পত্রিকা: 'ভারতে অবস্থানের বিষয়ে হাসিনাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে: জয়শঙ্কর'

মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার খবর - ভারতে অবস্থানের বিষয়ে হাসিনাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে: জয়শঙ্কর।
এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন।
মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের মামলায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেছে। তাঁকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ আবারও ভারতকে চিঠি দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো জবাব মেলেনি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
হিন্দুস্তান টাইম্স লিডারশিপ সামিটে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বিশেষ পরিস্থিতিতে ভারতে এসেছেন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া তার নিজের বিষয়।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতি নিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অভিযোগ যে আগে নির্বাচন নিয়ে অসন্তুষ্টি ছিল এবং এখন স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন করা জরুরি। আগামী নির্বাচন থেকে আওয়ামী লীগকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ রয়েছে।
ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, ভারত সবসময় বাংলাদেশের মঙ্গল চায় এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যে সরকার গঠিত হবে, তারা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে ভারসাম্যপূর্ণভাবে এগিয়ে নেবে বলে তার আশা।

যুগান্তর পত্রিকার আজকের খবর- রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ঋণের উচ্চ সুদ বড় কারণ, বিনিয়োগ নেই বাড়ছে বেকার।
বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করলেও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিনিয়োগহীনতা, ব্যাংকে তারল্য সংকট ও সুদের হার বৃদ্ধি—সব মিলিয়ে শিল্পখাত চরম মন্দার মুখে।
এর ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হচ্ছে, উৎপাদন কমাতে বাধ্য হচ্ছেন শিল্পমালিকরা, এমনকি দাম কমিয়েও পণ্য বিক্রি করা যাচ্ছে না।
এই সংকটে শ্রমবাজারে প্রবেশকারী দক্ষ–অদক্ষ লাখ লাখ মানুষ কাজ পাচ্ছেন না। এক জরিপ অনুযায়ী প্রায় এক কোটি মানুষ নিজেদের যোগ্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ চাকরি খুঁজে পাচ্ছেন না, এবং একটি পদে হাজারো আবেদন জমা পড়ছে।
শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, ফলে সার্বিকভাবে দারিদ্র্যও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে এখন প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে রয়েছেন, যা মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।


নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর- বিমান ভ্রমণে এই মুহূর্তে সক্ষম নন খালেদা জিয়া। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং এখনো বিমান ভ্রমণের উপযোগী নন বলে জানিয়েছে মেডিক্যাল বোর্ড।
অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্তের জন্য প্রয়োজনীয় পর্যায়ে পৌঁছাননি তিনি।
এ কারণে লন্ডনে নেওয়া আদৌ সম্ভব হবে কি না বা কবে নেওয়া যেতে পারে, তা এখনো অনিশ্চিত।
চিকিৎসকদের মতে, খালেদা জিয়াকে নিয়মিত ঘুমের ওষুধ দেওয়া হচ্ছে এবং তিনি মাঝে মাঝে কথা বলার চেষ্টা করছেন।
শুক্রবার তার এন্ডোস্কপি সম্পন্ন হয়েছে এবং কিছু স্বাস্থ্য সূচক উন্নতির দিকে। তাঁর পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান প্রতিদিন হাসপাতালে এসে চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় করছেন।
এদিকে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, মেডিক্যাল বোর্ড বিদেশে নেওয়ার অনুমতি দিলেই কাতারের সহযোগিতায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হবে।
কাতার কর্তৃপক্ষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহের প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম- ভোটের জোটে গতি নেই। এ খবরে বলা হয়েছে, সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই হয়ে যেতে পারে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল। এর পরেই পুরোদমে ভোটের প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়বে রাজনৈতিক দলগুলো।
কিন্তু এখন পর্যন্ত দলগুলোর মধ্যে ভোটের মেরুকরণে তেমন কোনো বড় নড়চড় চোখে পড়ছে না।
ক্ষমতায় যাওয়ার পথ পাকা করার কৌশলে ভোটের আগ দিয়ে জোট গড়ার আলাপ বরাবরের মতো এবারও ছিল শুরু থেকে। কিন্তু সেই আলাপ যেন কোনো পরিণতিতে গড়াচ্ছে না।
যদিও সমন্বিতভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা এখনো বলে যাচ্ছে ছোট কয়েকটি দল।
কিন্তু প্রথাগত নির্বাচনী জোটের ঘোষণা এখনো আসেনি কারও পক্ষ থেকে।
বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)- এই প্রধান তিন শক্তি এবং তাদের মিত্র দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে কথা বলে মনে হচ্ছে, নির্বাচনী জোট বলতে যা বোঝায়, তা যে হচ্ছে না, সেটা এখন অনেকটাই স্পষ্ট।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার আজকের প্রধান শিরোনাম- Seat-sharing snub riles BNP allies অর্থাৎ আসন বণ্টনে উপেক্ষায় ক্ষুব্ধ বিএনপির সহযোগী দলগুলো।
এই খবরে বলা হচ্ছে, দলটি ২৭২ প্রার্থী ঘোষণা করেছে; এখনো জোটের কোনো অংশীদারকে আসন ছাড়েনি।
বিএনপি ২৭২ জন প্রার্থী ঘোষণা করায় জোটের অংশীদার দলগুলোতে গভীর অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। কতটি আসন তাদের জন্য ছাড়বে, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্টতা নেই।
নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার আর মাত্র কিছুদিন বাকি থাকলেও আসন বণ্টন নিয়ে বিএনপি এখনো সহযোগী দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা করেনি।
দলের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, বাকি থাকা ২৮ আসনের মধ্যে প্রায় ১৫টি জোটসঙ্গীদের দেওয়া হতে পারে- যা তাদের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম।
অন্য ১৩টি আসনও অনিশ্চিত। এর মধ্যে ছয়টিতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের আশঙ্কায় প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি, তিনটি আসনে এখনো উপযুক্ত প্রার্থী মেলেনি আর চারটিতে এলাকা-সীমানা সংশ্লিষ্ট জটিলতা রয়েছে।
বিএনপি নেতাদের মতে, সহযোগী দলকে মনোনয়ন দিতে তারা সংকোচ বোধ করছেন মূলত সাম্প্রতিক আরপিও সংশোধনের কারণে।
নতুন বিধান অনুযায়ী জোটে থাকলেও প্রতিটি দলকে নিজেদের নির্বাচনী প্রতীকেই লড়তে হবে, জোটনেতার প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না। এনিয়ে দলের হিসাব-নিকাশ আরও জটিল হয়ে পড়েছে।

প্রথম আলো পত্রিকার আজকের প্রধান খবর- কারাগারে টাকা দিলেই মুঠোফোন, বাইরের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বন্দীরা। এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই কারাগারকেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ও গাজীপুরে অবস্থিত কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার।
প্রভাবশালী ও দুর্ধর্ষ বন্দীও বেশি এই দুই কারাগারে। কড়া নিরাপত্তা ও নজরদারিও এই দুটি কারাগারে বেশি থাকার কথা।
অথচ এই দুই কারাগারের অনেক বন্দী অবৈধভাবে মুঠোফোন ব্যবহার করে বাইরের মাদক কারবার, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করেন।
কেউ কেউ রাজনৈতিক নির্দেশনাও দেন। এমনকি কারাগার ভেঙে পালানোর মতো পরিকল্পনাও করেছিলেন দুর্ধর্ষ আসামিদের কেউ কেউ।
পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকেও দেওয়া হয়েছে।
কয়েক মাস আগে দেওয়া এসবির এই প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, দেশের অন্যতম প্রধান এই দুটি কারাগারের বন্দীরা অবৈধভাবে অন্তত ৩৬০টি মুঠোফোন নম্বর ব্যবহার করছেন।
এর মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৭৯টি ও কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে ২৮১টি মুঠোফোন নম্বর ব্যবহৃত হচ্ছে বলে প্রথম আলাের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার আজকের খবর- নিচুমানের পাঠ্যবই এবারও। আগের বছরগুলোর মতো এ বছরও নিম্নমানের কাগজে ছাপা হচ্ছে পাঠ্যবই।
কয়েকটি প্রেসের বিরুদ্ধে উঠেছে রিসাইকলড কাগজে বই ছাপার অভিযোগ। মানদণ্ড অনুযায়ী এতে কাগজের জিএসএম ও ব্রাইটনেস পাওয়া যাচ্ছে না।
কিন্তু মানের ব্যাপারে কঠোর হতে গেলে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এবং ইন্সপেকশন এজেন্টের কর্মকর্তাদের।
এমনকি কর্মকর্তাদের ভয়ভীতিও দেখানো হচ্ছে।
২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রায় ৩০ কোটি বই ছাপার কাজ চলছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রাথমিকের ৯ কোটি বই এবং মাধ্যমিক ও ইবতেদায়ির জন্য ২১ কোটি বই। মোট বইয়ের এক-দশমাংশের বেশি কাজ পেয়েছে চারটি প্রেস।
সেগুলো হলো- অগ্রণী প্রিন্টিং প্রেস, কর্ণফুলী প্রিন্টিং প্রেস, কচুয়া ও আনোয়ারা প্রিন্টিং প্রেস।
এই প্রেসগুলোর মালিক পরস্পর দুই ভাই ও ভগ্নিপতি। তারা ২০০ কোটি টাকার বেশি পাঠ্যবই ছাপার কাজ পেয়েছেন। বইয়ের সংখ্যা তিন কোটির বেশি।

