পত্রিকা: 'অর্ধশত আসনে বিএনপির 'বিদ্রোহী'

 পত্রিকা

কালের কণ্ঠের শিরোনাম ‌'অর্ধশত আসনে বিএনপির 'বিদ্রোহী'।

খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে পাবনার দুটি আসন বাদে ২৯৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৯৬৭। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে নির্বাচন কমিশন থেকে এই তথ্য জানানো হয়।

নির্বাচন কমিশন আরও জানায়, মোট দুই হাজার ৫৮৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। রিটার্নিং অফিসারদের বাছাইয়ে ৭২৬ জন বাদ পড়লে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় এক হাজার ৮৫৮।

বাদ পড়া প্রার্থীদের মধ্যে ৬৩৯ জন নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পান ৪৩১ জন। গতকাল শেষ সময় পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন ৩০৫ জন।

জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে প্রায় অর্ধশত আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াননি। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও বহিষ্কারের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে এই প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

প্রায় ৫০টি আসনে ৯১ জন বিদ্রোহী প্রার্থী সক্রিয় আছেন। দলীয় টিকিট না পেয়ে অনেক সাবেক ও বর্তমান স্থানীয় নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এর ফলে স্থানীয় ইউনিটগুলোতে বিভক্তি তৈরি হয়েছে।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত লড়াইয়ে মাঠে রয়েছেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সহস্রাধিক প্রার্থী।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন মঙ্গলবার অনেক প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বিএনপির বেশ কয়েকজন বিদ্রোহী প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের কয়েকজন নির্বাচন থেকে সরে গেছেন।

১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের সমর্থনে শরিক দলগুলোর প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে মাঠে রয়ে গেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা।

দলীয় কার্যক্রম স্থগিত থাকায় আওয়ামী লীগ ও সমমনা বেশ কয়েকটি দলের প্রার্থী নেই এ নির্বাচনে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় ২৯৮টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়েছে। পুনঃতফসিলের কারণে পাবনা-১ ও ২ আসনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৬ জানুয়ারি।

যুগান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী।

তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন , কানাডার দুজন এবং তুরস্ক , অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।

১৮ জানুয়ারি আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন ( ইসি ) এসব প্রার্থীকে ভোটের মাঠে লড়াইয়ের সুযোগ করে দেয়। ইসির শুনানি শেষে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা তিনজন ভোটের মাঠ থেকে ছিটকে পড়েছেন। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

দ্বৈত নাগরিকত্ব ছেড়ে ভোটের মাঠে থাকা প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি মনোনীত ১০ জন, জামায়াতে ইসলামীর ৪, জাতীয় পার্টির ২, খেলাফত মজলিসের ১, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩, এনসিপির ১ এবং ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ।

ইসি সূত্র জানায়, দ্বৈত নাগরিকদের ক্ষেত্রে ইসি তার অবস্থান শিথিল করেছে। এসব প্রার্থীর অধিকাংশই গত ডিসেম্বরে নাগরিকত্ব ছেড়েছেন।

আজকের পত্রিকা

'প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রায় দুই হাজার প্রার্থী'। এটি প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়া বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থী রয়েছেন।

এছাড়া,বাড়ি ভাড়া নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নতুন আইন নিয়েও খবর রয়েছে পত্রিকাটির প্রথম পাতায়।

'নির্দেশিকার নামে ভাড়া বৃদ্ধির আয়োজন' এই খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানী ঢাকার বাড়িভাড়া-সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রণয়ন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) কর্তৃপক্ষ।

এতে বলা হয়েছে, বার্ষিক হিসাবে ভাড়া বাবদ কোনো মালিক বাড়ির বাজারমূল্যের ১৫ শতাংশের বেশি আদায় করতে পারবেন না। অগ্রিম হিসেবে নেওয়া যাবে এক থেকে তিন মাসের ভাড়া।

নতুন নির্দেশিকা গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ডিএনসিসির নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।

