'ডিসেম্বরেই ভোটে অনড় বিএনপি'

ডিসেম্বরেই ভোটে অনড় বিএনপি— কালের কণ্ঠের প্রধান খবর এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে— আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে অনড় বিএনপি। এই দাবির পক্ষে যুগপৎ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন পাচ্ছে দলটি।
এখন ডান ও বামপন্থী আরো গুরুত্বপূর্ণ দলের সমর্থন নিয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে বিএনপি।
বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতা বলেছেন, ঈদের আগে নির্বাচনের দাবিতে তারা এককভাবে কর্মসূচি পালন করেছেন। চলতি মাসে দ্বিতীয় পর্যায়ের কর্মসূচি শুরু হতে পারে। এই কর্মসূচিকে যুগপৎ আন্দোলনে রূপ দেওয়ার চিন্তা-ভাবনাও করা হচ্ছে।
দলটির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের বিষয়ে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল একমত হলে দাবি আদায় সহজ হবে।
এমন কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করার বিষয়ে মত দিয়েছেন বিএনপির উচ্চপর্যায়ের অনেকে।
নির্বাচন বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না পেলে দ্রুত কর্মসূচির দিকে এগোবেন তারা।
একই সঙ্গে সংস্কারের নাম করে ভোটের তারিখ পেছানোর চেষ্টাও বিএনপি মানবে না বলে এ খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
নারী কোটা থাকছে না প্রাথমিকে— আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হচ্ছে— সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে থাকছে না নারী, পোষ্য ও পুরুষ কোটা। উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী, কোটা থাকবে মাত্র ৭ শতাংশ। বাকি ৯৩ শতাংশ নিয়োগ মেধার ভিত্তিতে হবে।
প্রস্তাবিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫-এর খসড়ায় এমন বিধান থাকছে।
অন্তর্বর্তী সরকার আগের মতো বিভাগ ধরে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে চায়। সংগীত, শারীরিক শিক্ষা ও চারুকলা বিষয়েও প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ আসতে পারে।
সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে থেকে প্রধান শিক্ষক পদে যোগ্য প্রার্থী পাওয়া সাপেক্ষে শতভাগ পদোন্নতির ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানালেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।
এদিকে, সর্বশেষ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিধি, ২০১৯-এ বলা হয়েছে, সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদের ৬০ শতাংশ মহিলা প্রার্থী, ২০ শতাংশ পোষ্য প্রার্থী এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করা হবে। অবশ্যই ২০ শতাংশ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে এখন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৫টি। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের মধ্যে পুরুষ শিক্ষক ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন এবং মহিলা শিক্ষক ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭০ জন।

Dhaka seeks 3-month pause on new tariffs, অর্থাৎ নতুন শুল্ক তিন মাস স্থগিত চায় ঢাকা— দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম এটি। এ সংক্রান্ত খবর অন্যান্য দৈনিকগুলোতেও প্রথম পাতায় প্রকাশিত হয়েছে আজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রফতানি করা পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে আরোপিত ৩৭ শতাংশ শুল্ক আগামী ৩ মাসের জন্য স্থগিত রাখার অনুরোধ জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চিঠি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
ট্রাম্পকে লেখা চিঠিতে মুহাম্মদ ইউনূস শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূর করে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে তার সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তার রূপরেখা তুলে ধরেন।
এতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশে মার্কিন রপ্তানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এই উদ্যোগ সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।
গ্যাস টারবাইন, সেমিকন্ডাক্টর ও চিকিৎসা সরঞ্জামের মতো যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ রপ্তানি পণ্যগুলোতে শুল্কের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তুলা, গম, ভুট্টা ও সয়াবিনের মতো মার্কিন কৃষিজ পণ্য আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কাছে পাঠানো অপর এক চিঠিতে বাণিজ্য উপদেষ্টা সেখ বশির উদ্দিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আরো ১০০ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে বাংলাদেশ।
বর্তমানে দেশটি তাদের ১৯০টি পণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা পায়।

