আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'মিয়ানমার অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাইছে'
মিয়ানমার অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাইছে – র্যাব মহাপরিচালকের এমন বক্তব্য দিয়ে প্রথম আলোর শিরোনাম এটি।
র্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘মিয়ানমার অনেক আগে থেকেই চাচ্ছে বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য, অনেক আগে থেকেই। রোহিঙ্গা ঢোকানো থেকে শুরু করে পায়ে পাড়া দিয়ে...। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়চেতা মনোভাব ও প্রজ্ঞা; উনি কখনো যুদ্ধে জড়াবেন না। কারণ, এখন যুদ্ধে জড়ানো মানে দেশটা শেষ হয়ে যাওয়া।’ শনিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে র্যাবপ্রধান এই মন্তব্য করেছেন।
মিয়ানমার সরকারের যুদ্ধে জড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে র্যাব প্রধান এম খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘মিয়ানমারে এখন সামরিক সরকার রয়েছে। তাঁরা এখন চাচ্ছে যে যুদ্ধ বাধাতে পারলে ও (মিয়ানমারের জান্তা সরকার) সেফ (বেঁচে যাবে) হবে। কারণ ওর দেশে যে অবস্থা তৈরি হয়েছে ওর দেশের আরাকান আর্মি ওর বিরুদ্ধে গিয়ে বিভিন্ন জায়গা দখল করছে। সরকার (মিয়ানমারের জান্তা সরকার) বাঁচার জন্য উসকানি দিচ্ছে।’
শ্রম আইন সংস্কারে তীক্ষ্ণ নজর ওয়াশিংটনের – সমকালের শিরোনাম। খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার উদ্বেগের মুখে দেশের শ্রম আইন সংস্কারে হাত দিয়েছে সরকার।
এ নিয়ে তৈরি করেছে একটি রোডম্যাপ। শ্রম অধিকার রক্ষা ও শ্রমিক কল্যাণে বাংলাদেশ সরকার বিদ্যমান শ্রম আইনে কী ধরনের সংস্কার আনছে তার উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে ওয়াশিংটন। দেশটির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল এখন ঢাকা সফর করছে।
Is Washington turning a new page in Bangladesh? এমন প্রশ্ন দিয়ে প্রধান শিরোনাম ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের।
বিস্তারিত বলা হচ্ছে, নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ নিয়ে ভিন্ন সুর ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। কিন্তু নির্বাচনের পর যেন পরিস্থিতি পাল্টে গিয়েছে। যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে আভিনন্দন জানান এবং বলেন দুই দেশের সম্পর্কে এক “নতুন অধ্যায়” রচনার কথা। যার পরপরই বাংলাদেশ সফরে এখন মার্কিন উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল।
নির্বাচন ‘একতরফা’ হয়েছে আফরিনকে বলল বিএনপি – কালবেলার শিরোনাম এটি। বলা হয় বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও দমন-পীড়নের মধ্য দিয়ে ৭ জানুয়ারি সরকার একতরফাভাবে নির্বাচন করেছে বলে দাবি বিএনপির। বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে দলটি।
গতকাল শনিবার ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরিন আখতারের সঙ্গে বৈঠকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে দলের এই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বিএনপি। রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে বিকেল ৩টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে।
ভোটে যেতে কৌশল খুঁজছে বিএনপি – উপজেলা নির্বাচন ঘিরে কালের কন্ঠের প্রধান শিরোনাম। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণ করবে না। তবে দলের নেতাদের মধ্যে যাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চান, তাঁদের ক্ষেত্রে দলের কৌশল কী হবে তা নিয়ে আলোচনা চলছে। বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, কোন প্রক্রিয়ায় দলের নেতারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন, সেই কৌশল খোঁজা হচ্ছে।
বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কয়েকজন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে দলে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন প্রশ্নে দলের নীরব ভূমিকা পালন, কেউ প্রার্থী হলে দল থেকে আপত্তি না করাসহ নানা বিষয় উঠে এসেছে।
এদিকে পিলখানা বিডিআর বিদ্রোহের দিনটি নিয়ে শিরোনাম করেছে অনেক পত্রিকাই। দৈনিক সংবাদের শিরোনাম আটকে আছে বিস্ফোরক আইনের মামলা।
বলা হয় ইতিহাসের কালো দিন আজ। ১৫ বছর আগে ২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি বিডিআর ও বর্তমান বিজিবি সদর দপ্তরে ঘটে এক মর্মান্তিক নৃশংস ঘটনা। দরবার হলে চলমান বার্ষিক দরবারে একদল বিদ্রোহী বিডিআর সৈনিক ঢুকে পড়ে, তারা সেনা কর্মকর্তাদের উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই ঘটনায় ৫৭জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন মারা যায়।
এরপর হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। কিন্তু বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলা ১৫ বছর ধরে শুধু সাক্ষ্যগ্রহণে আটকে আছে। অন্যদিকে হত্যা মামলার রায় দেয়া হয় ২০১৪ সালে।
ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের শিরোনাম – No end to wait for justice, অর্থাৎ ন্যায়বিচারের জন্য অপেক্ষার কোন শেষ নেই। কারণ আপিল বিভাগে এ মামলার রায় এখনো আটকে আছে, আর বিস্ফোরক মামলা এখনো চলমান ট্রায়াল কোর্টে। যে ঘটনায় নিহতের পরিবারকে এখনো আদালতে যেতে হচ্ছে, আবার অনেক সাবেক সৈন্য ও বেসামরিক নাগরিকরা বছরে পর বছর কারাগারে আটকে আছেন।
