'শত বছর পর জমিদাতার খোঁজে ঢাবি'

পত্রিকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি কারও দান করা, না সরকারের খাসজমির ওপর দাঁড়িয়ে আছে সেই সত্য উদঘাটন প্রসঙ্গে দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘শত বছর পর জমিদাতার খোঁজে ঢাবি’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১০০ বছর পার হলেও এর জমি কোথা থেকে এসেছে সেই বিতর্কের অবসান হয়নি।

জমিদান নিয়ে দুটি মত প্রচলিত আছে। প্রথমটি হলো নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ দেশে উচ্চশিক্ষার প্রথম এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠায় ৬০০ একর জমি দান করেছিলেন।

আর দ্বিতীয় মতটি হলো দান করার মতো উদ্বৃত্ত জমি তখন নওয়াব পরিবারের ছিল না। ঢাবি যে জায়গায় প্রতিষ্ঠিত হয়, তার অধিকাংশই সরকারি খাসজমি।

সর্বশেষ গত ২৬শে জুন ঢাবির সিনেট অধিবেশনে এ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়। পরে উপাচার্য এ বিষয়ে প্রকৃত সত্য উদঘাটনে একটি কমিটি গঠনের ঘোষণাও দেন।

নওয়াব সলিমুল্লাহ জমি দিয়েছিলেন কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেও।

কারও মতে, ১৯২১ সালে ঢাবি প্রতিষ্ঠার বছর আগে নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ১৯১৫ সালে মারা যান এবং জমিদান করার মতো আর্থিক সংগতি তার ছিল না। তিনি ঋণগ্রস্ত ছিলেন, সুতরাং তার ৬০০ একর জমিদানের বিষয়টি ঐতিহাসিকভাবে সত্য নয়।

আবার কেউ বলছেন, নবাব সলিমুল্লাহসহ আরও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ১৯১২ সালেই ভার্সিটির জন্য হার্ডিঞ্জের কাছে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সভায় নবাব সলিমুল্লাহর অবদানের জন্য গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

পত্রিকা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

বেসরকারি খাতে মজুরি কাঠামো নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘বেসরকারি খাতে ন্যূনতম মাসিক মজুরি: সবচেয়ে বেশি স মিলে সর্বনিম্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয়’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের বেসরকারি খাতে ন্যূনতম মাসিক মজুরি সবচেয়ে বেশি নির্ধারণ করা রয়েছে স মিল বা করাত কলে। আর সবচেয়ে কম নির্ধারিত রয়েছে হোটেল ও রেস্তোরাঁ খাতে।

সরকারের পক্ষ থেকে হোটেল-রেস্তোরাঁর শ্রমিক-কর্মচারীদের সর্বনিম্ন মজুরি নির্ধারণ করা আছে তিন হাজার ৭১০ টাকা।

বিশ্বব্যাংকের ২০২২ সালের নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী, কারো দৈনিক আয় দুই ডলার ১৫ সেন্টের নিচে হলে তিনি দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন বলে ধরে নেয়া হয়।

আর নির্ধারিত সর্বনিম্ন মজুরিসীমা অনুযায়ী বাংলাদেশে হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের সর্বনিম্ন দৈনিক মজুরি দাঁড়ায় এক ডলার তিন সেন্টের সমপরিমাণ।

সরকার নির্ধারিত মজুরি কাঠামো অনুযায়ী স মিলের মজুরি মাসে ১৭ হাজার ৯০০ টাকা হওয়ার কথা থাকলেও বেশিরভাগই এই বেতন পাননা বলে দাবি বাংলাদেশ স মিল শ্রমিক ফেডারেশনের।

দ্রব্যমূল্য, মূল্যস্ফীতি হিসাব করলে সরকার নির্ধারিত মজুরিও খুবই কম বলে দাবি তাদের।

স মিলের পরই রয়েছে নির্মাণ ও কাঠ শ্রমিকরা। তাদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২৪০ টাকা জাহাজ ভাঙা শিল্পে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১৬ হাজার টাকা।

রাবার শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য নির্ধারিত সর্বনিম্ন মজুরি ১২ হাজার ৯১০ টাকা। গার্মেন্ট শিল্পে শ্রমিকদের জন্য তা ১২ হাজার ৫০০ টাকা।

এরপর রয়েছে পরই রয়েছে দর্জি কারখানা, ম্যাচ কারখানা, অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ, বেকারি, বিস্কুট ও কনফেকশনারি ইত্যাদি। যেখানে মাসিক বেতন চার হাজার ৮৫০ টাকা থেকে ছয় হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় এসব মজুরি কাঠামোর এখনো অনেকটাই সেকেলে পর্যায়ের।

পত্রিকা

অর্থ বিল নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘ধনীদের ছাড়, কালোটাকা সাদা করার সুযোগ রইল’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাজেট প্রস্তাবে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বাড়তি রাজস্ব আদায়ে ধনীদের ওপর করহার বাড়ানোর কথা বললেও সেই অবস্থানে তিনি থাকতে পারেননি।

