সড ডিসপিয়ারেন্স সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন।

এই ২২ জনের মধ্যে ডিজিএফআই, র‍্যাব এবং পুলিশের সদস্যরা রয়েছেন।

কমিশন জানিয়েছে, ‘তদন্তের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলা হবে কারণ কমিশন প্রাথমিকভাবে গায়েবি মামলায় তাদের সম্পৃক্ততা পেয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই ২২ সদস্যকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলেও খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই খবর ভুয়া বলে দাবি করেছে অনেকে।

তদন্ত কমিশন বলেছে বিগত সরকারের আমলে ১৬০০ জনেরও বেশি ভিকটিমকে গুম করার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছে। এরমধ্যে ২০০ ভুক্তভোগীকে এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এই ১৪০০ ভুক্তভোগীদের মধ্যে বেশিরভাগকে পরে অবৈধ অস্ত্র রাখা এবং চরমপন্থায় জড়িত থাকার অভিযোগে মামলায় ফাঁসানো হয়।

নিউ এজ পত্রিকা

দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘জানুয়ারিতে ছাত্রদের নতুন দল’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অভ্যুত্থান সফল হওয়ার পর এবার নিজেরাই নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকা নাহিদ ইসলামকে নেতৃত্বে রেখে দল গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বাইরের বিভিন্ন দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠন হতে পারে এই দল। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনাও চলছে বলে জানা গেছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারিতেই আলোচিত নতুন রাজনৈতিক দলের ঘোষণা আসতে পারে।

দলের নাম এখনো চূড়ান্ত না হলেও তারুণ্যনির্ভরই হচ্ছে দলটি। এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা বিভিন্ন জেলা সফর করেছেন। ওই সময় নতুন দল গঠনের বিষয়টি আলোচনায় আসে।

এরপর কোটা সংস্কার আন্দোলন পরিচালনার জন্য গঠিত এই প্ল্যাটফর্মকে সাংগঠনিক রূপ দিতে গঠন করা হয় আহ্বায়ক কমিটি। একই সঙ্গে গঠন করা হয় জাতীয় নাগরিক কমিটি।

দেশ রূপান্তর
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘অরাজকতা’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকাজুড়ে রোববার অটোরিকশা চালকদের বিক্ষোভ কর্মসূচি, ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় ভুল চিকিৎসা ও অনিয়মের অভিযোগে হাসপাতালের প্রধান ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

সেইসাথে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরান ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

ভাঙচুর ও হামলার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের স্নাতক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা পুরো পরীক্ষা শেষ করতে পারেননি।

দুই কলেজের সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। এদিকে ঢাকার কারওয়ান বাজারে দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান ও বিক্ষোভ করেছেন একদল লোক।

রোববার বেলা সাড়ে ১২টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টা অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি পালন করেছেন ‘বাংলাদেশের জনতা’ ব্যানারে কিছু মানুষ।

দিনভর এমন নানা বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘটনায় রোববার ঢাকাজুড়ে এক অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়।

এদিকে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করায় অনেক এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।

মানবজমিন পত্রিকা

সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘সংসদ নির্বাচনের সঙ্গেই গণভোটের প্রস্তাব’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বর্তমান সংবিধানে গণভোটের বিধান না থাকলেও সংবিধান সংশোধনের বৈধতা দিতে নতুন প্রস্তাবে তা যুক্ত করা হয়েছে।

অধ্যাপক আলী রিয়াজের নেতৃত্বাধীন সংবিধান সংস্কার কমিশনের ওই প্রস্তাবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে আলাদা 'হ্যাঁ-না' ব্যালটে গণভোট আয়োজনের কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া অংশীজনের প্রস্তাবে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনা, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন, নির্বাচনকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) হাতে নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়া, সংসদের ভোটে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বসহ সংবিধানের মৌলিক কাঠামো সংস্কারের প্রস্তাব এসেছে।

সরকার পতনের পর থেকেই রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের জোর দাবি ওঠে। ইতোমধ্যে অভ্যূত্থানে অংশ নেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনগুলো নানা প্রস্তাব তুলে ধরেছে।

এর পাশাপাশি বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করে আসছে সংস্কার কমিশন। সেখানে বিভিন্ন অনুচ্ছেদের পরিবর্তন এবং পরিমার্জনের প্রস্তাবের সঙ্গে সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়েও বিভিন্ন মতামত নেয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরাসরি কমিশন বৈঠকে না বসলেও তাদের কাছ থেকে লিখিত প্রস্তাব আহবান করা হয়েছে। এর মধ্যে সংবিধানে গণভোটের পদ্ধতি ফিরিয়ে আনার প্রস্তাবও রয়েছে।