প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর— যুক্তরাষ্ট্রের ক্রয়াদেশ স্থগিত হচ্ছে।
এই খবরে বলা হয়েছে— চলতি সপ্তাহে তিন লাখ মার্কিন ডলারের চামড়ার ব্যাগ যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাতে জাহাজীকরণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল ঢাকার সাভারের এসেন্সর ফুটওয়্যার অ্যান্ড লেদার প্রোডাক্টস নামের প্রতিষ্ঠান। কিন্তু গত রোববার সকালে ক্রেতা প্রতিষ্ঠান বার্তা পাঠিয়ে পণ্য জাহাজীকরণ না করার নির্দেশনা দেন।
তাদের মতো আরও কিছু রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে মার্কিন ক্রেতাদের কাছ থেকে চলমান ক্রয়াদেশের পণ্য সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশনা পেয়েছে। কোনো কোনো ক্রেতা প্রতিষ্ঠান মূল্যছাড় চেয়েছে বলেও জানা গেছে।
গত বুধবার (২ এপ্রিল) নতুন শুল্কনীতি ঘোষণা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করেন তিনি।
তৈরি পোশাক ও চামড়া খাতের কয়েকজন রপ্তানিকারক প্রথম আলোকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোার ক্রয়াদেশ স্থগিত কিংবা মূল্যছাড়ের বিষয়ে দাবির সংখ্যাটি এখনো তুলনামূলক কম। তবে আজ-কালের মধ্যে অনেক ক্রেতা তাদের চলমান ক্রয়াদেশ নিয়ে নির্দেশনা দিতে পারেন।
ক্রেতারা কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন, জানতে চাইলে বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি রুবানা হক প্রথম আলোকে বলেন, 'রপ্তানিকারকদের কাছ থেকে আমরা জানতে পারছি, যুক্তরাষ্ট্রের বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট ও গ্যাপ বাংলাদেশের সরবরাহকারীদের ৩৭ শতাংশ শুল্ক বহন করতে বলছে। ক্রয়াদেশ স্থগিত করার নির্দেশনাও আসছে।'

ট্রাম্পের শুল্কনীতি ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ আরো উসকে দিতে পারে— বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে— দেশের ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ঋণের ২০ শতাংশের বেশি এরই মধ্যে খেলাপির খাতায় উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত পাল্টা শুল্কনীতি দেশের ব্যাংক খাতকে আরো কঠিন পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেবে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দেশের ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ঋণের ৩০-৪০ শতাংশই বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতসংশ্লিষ্ট। এ খাতে কিছু ব্যাংকের বিনিয়োগ নিজেদের ঋণ পোর্টফোলিওর অর্ধেকেরও বেশি। ঋণের পাশাপাশি ঋণপত্রের (এলসি) বড় অংশ বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতকে ঘিরে আবর্তিত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানি কমে গেলে উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি এ খাতে বিনিয়োগকারী ব্যাংকগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন।
গত অর্থবছরে দেশ থেকে ৪৪ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। এর মধ্যে ৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৭ শতাংশই রফতানি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটি এককভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রফতানি বাজার।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের মোট রফতানি আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক খাতের হাত ধরে।

বিক্ষোভে উত্তাল দেশ— মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি। গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যার প্রতিবাদে গতকাল সোমবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে। ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে এবং ফিলিস্তিনে গণহত্যার ঘটনায় বাংলাদেশের তীব্র নিন্দা, এ সংক্রান্ত খবর দেশের সকল পত্রিকা আজ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে।
মানবজমিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়লের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী 'নো ওয়ার্ক নো স্কুল' কর্মসূচিতে সাড়া দিয়ে গতকাল সকাল থেকেই বাংলাদেশের রাস্তায় নেমে আসেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। মিছিল-স্লোগানে প্রতিবাদ জানান ইসরায়লের গণহত্যা ও বর্বর আগ্রাসনের।
প্রতিবাদ-বিক্ষোভে রাজধানী কার্যত মিছিলের নগরী হয়ে ওঠে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয় ঢাকাসহ সারাদেশে।
মিছিল-সমাবেশ থেকে নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানানোর পাশাপাশি ইসরাইলি পণ্য বয়কটেরও ডাক দেয়া হয়েছে। ইসরায়লি পণ্য রাখা বা দেশটিকে সমর্থন দেয়ার অভিযোগে ভাঙচুর করা হয়েছে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে।
এছাড়া, ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের কাছাকাছি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘের প্রস্তাব এবং শান্তি, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের জন্য ফিলিস্তিনিদের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানে পৌঁছাতে কাজ করার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