শনিবার অর্থ বিল ২০২৪ পাসের পর দেখা যায় ধনীদের আয়কর হার আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

বাজেট প্রস্তাবে সর্বোচ্চ আয়কর হার ৩০ শতাংশ বলা হলেও অর্থ বিলে সর্বোচ্চ আয়কর হার ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।

অর্থাৎ যারা ৩০ লাখ টাকার বেশি করযোগ্য আয় করেন, তাদের ক্ষেত্রে হার আগের মতোই থাকল।

সঙ্গে রাখা হয়েছে কালোটাকা সাদা করার সুযোগও। সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়ি আনতে পারবেন।

এক কথায় বাজেট প্রস্তাবের প্রশংসিত সব প্রস্তাব উল্টে গিয়েছে। ধনীদের কর কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুবিধা বাড়ানো হয়েছে।

একজন করদাতা ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করা কিংবা কোনো কারণে আগে ঘোষণা না করা নগদ টাকা ১৫ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করতে পারবেন। আবার ফ্ল্যাট-প্লট কিনেও এই অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করা যাবে।

বিশেষজ্ঞরা এসব সিদ্ধান্তকে অনৈতিক ও অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন।

পত্রিকা

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘দুর্নীতি করলে কারো রক্ষা নেই’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শনিবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০২৪-২৫ সালের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার কথা জানান।

তিনি বলেন, “আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছি। দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না, সে যে-ই হোক, দুর্নীতি করলে কারো রক্ষা নেই। যে-ই দুর্নীতি করবে, আমরা ধরব।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের জনগণ অত্যন্ত কর্মঠ ও সৃজনশীল। কিছু কিছু দুষ্ট প্রকৃতির থাকে তাদেরকে আমরা ধর্তব্যে নেই না।

কালোটাকা সাদা করার সুযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখন সব দেশে দাম বেড়ে গেছে। এখন এক কাঠা জমি যার আছে সেই কয়েক কোটি টাকার মালিক।“

“ঢাকা শহরে এক কাঠা জমি থাকলে কয়েক কোটি টাকার মালিক। এভাবে অনেক সময় কিছু করতে গেলে অতিরিক্ত অর্থ চলে আসে। সেটা তারা বাজেটে দেখাতে পারেন না। সেটা তারা আয়কর দিতে পারেন না।”

আয়কর দিয়ে যাতে তারা মূল জনগোষ্ঠীতে ফিরে আসে, আর এই ধরনের কর্মকাণ্ড যাতে না করে, সেই জন্যই মাঝে মাঝে এ ধরনের সুযোগ দেওয়া হয় বলে তিনি জানান।

পত্রিকা

অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান প্রসঙ্গে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘একই বৃন্তে দুটি ‘ফুল’ ফয়সাল-মতিউর’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মো. মতিউর রহমান ও কাজী আবু মাহমুদ ফয়সাল ‘একই বৃন্তে দুটি ফুল’ হলেও সেই ফুলের সুবাস নেই, ছড়িয়েছে দুর্গন্ধ।

মতিউর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদ্য সাবেক সদস্য। আর সংস্থাটির প্রথম সচিব ফয়সাল। বিপুল অবৈধ সম্পদের তথ্য সামনে আসায় দুজনই এখন নিন্দিত, সমালোচিত।

দুজনের বিরুদ্ধেই ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুস লেনদেনের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

প্রাথমিক অনুসন্ধানেই তাদের শত শত কোটি টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তারা নিজেদের নামে সম্পদ করেছেন কম। বেশি করেছেন স্ত্রী-সন্তান ও আত্মীয়-স্বজনের নামে।

মতিউর ও ফয়সাল পরিবার নিয়ে যে বাসা-বাড়িতে থাকেন সেগুলোও নিজেদের নামে করেননি। সিদ্ধেশ্বরীতে প্রায় ছয় কোটি টাকা দামের যে ফ্ল্যাটটিতে থাকে ফয়সাল পরিবার, সেটা কিনেছেন শ্বশুর আহমেদ আলীর নামে।

আর মতিউর বসুন্ধরায় অত্যাধুনিক যে বাড়িতে থাকেন সেটা মেয়ে ফারজানা রহমান ইপ্সিতার নামে করেছেন। স্ত্রী ও ভাইদের নামে করেছেন শিল্পকারখানা, রিসোর্টসহ বিপুল সম্পত্তি।

চাকরি জীবনে ঘুস-দুর্নীতির মাধ্যমে তারা বিপুল অঙ্কের অর্থ উপার্জন করেছেন বলে দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

পত্রিকা

পুলিশ কর্মকর্তার দুর্নীতি নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘শামসুদ্দোহা শুধু গাছেরটা খান না তলারটাও কুড়ান’।