আদালতে ত্রয়োদশ ও পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের মামলার শুনানি চলছে। সংস্কার কমিশনের সুপারিশ চূড়ান্ত হওয়ার মধ্যে হয়তো আদালতের রায় এসে যাবে।

এ সপ্তাহেই শেষ হচ্ছে সংবিধান সংস্কার কমিশনের সঙ্গে অংশীজনের মতবিনিময়। সরকার নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যেই কমিশন তার সুপারিশ প্রকাশ করতে যাচ্ছে।

মূলত ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যেই কমিশনগুলোর প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়ার কথা।

সমকাল

বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান শিরোনাম, ‘নতুন ছকে জোট রাজনীতি’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা না হলেও এরই মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো এবারও জোটবদ্ধ রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠছে।

দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি বলছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন আন্দোলনে যেসব দল তাদের সঙ্গে রাজপথে ছিল তাদের নিয়েই আগামীতে ভোট করবে তারা।

বিএনপির একসময়ের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনকে ঘিরে দেশের প্রধান প্রধান ইসলামী দলগুলো নিয়ে জোট গঠনের তৎপরতা শুরু করেছে।

সেইসাথে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জামায়াতে ইসলামীর বাইরে যেসব ইসলামী দল রয়েছে তাদের নিয়ে মোর্চা করার চিন্তা করছে।

থেমে নেই বাম দলগুলোও। তারা এক ছাতার নিচে আসার চেষ্টায় তৎপর রয়েছে। সব মিলিয়ে নির্বাচন ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন ছকে জোট রাজনীতি।

বাংলাদেশ প্রতিদিনি

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘শুল্ক কমালেও আমদানি বাড়েনি, দামও চড়া’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নিত্যপণ্যের দাম কমাতে সরকার আমদানি বাড়ানোর শুল্ক–কর কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু গত এক মাসে আমদানি তেমন একটা বাড়েনি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যমতে, সরকার শুল্ক–কর তুলে নিয়ে প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। আমদানি হয়েছে মাত্র ১৫ হাজার টন চাল।

চাল আমদানি কম হওয়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, দুই বছরে ডলারের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। ফলে শুল্ক কমিয়েও চাল আমদানি লাভজনক হচ্ছে না।

ব্যবসায়ীদের দাবি, আমদানির অনুমতি দেওয়া ও শুল্ক–কর কমানোর একটি সুফল হলো, বাজার স্থিতিশীল হয়েছে। দু–একটি পণ্যের দাম কিছুটা কমেছে আবার কিছু বেড়েছেও।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, এক মাসে ঢাকার বাজারে মোটা চালের সর্বনিম্ন দাম প্রতি কেজি দুই টাকা কমেছে। অন্যদিকে মাঝারি ও সরু চালের দাম প্রতি কেজি তিন থেকে চার টাকা বেড়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার নিত্যপণ্যের দাম কমাতে চাল, ডিম, সয়াবিন তেল, পাম তেল, চিনি, পেঁয়াজ, আলু ও খেজুরের শুল্ক–কর কমিয়েছে।

বাজার–বিশ্লেষকেরা বলছেন, দাম কমাতে হলে সরবরাহ বাড়াতে হবে। শুধু শুল্ক–কর কমালে হবে না। সরবরাহ বাড়লেই দাম কমার আশা থাকে। এমন অবস্থায় ব্যবসায়ীরা আমদানির সময়সীমা বাড়ানোর দাবি জানায়।

প্রথম আলো

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘দায়মুক্তির বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিশেষ তদারকি শুরু’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিগত সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ক্রয় ও উৎপাদনের ক্ষেত্রে বড় আকারের যেসব চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে সেগুলো পুনর্মূল্যায়নের কাজ শুরু হয়েছে।

ইতোমধ্যে এমন ডজন খানেক বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পুনর্মূল্যায়নের কাজ চলমান রয়েছে।

বিশেষ করে ভারতের আদানির বিদ্যুৎ আমদানি চুক্তিতে পদে পদে অনিয়ম বের হয়ে আসছে।

এরই মধ্যে আদানি গ্রুপের সাথে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে করা সব বিদ্যুৎ চুক্তি পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার পুনর্মূল্যায়ন কমিটি, টেন্ডার ছাড়াই অসম চুক্তি বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি পর্যালোচনায় সহায়তার জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় রিভিউ কমিটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে একটি খ্যাতনামা আইনি ও তদন্তকারী প্রতিষ্ঠান নিয়োগের পরামর্শ দিয়েছে।

কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা এমন সব প্রমাণ সংগ্রহ করছেন, যা আন্তর্জাতিক সালিশি আইন ও কার্যক্রম অনুযায়ী চুক্তিগুলোর বিষয়ে পুনরায় আলোচনা বা বাতিল করার সম্ভাবনার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

পাওয়ার সেল বলছে, পিডিবির পক্ষ থেকে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার বিষয়টি যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি।

এমনি পরিস্থিতিতে বাড়তি মূল্যে ভারতীয় কোম্পানি আদানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ কেনার কোনো প্রয়োজন নেই।

নয়াদিগন্ত পত্রিকা

সংবাদের প্রথম পাতার খবর শিরোনাম, ‘তৈরি পোশাক শিল্প: নারী শ্রমিক ৮০ শতাংশ থেকে কমে ৫৩ শতাংশ’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের পোশাক কারখানাগুলোতে নারী শ্রমিকদের সংখ্যা ক্রমাগত কমে আসছে।

এই শিল্পে ১৯৮০ সালে নারী শ্রমিকের হার ছিল ৮০ শতাংশ যা ২০২১ সালে ৫৩ দশমিক সাত শতাংশে নেমে আসে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, মূলত ১৮ থেকে ৩৫ বছর পর্যন্ত তারা এই শিল্পে নিয়োজিত থাকেন। বয়স ৩৫ হওয়ার পর তারা এই কাজ ছেড়ে বিকল্প পেশার দিকে ঝুঁকতে থাকেন।

বিকল্প হিসেবে তারা যেসব কাজকে বেছে নিচ্ছেন সেগুলো হচ্ছে, কৃষিভিত্তিক ও গৃহস্থালী এবং নিজের মালিকানাধীন দর্জির দোকানে কাজ করা।

সম্প্রতি প্রকাশিত 'বুনন ২০৩০: বাংলাদেশের পোশাক খাতে মূল কার্যক্রম: গভীর পর্যবেক্ষণ ও ভবিষ্যৎ করণীয়' শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় এই তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে মূলত কারখানাগুলোতে অস্থিরতা, বেশি টাকা উপার্জনের আশা ও তুলনামূলক স্বাধীন পেশার কারণে তারা এইসব পেশায় আগ্রহী।

এভাবে নারী শ্রমিক কমতে থাকলে দক্ষ শ্রমিক স্বল্পতায় দেশের রপ্তানি আয়ের শীর্ষে থাকা তৈরি পোশাক খাতে স্থবিরতা নেমে আসতে পারে।

এই অবস্থায় নারীদের পোশাক খাতে আগ্রহী করে তুলতে ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থে নিরাপদ ও নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ তৈরি, শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা বাড়ানো ও সঠিক সময়ে ন্যায্য মজুরি প্রদান জরুরি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

সংবাদ

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর, ‘ইউরোপের বাজারে কমছে তৈরি পোশাক রপ্তানি’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানি নেতিবাচক ধারাতেই আছে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে পোশাক রপ্তানি কমেছে দুই দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ।

ডলারের মূল্যবৃদ্ধিতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া, রাজনৈতিক অস্থিরতায় বাড়তি লিড টাইম, গ্যাস-বিদ্যুতের ঘাটতি, দুর্বল ব্যাংকিং ব্যবস্থা, বিশ্বব্যাপী উচ্চ মূল্যস্ফীতিসহ বেশ কিছু কারণ রপ্তানিতে পিছিয়ে পড়ার জন্য দায়ী বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

তবে সর্বশেষ গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি কিছুটা বেড়েছে, এতে রপ্তানির প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক ধারা থেকে ইতিবাচক ধারায় ফিরতে শুরু করেছে।

দেশের সার্বিক অবস্থা ভালো করতে পারলে আগামী দু-তিন মাসে রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইউরোপের বাজারে তৈরি পোশাকের বড় রপ্তানিকারক ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একমাত্র ইন্দোনেশিয়া ও তুরস্কের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে।

বাকি সাত দেশের তুলনায় প্রবৃদ্ধিতে পিছিয়ে বাংলাদেশ। অথচ বাংলাদেশ ইউরোপের বাজারে দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক সরবরাহকারী দেশ।

আজকের পত্রিকা