অবশ্য এই নির্দেশিকার ফলে বাড়িভাড়া আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আবার আইনে এক মাসের কথা বলা থাকলেও বাড়ির মালিকদের তিন মাস পর্যন্ত অগ্রিম ভাড়া নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

প্রথম আলো
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

খবরে বলা হচ্ছে, আনুষ্ঠানিক ভোটের প্রচারে নামছেন প্রার্থীরা। আজ থেকে শুরু হচ্ছে মাঠের যুদ্ধ। গতকাল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন অনেক প্রার্থী। বিশেষ করে দুই প্রধান নির্বাচনী জোটের অনেক প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

এসব প্রার্থী সরে দাঁড়ানোয় অনেক আসনে এখন এই দুই জোটের একক প্রার্থী মাঠ তাতাবেন। কোনো কোনো আসনে দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীও আছেন প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী আজ প্রার্থীদের নামে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে।

আগামীকাল থেকে শুরু হবে প্রতীক নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচার। রাত ১২টা থেকেই অনলাইনে প্রচার চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। মাঠের প্রচার শুরু হবে সকাল থেকে।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হচ্ছে সিলেট থেকে। বৃহস্পতিবার সিলেটের হযরত শাহজালাল ও শাহ পরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে দলীয় প্রচারণা শুরু করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রচার শুরু করবেন বলে জানা গেছে।

মানবজমিন

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'BNP's rebel woes just won't go away'.

খবরে বলা হচ্ছে, গতকাল মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পরেও বিএনপির কয়েক ডজন বিদ্রোহী প্রার্থী এখনও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থীদের অন্তত সাতটি আসনে তাদের জোটের মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছে।

এমন অবস্থায় রিটার্নিং কর্মকর্তারা আজ নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ করবেন। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে আগামীকাল।

মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর নির্বাচন কমিশনের পাঠানো এক বিবৃতি অনুযায়ী, গতকাল ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।

৩০০টি সংসদীয় আসনের জন্য ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন মূলত বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নিচ্ছে।

সূত্র জানায়, বিএনপি তাদের নিজস্ব প্রতীকে ২৮৬টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ১৪টি আসন সমমনা দলগুলোর সঙ্গে ভাগাভাগি করেছে। বিএনপিতে যোগদানের পর ছয়জন শরিক প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে লড়তে পারেন।

দ্য ডেইলি স্টার

নিউ এজের শিরোনাম 'Nationwide electioneering begins tomorrow'.

খবরে বলা হচ্ছে, আগামীকাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হচ্ছে।

প্রতীক পাওয়ার পর প্রার্থীরা মাঠে নামবেন। ভোটারদের সমর্থন চাইতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাজ শুরু করবেন। নির্বাচনের আগে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের জন্য তারা ঘরে ঘরে প্রচারণা শুরু করবেন।

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এর আগে ১০ই ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবনে।

গতকাল মঙ্গলবার ছিলো প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এদিন নির্বাচন কমিশন (ইসি) ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে। আপিলের পর প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন আরও ৪১৮ জন প্রার্থী।

তিনটি রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদন অনুসারে, শুধুমাত্র ঢাকা জোনেই ২০টি নির্বাচনী এলাকা থেকে ২৫ জন প্রার্থী প্রত্যাহার করেছেন।

নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, সারা দেশ থেকে তথ্য সংগ্রহের পর আজ বুধবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সম্পূর্ণ তালিকা পাওয়া যাবে

নিউ এজ

খবরে বলা হচ্ছে, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির পর মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্যও বিএনপি থেকে সরে গেল।

আসন সমঝোতা না হওয়ায় জেএসডি এককভাবে নির্বাচন করার ঘোষণা আগেই দিয়েছিল। এবার আসন সমঝোতার পরও ছাড় না দেওয়ায় বিএনপির দীর্ঘদিনের মিত্র মান্নার দল একই পথে হাঁটল।

মান্নার নির্বাচনী আসন বগুড়া-২ এ ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি নেতা শাহে আলমকে মনোনয়ন দেওয়ায় এবং শেষ মুহূর্তে তা প্রত্যাহার না করায় এই বিভক্তির সৃষ্টি হয়।