প্রতিবেদনে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এডিশনাল আইজিপি) ড. শামসুদ্দোহা খন্দকারের কথা বলা হয়েছে। তার স্ত্রীর বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তথ্যের বরাতে সমকাল জানায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এক হাজার ২৭ শতক জমি আছে এই দম্পতির নামে।

দলিলে এসব জমির দাম ৭০ কোটি টাকা দেখানো হলেও আদতে বাজারদর প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। গত ১৮ মার্চ আদালত তাঁর এসব সম্পত্তি জব্দ করার আদেশ দেন।

পরদিন তিনি উচ্চ আদালতে আপিল করলে ওই আদেশ স্থগিত হয়ে যায়।

গুলশানে অন্তত ২০০ কোটি টাকা দামের সরকারি জমি ও বাড়ি নিজের করে নিতে রকমারি কূটকৌশল চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

শামসুদ্দোহা ২০১১ সালে প্রেষণে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান পদে বসে সীমাছাড়া দুর্নীতিতে জড়ান।

এ পটভূমিতে ২০১৯ সালে তাঁর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা ঠুকে দেয় দুদক।

ওই মামলায় স্ত্রী ফেরদৌসী সুলতানাও আসামি। মামলাটি এখনও চলমান।

পত্রিকা

নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘খালেদা জিয়াকে মুক্তি না দিলে কঠিন পরিণতি’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে বিশাল সমাবেশ করেছে বিএনপি।

এই জমায়েত থেকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন, অন্যথায় যেকোনো পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকুন।

দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে তিন দিনের কর্মসূচির প্রথম দিনে গতকাল ঢাকায় এই সমাবেশ করে বিএনপি।

দুপুরের পর থেকেই মিছিলে মিছিলে পরিপূর্ণ হয়ে যায় নয়া পল্টন কার্যালয়ের সামনের সড়ক ও এর আশপাশ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, “এক দিকে তারা আমাদের ভোটের অধিকার হরণ করেছে, অন্য দিকে বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে প্রায় ৬ বছর আটক করে রাখা হয়েছে”।

মির্জা ফখরুল বলেন, “আজকে দেশনেত্রীকে রক্ষা করতে হলে আমাদের নিজেদেরকে রক্ষা করতে হলে আমাদের সামনের দিকে অবশ্যই আরো তীব্র থেকে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আন্দোলনের মাধ্যমেই এদেরকে পরাজিত করতে হবে”।

পত্রিকা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘অবিশ্বাস্য জয়ে ভারতের বিশ্বজয়’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, টানা ১৭ বছরের অপেক্ষার শেষ পর্যন্ত ক্যারিবীয় সাগর জয় করে ভারতে ট্রফি ফিরিয়ে নিয়ে গেল রোহিত শর্মার দল।

সবশেষ ২০০৭-এ দক্ষিণ আফ্রিকারই মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম শিরোপার মুখ দেখেছিল ভারত।

অন্যদিকে ২৬ বছর আগে ১৯৯৮-এ আইসিসি’র কোনো বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে শিরোপা স্বাদ পেয়েছিল প্রোটিয়ারা। এবার সুযোগ এসেছিল তাদের সেই আক্ষেপ মেটানোর।

কিন্তু প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা মার্করামের দল শেষ পর্যন্ত ইতিহাস বদলাতে পারলো না।

টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩৪ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে ভারত।

সেখান থেকে বিরাট কোহলির ৭৬ রানের অসধারণ এক ইনিংসে প্রোটিয়াদের ১৭৭ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয়।

জবাবে হেনরিক ক্লাসেন দারুন এক ইনিংস খেললেও বুমরা, পান্ডিয়া আর আর্শদ্বীপের অসাধারণ বোলিংয়ে শেষ পর্যন্ত প্রোটিয়ারা হেরে যায় সাত রানে।

পত্রিকা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের অবস্থান নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর, ‘Calls for Biden to step aside grow louder’ অর্থাৎ, ‘বাইডেনের সরে যাওয়ার আহ্বান জোরালো হচ্ছে’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বৃহস্পতিবার রাতের ডিবেটের ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছেন, কিছু ডেমোক্র্যাট তাকে নভেম্বরের নির্বাচনের আগে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমস সম্পাদকীয় বোর্ড, ২০২০ সালে বাইডেনকে সমর্থন করলেও এখন, তাকে বাদ দিয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অন্য প্রার্থী বাছাইয়ের কথা বলছে যেন ট্রাম্পকে পরাজিত করা সহজ হয়।

বাইডেন অবশ্য শুক্রবার সন্ধ্যায় বলেছিলেন যে তিনি নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পকে পরাজিত করতে চান।

এদিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং বারাক ওবামা সহ দলের অনেক সিনিয়র ব্যক্তিত্ব বলেছেন যে তারা বাইডেনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।