সম্পদশালী হতে রাজনীতিকে ব্যবহার করছেন ব্যবসায়ীরা – সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং – সানেম সম্মেলন নিয়ে ইত্তেফাকের শিরোনাম। খবরে বলা হয় দেশের ব্যবসায়ীরা সম্পদশালী হওয়ার জন্য রাজনীতিকে ব্যবহার করছেন বলে উল্লেখ করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান।
Loan defaults now part of business model: Rehman Sobhan – সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ সিপিডির চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান বলেছেন ঋণ খেলাপি হওয়া এখন ব্যবসার একটা মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে, আর তার এই বক্তব্য দিয়ে শিরোনাম করেছে ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৭ম সানেম বার্ষিক অর্থনীতিবিদ সম্মেলনে এক আলোচনায় তিনি বলেন, অনেক ব্যবসায়ীরা এই ঋণখেলাপির কৌশল বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে কাজে লাগায়। “আপনি ট্যাক্স বা লোন রিবেট পাবেন কি না এটা নির্ভর করে আপনার পরিচিতি ও রাজনৈতিক সংযোগের উপর।“ রেহমান সোবহান বলেন, “কেউ সুদ ছাড়াই টাকা ঋণ পাচ্ছে আবার কাউকে টাকা নিয়ে সুদ দিতে হচ্ছে এটা বাজারে অসমতা তৈরি করছে।”
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম – ব্যাংকের আয়-ব্যয় অনুপাত আকাশচুম্বী। বিস্তারিত বলা হচ্ছে দেশের বেশির ভাগ ব্যাংকেরই আয় সেভাবে বাড়েনি। যদিও ব্যয় বেড়েছে ব্যাপক মাত্রায়।
এর প্রভাব পড়েছে ব্যাংকগুলোর কস্ট টু ইনকাম রেশিও বা আয়-ব্যয় অনুপাতে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘বাংলাদেশ সিস্টেম্যাটিক রিস্ক ড্যাশবোর্ড’ শীর্ষক প্রকাশনার সর্বশেষ সংখ্যার তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুন শেষে দেশের ব্যাংক খাতের আয়-ব্যয়ের অনুপাত ছিল ৭১ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি ১০০ টাকা আয়ের বিপরীতে ব্যয় ৭১ টাকা। বিষয়টি উদ্বিগ্ন করে তুলছে ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্টদের।
কমেছে অনুসন্ধান ও মামলা – দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়ে দৈনিক যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। তারা বলছে, দেশ ও মানুষকে চেপে ধরেছে দুর্নীতির দুষ্টচক্র-দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা অভিযোগের পাহাড় এমন ইঙ্গিত করে। তবে দুদকের জনবল বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হলেও দুর্নীতিবাজদের দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না দুদক।
গেল বছর সংস্থাটিতে দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়েছে ১৫ হাজার ৪৩৭টি। এরমধ্যে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগই অনুসন্ধানের জন্য আমলে নেয়নি যাচাই-বাছাই কমিটি। জমা অভিযোগের মাত্র সাড়ে ৫ ভাগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধান শেষে মামলা করা হয়েছে ৪০৪টি। এই পরিসংখ্যানই স্পষ্ট করে তুলছে-দুর্নীতি দমনে সরকার জিরো টলারেন্স (শূন্য সহিষ্ণুতা) নীতির কথা বললেও তা কার্যকর হচ্ছে না।
এমপি ২০ হাজার চেয়ারম্যান ১ লাখ – দেশ রুপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত নিয়ে খবরটি। এতে বলা হয় উপজেলা নির্বাচনে পরিচালনা ও আচরণবিধিমালায় প্রার্থীর জামানত ১০ থেকে ১৫ গুণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান পদে জামানত হবে ১ লাখ টাকা। যদিও সংসদ সদস্য প্রার্থীদের জামানত ২০ হাজার টাকা।
এ ছাড়া নির্বাচনে সাদা-কালোর পাশাপাশি রঙিন পোস্টারের ব্যবহারেরও সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ২৫০ জন ভোটারের স্বাক্ষরের বিধান বাতিল ও জামানত বাজেয়াপ্তের বিধানেও কড়াকড়ি আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাংবিধানিক এ সংস্থাটি। ইসির মতে, এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে নির্বাচনে ভুঁইফোড় প্রার্থী এড়ানো সম্ভব হবে।
তবে রাজনৈতিক ও বিশেষজ্ঞ মহল বলছে, স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনের বিষয়ে ইসির নেওয়া সিদ্ধান্তে ভুঁইফোড় প্রার্থীদের এড়ানো সম্ভব তো হবেই না; বরং বিত্তবানরাই প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন। রাজনীতিতে নিবেদিত বা যারা সত্যিকার অর্থে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে চাইছেন, তাদের নির্বাচনে অংশ নেওয়া কঠিন হয়ে যাবে।
অন্যান্য খবর
রোহিঙ্গাদের জান্তা বাহিনীতে যোগ দিতে নাগরিকত্বের প্রলোভন – বণিক বার্তার খবর। পত্রিকাটি বলছে, নাগরিকত্ব, চাল ও মোটা অংকের বেতন দেয়ার লোভ দেখিয়ে রোহিঙ্গাদের সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে প্রলুব্ধ করছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার।
এ প্রলোভনে রাজি না হলেও অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক সামরিক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাদের রাজধানী সিত্তেতে রাখা হচ্ছে। সেখানে দুই সপ্তাহের সামরিক প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চার শতাধিক রোহিঙ্গাকে তুলে নিয়েছে সামরিক জান্তা। তাদের দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণও দেয়া হচ্ছে। ইরাবতীর খবরে বলা হয়েছে, জান্তা বাহিনী ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সবার তালিকা তৈরির জন্য বুচিডং, মংডু এবং সিত্তের গ্রাম প্রশাসক ও নেতাদের চাপ দিচ্ছে।