এ নিয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মাহমুদুর রহমান মান্না একাধিকবার যোগাযোগ করলেও কোনো ফল না আসায় গত সোমবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে একলা চলো নীতি অবলম্বনের ঘোষণা দেন তিনি।

এদিন সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দলের সভাপতি মান্না ঢাকা-১৮ ও বগুড়া-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এর বাইরে আরও ১০টি আসনে নিজেদের প্রার্থিতা ঘোষণা করা হয়।

সমকাল

'ভোটে অনিশ্চয়তা দেখছেন অনেকে' দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সে হিসাবে ভোটের মাঠে থাকা রাজনৈতিক দল ও অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন অংশ নির্বাচনী ভোটের বাকি মাত্র ২১ দিন। এখনো অনিশ্চয়তার কথা বলে যাচ্ছে ঘরে- বাইরে।

ভোটে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশন ও সরকারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ আনছে নিয়মিত।

একমাত্র বিএনপি ভোটকেন্দ্রিক সমালোচনা ও অনিশ্চয়তার কথা বলছে না। নির্বাচনের ঠিক আগে ভোট ঘিরে নানা অভিযোগ সাধারণ মানুষের ভেতরে সন্দেহ-সংশয় তৈরি করেছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমাদের সমাজের একটি অংশ চায় না নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হোক।'

গতকাল মঙ্গলবার পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় নির্বাচন প্রসঙ্গে এ মন্তব্য করেন উপদেষ্টা।

এই মুহূর্তে তার এ বক্তব্যও সাধারণ মানুষের কাছে ইঙ্গিতপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত রবিবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগ এনে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, এ নির্বাচনে আমরা অংশ নেব কি না, সেটি বিবেচনা করার সময় এসেছে।

দেশ রূপান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমবারের মতো দেশে একই দিনে গুরুত্বপূর্ণ এ দুটি ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই ভোট ঘিরে দেশের রাজনৈতিক মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।

এক দিকে জুলাই জাতীয় সনদের আইনিভিত্তি নিশ্চিত করতে গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষে মাঠে নেমেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা। অন্য দিকে সময় যত গড়াচ্ছে ততই 'না' ভোটের পক্ষে সংগঠিত ও দৃশ্যমান হচ্ছে ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের দোসররা।

এত দিন আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বলয় নীরবে বা আড়ালে 'না' ভোটের পক্ষে অবস্থান নিলেও এবার প্রকাশ্যে সেই অবস্থানে দাঁড়িয়েছে জাতীয় পার্টি। দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের সরাসরি গণভোট প্রত্যাখ্যান করে 'না' ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে মাঠের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন।

নয়াদিগন্ত

'২০২৫ সাল ছিল সড়কে সর্বোচ্চ মৃত্যুর বছর' বণিক বার্তার শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, সড়ক দুর্ঘটনায় ২০২৫ সালে দেশে ৫ হাজার ৪৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ তথ্য দেশের সড়ক পরিবহন খাতের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ)। সংস্থাটির হিসাবে দেশের সড়কে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে গত বছর।

সরকারি হিসাবে এমন সময়ে সড়কে বছরে সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষের মৃত্যু হলো যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছে জুলাই অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার, যে অভ্যুত্থানের বীজ ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে প্রোথিত বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, দেশে বিশৃঙ্খল সড়ক পরিবহন খাত সংস্কারের একটা বড় সুযোগ ছিল বর্তমান সরকারের হাতে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার তা করতে পারেনি, উল্টো এ সময়ে সড়কে বিশৃঙ্খলা বেড়েছে।

বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের বছর ২০১৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৬৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আট বছর পর সংখ্যাটি দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে।

আন্দোলনের পর তৎকালীন (পরবর্তী সময়ে ক্ষমতাচ্যুত) আওয়ামী লীগ সরকার নিরাপদ সড়ক আইন পাস করে। সড়ক নিরাপদ করতে গঠন করা হয় টাস্কফোর্স।