বণিক বার্তা পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেল- ড্রেজিংপূর্ব অবস্থার চেয়েও গভীরতা এখন কম।
খবরে বলা হচ্ছে- পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলের গভীরতা বাড়াতে গত তিন বছরে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার দুটি ড্রেজিং প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলেও এখন চ্যানেলের গড় গভীরতা আবার কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫.৮ মিটারে, যা ২০২০ সালে খনন শুরুর আগের চেয়েও কম।
চ্যানেলের পলিপ্রবণতা বিবেচনায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত ব্যয়বহুল ড্রেজিং টেকসই নয় এবং নতুন করে হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ বাংলাদেশের জন্য যৌক্তিক নয়।
এর মধ্যেই নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ১০.৫ মিটার গভীরতা নিশ্চিত করতে ৪,৬৬২ কোটি টাকার আরেকটি নতুন ড্রেজিং প্রকল্প নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে দুটি ড্রেজার কেনার পরিকল্পনাও রয়েছে।
এর আগে ২০২০–২২ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের অর্থায়নে ৪১৩ কোটি টাকার একটি রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছিল।

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Bullying, harrasment go unabated in universities দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বুলিং বা হয়রানি ও হেনস্তার ঘটনা থামছেই না।
দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বুলিং অথবা হয়রানির মতো ঘটনা থামছে না। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো তৃতীয় স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দুর্বল নজরদারি ও ভুক্তভোগীদের নীরবতার চিত্রই তুলে ধরে।
কিছু ক্ষেত্রে এই হয়রানি শিক্ষার্থীদের জীবন পর্যন্ত কেড়ে নিচ্ছে। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ছাত্র ডিএম মুসফিকুজ্জামানের আত্মহত্যার পেছনেও সহপাঠীদের বুলিংয়ের অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বাড়ানো, শৃঙ্খলা কমিটি সক্রিয় করা, কাউন্সেলিং জোরদার করা এবং কঠোর নজরদারি অত্যন্ত জরুরি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০২৩ সালের নির্দেশনায় বুলিং ও র্যাগিংকে পাঁচ ভাগে মৌখিক, শারীরিক, সামাজিক, সাইবার ও যৌন, বিভাজন করা হয়েছে।
এছাড়া শারীরিক বা মানসিকভাবে যেকোনো অপমানজনক বা কষ্টদায়ক আচরণকেও এসবের অন্তর্ভুক্ত বলা হয়েছে।
শুধু নভেম্বর মাসেই ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গনবিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্তত পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে বুলিং-এর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ইত্তেফাক পত্রিকার প্রথম পাতার খবর- কোথায় থাকবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী?
সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন একীভূত করে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন করার প্রস্তাব দিয়েছিল।
বিকল্প হিসেবে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও হেয়ার রোডের ২৪–২৫ নম্বর বাংলোও বিবেচনায় আনা হয়।
তবে কোনোটিতেই এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
কর্মকর্তাদের মতে, বিষয়টি পরবর্তী সরকারই ঠিক করবে।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ছিল গণভবন, যা গত বছরের গণঅভ্যুত্থানে ভাঙচুরের পর 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর' করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বর্তমানে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বসবাস করছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।