গাজার অর্ধেকের বেশি ভূখণ্ড দখলে নিয়েছে ইসরায়েল— সমকালের প্রথম একটি শিরোনাম এটি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে— গাজার অভ্যন্তরে সীমান্তের কাছে বিস্তীর্ণ এলাকায় 'হত্যা জোন' তৈরি করছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
ওই স্থানে যে কেউ প্রবেশ করলে তাকে দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অনেকটাই এগিয়ে গেছে আইডিএফ।
পাশাপাশি উপত্যকার আরও ভেতরে বিভিন্ন এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে অগ্রসর হচ্ছে ইসরায়েলের বাহিনী। এরই মধ্যে অর্ধেকের বেশি এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।
গতকাল সোমবার ইসরায়লি বাহিনীর হামলায় আরও ৫৬ জন নিহত হয়েছেন। হতাহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। হামলার শিকার হয়েছে সাংবাদিকদের একটি তাঁবু। সেখানে এক ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক সদস্যের উদ্ধৃতি দিয়ে দ্য গার্ডিয়ান জানায়, গাজা সীমান্তের ভেতরে এক কিলোমিটার এলাকায় বাফার জোনের নামে ওই 'হত্যা জোন' গড়ে তোলা হচ্ছে। এজন্য ওই এলাকার বাড়িঘর, কারখানা ও খামার গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
চার সেনা সদস্য জানান, এ অঞ্চলটি গঠন করা হচ্ছে, যাতে তারা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারেন।
এ অবস্থায় গাজায় মানবিক সংকট ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। উপত্যকায় এক মাস ধরে ত্রাণ ঢুকতে দিচ্ছে না ইসরায়েল।
গত ২০ দিনে গাজায় ইসরায়েলের হামলায় ১ হাজার ৩৫০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে শিশু ৪৯০।
এ হত্যা-ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে সোমবার বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভ হয়েছে।

নির্বাচনে পোস্টার বাদ, বদলাচ্ছে আচরণবিধি— দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, পোস্টার বাদসহ নির্বাচনি আচরণবিধিতে বেশ কিছু পরিবর্তন আসছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সংক্রান্ত খসড়া প্রায় চূড়ান্ত। যা অনুমোদনের জন্য কমিশনে জমা দেওয়া হবে।
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের সমান সুযোগ দিতেই এমন উদ্যোগ বলে গতকাল সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের জানান ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
আচরণবিধির খসড়া প্রস্তাবে রয়েছে নির্বাচনি প্রচারণাপত্র বা লিফলেটে পলিথিনের আবরণ চলবে না এবং প্লাস্টিকের ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনে কোনো পোস্টার করা যাবে না, কোনো ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, ট্রেন বা অন্য কোনো যান্ত্রিক যানবাহন সহকারে জনসভা কিংবা মশাল নিয়ে মিছিল করা যাবে না। কোনো ধরনের 'শোডাউন' করা যাবে না। প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শোডাউন করা যাবে না।
নির্বাচনে কেন পোস্টার রাখতে চাচ্ছেন না, এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব এরকমই। সে প্রস্তাবকে ভালোই মনে করছি। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের বিষয়টিও আছে। গুজব যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে সেগুলোও ভাবছি।
ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, হ্যাঁ, আমাদের তো প্ল্যান আছে কবে কী করবো। এই যে আমরা মিটিং করছি। এটাও প্ল্যানিংয়ের অংশ।









